ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ভর্তি, দ্বিতীয় থেকে নবমে পরীক্ষা


প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ভর্তি, দ্বিতীয় থেকে নবমে পরীক্ষা

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে আসন্ন শিক্ষাবর্ষে (২০২৭) শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা জারি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই নীতিমালায় প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে। দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হবে পরীক্ষার মাধ্যমে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) মন্ত্রণালয় এ ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক একজন শিক্ষার্থী সর্বাধিক পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম দিতে পারবেন। তবে, যদি বিদ্যালয়টি দুই পালায় (ডাবল শিফট) চলে, তাহলে উভয় পালায় পছন্দ করলে দুটি বিদ্যালয় পছন্দক্রম হিসেবে গণ্য হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে।

আরও পড়ুন: যবিপ্রবির শিক্ষার্থী তানভীরুল হককে কান ফাটানোর ঘটনায় সাময়িক বহিষ্কার

অন্যদিকে, দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে শূন্য আসনে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে। এর মধ্যে, দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ৫০ নম্বরের এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন চরে বেড়িবাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্রের অভাব, ঝুঁকিতে বাসিন্দারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ এম


পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন চরে বেড়িবাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্রের অভাব, ঝুঁকিতে বাসিন্দারা

পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস পাওয়া সত্ত্বেও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। অনেক এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধের অভাব রয়েছে এবং ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রও নেই। এই কারণে দুর্যোগের সময় নদী ও সাগর পেরিয়ে মূল ভূখণ্ডে যাওয়ার পথ হয়ে ওঠে অত্যন্ত বিপজ্জনক। এমন পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচাতে গাছ আঁকড়ে ধরা কিংবা উত্তাল পানির সঙ্গে লড়াই করা ছাড়া অনেকের সামনে আর কোনো উপায় থাকে না। বিশেষ করে নারীরা, শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েন।

রাঙ্গাবালী উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ চর কাশেমের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রায় এই সংকটের চিত্র স্পষ্ট। বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে জেগে ওঠা চরটিতে সড়কপথে সরাসরি যাতায়াতের কোনো সুযোগ নেই। সেখানে নৌকা ও ট্রলারই যোগাযোগের একমাত্র ভরসা। অথচ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এখানকার বাসিন্দাদের সুরক্ষায় কোনো বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ কিংবা ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নেই।

একই পরিস্থিতি দেখা যায় গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ চর বাংলায়। নদী ও সাগরবেষ্টিত এসব জনপদে প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেই টিকে থাকতে হয় মানুষকে। ঘূর্ণিঝড় কিংবা জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা দেখা দিলে নিরাপদ আশ্রয় নিয়ে তৈরি হয় চরম অনিশ্চয়তা। দুর্যোগের সময় কোথায় যাবেন এবং কীভাবে পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে নেবেন, তা নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েন বাসিন্দারা।

চর কাশেম ও চর বাংলা ছাড়াও পটুয়াখালীতে রয়েছে চর আন্ডা, চর হেয়ার, চর বেষ্টিন, চর নজির, চর ইমারশন ও চর কারফর্মারের মতো বেশ কয়েকটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। এসব এলাকার অধিকাংশ স্থানে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় কোনো অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। কোথাও নেই পাকা আশ্রয়কেন্দ্র, আবার কোথাও নদী ও সাগরের তীরবর্তী অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গড়ে উঠেছে বসতি।

নদীভাঙনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা এসব মানুষের পক্ষে বড় কোনো দুর্যোগের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। স্থানীয় পর্যায়ে আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় মূল ভূখণ্ডে যাওয়ার জন্য নৌকা বা ট্রলারের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের সময় উত্তাল নদী পেরিয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা আরও বড় বিপদের কারণ হতে পারে। ফলে পূর্বাভাস পাওয়ার পরও অনেকে সময়মতো নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারেন না। বাধ্য হয়ে অনেকেই গাছপালা আঁকড়ে ধরে কিংবা পানির স্রোতের সঙ্গে লড়াই করে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেন। বিশেষ করে শিশু, নারী, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হয় সবচেয়ে বেশি।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. তারিকুল ইসলাম সজিব বলেন, "উপকূলীয় দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম সতর্কবার্তার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ জনপদে নিরাপদ আশ্রয়, টেকসই বেড়িবাঁধ, কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা ও দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম নিশ্চিত করা জরুরি। বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে এসব সুবিধা না থাকলে সতর্কবার্তা পেলেও মানুষের পক্ষে নিরাপদ স্থানে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে।"

জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা এসএম দেলোয়ার হোসেন জানান, উপকূলীয় এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও উন্নয়নে প্রকল্প নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে যেসব দ্বীপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেখানে সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের প্রস্তাবনা আগেই দেয়া আছে। পর্যায়ক্রমে সব দ্বীপে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।

উপকূলের মানুষের দুর্যোগ আতঙ্কের পেছনে রয়েছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের করুণ ইতিহাস। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে আনুমানিক তিন লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এছাড়া ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় সিডরে প্রাণ হারান ৩ হাজার ৩৬৩ জন। ভয়াবহ এসব দুর্যোগের ক্ষত ও স্মৃতি আজও উপকূলের মানুষের মনে তীব্র আতঙ্ক তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঠেকানো সম্ভব না হলেও পরিকল্পিত প্রস্তুতি ও কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাণহানি কমিয়ে আনা সম্ভব। বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বেড়িবাঁধের সুরক্ষা, নিরাপদ যাতায়াত এবং দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম নিশ্চিত করা গেলে দুর্যোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা, দুর্যোগের পর ত্রাণের অপেক্ষায় থাকতে হবে না তাঁদের; বরং দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই নিশ্চিত হবে নিরাপদ আশ্রয় ও জীবন রক্ষার স্থায়ী ব্যবস্থা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিরোজপুরে একই পরিবারের ৭ সদস্য ডেঙ্গু আক্রান্ত, শয্যাসংকট বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৪ এম


পিরোজপুরে একই পরিবারের ৭ সদস্য ডেঙ্গু আক্রান্ত, শয্যাসংকট বাড়ছে

পিরোজপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেন কমার নামই নিচ্ছে না। জেলায় একই পরিবারের নয় সদস্যের মধ্যে সাতজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি মৌসুমে এই জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজারেরও বেশি ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ধীরগতির কারণে রোগীদের ভোগান্তি ও অতিরিক্ত খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

পিরোজপুর সদর উপজেলার শিকারপুর এলাকার তিন বছরের শিশু মুনতাহা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ দিন ধরে জেলা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তার মা, যিনি মেয়ের পাশে থাকার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তিনিও একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মুনতাহা ও তার মায়ের মতো, নয় সদস্যের পরিবারের সাতজনই বর্তমানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন।

রোগীদের অভিযোগ, ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা অত্যাবশ্যক হলেও সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে তিন থেকে চার দিন সময় লেগে যাচ্ছে। ফলে রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রক্ত ও প্লাটিলেট পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। এতে প্রতিদিন অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে রোগী ও তাদের স্বজনদের।

শিশু মুনতাহার বাবা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “প্রতিদিন সাতজনের রক্ত পরীক্ষা করাতে অনেক টাকার প্রয়োজন হচ্ছে। হাসপাতালে যদি দ্রুত রক্তের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো যেত, তবে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য অনেক সুবিধা হতো।”

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ১০০ শয্যার পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি রোগীর সংখ্যা তিনশরও বেশি। তীব্র শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকে বেড না পেয়ে মেঝে ও বারান্দায় অবস্থান নিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। গুরুতর অবস্থায় থাকা রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হচ্ছে।

শুধু শিশু মুনতাহার পরিবারই নয়, জেলা হাসপাতালে এখন এমন অনেক রোগী রয়েছেন, যারা পরিবারের একাধিক সদস্যকে নিয়ে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে আরও ৭২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৮৯ জন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৪০৪ জনে পৌঁছেছে।

পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমান জানান, অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে চিকিৎসকদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ১০০ শয্যার হাসপাতালটিতে রোগীর সংখ্যা তিনশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চিকিৎসাসেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। তবে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে হাসপাতালের চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে, সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

একই পরিবারের একাধিক সদস্য আক্রান্ত হওয়ায় চিকিৎসার ব্যয় ও ভোগান্তি যেমন বাড়ছে, তেমনি হাসপাতালেও তৈরি হয়েছে শয্যা সংকট। এ অবস্থায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও কার্যকর জনসচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুর মেডিকেলে ২৩ কোটি টাকার অপচয় ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৪ এম


ফরিদপুর মেডিকেলে ২৩ কোটি টাকার অপচয় ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকের

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাযন্ত্র ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারি অর্থের প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকার অপচয় ও অনিয়মের তথ্য পেয়েছে। চিকিৎসা সামগ্রী (এমএসআর) ক্রয় এবং অ্যাম্বুলেন্স ভাড়াসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক অব্যবস্থাপনার প্রমাণও মিলেছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে এক ব্রিফিংয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান এসব তথ্য প্রকাশ করেন। এর আগে সোমবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত অভিযানটি পরিচালিত হয়।

দুদক জানায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হাসপাতালের ক্যানসার ইউনিটের জন্য সাড়ে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে লিনিয়ার এক্সিলারেটর আনা হলেও তা আজও বাক্সবন্দি অবস্থায় রয়েছে। একই অর্থবছরে কার্ডিওলজি বিভাগে আট কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ক্যাথল্যাব স্থাপন করা হলেও তা চালু করা হয়নি। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও যন্ত্রপাতি চালু না করেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পুরো অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তা জানান, চিকিৎসা সামগ্রী (এমএসআর) ক্রয়ে নথিপত্রের সঙ্গে মজুতের ব্যাপক গরমিল পাওয়া গেছে। সিটিস্ক্যান ও এক্স-রে ফিল্ম সরবরাহ না করেই ঠিকাদারকে বিল পরিশোধের অভিযোগও উঠেছে। হাসপাতালের চালু অ্যাম্বুলেন্সগুলোর গত এক মাসের ভাড়ার কোনো অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি। রোগীদের হয়রানি এবং দালাল চক্রের মাধ্যমে বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানোর সত্যতাও পাওয়া গেছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘অভিযানে সংগৃহীত সব রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণ করে অনিয়মে জড়িতদের দায় নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হবে এবং কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মানস কৃষ্ণ কুণ্ডু এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ‘দুদক কর্মকর্তাদের চাহিদামতো সব তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে। যন্ত্রপাতি দুটি দীর্ঘদিন পড়ে থাকার বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। তবে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার তথ্য সঠিক নয় এবং চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়ে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা আমার জানা নেই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাকিবের চিত্রনাট্যে নির্মিত হবে শাকিবের ‘মহব্বত’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৫ এম


রাকিবের চিত্রনাট্যে নির্মিত হবে শাকিবের ‘মহব্বত’

ইউটিউবার রাশেদুজ্জামান রাকিব ঢালিউড সিনেমায় পদার্পণ করলেন। ‘আরএনএআর’ নামে পরিচিত এই ইউটিউব ব্যক্তিত্ব সিনেমা সমালোচক হিসেবে নেটিজেনদের মধ্যে যথেষ্ট জনপ্রিয়। এবার তিনি চিত্রনাট্য রচনার মাধ্যমে সিনেমা নির্মাণের দক্ষতা প্রদর্শন করবেন। এই চিত্রনাট্যে অভিনয় করবেন ঢালিউডের মেগাস্টার শাকিব খান। সিনেমাটি নির্মাণের দায়িত্ব পালন করছেন নির্মাতা হিমেল আশরাফ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাশেদুজ্জামান রাকিব এবং নির্মাতা উভয়েই তাদের পোস্ট শেয়ার করেছেন। নির্মাতার পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে,  ‘সিনেমাকে এতদিন গভীর বিশ্লেষণের চোখে দেখেছেন, এবার সেই ভালোবাসা গল্পের পাতায় রূপ নেবে। সিনেমা নিয়ে বিশ্লেষণের পর এবার সিনেমাকে সাজানোর পালা, রাশেদুজ্জামান রাকিব তার চিত্রনাট্য লেখার সূচনা করছেন ‘মহব্বত’ দিয়ে।’

নির্মাতার এমন পোস্টের পর নেটিজেনরা অপেক্ষা করছেন সিনেমা সমালোচক কিভাবে চিত্রনাট্য লেখেন তা জানার জন্য। পাশাপাশি, সিনেমাটির নায়িকা কে হতে চলেছেন তা জানার জন্য দর্শকরা উদগ্রীব হয়ে আছেন। তবে সিনেমা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সিনেমাটিতে কোন নায়িকা থাকছেন তা খুব শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

প্রসঙ্গত, ঢালিউডের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘প্রিয়তমা’ ও ‘রাজকুমার’-এর মতো এই সিনেমাতেও কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন শাকিব খান। সিনেমাটি নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছেন হিমেল আশরাফ এবং এটি প্রযোজনা করবে ভার্সেটাইল মিডিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%