ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আমলকী যেভাবে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়


আমলকী যেভাবে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়

আমলকী শুধুমাত্র কাঁচা খাওয়া হয় না, বরং এটি দিয়ে তৈরি মোরব্বা ও চাটনিও বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আবার আমলকীর রস খেতে বেশি পছন্দ করেন। এই ছোট সবুজ ফলটি সুপারফুড হিসাবে সমাদৃত এবং পুষ্টিগুণে এটি ভরপুর। নিয়মিত আমলকী খেলে ত্বকের উন্নতি, চুল মজবুত করা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার মতো আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

কেন আমলকীকে এত স্বাস্থ্যকর বলা হয়?

ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপকারী যৌগের সমৃদ্ধ হওয়ায় আমলকী আমাদের দেশে সহজলভ্য সবচেয়ে পুষ্টিকর ফলগুলোর মধ্যে একটি। নিয়মিত এই ফল খেলে শরীরে অনেক পুষ্টির ঘাটতি সহজেই পূরণ করা যায়।

আরও পড়ুন: যমুনার বুকে চায়না বাঁধের রূপালী উপাখ্যান

আমলকীর রস: উপকারী কিন্তু ফাইবারের অভাব

আমলকী খাওয়ার অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপায় হচ্ছে এর রস। সরাসরি ফলটি খেতে চাইলে এভাবে খেতে পারেন। তবে রস করে খাওয়া হলে এতে থাকা বেশিরভাগ ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়। যদিও রসে থাকা অনেক ভিটামিন ও খনিজ পাওয়া যায়, কিন্তু ফাইবারের অভাবে শরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান থেকে বঞ্চিত হবে, যা হজম ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে।

আস্ত কাঁচা আমলকী: পুষ্টিগুণে ভরপুর কিন্তু সবার জন্য নয়

আস্ত কাঁচা আমলকী খেলে আপনি ফাইবারসহ এর সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ পেতে পারেন। কিন্তু কাঁচা আমলকীর তীব্র টক এবং কষটে স্বাদ সবার কাছে আকর্ষণীয় নাও লাগতে পারে। কিছু মানুষের জন্য এটি হজম করাও কঠিন হতে পারে, বিশেষ করে বেশি পরিমাণে খেলে।

আরও পড়ুন: ‘ভালোবাসি’ বললেই কি যথেষ্ট? সম্পর্কে ৫টি বিষয়ও জরুরি

ফার্মেন্টেড আমলকী: বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

ফার্মেন্টেড আমলকী এই ফলটি খাওয়ার সেরা উপায় হতে পারে। এটি ফাইবারের সঙ্গে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করে এবং অসাধারণ প্রোবায়োটিক হিসেবেও কাজ করে। গাঁজন প্রক্রিয়া উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। একইসাথে, ফলটিতে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইবার ধরে রাখতে সহায়তা করে।

দিনে কতগুলো আমলকী খাওয়া যাবে?

আমলকী খাওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। এটি দিনের যেকোনো সময় উপভোগ করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটি আমলকী খাওয়ার পরামর্শ দেন। ভালোভাবে চিবিয়ে খেলে এর ফাইবার এবং পুষ্টিগুণ সবচেয়ে ভালোভাবে পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: প্রতিদিন কতগুলো ডিম খাওয়া নিরাপদ?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত চিনি কি শরীরের ক্ষত নিরাময়ের গতি কমায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


অতিরিক্ত চিনি কি শরীরের ক্ষত নিরাময়ের গতি কমায়?

আপনি হয়তো অনেককে বলতে শুনেছেন, "চিনি খাওয়া কমিয়ে দিন, এতে আপনার ক্ষত দ্রুত সেরে উঠবে"। কিন্তু এর মধ্যে কি কোনো সত্যতা আছে? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর মধ্যে বেশ খানিকটা সত্যতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ক্ষত নিরাময়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানোর মতো একমাত্র বিষয় চিনি নয়, কিন্তু যেহেতু রক্তে শর্করার মাত্রা ক্রমাগত বেড়ে গেলে তা ক্ষত নিরাময়কে বিলম্বিত করতে পারে, তাই এটি একটি কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ ক্ষত নিরাময়কে ধীর করে দিতে পারে, বিশেষ করে যদি তা বেশি পরিমাণে খাওয়া হয় কিংবা রক্তে শর্করার মাত্রা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না হয়।

ক্ষত নিরাময় কীভাবে কাজ করে?

ক্ষত নিরাময় হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা সহজ নয়। এটি কয়েকটি বিষয়ে নির্ভর করে, যার মধ্যে রয়েছে কার্যকরী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ভালো রক্ত সরবরাহ এবং টিস্যু পুনর্গঠনের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টির প্রয়োজন। যখন এই বিষয়গুলোর মধ্যে কিছু একটিতে ব্যাঘাত ঘটে, তখন নিরাময় প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ এমন একটি বিষয় যা এই ভারসাম্য নষ্ট করে দিতে পারে।

শরীরের নিরাময় ক্ষমতার ওপর চিনির প্রভাব

অতিরিক্ত চিনি খেলে শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এই ধরনের প্রদাহ যখন দীর্ঘস্থায়ী হতে থাকে, তখন এটি সক্রিয়ভাবে টিস্যু মেরামতের কর্মকাণ্ডে বাধা জন্ম দেয়। এটি একটি চক্র তৈরি করে যা থেকে শরীরের পক্ষে নিজে থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে।

যখন রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে বৃদ্ধি পেতে থাকে, যেমনটা ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তখন এটি ধীরে ধীরে রক্তনালীগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটি শরীরের যেসব অংশ মেরামত করা হচ্ছে, সেখানকার পর্যাপ্ত অক্সিজেন এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি বহন করার জন্য রক্তনালীগুলোর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। কিন্তু এখানে শেষ নয়। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে শ্বেত রক্তকণিকাগুলোও দুর্বল হয়ে পড়ে, যে কোষগুলোর ওপর শরীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য নির্ভর করে। এর ফলস্বরূপ, ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগে, সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে এবং জটিলতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

বার্নস অ্যান্ড ট্রমা (Burns & Trauma) জার্নালে প্রকাশিত একটি 2025 সালের পর্যালোচনা বিষয়ক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ক্ষত নিরাময়ের প্রতিটি পর্যায়ে গ্লুকোজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শরীর রোগ প্রতিরোধক কোষগুলোকে শক্তি দিতে, নতুন টিস্যু তৈরিতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক মেরামতের কাজে গ্লুকোজ ব্যবহার করে। কিন্তু যখন গ্লুকোজের বিপাকে সমস্যা ঘটে, যেমন ডায়াবেটিসে দেখা যায়, তখন এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের সৃষ্টি করে। ফলে এটি নিরাময় প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং সংক্রমণ অথবা অঙ্গহানির মতো গুরুতর জটিলতার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

এখানে প্রেক্ষাপটটি গুরুত্বপূর্ণ। ফল, শাক-সবজি এবং দুগ্ধজাত পণ্যে থাকা চিনি এবং ক্যান্ডি ও সফট ড্রিংকসে থাকা চিনি এক সমান নয়। প্রাকৃতিক চিনির উৎসগুলো সর্বোত্তম স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করা হয়।

ক্ষত দ্রুত নিরাময়ে আপনার যা খাওয়া উচিত

যদি আপনার কোনো দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত, আঘাত বা অস্ত্রোপচার হয়ে থাকে, তবে সঠিক টিস্যু মেরামতের জন্য প্রোটিন, গোটা শস্যের ভিটামিন ও খনিজ নিয়মিত আপনার খাবারের তালিকায় রাখতে হবে। এছাড়া শস্যদানা, ফল ও শাক-সবজি খাওয়াও জরুরি। প্রচুর তরল গ্রহণ করতে হবে। সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে রক্তে শর্করার স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের কাছে মা-বোন কেমন নিরাপদ দেখেছে দেশবাসী : কামরুল হুদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫০ পি.এম


জামায়াতের কাছে মা-বোন কেমন নিরাপদ দেখেছে দেশবাসী : কামরুল হুদা

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা বলেছেন, "আমরা ৩০ লাখ শহীদ আর দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ দেশের স্বাধীনতা পেয়েছি। স্বাধীনতাবিরোধীরা যুদ্ধের সময় মা-বোনের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে এখনও তা করছে।"

তিনি বলেন, "আপনারা দেখেছেন, জামায়াতের একজন এমপির কাছে নাতনির বয়সী অসহায় মেয়ে চাকরি জন্য গিয়ে ইজ্জত হারিয়েছে। জামায়াতের কাছে মা-বোন কেমন নিরাপদ দেশবাসী দেখেছে।"

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) সংসদীয় আসনের উন্নয়নসহ সকল বিষয়ে তদারকি নিয়ে উপজেলার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম হলে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

কামরুল হুদা আরও বলেন, "চৌদ্দগ্রামে বিএনপির অনেক নেতা আছেন, যাদের সন্তান জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি সঙ্গে জড়িত, আবার কারো কারো বউও জামায়াত করেন।"

তিনি যোগ করেন, "আপনি বিএনপির নেতা হয়ে মঞ্চে বসবেন, ছেলেকে জামায়াত করার সুযোগ দেবেন, আপনার বউ জামায়াত করবেন, আপনাকে রান্না করে খাওয়াবেন, দয়া করে এমন নেতারা বিএনপির অনুষ্ঠানে আসবেন না। দলের ক্ষতি করবেন না।"

তিনি বলেন, "চৌদ্দগ্রামে জামায়াত উন্নয়নের নামে খোকাবাজি শুরু করেছে। আপনারা দেখেছেন যে রাস্তা নির্বাচনের ৪ মাস আগে কাজ শেষ হয়েছে।

ওনি নির্বাচনের ৩ মাস পরে গিয়ে উদ্‌বোধন করেন। চৌদ্দগ্রামের জনগণ আপনাদের খোকাবাজি বুঝে গেছে।"

মতবিনিময় সভায় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির সভাপতি জিএম তাহের পলাশীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত নারী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম রাজু, সিনিয়র সহ-সভাপতি হারুনর রশীদ মজুমদার, সহ-সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান মুক্ত, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, আক্তার হোসেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির সহ-সভাপতি গাজী শহিদ, উপজেলা বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম দুলাল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুলাল পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম চুট্টু, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি গুলশান আরা পুতুল, পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি মরিয়ম আক্তার শিখা, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি শাহ আলম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন মামুন, পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক মো. হাসান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফখরুল হাসান, পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ইব্রাহিম খলিল অনিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেনের নীল জলরাশি থেকে কক্সবাজারে ফিরে আসার টান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫২ পি.এম


স্পেনের নীল জলরাশি থেকে কক্সবাজারে ফিরে আসার টান

মন যখন পরিযায়ী, তখন তো উড়াল দিতে চাইবেই দূর-দূরান্তে। তাই এক চিলতে অবসর মিললেই ছুট দেই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। ভ্রমণপিপাসু এই আমি এবার বেছে নিয়েছি ইউরোপকে। প্যারিস, নেদারল্যান্ডের পর পা রেখেছি স্পেনে। এর আগে ইউরোপের যুক্তরাজ্য সফর করেছি। ইংরেজ ভূখণ্ডের অনেক কিছুই মনে ছাপ ফেলেছে। এখনও হাতছানি দেয় বৃহৎ এই দ্বীপ দেশটি। তাই সুযোগ মিললে আবার সেখানে ছুটে যেতে চাই।

তবে এবারের সফর প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, স্পেনের মনোমুগ্ধকর নৌবন্দর আর নীল জলরাশির সমুদ্রতট। বিশেষ করে সন্ধ্যায় যে অপরূপ দৃশ্য, তা ছবির মতো বললে ভুল হবে না। সেই সময়ে সমুদ্র জল চিরে দিগ্বিদিক ছুটে চলা ইয়েটে সময় কাটানো অন্যরকম এক অনুভূতি এনে দেয়। স্পেনের আকর্ষণীয় বিষয়গুলোর মধ্যে আরো আছে বহু বছরের পুরোনো স্থাপত্য আর ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই; যা পরিচিত মেটাডোর নামে।

এটি স্বীকার করতেই হয়– যে দেশেই যাই না কেন, তার অপার সৌন্দর্যের বয়ান স্বল্পকথায় তুলে ধরা কঠিন। স্পেনের বেলায়ও সে কথা প্রযোজ্য। একইভাবে নেদারল্যান্ডস নিয়ে বলতে গেলেও কথা ফুরোবে না।

আমস্টারডাম ও জানদাম ঘুরে একটি কথাই নির্দ্বিধায় বলা যায়, প্রকৃতি তাঁর অপার সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে এই দেশটিতে। বাংলাদেশের সঙ্গে একটি মিলও রয়েছে নেদারল্যান্ডের, তা হলো: পুরো দেশজুড়ে অসংখ্য নদী শাখা-প্রশাখা মেলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

জানদাম শহর ঘুরতে গিয়ে আলাদাভাবে চোখে পড়েছে সেখানকার কাঠের স্থাপত্য আর উইন্ডমিলগুলো। কৃষি বিপ্লবে উইন্ডমিলগুলো দারুণ ভূমিকা রেখে চলেছে। নেদারল্যান্ডসের ঐতিহাসিক বোটানিক্যাল গার্ডেনে ঘুরে দেখার মুহূর্তগুলো অসংখ্য ছবির ফ্রেমের মতো মনের দেয়ালে জায়গা করে নিয়েছে।

ইউরোপ সফরের কথা বলতে গেলে, ছবি ও কবিতার দেশ ফ্রান্সকে কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যায় না। প্যারিসের আইফেল টাওয়ার থেকে শুরু করে কানের সমুদ্রপার, ভার্সেই প্রাসাদ, মন্ট-সেন্ট মিচেল, নোটেড্রাম ক্যাথেড্রাল, লুভ্যর জাদুঘর থেকে শুরু করে আরও কত কী দেখার আছে, তা গুনে বলা কঠিন। তাই ফরাসি দেশ ভ্রমণের গল্পটা না হয় আলাদাভাবে তোলা রইল অন্য দিনের জন্য।

ইউরোপে যে দেশে পা রাখা হোক না কেন, তা নতুন সব গল্পের জন্ম দেয়। বর্ণনার মধ্য দিয়ে ভ্রমণকাহিনি হয়ে ওঠে দারুণ দৃশ্যময়। তবু কেন জানি, মন বারবার টেনে নিয়ে আসে নিজ দেশের প্রকৃতির কাছাকাছি। মন বারবার চায়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ভেজা বালিতে পা রেখে দীর্ঘ পথ হাঁটতে। একইরকম ইচ্ছে হয় থাইল্যান্ড সফরে গেলেও।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপহরণ রোধে পদক্ষেপের আশ্বাসে ৯০ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ পি.এম


অপহরণ রোধে পদক্ষেপের আশ্বাসে ৯০ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থী

 

টেকনাফে অপহরণ, মুক্তিপণ, ডাকাতি ও মানবপাচার বন্ধ করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে ৯০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আমরণ অনশন পালনকারী শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম জিহাদী তাঁর অনশন প্রত্যাহার করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে অনশনস্থলে গিয়ে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং দাবিগুলো শোনেন।

এ সময়, সংসদ সদস্য টেকনাফের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে তাঁর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে সাইফুল ইসলাম জিহাদী অনশন ভঙ্গ করেন।

সাইফুল ইসলাম জিহাদী টেকনাফের বাহারছড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে যাওয়া অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, ডাকাতি ও মানবপাচারের ঘটনার প্রতিবাদে এবং এসব অপরাধ দমনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছিলেন।

অনশন চলাকালে, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, ছাত্র ও পেশাজীবী সংগঠন, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক এবং সচেতন নাগরিক তাঁর দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

এছাড়া টেকনাফেও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মানববন্ধন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁর দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

অনশন ভাঙার পর, সাইফুল ইসলাম জিহাদী বলেন, "সংসদ সদস্যের দেওয়া আশ্বাস দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং টেকনাফে অপরাধ দমনে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে আশা করি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%