ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্র ক্ষুব্ধ ফ্রান্সের মন্তব্যে, জাতিসংঘের বৈঠক থেকে বেরিয়ে এল


যুক্তরাষ্ট্র ক্ষুব্ধ ফ্রান্সের মন্তব্যে, জাতিসংঘের বৈঠক থেকে বেরিয়ে এল

মানবাধিকার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে তুলনা করার অভিযোগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক থেকে মার্কিন প্রতিনিধিদল ওয়াকআউট করে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে তথ্যটি উঠে এসেছে।

সোমবার (২৮ জুলাই) ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জেরোম বোনাফন্ট যখন বক্তব্য দেন, তখন মার্কিন কূটনীতিকরা সভাকক্ষ ত্যাগ করেন।

আরও পড়ুন: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আদালত এগিয়ে যাচ্ছে: ডেপুটি প্রসিকিউটর

এই কূটনৈতিক উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে গত সপ্তাহে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্কের মেয়াদ বাড়ানোর ভোটের সময়। ওই ভোটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে একযোগে টুর্কের মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে ভোট দিয়েছে।

এরপর জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে। সেখানে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র একসময় মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা ছিল, কিন্তু বর্তমানে তাদের সেই অবস্থান নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার তুলনা করা হয়।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ এর জবাবে ফ্রান্সের সমালোচনা করেন। তিনি মন্তব্য করেন, ফ্রান্স এমন একজন ব্যক্তির পক্ষে ভোট দিয়েছে, যিনি গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে উপদেশ দেন কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে দমনমূলক শাসকদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন। তবে তিনি এ দাবির পক্ষে কোনো বিশদ ব্যাখ্যা দেননি।

উল্লেখ্য, ভলকার টুর্ক অতীতে ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এবং গাজায় ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন।

আরও পড়ুন: ঢাকা সৌদির কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব চেয়েছে

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান নেগ্রিয়া বলেছেন, ফ্রান্স তাদের 'অহংকারী ও অসম্মানজনক' মন্তব্য প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে।

ভলকার টুর্কের দ্বিতীয় মেয়াদ ১৪৪টি দেশের সমর্থনে অনুমোদিত হয়, যেখানে ১০টি দেশ বিপক্ষে ভোট দেয় এবং ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।

এই ভোটের ফলে ওয়াশিংটন ও জাতিসংঘের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প প্রশাসন আগেও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় অর্থায়ন কমিয়েছে এবং একাধিক সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেছে।

গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেফ বার্টোস টুর্কের পুনর্নিয়োগের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেন। তিনি জানান, যারা অনিয়ম, গোপন সমঝোতা এবং জাতিসংঘের পদগুলোর অপব্যবহারকে স্বীকার করে, তাদের এই সিদ্ধান্তের পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ও অর্থায়নের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে বলেও জানান।

আরও পড়ুন: যশোরের বাঘারপাড়া আওয়ামী লীগ নেতা দিলু পাটোয়ারী আটক

অন্যদিকে, ফরাসি রাষ্ট্রদূত জেরোম বোনাফন্ট ভলকার টুর্ককে 'বিবেকের কণ্ঠস্বর' বলে পরিচিত করেন। তিনি বলেন, প্রথম মেয়াদে টুর্ক দৃঢ়তা ও নিরপেক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

এছাড়াও, জাতিসংঘের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক পুরো ঘটনার বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি শুধুমাত্র বলেছেন, জাতিসংঘ আশা করে, সব সদস্য রাষ্ট্র সংস্থাটির সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগেরহাটে ২ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


বাগেরহাটে ২ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ

বাগেরহাট, ২৯ জুলাই, ২০২৬ : জেলার মোল্লাহাট উপজেলার আটজুড়ী এলাকায় মধুমতি নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার রোধের লক্ষ্যে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযানে প্রায় ২ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে, যা পরে পুড়িয়ে ধংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ ব্যক্তিকে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ৪০টি চায়না জাল ও ৪টি বেহুন্দি জাল (মোট ২ হাজার মিটার) জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধংস করা হয়।

এই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমনা আইরিন। এই সময়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাজীব রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মাছের প্রজনন নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তার আশায় গুড়ে বালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


তার আশায় গুড়ে বালি

রেজা পাহলভি, ইরানের শেষ শাহের পুত্র, আবারও আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর দীর্ঘ সাড়ে চার দশক নির্বাসনে থেকে ফিরতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ও আন্তর্জাতিক মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে ইরানের পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অনীহা, বিরোধীদের মধ্যে বিভাজন এবং অর্থদাতাদের অসন্তোষের কারণে তার প্রচেষ্টা এক ভীষণ ধাক্কা খায়।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ নিয়ে রেজা পাহলভি বিশ্ব মূলধারায় নিজের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা চালান। তিনি একটি ঘোষণা দেন, যেখানে তিনি বলেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটলে তিনি ইরানের ক্ষমতা হস্তান্তরের অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হতে প্রস্তুত। তিনি তার এই ভূমিকাকে স্থায়ী শাসক হিসেবে নয়, বরং গণতন্ত্রে পৌঁছানোর একটি সেতু হিসেবে উল্লেখ করেন। এই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য তিনি পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন রাজধানীতে সফর করেন এবং প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি জাতীয় প্রচারণার জন্য তহবিলও সংগ্রহ করেন। মার্কিন রক্ষণশীল রাজনৈতিক সম্মেলনে দেয়া তার বক্তব্য পাহলভিপন্থী ও ইরানি-আমেরিকানদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছিল।

তবে, এই রাজনৈতিক উদ্যম খুব বেশি দিন স্থায়ী হতে পারেনি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত রেজা পাহলভিকে ইরানের পরবর্তী শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অভিপ্রায় দেখা যায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন, পাহলভি ব্যক্তিগতভাবে ভালো মানুষ হলেও তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কোনো শর্তও রাখা হয়নি এবং মার্কিন শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে রেজা পাহলভিকে ক্ষমতায় বসানো তাদের লক্ষ্যের অংশ নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এই দূরত্বের পাশাপাশি বিরোধীদের নিজস্ব বিভাজনও রেজা পাহলভির জন্য সমস্যা সৃষ্টি করেছে। রাজতন্ত্রকামী, প্রজাতন্ত্রকামী, ধর্মনিরপেক্ষ আন্দোলনকারীরা এবং নানা জাতিগত গোষ্ঠী নিয়ে গঠিত বিরোধী শিবিরগুলো ইসলামিক শাসনের অবসান চাইলেও পরবর্তী ইরানের নেতৃত্ব কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। বারবার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও পাহলভি বিরোধী জোটগুলোকে একত্রিত করার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠ সমর্থকদের কিছু আক্রমণাত্মক মন্তব্য ও কৌশল নিয়ে প্রধান অর্থদাতাদের মধ্যেও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

অবশ্য, রেজা পাহলভি দাবি করছেন, তিনি ইরানের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন নেটওয়ার্কের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখেন এবং দেশটির বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ধ্বংসের প্রান্তে রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সমর্থনের অভাব এবং নিজস্ব শিবিরের অভ্যন্তরীণ কোন্দল কাটিয়ে তিনি কতটা এগোতে পারবেন, তাই নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর সংশয় রয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডায় ৩ ফেডারেল আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ পি.এম


কানাডায় ৩ ফেডারেল আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, অন্টারিও ও কুইবেকের তিনটি ফেডারেল আসনে আগামী ৩১ আগস্ট উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনের তফসিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।

রবিবারের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার নর্থ ভ্যাঙ্কুভার-ক্যাপিলানো, অন্টারিওর বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক এবং কুইবেকের শিকুতিমি-লে ফিয়র আসনে ভোট গ্রহণ হবে। সাবেক লিবারেল এমপি জনাথন উইলকিনসন, নাথানিয়েল আরস্কিন-স্মিথ এবং সাবেক কনজারভেটিভ এমপি রিচার্ড মার্টেলের পদত্যাগের কারণে এই আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

বর্তমানে হাউস অব কমন্সে স্পিকার ছাড়া লিবারেল পার্টির আসনসংখ্যা ১৭১ রয়েছে। তবে সাবেক মন্ত্রী স্টিভেন গিলবোর ২৮ আগস্ট পদত্যাগের পর এই সংখ্যা কমে ১৭০-এ নেমে আসবে। ফলে, সরকারকে কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখতে অন্তত একটি আসনে জয় লাভ করা প্রয়োজন হবে।

এদিকে বিরোধী দলগুলোর আসনসংখ্যা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। কনজারভেটিভ এমপি ক্যাথি ওয়াগানটল ৩১ আগস্ট পদত্যাগ করার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) এমপি আলেক্সান্দ্র বুলরিস কুইবেকের প্রাদেশিক নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তবে কুইবেকের সাঁ-ইয়াসিন্ত-ব্যাগো-আকতঁ আসনে এখনো উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, এ বিষয়ে যথাসময়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এদিকে, লিবারেল পার্টি ইতোমধ্যে তিনটি আসনের জন্য ব্রেডেন কেলি, তানভির শাহনাওয়াজ ও ড্যানিয়েল গোবেইলকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে। কনজারভেটিভ পার্টি স্টিফেন কারান ও রেজি গদ্রোর প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, এনডিপি জানিয়েছে, তাদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং শিগগিরই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩০ কোটি টাকায় নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক চালুর দাবি গাইবান্ধাবাসীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


৩০ কোটি টাকায় নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক চালুর দাবি গাইবান্ধাবাসীর

জেলা শহরের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ পথে নির্মিত দু’টি সেতু দুই বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। সংযোগ সড়ক না থাকায়, সেতু দু’টি এখনো যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে, নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর, আজ পর্যন্ত সেতু দু’টি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ এবং পুরনো সরু সেতু দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ।

গাইবান্ধা জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানায়, জেলা শহরের যানজট কমাতে এবং পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ সেতুগুলোর বিকল্প হিসেবে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ দু’টি নতুন সেতু নির্মাণ করে। একটি সেতু গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের নতুন ব্রিজ এলাকায় ঘাঘট নদীর ওপর নির্মিত ‘ঘাঘট-২ সেতু’, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৬ মিটার। অপরটি গাইবান্ধা-বালাসীঘাট সড়কের পুলবন্দি এলাকায় নির্মিত ‘আলাই সেতু’, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ মিটার।

দু’টি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের শেষ দিকে এবং ২০২৪ সালের জুনে তা সম্পন্ন হয়। প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ৩০ কোটি টাকা। কিন্তু সেতু দু’টি প্রস্তুত থাকলেও, সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন না হওয়ায়, এগুলো এখনো ব্যবহার উপযোগী হয়নি। ফলে নতুন সেতুর দুই প্রান্তে রাস্তা না থাকায়, যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা পুরনো, সংকীর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ সেতুগুলোই ব্যবহার করছেন।

যাতায়াতকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় সেতুগুলো নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। তারা আরও আশঙ্কা করছেন, পুরনো সেতুগুলো যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাইবান্ধা পৌর শহরে আলাই নদীর ওপর একটি সেতু নির্মিত। যেটি দিয়ে ফুলছড়ি ও জেলা শহরের একমাত্র যাতায়াতের ব্যবস্থা। নির্মিত সেতুর পাশেই বহু বছরের একটি সরু অকোজো ব্রীজ। সেই পুরনো অকোজো ব্রীজ দিয়েই প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারীসহ অসংখ্য যানবাহন চলাচল করছে। শুধুমাত্র সংযোগ সেতুর অভাবে ব্যয়বহুল নির্মিত সেতুটি মানুষের কাজে আসছে না। শহরের নতুন ব্রিজ এলাকায় ঘাঘট নদীর ওপর নির্মিত সেতুটির পাশেও পুরাতন একটি ব্রিজ দিয়ে গাইবান্ধা জেলা শহর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার অসংখ্যা যানবাহনসহ পথচারীরা চলাচল করছেন। এই সেতুটি কাজ সম্পন্ন হলেও, শুধু সংযোগ সড়কের অভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি। এতে দু’টি উপজেলার অসংখ্যা যানবাহন জেলা শহরের প্রবেশদ্বারে এসে আটকা পড়ে। সেই জ্যামে নাকাল হয়ে পড়ছেন শহরবাসী।

গাইবান্ধা জেলা শহরের অটো চালক হুমায়ন মিয়া বাসস’কে বলেন, সেতুর কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু শুধু মাত্র সংযোগ সড়ক না থাকায় নিউ ব্রিজ রোড এলাকার পুরাতন সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। বড় কোনো দুর্ঘটনার আগেই নতুন সেতু চালু করার প্রয়োজন রয়েছে।

পুলবন্দি এলাকার শাহরিয়ার বলেন, নতুন সেতু চোখের সামনে, কিন্তু ব্যবহার করা যাচ্ছে না। পুরনো ভাঙা সেতু দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে মানুষদের। তিনি দ্রুত সংযোগ সড়ক চালুর দাবি জানান।

গাইবান্ধা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিয়াস কুমার সেন বাসস’কে জানান, সেতু নির্মাণ শেষ হলেও, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে সংযোগ সড়কের কাজ আটকে আছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে এবং দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%