বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০৪ পি.এম
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে, যা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের পরিকল্পিত ‘সন্ত্রাসের’ বিরুদ্ধে দেশব্যাপী নৈরাজ্যের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিক্ষোভটি বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়। এরপর মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা প্রদক্ষিণ করে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, “যারা সন্ত্রাসী, যারা আগুন লাগাচ্ছে, যারা বোমাবাজি করছে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সবাই সজাগ থাকবেন, সবাই প্রস্তুত থাকবেন।”
তিনি আরও বলেন, “এই যে পরিকল্পিত ঘটনা, আজকে পত্রিকায় এসেছে বিদেশি নম্বর থেকে নির্দেশনা আসছে। টেলিফোন নম্বরটি কার? কে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নির্দেশ দিচ্ছে? ফোন নম্বরটি হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশের। তাহলে বুঝুন ষড়যন্ত্রের গভীরতা কত দূরে।”
রিজভী বলেন, “যখন প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখছেন এবং সেখানেও দেশের রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে তাদের প্রত্যাবাসনের কথা, সেখানে আরও নানা বিষয় আন্তর্জাতিকভাবে আজকে জ্বালানি সংকট, গ্যাসের সংকট, সেগুলো নিয়ে কথা বলা হচ্ছে। যদি গ্যাস অ্যাভেইলেবল হয়, যদি জ্বালানি তেলের জাহাজগুলো আসা শুরু করে, তাহলে আবারও মূল্য সমন্বয় করা হবে।”
তিনি উল্লেখ করেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটা সরকার জনগণকে কখনো কষ্ট দিতে চায় না, চায়নি। ক্ষমতায় আসার পর যুদ্ধ শুরু হয়েছে। অনেক আগেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কথা, কিন্তু সেটাকে রক্ষা করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা জাতীয় স্বার্থের সরকার, জনগণের পক্ষের সরকার, দেশের স্বাধীনতার পক্ষের সরকার, তারেক রহমানের সরকার।”
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, “আমরা আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য দেখেছি, আমরা তাদের ফ্যাসিস্ট ভূমিকা দেখেছি। আজকে এই সংগঠন সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ। তাদের দুর্নীতি-দুঃশাসন আমরা দেখেছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের দেশের জন্য কাজ করছি, লড়াই করছি। উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটা পরিকল্পনা নিয়ে উন্নয়ন এবং পাশাপাশি আমাদের রাজপথের কর্মকাণ্ডও আমরা ঠিক রেখে এই যে আমাদের লড়াই, এই যে আমাদের সংগ্রাম এটা চালিয়ে যাচ্ছি।”
এ্যানি বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করেছেন- কিছুদিন যাবত ওই নিষিদ্ধ সংগঠন আরেকটা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। বিভিন্নভাবে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে কায়েম করতে চায়। তারা পালিয়েছে পাঁচ আগস্ট। দেশের বাইরেও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দেশের ভেতরে থেকেও অনেকেই আরেকটা অপশক্তিকে সঙ্গে নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।”
তিনি জানান, “দুইটা অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই-সংগ্রাম চলছে।”
বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “দেশনায়ক তারেক রহমান যখন এই বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে সচল করার জন্য নতুন বাংলায় যাওয়ার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, ঠিক তখনই এই আট মাসের সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি মহল এবং দেশের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা একটি চক্র বাংলাদেশের উন্নয়নকে ব্যাহত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।”
তিনি বলেন, “বেশ কয়েকদিন যাবত বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে বাসে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে উন্নয়নকে ব্যাহত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে তারা।”
বকুল বলেন, “জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং জাতীয়তাবাদী দল ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন বিগত ১৭ বছরে বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজকে এখানে এসে দাঁড়িয়েছে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে, গুম হয়েছে। দেশের স্বার্থে কখনো তারা পিছু হটেনি এবং হতে জানেও না।”
তিনি আরও বলেন, “যখনই ক্রান্তিকাল এসেছে, দুঃসময় এসেছে, তখনই বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন এবং তাদের নেতাকর্মীরা জনগণের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। জনগণ যখন সুযোগ পেয়েছে, বিএনপিকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে দেশ গঠনের, দেশ রক্ষার সুযোগ দান করেছে।”
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, “বাংলাদেশে আমরা যেভাবে ফ্যাসিস্টদের কোনো আস্তানা রাখতে দেব না, ঠিক একইভাবে আমরা আজকের থেকে প্রতিজ্ঞা করছি যারা কালচারাল ফ্যাসিস্ট, যারা ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীদেরকে বাংলাদেশে পুনর্বাসন করতে চায়, আমরা তাদেরকে সরাসরি প্রতিহত করব। কোনো কালচারের ফ্যাসিস্টকে এই বাংলাদেশে আস্তানা করতে দেব না। এটি আজকের দিনের প্রতি আমাদের প্রতিজ্ঞা।”
রাকিব বলেন, “সেই সঙ্গে বিরোধী দলকে শুধু বলতে চাই- ১৯৯৬ সালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন না। আমরা ইতোমধ্যে সংশয় প্রকাশ করছি আপনাদের ভূমিকা নিয়ে। সে ধরনের আওয়ামী লীগের বিষয়ে আপনারা ১৯৯৬ এবং ১৯৮৬ সালের ভূমিকা পালন করছেন। সংশোধন হবেন। তা না হলে ছাত্র-জনতা প্রতিহত করবে।”
সমাবেশে ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘন্টা ইউনিয়নের বাবুপাড়া এলাকা থেকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩) একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল উদ্ধার করেছে।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রটি জব্দ করা হয়।
এসআরবি-১৩ জানায়, রংপুরের সিপিএসসি-এর একটি আভিযানিক দল গঙ্গাচড়া থানাধীন গজঘন্টা ইউনিয়নের গজঘন্টা বাবুপাড়া গ্রামের মো. নজরুল হক (৬০)-এর বাড়ির পেছনের রাস্তার পাশে একটি বাঁশঝাড়ে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় লোহার তৈরি সিলভার রঙের একটি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, জব্দকৃত অস্ত্রটি পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) বিভিন্ন অভিযানে উদ্ধার করা ২৬টি প্রাচীন কষ্টিপাথরের মূর্তি ও ১ হাজার ৮১৮টি মুদ্রা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী ব্যাটালিয়ন এসব প্রত্নসম্পদ জাদুঘরের ইতিহাস ও ধ্রুপদী শিল্পকলা বিভাগে হস্তান্তর করে।
রাজশাহী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার, পিএসসি, জি আর্টিলারী প্রত্নসম্পদগুলো জাতীয় জাদুঘরের পরিচালক মোঃ সাদেকুল ইসলাম ও কীপার মোহাম্মদ মনিরুল হকের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের প্রতিনিধিদলের কাছে তুলে দেন।
বৃহস্পতিবার বিকালে ১ বিজিবি, সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ পাচারসহ চোরাচালান, মাদক, অস্ত্র ও মানবপাচার প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব অভিযানে উদ্ধার হওয়া প্রাচীন নিদর্শনগুলো সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিজিবির কর্মকর্তারা বলেন, প্রত্নসম্পদ একটি দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর অবৈধ পাচার ও ধ্বংস রোধে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা মূর্তি ও মুদ্রাগুলো জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তরের ফলে এগুলোর যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সীমান্তে প্রত্নসম্পদ পাচারসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার গোকুলনগর এলাকায় সম্প্রতি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও ডাকাত আতঙ্কের বৃদ্ধি ঘটায় স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে রাত জেগে পাহারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে এই উদ্যোগের কথা জানানো হয়।
স্থানীয়দের মতে, গত কয়েকদিন ধরে রাতের অন্ধকারে মুখ ও চোখ বাঁধা এবং ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ দলের সন্দেহজনক চলাফেরা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ রাতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এলাকার প্রবেশপথ ও অলিগলিতে যুবকদের সমন্বয়ে নিয়মিত পাহারার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তি বা ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে দিতে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। অপরিচিত ব্যক্তির গতিবিধি নজরে এলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে মাইকিং ও সচেতনতামূলক প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি আক্কেল মালিথা, শেখ মজনু, সোলেমান মন্ডল, আব্দুর রহমান ও আব্দুল কুদ্দুস সানা বক্তব্য রাখেন। সভায় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসীর দাবি, স্থানীয় পাহারার পাশাপাশি স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশি টহল আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, গোকুলনগর এলাকায় ডাকাত চক্রের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর পুলিশ টহল বাড়ানো হয়েছে। ডাকাতি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রস্তুতি চলাকালীন ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা পুলিশকে জানিয়েছেন যে, তাদের সঙ্গে থাকা আরও তিনজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে মাসদাইর অক্টু অফিস এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— জয় দাস, মেহেদী হাসান (২১), রাজু (৩৯), হুমায়ূন আহমেদ (৪০), সিয়াম (২১), লিটন (৪২), রাসেল বাবু (৩০), মেহেদী হাসান মাহিন (১৮), জাহাঙ্গীর আলম (২৩), হাসান জামিল (২১), দ্বীন ইসলাম নয়ন, সুমন (২২), সিফাত (২০), আব্দুল্লাহ (১৫), ফেরদৌস (১৪) এবং অভি (১৪)।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন এ বিষয়ে বলেন, "বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।" তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তিনজন কিশোর রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ