পারভিন আক্তার, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০১:৩৯ এম
১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার আগামী ১৫ জুন সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বিতর্ক কর্মশালার মাধ্যমে আট দিনব্যাপী এ উৎসবের যাত্রা শুরু হবে।
এ উৎসবে প্রাথমিক পর্যায়ে ৩২টি এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে ২৮টি দল নকআউট পদ্ধতিতে অংশ নেবে।
প্রতিযোগিতা শেষে সেরা দুটি দলকে নিয়ে আগামী ২২ জুন সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
উৎসবের গুণগত মান ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন এবং সহযোগী সংগঠন ‘লজিক অব বাংলাদেশ’ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, যুক্তিবোধ সৃষ্টি, দলগত কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবশেষে বাকেরগঞ্জের সাংবাদিক দানিসুর রহমান লিমন জামিন পান পরিকল্পিত হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায়। আদালতে মামলার বাদী নিজেই উপস্থিত হয়ে পুরো ঘটনার পেছনে ভুল বোঝাবুঝির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং আপোষ-মীমাংসার স্বাক্ষরিত নথি আদালতে জমা দেন। বাদীর বক্তব্য ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আদালত সাংবাদিক লিমনের জামিন মঞ্জুর করেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। একজন সংবাদকর্মী যখন দীর্ঘদিন ধরে এলাকার দুর্নীতি, অনিয়ম ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের বিরাগভাজন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়ে থাকে। লিমনের ক্ষেত্রেও কি তেমন কিছু ঘটেছে—এ প্রশ্নটি বর্তমানে জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়; বরং সমাজের আয়না হিসেবে সত্যকে তুলে ধরা একজন সংবাদকর্মীর দায়িত্ব। কিন্তু প্রায়ই দেখা যায়, সত্য প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের নানা ধরনের চাপ, হুমকি, হয়রানি কিংবা মামলার মুখোমুখি হতে হয়। লিমনের সাম্প্রতিক ঘটনা সেই বাস্তবতারই আরেকটি আলোচিত উদাহরণ বলে অনেকেই মনে করছেন।
আদালতের জামিনাদেশটি কেবল একজন সাংবাদিকের ব্যক্তিগত স্বস্তি নয়, এটি ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের আস্থাকে আরও শক্তিশালী করে। তবে প্রশ্ন রয়ে যায়—যদি বাদী নিজেই ভুল বোঝাবুঝির কথা স্বীকার করেন, তাহলে একজন সংবাদকর্মীকে কেন এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হলো?
সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কলম ধরা মানুষদের পাশে দাঁড়ানো সমাজের কর্তব্য। সাংবাদিকদের বিপদে সহযোগিতা করতে না পারলেও অন্তত তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও অযাচিত হয়রানির অংশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।
কারণ, স্বাধীন ও নির্ভীক সাংবাদিকতা টিকে থাকলে সমাজে জবাবদিহিতা টিকে থাকে; আর জবাবদিহিতা থাকলেই গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের ভিত্তি শক্তিশালী হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কাফরুল এলাকায় মোটরসাইকেল চালকের মাথায় আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল কালু (২৭) কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৪।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মো. ফয়সাল কালু (২৭) কে গ্রেফতার করাহয়।
র্যাব জানায়, সম্প্রতি মোটরসাইকেল চালকের মাথায় আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযানে নামে র্যাব।
গ্রেফতার আসামির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ব্যবসা নিয়ে মোটরসাইকেল চালক রাফির সঙ্গে অভিযুক্তদের পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিলো। কয়েকদিন পূর্বেও এনিয়ে কথা কাটাকাটি হয়।
ঘটনার দিন রাফি একা বাইক চালিয়ে আসছিল। এসময় ওই রাস্তায় কালু, পারভেজসহ তার সহযোগীরা আড্ডা দিচ্ছিলো। রাফিকে একা দেখে তারা আটকাতে যায়। কালু বাইকারকে আটকাতে ব্যর্থ হলে একটু সামনে অবস্থান করা পারভেজ ইটের টুকরো দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এতে বাইকার পড়ে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। পরবর্তীতে অভিযুক্তরা বাইকারকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায় এবং গত রাতে অপারেশন হয়।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে র্যাব-৪ এর অভিযানিক দল অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা সূত্রের ভিত্তিতে কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানায় র্যাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দ্বারা সম্ভাব্য পুশইনের আশঙ্কায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় বাসিন্দারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিএসএফের যেকোনো ধরনের পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করার জন্য সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
বুধবার রাত থেকে রৌমারী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি, আনসার, গ্রাম পুলিশ এবং বিভিন্ন বয়সী স্থানীয় তরুণ-যুবকসহ অন্যান্য মানুষেরা পাহারায় অংশ নেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম এই বিষয়ে নিশ্চিত করে বলেন, রৌমারী সীমান্তে বিএসএফ একাধিকবার পুশইনের চেষ্টা করলেও বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের সতর্ক অবস্থানের কারণে তাদের চেষ্টা সফল হয়নি।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, উপজেলার খেওয়ারচর সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৬৯ নম্বর মেইন পিলারের ২৪ নম্বর সাব-পিলারের নিকটে ভারতীয় সদরটিলা বিএসএফ ক্যাম্পের কাছে কিছু ভারতীয় মুসলিম নাগরিককে ট্রাকে করে জড়ো করা হয়েছে। তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা হতে পারে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকাতে মাইকিং করা হয়।
খবর পেয়ে শত শত মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেন। সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ ঠেকাতে গ্রামের লোকজন সীমান্তজুড়ে পাহারা শুরু করেন। একইসঙ্গে বিজিবিও সীমান্তে টহল ও নজরদারি বাড়িয়ে দেয়।
খেওয়ারচর বিজিবি ক্যাম্পের ল্যান্স নায়েক সুমন আলী বলেন, সাধারণ জনগণের সাথে বিজিবি সদস্যরাও পুশইন ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। কোনো ধরনের পুশইন বরদাশত করা হবে না। এর আগেও বিএসএফ কয়েক দফা চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে এবং এবারও তারা সফল হতে পারেনি।
এছাড়া উল্লেখ্য, গত শনিবার থেকে বুধবার রাত পর্যন্ত রৌমারী সীমান্তে সম্ভাব্য পুশইনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতাদের মধ্যে উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। যা নগরীর ময়লাপোতা মোড়ে অবস্থিত। এখন এই হাসপাতালে চলছে উদ্ধার অভিযান।
রোগীদের সঙ্গে সঙ্গে রোগীর স্বজনদেরও হাসপাতাল থেকে নামিয়ে অন্য হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে এবং তুলনামূলক সুস্থ রোগীদের তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এই মুহূর্তে কতজন রোগীকে হাসপাতালে থেকে বাইরে নেওয়া হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সোয়া ১টায় যখন এই রিপোর্ট লেখা হচ্ছিল, তখন ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি, পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযানের কাজ চালাচ্ছিলেন।
রাত ১টা ৬ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয় এবং জানানো হয়, বর্তমানে হাসপাতালে ৪ জন রোগী রয়েছেন। তাদের মধ্যে যারা সম্পূর্ণ সুস্থ, তাদেরকে নামিয়ে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্বজনদের সেখানে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য যে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ