০২:২৩ পি.এম
কানাডায় দেশটির ১৫৯তম ‘কানাডা ডে’ পালিত হয়েছে বিশাল উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে। জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজন ছিল, যেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় কানাডার জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে। জন্মদিনের কেক কাটা, শিশু-কিশোরদের জন্য ফেস পেইন্টিং, জাম্পিং গেমস, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী শারীরিক কসরত এবং আলোচনা সভার মতো নানা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের বিভিন্ন প্রদেশ ও শহরে মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ আলাদাভাবে শুভেচ্ছাবার্তা জানান দেশের মানুষের প্রতি।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরেই মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট চালু হবে: আরিফুল হক
কানাডার অভিবাসন সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় সাড়ে চার লাখ থেকে পাঁচ লাখ মানুষ দেশটিতে অভিবাসন গ্রহণ করেন। বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী প্রক্রিয়া, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, জননিরাপত্তা, স্থিতিশীল অর্থনীতি ও শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থার কারণে কানাডা বিশ্বের এক অন্যতম আকর্ষণীয় দেশ হিসেবে পরিচিত।
তবে এবারের ‘কানাডা ডে’ আলবার্তা প্রদেশে কিছুটা ভিন্ন আবহে পালিত হয়েছে। দেশপ্রেমের সঙ্গে অনেক বাসিন্দার মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার অনুভূতিও ছিল। এর কারণ, প্রদেশটির বিচ্ছিন্নতা নিয়ে গণভোটের রাজনৈতিক আলোচনা তীব্র হয়ে উঠেছে।
আগামী ১৯ অক্টোবর আলবার্টার ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন, প্র provinceটি কানাডার অংশ হিসেবে থাকবে নাকি কনফেডারেশন থেকে বের হয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দ্বিতীয় ও বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। মে মাস থেকে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন সংগঠন প্রচার চালাচ্ছে।
এ কারণে এবারের ‘কানাডা ডে’তে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও কানাডাপন্থী উভয় পক্ষই আলবার্টাবাসীকে দেশের অতীত, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে আহ্বান জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আসন্ন গণভোটের ফল শুধু আলবার্টার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নয়, বরং কানাডার জাতীয় ঐক্যের জন্যও প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎমন্ত্রী: গত আট মাসে জ্বালানি আমদানিতে ৪৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন