বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৮ পি.এম
জরুরি সংস্কার, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতকাজের জন্য আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে এই বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সিলেট বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলী অনিক সরকার।
বিউবো জানিয়েছে, শনিবার সিলেট নগরী ও শহরতলির ৯৯টি এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে।
নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার আওতায় থাকবে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মাউন্ট এডোরা হাসপাতাল, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এলাকা।
এছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে পাঠানটুলা, শ্রাবনী, নিকুঞ্জ, লতিফ মঞ্জিল, পল্লবী আবাসিক এলাকা, মদিনা মার্কেট, করের পাড়া, পনিটুলা, নোয়াপাড়া, কালিবাড়ী রোড, গ্রীন সিটি, আখালিয়া, উত্তর বাগবাড়ী ও পশ্চিম কাজলশাহসহ নগরী ও শহরতলির ৯৯টি এলাকায়। বিউবো জানিয়েছে, এসব এলাকার তৎসংলগ্ন আশপাশের এলাকাও সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আওতায় থাকবে।
এ বিষয়ে সিলেট বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলী অনিক সরকার বলেন, ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি বাস সেকশনে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কাজ করা হবে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
তিনি আরও জানান, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কাজ শেষ হওয়ার ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনঃস্থাপন করা হতে পারে। তবে কাজ শেষ না হলে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সাময়িক এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে গ্রাহকদের যে ভোগান্তি হবে তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনে জোরালো আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান আন্তঃদেশীয় ও সংঘবদ্ধ বন্যপ্রাণী অপরাধের মোকাবিলায় আঞ্চলিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সমন্বিত আইন প্রয়োগ এবং যৌথ কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
আজ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক-এর প্রথম সাধারণ পরিষদে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বন্যপ্রাণী ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা রাজনৈতিক সীমারেখা মানে না।
তিনি আরও বলেন, অপরাধী চক্র সীমান্ত, পরিবহন ব্যবস্থা, বাণিজ্যিক চ্যানেল, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং আর্থিক ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে আন্তঃদেশীয় বন্যপ্রাণী পাচার পরিচালনা করছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আইন প্রয়োগ কার্যক্রমকে শুধুমাত্র বন্যপ্রাণী জব্দ ও অপরাধী গ্রেপ্তারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, এসব অপরাধের পেছনে থাকা সংগঠক, অর্থদাতা ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্ত, তদন্ত ও নিষ্ক্রিয় করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিটি জব্দের ঘটনাকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত—বন্যপ্রাণী কোথা থেকে এসেছে, কোন পথে এসেছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত, কে অর্থায়ন করেছে এবং কোথায় পাঠানো হচ্ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে।
মন্ত্রী অনলাইন বন্যপ্রাণী অপরাধ মোকাবিলায় অনলাইন মনিটরিং, সাইবার তদন্ত ও ডিজিটাল প্রমাণ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। একই সঙ্গে বড় ধরনের বন্যপ্রাণী অপরাধের ক্ষেত্রে জাতীয় আইন অনুযায়ী আর্থিক তদন্ত, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং মানি লন্ডারিং বিরোধী ব্যবস্থা ব্যবহারের আহ্বান জানান।
বন্যপ্রাণী ফরেনসিক, ডিএনএ বিশ্লেষণ, ডিজিটাল ফরেনসিক ও ভূ-স্থানিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ ও বিশেষজ্ঞ বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। উদ্ধার, পুনর্বাসন ও জব্দকৃত জীবন্ত বন্যপ্রাণীর প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের জন্যও তিনি আহ্বান জানান।
দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ২০২৬-২০৩০ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত কৌশলগত পরিকল্পনা এসব অগ্রাধিকারকে একটি সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবায়নযোগ্য আঞ্চলিক কর্মসূচিতে রূপ দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ এমন একটি পরিকল্পনাকে সমর্থন করে, যা গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, আইন প্রয়োগ, ফৌজদারি বিচার, ডিজিটাল ও আর্থিক তদন্ত, বিজ্ঞান ও ফরেনসিক, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বন্যপ্রাণীর চাহিদা হ্রাসের ওপর গুরুত্ব দেবে।
মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক-এর এই প্রথম সাধারণ পরিষদ রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কাঠমান্ডু থেকে সদস্য দেশগুলো আরও শক্তিশালী গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা, বাস্তবভিত্তিক যৌথ কার্যক্রম এবং বন্যপ্রাণীর জন্য হুমকিস্বরূপ অপরাধী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার অভিন্ন অঙ্গীকার নিয়ে ফিরে যাবে।
মন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক-এর সকল সদস্য দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে একটি শক্তিশালী, আন্তঃসংযুক্ত ও কার্যকর আঞ্চলিক বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রস্তুত।
সম্মেলনে নেপালের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার দোল প্রসাদ আরিয়াল, নেপালের কৃষি, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী গীতা চৌধুরী, দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক এর মহাসচিব ড. কৃষ্ণ প্রাসাদ আচার্য এবং নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, পাকিস্তান, মালদ্বীপ ও বাংলাদেশ ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীতে অবৈধ ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ‘ত্রিপল এ ওভারসিজ’ (আরএল-২৬৩০) নামে একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) কর্তৃক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে এবং তিন বাক্স পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে।
বিএমইটির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আজ এই অভিযান ও মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়, যা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর নির্দেশে পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে এজেন্সিটির বিভিন্ন অনিয়ম ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয় এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া, মালয়েশিয়াগামী সাধারণ কর্মীদের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে জমা নেওয়া তিন বাক্স পাসপোর্ট বিএমইটির জিম্মায় নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, "বিদেশগামী কর্মী ও প্রবাসীদের স্বার্থরক্ষা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কোনো অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সিকে সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারণা করতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, "নিয়ম অমান্য করে প্রবাসীদের জিম্মি করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" এ বিষয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।
জব্দকৃত পাসপোর্টগুলো আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম চলছে।
এছাড়া, সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদার করা হবে, মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বিএনপি নেতা ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম দাউদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স সোহান রোহান ট্রেডার্স’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার ধলাইরচর চৌরাস্তা বাজারে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, আলফাডাঙ্গা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দোয়া মাহফিলে দেশের সার্বিক শান্তি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সমৃদ্ধি এবং এলাকাবাসীর কল্যাণ কামনা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ধলাইরচর দরবার শরীফের পীর সাহেব মুহাদ্দিস মুফতি রাকীবুল হাসান রাকীব। পরে উপস্থিত অতিথিদের মাঝে তাবারক বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর তানোরে থানা পুলিশিং কমিটির উদ্যোগে কাবাডি খেলার আয়োজন করা হয়। এই খেলায় তানোর পৌরসভা চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আবির্ভূত হয়। চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা ডাকবাংলো (মিনি স্টাডিয়াম) মাঠে কাবাডি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার টিম খেলায় অংশগ্রহণ করে। গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে বিজয়ী হিসেবে তানোর পৌরসভা চ্যাম্পিয়ন হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওসি মাহমুদুল হাসান, যিনি বক্তব্যও রাখেন।
তিনি বলেন, "যুব ও তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে খেলার কোন বিকল্প নেই। খেলাধুলায় পারে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে।" অতীতে কাবাডি বা হাডুডু খেলা গ্রাম বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ছিল। কালের বিবর্তনে কাবাডি খেলা হারিয়ে গেছে বললেই চলে। তবে বর্তমান সরকার যুব ও তরুণ সমাজকে বিভিন্ন খেলাধূলার মাধ্যমে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষা করতে চায়। এজন্য নিয়মিত খেলাধুলা করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, "পরাজিত বড় বিষয় নয়, অংশ গ্রহণটাই বড় বিষয়। খেলায় জয় পরাজয় থাকবেই।"
তানোর সাংবাদিক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এম রায়হান আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানোর থানার এসআই মাসুদ রানা, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মাসুদ করিম ও বাঁধাইড় ইউপির কৃষকদলের সভাপতি গোলাম রাব্বানী প্রমুখ।
খেলার প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করেন শরীর চর্চা শিক্ষক আব্দুল বারী, সহকারী রেফারির দায়িত্বে ছিলেন শরীর চর্চা শিক্ষক হাফিজুর রহমান, সোহরাব হোসেন ও উপজেলার ক্রীড়া সম্পাদক কোর্স আনোয়ার হোসেন। এসময় থানা পুলিশের সদস্য ও ক্রীড়া প্রেমীরা উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ