০৯:৩২ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী উপ-প্রেসসচিব সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) মন্তব্য করেছেন যে, রাজাকাররা যখন আওয়ামী লীগের মেশিনে প্রবেশ করত, তখন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো। ঠিক একইভাবে জামায়াতের মেশিনে অপরাধীরা প্রবেশ করলে ফেরেশতা হয়ে বের হয়। তিনি বলেন, ‘জামায়াতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়! এর আগে আওয়ামী লীগের মেশিনে যেমন রাজাকার গেলে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো।’
শনিবার (৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সুজাউদ্দৌলা তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘জুলাই আন্দোলনকারীদের রাজাকার বানিয়েছিল স্বৈরাচার হাসিনার সঙ্গে আরেকজন কথিত নেতা; মেজর আখতার। স্বৈরাচার পতনের পরে হাসিনা ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং মেজর আখতার জামায়াতে চলে গিয়েছিল! বাহ, সুন্দর না!’
আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য
তিনি আরও বলেন, ‘এই মেজর আখতার বিমানবন্দরের দুই কর্মকর্তার গায়ে হাত দিল, নির্বাহী পরিচালককে যাচ্ছেতাই মুখের ভাষা ব্যবহার করে মারতে উদ্যত হয়েছিল। ডিউটিরত অবস্থায় গায়ে হাত তোলা ফৌজদারি অপরাধ। এই অপরাধে মামলা হয়েছে, অপরাধী আটকও হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই জামায়াতিরা জেগে উঠলো। আমির বিবৃতি দিয়ে বললেন, তিনি অপরাধ করেননি! হ্যাঁ, আমির সাব হয়তো ঠিকই বলেছেন, কারণ তাদের অপরাধ তো শুরুই হয় বলাৎকার আর ধর্ষণ দিয়ে! এর নিচে কোনো অপরাধ, অপরাধ নয়! তাদের নেতাদের অপরাধ হইতেই পারে না!’
তিনি আরো লেখেন, ‘জামায়াতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়! এর আগে আওয়ামী লীগের মেশিনে যেমন রাজাকার গেলে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো, ঠিক তেমনি এখন জামায়াতের মেশিনে অপরাধী-দুর্নীতিবাজ আর বলাৎকারীরা গেলেই ফেরেশতা হয়ে বের হয়। আর ছাগল চোর গেলেই রাজনীতিবিদ হয়ে বের হয়।’
সুজাউদ্দৌলা তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, ‘হাসিনা পালানোর সময় তাদের মাসতুতো ভাই জামায়াতের কাছে তাদের এই মেশিন দিয়ে গেছে! কি আজব মেশিন মাইরি!! বিরুদ্ধে গেলেই চাঁদাবাজ আর সঙ্গে থাকলেই পীরসাব!’
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘সরকার অপরাধীদের শাস্তি দেয় আর জামায়াত দিচ্ছে আশকারা।’
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উন্নীত করবে: জহির উদ্দিন স্বপন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন