বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:৫৫ পি.এম
বাংলাদেশ ও কুয়েত দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ২৩তম ওআইসি কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার্সের বিশেষ অধিবেশনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির কুয়েতের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হামাদ আল-মাশআনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বৃহস্পতিবার বৈঠকে হুমায়ুন কবির চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটে কুয়েতের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানান।
কুয়েতের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের সংহতি ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশ-কুয়েত যৌথ কমিশনের পরবর্তী বৈঠক দ্রুত আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অন্যান্য খাতে সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়া যায়।
হুমায়ুন কবির কুয়েতের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে জানান, বাংলাদেশও শিগগিরই যৌথ কমিশনের বৈঠক আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে প্রস্তুত। বৈঠকে বাংলাদেশ-কুয়েত সম্পর্কের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব এবং ‘বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থা’র প্রতিষ্ঠাতা তানিয়া ইশতিয়াক খান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ২৬ হাজার ফলোয়ারের মাইলফলক অর্জন করেছেন। এই আনন্দের মুহূর্তকে স্মরণীয় করে তোলার জন্য তিনি ‘টিম বিজয়ী’র ভলেন্টিয়ারদের সঙ্গে কেক কেটে সেলিব্রেশন করেন।
২৭শে আগষ্ট (মঙ্গলবার) পুরান বাজারে অবস্থিত তাঁর বাসায় নারী নেত্রী তানিয়া ইশতিয়াক খান ভলেন্টিয়ারদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা সামাজিক কার্যক্রমে নিরলসভাবে সহযোগিতা করে আসছেন এবং ফেসবুক পেজে সবসময় সক্রিয় থাকেন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সামাজিক সচেতনতা ও নারী উন্নয়নে ভলেন্টিয়ারদের এই সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভলেন্টিয়ারদের হাতে বিশেষ শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন তানিয়া ইশতিয়াক খান। এই সময় ভলেন্টিয়ারদের মধ্যে এক উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিসিইউ) স্থানান্তরের আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ডিসিইউর রেজিস্ট্রার মো. শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থী স্থানান্তর ও পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংশ্লিষ্ট একাডেমিক প্রোগ্রামে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ২৩ আগস্ট শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে শিক্ষা উপদেষ্টা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ডিসিইউ প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সাত কলেজের অধ্যক্ষদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দ্রুত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হবে। একই সঙ্গে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠন করা হবে ‘স্থানান্তর বাস্তবায়ন কমিটি’।
রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উল্লিখিত তিন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের তালিকা, পরীক্ষার ফল, সিলেবাস ও একাডেমিক রেগুলেশনের হার্ড ও সফটকপি ডিসিইউ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করবে।
শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও তথ্যসেবা দিতে ডিসিইউর প্রশাসনিক কার্যালয় এবং সাত কলেজের প্রতিটিতে পৃথক হেল্পডেস্ক চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, প্রকাশিত রোডম্যাপ অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সিলেবাস অনুসারেই অনুষ্ঠিত হবে।
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফরম পূরণ হবে সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালে এবং পরীক্ষা শুরু হবে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ ক্ষেত্রে টার্মপেপার মূল্যায়ন স্ব স্ব কলেজের বিভাগ সম্পন্ন করবে।
২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণ অক্টোবর ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হবে। তাদের পরীক্ষা শুরু হবে একই বছরের নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে।
অন্যদিকে, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ফরম পূরণ হবে ডিসেম্বর ২০২৬ সালে। এ বর্ষের পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।
বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার রুটিন ও চূড়ান্ত তারিখ খুব শিগগিরই পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিসিইউ কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছয়টি দোকান সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। এই দুর্ঘটনায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। বুধবার রাত ১২টার দিকে নাসিরনগর উপজেলা সদরের থানা রোডে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে নাসিরনগর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, শর্টসার্কিটের কারণে আগুনের উৎপত্তি ঘটেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এবং ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা যায়, দিলীপ সরকারের মেসার্স আনন্দময়ী ভান্ডার থেকে আগুনের শুরু হয়। এরপর মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশেপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে দিলীপ সরকারের মেসার্স আনন্দময়ী ভান্ডার, জগবন্ধু স্টোর, শামসু মিয়ার মুদিমালের দোকানসহ মোট ছয়টি দোকান পুড়ে যায়। নাসিরনগর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মোতাহার হোসেন জানান, রাত ১২টা ১ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে তাদের প্রায় ৫ মিনিট সময় লেগেছিল। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও অগ্নিকাণ্ডের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। এদিকে পূর্বভাগ গ্রামের ব্যবসায়ী জগবন্ধু দেবনাথের দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর শুনে তার মেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির গুইমারা রিজিয়নের লক্ষ্ণীছড়ি জোনের সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুল্যাতলী এলাকায় স্থানীয় জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার, দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার মেজর নাহিয়ান ইমতিয়াজ এই চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। দুল্লাতলীসহ আশপাশের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ চিকিৎসাসেবা নিতে এই মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন এ উপস্থিত হন। সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ও মেডিক্যাল টিমের পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন মহিলা চিকিৎসকও এই ক্যাম্পেইন এ চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, ২২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির তত্ত্বাবধানে সম্প্রতি প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা স্থানীয় শিক্ষার্থীরাও এই কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। তারা সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল টিমের সঙ্গে সমন্বয় করে আগত রোগীদের প্রাথমিক সেবা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সন্তোষ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়। মানুষের প্রয়োজনের সময়ে পাশে থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আবারও প্রমাণ করেছে-মানুষের কল্যাণেই সেনাবাহিনী, মানুষের পাশে সবসময়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ