ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামায়াতের আশকারায় অপরাধীরা ফেরেশতা, ছাগল চোর রাজনীতিবিদ: সুজাউদ্দৌলা


জামায়াতের আশকারায় অপরাধীরা ফেরেশতা, ছাগল চোর রাজনীতিবিদ: সুজাউদ্দৌলা

প্রধানমন্ত্রী উপ-প্রেসসচিব সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) মন্তব্য করেছেন যে, রাজাকাররা যখন আওয়ামী লীগের মেশিনে প্রবেশ করত, তখন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো। ঠিক একইভাবে জামায়াতের মেশিনে অপরাধীরা প্রবেশ করলে ফেরেশতা হয়ে বের হয়। তিনি বলেন, ‘জামায়াতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়! এর আগে আওয়ামী লীগের মেশিনে যেমন রাজাকার গেলে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো।’

শনিবার (৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সুজাউদ্দৌলা তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘জুলাই আন্দোলনকারীদের রাজাকার বানিয়েছিল স্বৈরাচার হাসিনার সঙ্গে আরেকজন কথিত নেতা; মেজর আখতার। স্বৈরাচার পতনের পরে হাসিনা ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং মেজর আখতার জামায়াতে চলে গিয়েছিল! বাহ, সুন্দর না!’

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

তিনি আরও বলেন, ‘এই মেজর আখতার বিমানবন্দরের দুই কর্মকর্তার গায়ে হাত দিল, নির্বাহী পরিচালককে যাচ্ছেতাই মুখের ভাষা ব্যবহার করে মারতে উদ্যত হয়েছিল। ডিউটিরত অবস্থায় গায়ে হাত তোলা ফৌজদারি অপরাধ। এই অপরাধে মামলা হয়েছে, অপরাধী আটকও হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই জামায়াতিরা জেগে উঠলো। আমির বিবৃতি দিয়ে বললেন, তিনি অপরাধ করেননি! হ্যাঁ, আমির সাব হয়তো ঠিকই বলেছেন, কারণ তাদের অপরাধ তো শুরুই হয় বলাৎকার আর ধর্ষণ দিয়ে! এর নিচে কোনো অপরাধ, অপরাধ নয়! তাদের নেতাদের অপরাধ হইতেই পারে না!’

তিনি আরো লেখেন, ‘জামায়াতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়! এর আগে আওয়ামী লীগের মেশিনে যেমন রাজাকার গেলে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো, ঠিক তেমনি এখন জামায়াতের মেশিনে অপরাধী-দুর্নীতিবাজ আর বলাৎকারীরা গেলেই ফেরেশতা হয়ে বের হয়। আর ছাগল চোর গেলেই রাজনীতিবিদ হয়ে বের হয়।’

সুজাউদ্দৌলা তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, ‘হাসিনা পালানোর সময় তাদের মাসতুতো ভাই জামায়াতের কাছে তাদের এই মেশিন দিয়ে গেছে! কি আজব মেশিন মাইরি!! বিরুদ্ধে গেলেই চাঁদাবাজ আর সঙ্গে থাকলেই পীরসাব!’

সবশেষে তিনি লেখেন, ‘সরকার অপরাধীদের শাস্তি দেয় আর জামায়াত দিচ্ছে আশকারা।’

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উন্নীত করবে: জহির উদ্দিন স্বপন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুবিতে ৬৮২৭ জনের স্বাস্থ্যসেবায় মাসে মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ টাকা ৫৫ পয়সা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


কুবিতে ৬৮২৭ জনের স্বাস্থ্যসেবায় মাসে মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ টাকা ৫৫ পয়সা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ৬ হাজার ৮২৭ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭ লাখ টাকা। এই বরাদ্দের ফলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্যের স্বাস্থ্যসেবায় বছরে বরাদ্দ পড়ছে ১০২ টাকা ৫৪ পয়সা। মাসের হিসাবে এই অর্থের পরিমাণ মাত্র ৮ টাকা ৫৫ পয়সা।

সীমিত এই বরাদ্দের পাশাপাশি ওষুধের সংকট, চিকিৎসক ও জনবল ঘাটতি এবং রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের সেবা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট ও একাডেমিক শাখার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কুবির মোট বাজেট ৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে বরাদ্দ ৭ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক শূন্য ৮৪ শতাংশ।

একাডেমিক শাখার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৬ হাজার ২১৩ জন শিক্ষার্থী, ২৮৬ জন শিক্ষক এবং ৩২৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। সব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৬ হাজার ৮২৭ জন।

মেডিকেল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চিকিৎসা খাতে বরাদ্দ ছিল ৬ লাখ টাকা করে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ৭ লাখ টাকা করা হয়। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেও একই পরিমাণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এই ৭ লাখ টাকার প্রায় ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা ও মেরামতে ব্যয় হয়। বাকি ৮০ শতাংশ ওষুধ কেনায় ব্যয় করা হয়।

মেডিকেল সেন্টারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে ওষুধ কেনার জন্য বরাদ্দ থাকে ৬০ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৯ হাজার টাকা ভ্যাট হিসেবে চলে যায়। ফলে ওষুধ কেনায় কার্যত ব্যয় করা যায় ৫১ হাজার টাকা। এই অর্থে মাসে ১২ ধরনের ওষুধসহ অন্যান্য ওষুধসামগ্রী কেনা হয়। তবে মেডিকেল সেন্টার থেকে কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক সরবরাহ করা হয় না।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনেক ওষুধই মেডিকেল সেন্টারে পাওয়া যায় না। ফলে সামান্য অসুস্থতার চিকিৎসা নিতেও তাঁদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. বায়েজিদ হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে অবহেলিত সেক্টর হচ্ছে মেডিকেল সেক্টর। শিক্ষার্থীরা এখানে ন্যূনতম সেবা পায় না। ছয় হাজার শিক্ষার্থীর জন্য দুটি অ্যাম্বুল্যান্স যথেষ্ট নয়। আমি দাঁতের ব্যথার জন্য মেডিকেল সেন্টারে গিয়েছিলাম। আমাকে শুধু গ্যাসের ট্যাবলেট আর এইস দেওয়া হয়েছে।’

ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম ভূঁইয়া বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারকে নাপা সেন্টার বলা হয়। বর্তমানে কিছু ওষুধ আসছে। কিন্তু এতে পরিপূর্ণ সেবা পাওয়ার সুযোগ নেই। কোনো শিক্ষার্থীর জ্বর হলে তাকে ব্লাড টেস্টের জন্য শহরে যেতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘ছোটখাটো সমস্যার জন্য যে সেবাটা প্রয়োজন, সেটাও যথেষ্ট পরিমাণে নেই। পরিপূর্ণ একটি সেবাদান কেন্দ্র করতে হলে একটি মিনি প্যাথলজি, একজন ফার্মাসিস্ট ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন।’

অর্থ ও ওষুধের সংকটের পাশাপাশি মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসকের সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় কম। সেখানে পাঁচজন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও একজন শিক্ষাছুটিতে থাকায় বর্তমানে কর্মরত আছেন চারজন। এর বাইরে দুজন খণ্ডকালীন চিকিৎসক, একজন সহকারী রেজিস্ট্রার, একজন নার্স ও তিনজন সাপোর্টিভ স্টাফ রয়েছেন।

মেডিকেল সেন্টারের ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমাদের স্টেকহোল্ডারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, ওষুধের চাহিদাও বাড়ছে। সে তুলনায় ওষুধের জোগান কম আছে। প্রতিবছর ইন্সট্রুমেন্ট কিনতে মোট বাজেটের প্রায় ২০ শতাংশ খরচ হয়। প্রতি মাসে যে পরিমাণ ওষুধ কেনা হয়, সেই টাকার ১৫ শতাংশ মেডিকেল ট্যাক্স দিতে হয়।’

জনবল সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিপরীতে আমাদের জনবলও কম আছে। উপাচার্য স্যারকে জানিয়েছি, স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হলে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের কিছু লোকবল দরকার।’

মেডিকেল সেন্টারে একজন আবাসিক চিকিৎসক, একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন ক্লিনার প্রয়োজন বলেও জানান তিনি। বিশেষ করে বন্ধের দিনগুলোতে প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আবাসিক চিকিৎসক এবং ওষুধ ব্যবস্থাপনার জন্য ফার্মাসিস্ট প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

মেডিকেল সেন্টারে রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীদের ছোটখাটো রোগ শনাক্ত করতেও ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ দ্রুত শনাক্ত করতে একটি মিনি প্যাথলজি স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমাদের যদি মিনি প্যাথলজি থাকত, এখন যে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব চলছে, তা দ্রুত শনাক্ত করা যেত।’

তবে মিনি অপারেশন থিয়েটার চালুর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, ‘আগামী কিছুদিনের মধ্যে আমাদের মিনি অপারেশন থিয়েটার চালু হবে। সেখানে আমরা প্রাথমিক ট্রিটমেন্টগুলো দিতে পারব। সবকিছু প্রস্তুত আছে, রুমটি বুঝে পেলেই আমরা কার্যক্রম শুরু করতে পারব।’

মেডিকেল সেন্টার সূত্র জানায়, বর্তমানে রাত ৮টা পর্যন্ত চিকিৎসাসেবা চালু থাকে। সম্প্রতি চিকিৎসক ও নার্সদের দায়িত্ব ভাগ করে রোস্টার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ছুটির দিনেও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সপ্তাহান্তে রোস্টার চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মেডিকেল সেন্টারের পাশাপাশি আবাসিক হলগুলোতেও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সীমিত বরাদ্দে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গিয়ে ওষুধ, জনবল ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সংকট তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষার্থীদের দাবি, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ, জনবল ও রোগ নির্ণয়ের সুবিধা নিশ্চিত করা হোক।

চিকিৎসা খাতে বরাদ্দ কম থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘সরকারের কাছ থেকে আমরা আরও বাজেট চাই। সেক্ষেত্রে বেশি বাজেট পেলে চিকিৎসা খাতেও বাজেট বাড়াতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ওষুধের দামও বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই পরিমাণ ওষুধ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে একটা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিত শর্মা ২২ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন, দ্রুততম ১০ হাজার রানে পৌঁছালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


রোহিত শর্মা ২২ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন, দ্রুততম ১০ হাজার রানে পৌঁছালেন

রোহিত শর্মা ২২ বছরের পুরনো একটি রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৯২ রানের ইনিংস খেলে তিনি দ্রুততম ১০ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছেছেন। ওপেনার হিসেবে লিটল মাস্টার টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভেঙে হিটম্যান এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।

রোহিতের এই মাইলফলকে পৌঁছাতে ২০২ ম্যাচের প্রয়োজন হয়েছে। শচীন টেন্ডুলকারের জন্য এটি ছিল ২১৪ ম্যাচ, অর্থাৎ রোহিত ১২ ম্যাচ কম খেলেই এই রেকর্ড গড়েছেন। এক দিনের ক্রিকেটে ওপেনার হিসেবে ১০ হাজার রান করার ক্ষেত্রে রোহিত এখন চতুর্থ ব্যাটার।

রোহিতের আগে এই তালিকায় ছিলেন শচীন টেন্ডুলকার, ক্রিস গেইল এবং সনৎ জয়সূরিয়া। ওপেনার হিসেবে সবচেয়ে বেশি রান এখনও ভারতীয় ব্যাটিং মাস্টার শচীনের, যার রান ১৫ হাজার ৩১০, যা তিনি ৩৪০ ইনিংসে করেছেন। জয়সূরিয়ার ৩৮৩ ইনিংসে রান ১২ হাজার ৭৪০ এবং গেইলের ২৭৪ ইনিংসে রান ১০ হাজার ১৭৯।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপরাধ দমনে টঙ্গী পূর্ব থানা এগিয়ে ছিনতাই তাই-মাদক দমনে টঙ্গী পূর্ব থানার অভিযান জোরদার, ৪০ দিনে গ্রেপ্তার ৪১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ফারুক হোসেন টঙ্গী (গাজীপুর)

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


অপরাধ দমনে টঙ্গী পূর্ব থানা এগিয়ে ছিনতাই তাই-মাদক দমনে টঙ্গী পূর্ব থানার অভিযান জোরদার, ৪০ দিনে গ্রেপ্তার ৪১৯

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান, ধারাবাহিক অভিযান এবং একের পর এক গ্রেপ্তারে অপরাধীদের বিরুদ্ধে তৎপরতা জোরদার করেছে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকছুদুল আলমের নেতৃত্বে গত ৪০ দিনে বিভিন্ন মামলায় ৪১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিনতাই মামলায় ৫৮ জন, মাদক মামলায় ৩৬ জন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে ১৪২ জন এবং অন্যান্য মামলায় ১৮৩ জন রয়েছেন। একই সময়ে উদ্ধার করা হয়েছে ৫৭২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, প্রায় ১৮ কেজি গাঁজা, ২২ গ্রাম হেরোইন, ১৫ বোতল বিদেশি মদ এবং বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র। অপরাধীদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়েছেন টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মাকছুদুল আলম। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, অপরাধী যত শক্তিশালী বা প্রভাবশালীই হোক না কেন, অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। প্রত্যেক অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশের অভিযানের কারণে অপরাধে জড়িত অনেকেই ইতিমধ্যে গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে আত্মগোপনে থেকেও অপরাধীরা রেহাই পাবে না; তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। ওসি মাকছুদুল আলমের নেতৃত্বে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ ছিনতাই, মাদক কারবার, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি, নিয়মিত টহল এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৪০ দিনে ছিনতাই মামলায় ৫৮ জন, মাদক মামলায় ৩৬ জন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে ১৪২ জন এবং অন্যান্য মামলায় ১৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৪১৯ জন। এসব অভিযানের পাশাপাশি মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে। পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকের মধ্যে রয়েছে ৫৭২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, প্রায় ১৮ কেজি গাঁজা, ২২ গ্রাম হেরোইন ও ১৫ বোতল বিদেশি মদ। এ ছাড়া বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ ও শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত টঙ্গীতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ছিনতাই, মাদক কারবার এবং অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মোবাইলের আসক্তি ইয়াবার চেয়েও ভয়ংকর’ বললেন আশরাফ উদ্দিন নিজান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৫ পি.এম


‘মোবাইলের আসক্তি ইয়াবার চেয়েও ভয়ংকর’ বললেন আশরাফ উদ্দিন নিজান

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান মন্তব্য করেছেন যে, মোবাইলের আসক্তি ইয়াবার চেয়েও ভয়ংকর। তিনি উল্লেখ করেছেন, মোবাইল ব্যবহারকারী ব্যক্তিদের চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যায় এবং এর ফলে শরীরে বিভিন্ন রোগব্যাধি ও ব্রেনের ক্ষতি হতে পারে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার নাছিরগঞ্জ ওয়ারিয়াস ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আশরাফ উদ্দিন নিজান আরও বলেন, "আমাদের সরকার ঘোষণা করেছে যে, প্রত্যেক ইউনিয়নে একটি করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে। আমরা শুধু মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। মোবাইলের আসক্তি থেকে বেরিয়ে খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা করলে শরীর সুস্থ থাকবে।"

জাতীয় সংসদের এই হুইপ বলেন, যুবকরা ১৭ বছর ধরে আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশ নিয়েছে। ছাত্র-জনতা তাদের তাজা রক্ত দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি ফ্রি-ফেয়ার নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনে সহায়তা করেছে। তিনি সেই সমস্ত ছাত্র-জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%