ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র


৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলার সরাসরি দিচ্ছে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্ট করেছেন, এটি ভুল ব্যাখ্যা। তিনি জানিয়েছেন, এটি কোনো অনুদান, ক্ষতিপূরণ বা সরকারি সহায়তা নয়। বরং এটি শর্তের ভিত্তিতে ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করবে, যা দেশটির অর্থনীতিতে অর্থ প্রবাহ বাড়াতে সহায়তা করবে।

রবিবার, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, চলমান যুদ্ধ বন্ধে তারা একটি প্রাথমিক কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছেন। এই সমঝোতার অংশ হিসেবে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি সম্ভাব্য বিনিয়োগ তহবিল নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এই তহবিল সম্পূর্ণ বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে—এতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কোনো অর্থ বা অনুদান অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।

জেডি ভ্যান্স এক সাক্ষাৎকারে উদাহরণ দিয়ে বলেন, যদি সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিনিয়োগ করতে চায়, তাহলে বর্তমান নিষেধাজ্ঞার কারণে তা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, যদি ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চলে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সেই নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করতে পারে, যার ফলে অন্যান্য দেশগুলো সেখানে বিনিয়োগ করতে সক্ষম হবে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

তিনি জোর দিয়ে বলেন, "আমরা ইরানকে টাকা দিচ্ছি না। আমরা শুধু বলছি, তারা আচরণ পরিবর্তন করলে অন্য দেশগুলোকে সেখানে বিনিয়োগ করতে দেব, যাতে দেশটি উন্নতি করতে পারে।"

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, এই ৩০০ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাবিত তহবিল ইতোমধ্যে আংশিকভাবে প্রতিশ্রুত হয়েছে। বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চল—যেমন যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় দেশগুলো, এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকার কোম্পানিগুলো ইরানে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এই বিনিয়োগ মূলত জ্বালানি, পরিবহন, উৎপাদন শিল্প, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং যুদ্ধক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে ব্যবহার হবে। এর মধ্যে মোবারাকেহ স্টিল কমপ্লেক্স, তেল শোধনাগার, বিমানবন্দর সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই তহবিলের মূল লক্ষ্য হলো উভয় পক্ষকে একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে উৎসাহিত করা। কিন্তু চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত এই তহবিল গঠন বা কার্যক্রম শুরু হবে না। একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর ৬০ দিনের মধ্যে প্রকল্পগুলো চিহ্নিত ও পরিকল্পনা করা হবে।

আরও পড়ুন: স্পেনে দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৮, আহত ৮০

এদিকে জানা গেছে, ইরান শুরুতে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৪০০ বিলিয়ন ডলার দাবি করেছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অর্থ দিতে রাজি হয়নি। ফলে এই বেসরকারি বিনিয়োগভিত্তিক কাঠামোকে বিকল্প সমাধান হিসেবে উত্থাপন করা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য হলো, দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। কিন্তু দেশের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ এবং চতুর্থ বৃহৎ তেল ভান্ডার রয়েছে। এর পাশাপাশি ৯ কোটির বেশি শিক্ষিত জনগণের সঙ্গে বিপুল শিল্প সম্ভাবনা থাকার কারণে, বিদেশি বিনিয়োগ আসলে দেশটির অর্থনীতিতে বৃহৎ পরিবর্তন আনতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

 

আরও পড়ুন: কাতারের নতুন প্রস্তাব ইরানকে, যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈগল পরিবহন: আবারও কি ফিরবে দক্ষিণাঞ্চলের সড়কপথের সেই স্বর্ণালী রাজত্ব?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাছুদুর রহমান আসলাম

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ এম


ঈগল পরিবহন: আবারও কি ফিরবে দক্ষিণাঞ্চলের সড়কপথের সেই স্বর্ণালী রাজত্ব?

একসময় ঢাকা-বরিশাল-ঝালকাঠিসহ দক্ষিণাঞ্চলের সড়কপথে যাত্রীসেবার অন্যতম নির্ভরতার নাম ছিল ঈগল পরিবহন। আরামদায়ক যাত্রা, সময়নিষ্ঠ সেবা এবং নিয়মিত ট্রিপ পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণাঞ্চলের পরিবহন খাতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল। বিশেষ করে বরিশাল অঞ্চলের যাত্রীদের কাছে ঈগল পরিবহন ছিল আস্থার আরেক নাম।

দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের আগেও এবং পরবর্তীতেও ঢাকা-বরিশাল রুটে যাত্রী পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী কর্মস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ঈগল পরিবহনের বাস ব্যবহার করতেন। ফলে পরিবহন খাতে একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবেই পরিচিতি পেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।

তবে সময়ের পরিক্রমায় ঈগল পরিবহনের সেই সুনাম ধীরে ধীরে ম্লান হতে শুরু করে। যাত্রীদের অভিযোগ ছিল, শেষদিকে সার্ভিসের মান আগের মতো থাকেনি। অনিয়মিত ট্রিপ পরিচালনা, বাসের রক্ষণাবেক্ষণে ঘাটতি, যাত্রীসেবার মান কমে যাওয়া এবং ব্যবস্থাপনার নানা দুর্বলতা প্রতিষ্ঠানটির প্রতি যাত্রীদের আস্থাকে নড়বড়ে করে তোলে।

একাধিক সূত্রের মতে, এসব সমস্যার কারণে ধীরে ধীরে যাত্রীরা বিকল্প পরিবহনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। একই সময়ে নতুন নতুন পরিবহন কোম্পানি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বাজারে প্রবেশ করায় প্রতিযোগিতাও বেড়ে যায়। ফলে একসময় দক্ষিণাঞ্চলের সড়কপথে দাপটের সঙ্গে চলা ঈগল পরিবহন ক্রমশ পিছিয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে ঘটতে এক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন সড়কে ঈগল পরিবহনের বাস না দেখায় অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, হয়তো এই পরিবহন আর কখনও ফিরে আসবে না।

কিন্তু দীর্ঘ কয়েক বছর বিরতির পর নতুন পরিকল্পনা, নতুন ব্যবস্থাপনা এবং নতুন উদ্যম নিয়ে আবারও যাত্রীসেবায় ফিরেছে ঈগল পরিবহন। ইতোমধ্যে তাদের কয়েকটি বাস দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে চলাচল শুরু করেছে বলে জানা গেছে। আর এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে যাত্রীদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে নতুন করে আগ্রহ ও প্রত্যাশা।

অনেক যাত্রীর মতে, দক্ষিণাঞ্চলের পরিবহন খাতে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি করতে ঈগল পরিবহনের ফিরে আসা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শুধু নাম কিংবা অতীতের সুনাম নয়, বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী উন্নত সেবা, সময়নিষ্ঠতা, নিরাপদ যাত্রা এবং যাত্রীবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করাই হবে প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অভিমত, বর্তমানে যাত্রীদের প্রত্যাশা আগের তুলনায় অনেক বেশি। আধুনিক ও আরামদায়ক বাস, দক্ষ চালক, নিরাপদ যাত্রা, ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থা এবং উন্নত গ্রাহকসেবা ছাড়া বাজারে টিকে থাকা কঠিন। তাই ঈগল পরিবহনকে পুরনো সুনাম ফিরিয়ে আনতে হলে এসব বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের এখন একটাই প্রশ্ন—ঈগল পরিবহন কি আবারও আগের সেই জনপ্রিয়তা ও আস্থা ফিরে পাবে? নাকি এটি শুধুই একটি প্রত্যাবর্তনের গল্প হয়ে থাকবে?

সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে সময়ের হাত ধরেই। তবে দীর্ঘ বিরতির পর দক্ষিণাঞ্চলের সড়কপথে ঈগল পরিবহনের প্রত্যাবর্তন যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এখন নজর থাকবে তাদের সেবার মান, ধারাবাহিকতা এবং যাত্রীদের প্রত্যাশা পূরণের সক্ষমতার দিকে।

ঈগল পরিবহনের নতুন যাত্রা কতটা সফল হবে, সেটিই এখন দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের সবচেয়ে বড় কৌতূহলের বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোল স্কোরার মেসি, তার পায়ে এলো এবারের প্রথম হ্যাটট্রিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ এম


বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোল স্কোরার মেসি, তার পায়ে এলো এবারের প্রথম হ্যাটট্রিক

বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেছেন লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় গোলটিও এসেছে মেসির পা থেকেই। এই গোলের মাধ্যমে মেসি এখন বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোল স্কোরার। বর্তমানে তার গোলের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৬, যা জার্মান কিংবদন্তি ক্লোজারের সঙ্গে সমান।

বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিক নিশ্চিত করেছেন মেসি। ছবির সূত্র: এএফপি

খেলার সময়

মেসি যেন তার দলকে একাই টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হ্যাটট্রিক করেছেন। মেসির তৃতীয় গোলটি আসে ৭৬তম মিনিটে।

গোল করার পর সাথে সাথে স্ক্যালোনি মেসিকে মাঠ থেকে তুলে নেন এবং নিকো পাজকে মাঠে নামান। এর আগে, প্রথম হাফে একটি গোল এবং দ্বিতীয় হাফে দুইটি গোল করেছেন মেসি।

এদিকে, ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি।

এ দিন মাঠে নেমে, দেশের জার্সিতে ২০০তম ম্যাচ খেলার মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন ফুটবলের রাজপুত্র লিওনেল মেসি। পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং কুয়েতের কিংবদন্তি খেলোয়াড় বাদের আল-মুতাভার পর তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে ২০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মাইলফলকটি অতিক্রম করেছেন তিনি।

এছাড়াও, লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ যাত্রার গল্পে যুক্ত হলো একটি নতুন ঐতিহাসিক অধ্যায়। দুই দশক আগে যে দিন ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে প্রথমবারের মতো পা রেখেছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা, সেই দিনেই গড়লেন নতুন এক অনন্য রেকর্ড। আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমে বিশ্বকাপে ছয়টি আসরে খেলা প্রথম ফুটবলার হিসেবে নিজের নাম তুললেন তিনি।

২০০৬ সালের ১৬ জুন জার্মানি বিশ্বকাপে সার্বিয়া-মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে বদলি হিসেবে অভিষেক হয়েছিল তার। এই ম্যাচে মাত্র ১৬ মিনিট খেলেই একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করেন তরুণ মেসি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছে: ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ এম


মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছে: ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কূটনীতিক বলেছেন যে, শুক্রবার দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের পূর্বেই ইরানের বন্দরের ওপর এবং জাহাজের ওপর আরোপিত দুই মাসব্যাপী মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছে।

ইরান সরকারের ওয়েবসাইট অনুসারে, উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি জানান, ‘অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টি আমরা শুরু থেকেই জোর দিয়েছিলাম। এখন তা শুরু হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের আগেই অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প রোববার তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে বলেছেন, তিনি মার্কিন নৌ অবরোধ অবিলম্বে তুলে নেয়ার অনুমোদন দিচ্ছেন, কিন্তু মার্কিন সামরিক বাহিনীসহ একটি বহুজাতিক নৌ অভিযান সংস্থা ‘জয়েন্ট মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টার’ সোমবার জানিয়েছিল, যুদ্ধবিরতি ‘কার্যকর হওয়া পর্যন্ত’ অবরোধটি শুক্রবার পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এর আগে ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারকটি ইতোমধ্যে সই হয়েছে যার আনুষ্ঠানিকতা আগামী শুক্রবার জেনেভায় অনুষ্ঠিত হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে মার্কিন-ইসরাইলি বাহিনী। পাল্টা হামলা হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও ইসরাইলে আক্রমণ চালায় তেহরান। এক পর্যায়ে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়। পরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরের ওপর ও জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করে।

সূত্র: জিও নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪৬ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী ধরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ এম


৪৬ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী ধরা

গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে প্রায় ৭ লাখ টাকা মূল্যমানের ৪৬ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত সোয়া ১১টার সময় শ্রীপুরের পৌরসভার সবুজবাগ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রুমান (৩২) এবং মহসীন (৪০)।

র‌্যাব-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) শাহ আলম জানান, শ্রীপুর পৌরসভার সবুজবাগ এলাকার (ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের পেছনে) খালেক গার্ডের বাড়িতে মাদক কেনাবেচার প্রস্তুতি চলছিল এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা ওই বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী রুমান এবং মহসীনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে এবং জব্দ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জেলা থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য (গাঁজা) সংগ্রহ করে গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রি করে আসছে। তাদেরকে উদ্ধারকৃত অবৈধ মাদকদ্রব্যসহ শ্রীপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%