০২:৩৮ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, যা জাহাজ মালিকদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করছে এবং তাদের ওপর হামলার ঝুঁকি কমে যাচ্ছে।
সামুদ্রিক তথ্য পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান 'সিগনাল'-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ জুলাইয়ের পর উপসাগরীয় এলাকায় প্রতিদিন যাতায়াতকারী জাহাজের সংখ্যা বেড়ে ৮টিতে দাঁড়িয়েছে। আগের যুদ্ধের সময়, এই সংখ্যা নেমে গিয়েছিল মাত্র ১ অথবা ২টিতে।
যাহোক, বর্তমান সময়ে জাহাজ চলাচল বেড়েছে, কিন্তু তা যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় এখনও অনেক কম। লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স জানায়, গত সপ্তাহে মোট ২৫৮টি জাহাজ এই রুট দিয়ে যাতায়াত করেছে, যেখানে মার্চ মাসের যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে সংখ্যা ছিল মাত্র ৪১টি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হত। সেই সময়, প্রতিদিন প্রায় ১৩৫টি জাহাজ এই প্রণালিতে যাতায়াত করত।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরেই মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট চালু হবে: আরিফুল হক
হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, খাবার, জ্বালানি এবং সার শিল্পে বড় প্রভাব পড়েছিল। তবে এই সংকটের সময় কিছু জাহাজ বিকল্প রুটে চলাচল শুরু করে। এর ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কিছু বন্দর লাভবান হয়েছে। কাতারের দোহায় অবস্থিত হামাদ বন্দরে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ছিল। এছাড়াও, জেবেল আলী, খোর ফাক্কান এবং সোহার বন্দরগুলো বিকল্প রুটের বাড়তি জাহাজের চাপ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন