বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৭ পি.এম
বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তানভীর হাসান তাসরিফের নির্মম হত্যাকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ, গভীর শোক ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ধারণ ও প্রকাশের বিষয়টি জড়িত।
বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাক উল্লেখ করেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা পালনকারী দেশপ্রেমিকদের একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে একটি বিশেষ কুচক্রী মহল। শহীদ তাসরিফের হত্যাকাণ্ডটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি মূলত জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধ্বংস করার এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষকদের স্তব্ধ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী ও ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা না হয় এবং জুলাইয়ের পক্ষে শক্তিগুলো সময়মতো সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ না হয়, তাহলে সামনের দিনগুলোতে জুলাইয়ের বীর যোদ্ধাদের আরও মারাত্মক ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হবে। সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের পক্ষ থেকে দেশবাসী ও জুলাই বিপ্লবের চেতনায় বিশ্বাসী সকলকে এই কঠিন সময়ে সতর্ক ও জাগ্রত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মায়ের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাসে থাকা মো. খোরশেদ আলম দেশে ফিরে আসেন। তার মায়ের দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরদিন, চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে তার নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় খোরশেদ আলম আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
বৃহস্পতিবার, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘটনার বিচার এবং নিজের নিরাপত্তা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে খোরশেদ আলম জানান, তিনি ৪৯ বছর ধরে প্রবাসে বসবাস করছেন। গত ১৯ অক্টোবর তার মায়ের মৃত্যু হলে পরদিন তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং দাফন সম্পন্ন করেন। এরপর ২১ অক্টোবর দুপুরে চান্দগাঁও থানার মোহাম্মদনগর ফরিদারপাড়া হালদা রোড এলাকায় তার নির্মাণাধীন ভবনে হামলার ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২১ অক্টোবর বেলা আড়াইটার দিকে মকসুদুল আলমের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি নির্মাণাধীন ভবনে প্রবেশ করেন। এ সময় ভবনের দারোয়ান শাহজাহানকে মারধর করা হয় এবং ভবনের সিঁড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে।
খোরশেদ আলমের দাবি, হামলাকারীরা ভবন থেকে ২৬৭ বস্তা সিমেন্ট, সাড়ে তিন টন রড এবং প্রায় দুই লাখ টাকার সেন্টারিংয়ের কাঠসহ মোট প্রায় ছয় লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। এছাড়া ভাঙচুরের মাধ্যমে প্রায় তিন লাখ ৬৫ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে খোরশেদ আলম বলেন, "আমরা রেমিটেন্স যোদ্ধারা প্রবাসে তিলে তিলে অর্থ উপার্জন করে দেশে পাঠাই। যদি দেশে এসে আমাদের নিজেদের সম্পত্তি ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত না থাকে এবং এর সুষ্ঠু বিচার না পাই, তবে দেশের রেমিটেন্স সেক্টর মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।" তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকি মৌসুম শুরুর পূর্বেই বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রায় ১২০০ মাছ ধরার ট্রলার একযোগে সেখানে চলে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এসব ট্রলার দুবলার চরের দিকে রওনা দেয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে মাইকিং করে জানানো হয়েছিল যে, অনুমতি ছাড়া সুন্দরবনে প্রবেশ করা যাবে না। এই ঘটনায় বন বিভাগের নজরদারি এবং নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দীপন চন্দ্র দাস বলেন, গত রাত থেকে চিলা বাজার ও জয়মনিঘোল এলাকায় কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছিল। মাইকিংয়ের মাধ্যমে জেলেদের সুন্দরবনে প্রবেশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে প্রায় ১২০০ ট্রলার একযোগে যাত্রা করে দুবলার চরে চলে গেছে; জেলেরা বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা মানেননি।
বনবিভাগের সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে সুন্দরবনের দুবলার চরে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ মাসব্যাপী শুঁটকি মৌসুম শুরু হওয়ার কথা। এই মৌসুম চলবে আগামী বছরের মার্চের শেষ পর্যন্ত। নিয়ম অনুযায়ী, বন বিভাগের পাস-পারমিট নিয়ে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জেলেদের যাওয়ার কথা থাকলেও মৌসুম শুরুর আগে বিপুলসংখ্যক ট্রলারের যাত্রায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
প্রতি বছর শুঁটকি মৌসুমে দুবলার চরের আলোরকোল, অফিসকেল্লা, নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরে হাজারো জেলে ও মহাজনের সমাগম ঘটে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এবারও প্রায় ১০ হাজার জেলে ও মহাজনের সমাগম হবে। জেলেদের থাকার জন্য অস্থায়ী ঘর, মাছ শুকানোর চাতাল, দোকান ও মাছ কেনাবেচার ডিপো নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বন বিভাগের পক্ষ থেকে। তবে এসব স্থাপনা নির্মাণের জন্য সুন্দরবনের গাছপালা কাটা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
এদিকে দস্যু আতঙ্ক, ঝড়-জলোচ্ছ্বাস এবং আর্থিক ক্ষতির শঙ্কা নিয়ে মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছেন জেলেরা। গত মৌসুমে জেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ এখনো বিদ্যমান। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ায় ট্রলারডুবি এবং বৃষ্টিতে শুকাতে দেওয়া মাছ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, গত শুঁটকি মৌসুমে বন বিভাগের রাজস্ব আদায় হয়েছিল সাড়ে সাত কোটি টাকা। এবার আট কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দস্যুদের অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের কারণে জেলে-মহাজনদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি রাজস্ব আদায়েও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মৌসুম শুরুর আগে বিপুলসংখ্যক ট্রলারের দুবলার চরে চলে যাওয়ার এই ঘটনায় বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা, অনুমতিপত্র যাচাই এবং সুন্দরবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
Ñএমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সালমান শাহ হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত। মহানগর দায়রা জজ আদালত ডনের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাওহীদা আক্তার আসামিপক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করেন। এর আগে গত ৫ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল ইসলাম আসামিপক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন।
এ প্রসঙ্গে ডনের আইনজীবী মো. মফিজুল ইসলাম আসলাম গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, সালমান শাহ’র মৃত্যুর দুটি সুরতহাল রিপোর্ট, দুটি পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, ভিসেরা রিপোর্ট ও রাসায়নিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তাই দীর্ঘদিন হাজতবাসে থাকা আসামিপক্ষের জামিন আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু আদালত তা নাকচ করেছেন।
গত ৯ আগস্ট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এরপর পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সালমান শাহ’র ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে তার সঙ্গে একত্রে চলাফেরা করার কারণে ডন সালমানের বিভিন্ন বিষয়ে অবগত ছিলেন। কিন্তু তদন্তে ডন তথ্য গোপন করার কৌশল অবলম্বন করেছেন বলে অভিযোগ জানায় সিআইডি। তাই আলোচিত ও চাঞ্চলকর এ হত্যা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডনকে কারাগারে রাখার নির্দেশ দেন আদালত।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে না ফেরার দেশের পাড়ি জমান চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেন তার স্ত্রী সামিরা হক। কিন্তু নায়কের পরিবারের দাবি এটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
এ অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি স্ত্রী সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন আগামী ৫ নভেম্বর ধার্য হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা ১২ দিন ভাইরাল জ্বরের কারণে বিছানায় কাটানোর পর, সম্প্রতি জনপ্রিয় ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান চেনা ছন্দে ফিরে এসেছেন। অসুস্থতা কাটিয়ে তিনি রাজকীয় কনে সাজে ধরা দিয়ে ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঝড় তুলেছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেন সাদিয়া। সাধারণত তাকে ব্রাইডাল লুকে খুব একটা দেখা যায় না। তবে দীর্ঘদিন পর তার ঐতিহ্যবাহী ও অভিজাত রূপ দেখে ভক্ত-অনুরাগীরা মুগ্ধ হয়েছেন।
শীতের হিমেল হাওয়া সামনে আসছে, আর এই মৌসুম মানেই চারদিকে বিয়ের সানাই ও উৎসবের আমেজ। এই ভাবনাকে সামনে রেখে, একটি শীর্ষস্থানীয় কসমেটিকস ও জুয়েলারি ব্র্যান্ডের সৌজন্যে এই বিশেষ ব্রাইডাল ফটোশুটে অংশ নেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিগুলোতে সাদিয়ার পরনে ছিল নজরকাড়া জমকালো ও ঐতিহ্যবাহী শাড়ি। এর সাথে মানানসই চোকার নেকলেস, মাং টিকাসহ রাজকীয় সব গহনা তার সৌন্দর্যকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। আজকের প্রজন্মের কনেদের পছন্দকে মাথায় রেখে, মেকআপ রাখা হয়েছিল স্নিগ্ধ ও পরিমিত। অতিরিক্ত ভারী মেকআপের পরিবর্তে ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফুটিয়ে তোলার এই ট্রেন্ডি লুকটি বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।
ভক্তদের মাঝে নিজের এই রূপের জাদু ছড়িয়ে দিয়ে ছবির ক্যাপশনে সাদিয়া লিখেছেন, “আসন্ন বিয়ের মৌসুমের জন্য আপনার যে একমাত্র অনুপ্রেরণা প্রয়োজন।”
মোহনীয় ও রূপবতী সাদিয়া আয়মানের এই নতুন ব্রাইডাল লুক ইতিমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। আসন্ন শীতের বিয়ের মৌসুমে ফ্যাশন সচেতন তরুণী ও হবু কনেদের জন্য এটি একটি দারুণ অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ