বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:০০ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত নজরুল বর্ষ উপলক্ষে বগুড়া লেখক চক্রের উদ্যোগে আগামী ২৭-২৯ নভেম্বর তিন দিনের একটি কবি সম্মেলন বগুড়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ম্যাক্স মোটেলে সংগঠনের সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ। সভাটি সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কবি ইসলাম রফিক। সভায় বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা এ্যাড. পলাশ খন্দকার, কবি প্রাবন্ধিক খৈয়াম কাদের, সাধারণ সম্পাদক গল্পকার আব্দুর রাজজাক বকুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক এস এম আনিছুর রহমান, আসর পরিচালনা সম্পাদক কবি আবু রায়হান, গণ সংযোগ সম্পাদক কবি অনন্য রাসেল, নির্বাহী সদস্য ছড়াকার আমির খসরু সেলিম, কবি মাহাবুব টুটুল এবং কবি শাকিবুল শাকিল। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কবি কামরুজ্জামান মাসুম, কবি হাবীবুল্লাহ জুয়েল, কবি মনসুর রহমান তানসেন, কবি শাহানূর শাহিন, কবি শুভ্রা সাহা, বাণী রাণী পাল, শাহানা পারভীন, পারভীন নাহার এবং বখতিয়ার হোসাইন।
সভায় কবি সম্মেলন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কালাম আজাদকে আহবায়ক এবং ইসলাম রফিককে সদস্য সচিব করে কবি সম্মেলন উদযাপন পরিষদ গঠন করা হয়। সভায় কবিদের আবাসন, খাবার, পরিবহন, উপহার সামগ্রী, বাজেট, প্রকাশনা, ব্যানার, কবি ও কবিতার ফেস্টুন তৈরী করাসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রধান অতিথি ও কবি সম্মেলন উদযাপন পরিষদের আহবায়ক কালাম আজাদ তার বক্তব্যে বলেন, "বগুড়া লেখক চক্র একটি ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য সংগঠন। সংগঠনের দীর্ঘদিনের সুনাম এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জেলা বিবেচনা করে কবি সম্মেলন সফল করতে সবার সহযোগিতা নিয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।" তিনি জানান, কবি সম্মেলনে একাধিক মন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। কবি সম্মেলন সফল করতে তিনি সংগঠনের সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে পরকীয়া ও পারিবারিক কলহের কারণে স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে স্বামী রাশেদুল ইসলাম(৪১) মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার(৮ অক্টোবর) ভোর ৫ টার দিকে উপজেলা ধল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধল্লা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত রাশেদুল ইসলাম লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার ধুবনী গ্রামের মৃত সুরমান আলীর পুত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্ববর্তী সাভার এলাকায় গার্মেন্টসে পোশাককর্মী হিসেবে কাজ করতেন। এই সুযোগে তারা উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধল্লা এলাকায় জমি ক্রয় করে সন্তানসহ বসবাস করে আসছিলেন। এ সময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ ও স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে নিয়ে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকার বিষয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।
এরই ধারাবাহিকতায়, স্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে স্বামীকে ধারালো ছুরি দিয়ে পেটে আঘাত করলে তার নাড়িভুড়ি বের হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়ির সামনে থেকে অটোরিকশাযোগে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু পথিমধ্যে তার মৃত্যু ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্ত্রী হাসনা বেগম তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ছুরি ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে শেষ মুহূর্তে ইলিশের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যেখানে শতাধিক ক্রেতা খালি হাতে ফিরছেন। সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার শেষ সময়ে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ইলিশের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় থাকলেও মাছের অভাবে তারা হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন। ফরিদপুর সদরপুর, চরভদ্রাসন, ভাঙ্গা, সালথা এবং নগরকান্দা উপজেলা বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে এমনই পরিস্থিতির খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞার ঠিক আগের মুহূর্তে ইলিশ কেনার জন্য বাজারে প্রচুর ক্রেতার সমাগম ঘটে। কিন্তু অধিকাংশ মাছের দোকানে পর্যাপ্ত ইলিশের জোগান ছিল না।
শেষ মুহূর্তে বাজারে আসা ক্রেতারা এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরেও তাদের পছন্দের ইলিশ পাননি। কিছু দোকানে অল্প কিছু ইলিশ থাকলেও তার দাম ছিল অত্যধিক। ফলে অনেক ক্রেতা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দাম ও ঘাটতির কারণে মাছ না কিনে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
তবে কিছু ক্রেতা খোঁজাখুঁজির পর ইলিশ কিনতে পেরে কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ওষুধ ব্যবসায়ী কাজী রায়হান বলেন, "নিষেধাজ্ঞার আগে পরিবারের জন্য একটা ইলিশ কেনার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু বাজারে এসে দেখি মাছ নেই বললেই চলে। বেশ কয়েকটি দোকান ঘোরার পর শেষ পর্যন্ত একটা মাছ পেয়েছি।"
একই অভিজ্ঞতার কথা জানান বস্ত্র ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, "ইলিশ কিনতে এসে প্রথম দিকে কোনো মাছ পাচ্ছিলাম না। অনেক ঘুরে শেষ পর্যন্ত পেয়েছি, তবে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই কম।"
মাছ না পেয়ে ফিরে যাওয়া একাধিক ক্রেতা জানান, রাত ১২টার পর থেকে টানা ২২ দিন ইলিশ কেনাবেচা বন্ধ থাকবে, তাই তারা শেষবারের মতো মাছ কিনতে এসেছিলেন। কিন্তু সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে সরবরাহ আরও কমে যায়, যা হতাশাজনক।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগের শেষ সময়ে হঠাৎ ইলিশের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায়। সেই তুলনায় আড়ত থেকে সরবরাহ কম থাকায় বাজারে এই সংকট তৈরি হয়েছে। যে সামান্য পরিমাণ ইলিশ এসেছে, তা আসা মাত্রই চড়া দামে বিক্রি হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রজনন সুরক্ষায় বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত ১২টার পর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও প্রদর্শনীর ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি উল্লেখ করেছেন, "ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার।" তিনি বলেন, সকল ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে। বিএনপি সরকারের সময়ে কোনো ধর্মের লোকই অত্যাচার বা নির্যাতনের শিকার হবে না।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। বাংলাদেশ সকল ধর্ম ও মতের লোকদের নিয়ে সহাবস্থান করবে। প্রত্যেককে নিজের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে এবং অন্যের ধর্মকেও সম্মান করতে হবে। বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) উপজেলা হলরুমে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্য রাখেন, এএসপি সার্কেল এস এম মামুনুর রশিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম মাস্টার, ওসি মোঃ মুরাদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন মাস্টার প্রমুখ। জনাব আযম আরও উল্লেখ করেন, সখিপুরের ৪৪টি পূজা মন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং সরকারের পক্ষ থেকে অনুদান প্রদান করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) স্বল্প ও মধ্যম আয়ের ৪০ হাজার পরিবারের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং দুর্যোগ-সহনশীল আবাসনের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনকে (পিকেএসএফ) ১০ কোটি ডলার ঋণ প্রদান করবে। এই অর্থের মাধ্যমে ‘ইনক্লুসিভ অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং ফাইন্যান্স প্রজেক্ট’ বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী ঋণচুক্তিতে এবং পিকেএসএফের সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক ড. একেএম নুরুজ্জামান প্রকল্প চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এডিবির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং উভয় চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
প্রকল্পের অর্থে নতুন বাড়ি নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান বাড়িগুলো মেরামত ও উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গৃহঋণ পাওয়া কঠিন—এমন পরিবারগুলোকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি নারী ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষের আবাসন নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হবে।
বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অতিরিক্ত তাপসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে বাড়ির নকশা, নির্মাণ ও সুরক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে দুর্যোগে জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি আবাসন-সহনশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ