ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

একা পেয়ে শিশুর ‘সর্বনাশ’ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বৃদ্ধ, অতঃপর...


একা পেয়ে শিশুর ‘সর্বনাশ’ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বৃদ্ধ, অতঃপর...

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চার বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মোর্শেদুল ইসলাম (৫৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পুষনা মোতাপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মোর্শেদুল ইসলাম ওই এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর স্বজন সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরের দিকে শিশুটি তার নানির বাড়িতে একা খেলা করছিল। এসময় মোর্শেদুল ইসলাম তাকে একা পেয়ে খাবারের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এতে শিশুটি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে মোর্শেদুলকে আটক করে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন।

আরও পড়ুন: কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আনহার মিয়া জনগণের সেবা ও এলাকার উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ

কিশোরগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামারে মিলল ১৮ ফুটের অজগর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


খামারে মিলল ১৮ ফুটের অজগর

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি খামারে ঢুকে পড়া প্রায় ১৮ ফুট লম্বা বিশাল আকৃতির অজগর সাপ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধার করা অজগরটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ইছবপুর এলাকায় জসীম উদ্দিনের খামারে অজগরটি ঢুকে পড়ে।

জানা গেছে, অজগরটি খামারের ভেতরে প্রবেশ করার পর গরুগুলো হঠাৎ চিৎকার ও অস্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া শুরু করে। গরুর চেঁচামেচির শব্দ শুনে খামারের মালিক জসীম উদ্দিন সেখানে গিয়ে খামারের ভেতরে বিশাল আকৃতির অজগর সাপটি দেখতে পান।

স্থানীয়দের দাবি, অজগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৩০ কেজি। গরুগুলোর চেঁচামেচি ও নড়াচড়ার কারণে কিছুক্ষণ পর অজগরটি খামারের ভেতর থেকে বাইরে চলে আসে। বিশাল আকৃতির সাপটি দেখে খামারে থাকা লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে খামারের মালিক জসীম উদ্দিন বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল, সঞ্জিত দেব এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

তারা সতর্কতার সঙ্গে অজগর সাপটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন। উদ্ধার শেষে অজগরটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা জানান, অজগরটি লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় আতঙ্কিত না হয়ে বন বিভাগ বা বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠনকে খবর দেওয়া উচিত। নিজেরা সাপটি ধরতে বা আঘাত করতে গেলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন ঝুঁকিতে নেপাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


নতুন ঝুঁকিতে নেপাল

 

নেপাল এবং তিব্বতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পরবর্তীতে নতুনভাবে সৃষ্ট ঝুঁকিগুলো এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন একজন বন্যা বিশেষজ্ঞ। রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্যা

বিষয়ক গবেষক জেফ দা কস্তা জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

এ কারণে দ্বিতীয়বারের বন্যা, যদিও প্রথমবারের মতো বড় নয়, কিন্তু গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে।

দা কস্তার মতে, এই দুর্যোগের ফলে ধ্বংসাবশেষ নদীর গতিপথ আটকে দিয়ে নতুন নতুন হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে। এসব হ্রদ এবং নদীর প্রবাহ আটকে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং সেগুলো কোথায় ভেঙে পড়তে পারে, তা এখন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, চীন এবং নেপালের মধ্যে এসব পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করাও অত্যন্ত জরুরি।

 

কারণ উজানে যা ঘটে, তা খুব দ্রুত সীমান্তের ওপারে থাকা মানুষের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

এই দুর্যোগের প্রেক্ষাপট হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক উষ্ণতা হিমালয়জুড়ে হিমবাহ, পারমাফ্রস্ট (স্থায়ীভাবে জমে থাকা মাটি) এবং পাহাড়ের ঢালের স্থিতিশীলতায় পরিবর্তন আনছে বলেও তিনি জানান। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, আরও বিশ্লেষণ ছাড়া এবারের দুর্যোগকে সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের ফল হিসেবে দায়ী করা যায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা

রাজধানী ঢাকার প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত ও ইলেকট্রিক রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

তবে অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের জন্য সর্বোচ্চ চার যাত্রীবাহী অটোরিকশাকে নিবন্ধন দেওয়া হবে। ছয় যাত্রী বহনকারী কোনো ই-রিকশা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নিবন্ধনের আওতায় আসবে না।

রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নীতিমালা একদম শেষ পর্যায়ে। এখন এটি ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে। ভেটিং হয়ে আসার পর যত দ্রুত সম্ভব, এক সপ্তাহ বা তার পরের সপ্তাহের মধ্যে আমরা এটি জারি করব।

তিনি বলেন, আইনের আলোকে এই নীতিমালা দিয়ে দিলেই ইলেকট্রিক রিকশাগুলি একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলে আসবে।

বুয়েটের প্রত্যয়ন ও ফিটনেস নিয়ে কড়াকড়ি

নীতিমালায় ই-রিকশার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখার প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো ই-রিকশা নিবন্ধন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘বুয়েট, ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল বিভাগের প্রত্যয়ন ও ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস ছাড়া আমরা কাউকে রেজিস্ট্রেশন দেব না—নীতিমালায় এমন নির্দেশনা থাকবে। সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভাই মূলত এই রেজিস্ট্রেশনগুলো দেবে।’

তিনি বলেন, ই-রিকশার চার্জিং পয়েন্ট নিয়েও নীতিমালায় শর্ত থাকবে। পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে ই-রিকশা চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং একপর্যায়ে এটি বাধ্যতামূলক করা হবে।

মীর শাহে আলম বলেন, যে গ্যারেজ বা পয়েন্টগুলোতে এগুলো রিচার্জ করা হবে, তা যাতে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে করা হয়, সে চেষ্টা আমরা করব এবং এটি পর্যায়ক্রমে বাধ্যতামূলক করা হবে।

চার্জিং পয়েন্টের লাইসেন্সও নিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা এলাকা অনুযায়ী নিজ নিজ কর্তৃপক্ষ থেকে চার্জিং পয়েন্টগুলোর লাইসেন্স নিতে হবে।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র ই-রিকশা তৈরি হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব কারখানার কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব সরকারের কাছে নেই। নীতিমালার মাধ্যমে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা একটি ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসব যেন বুয়েট বা ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাইন অনুযায়ী কারখানাগুলো উৎপাদন করে। এসব ফ্যাক্টরিকেও সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার নিবন্ধিত কোম্পানির লাইসেন্স নিতে হবে।’

রাজধানীতে এলাকাভিত্তিক চলাচলের পরিকল্পনা তুলে ধরে মীর শাহে আলম বলেন, ট্রাফিক বিভাগের একটি প্রস্তাব আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি যে তাদের প্রস্তাবটি একেবারে অমূলক নয়। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আমরা মোট আটটি জোন (এলাকা) করব।

তিনি বলেন, ‘এই রেজিস্টার্ড ই-রিকশাগুলো জোনের আওতায় থাকবে এবং এই আটটি জোনের আটটি আলাদা রঙ নির্ধারণ করা হবে। আমরা চেষ্টা করব যেন একটি জোনের ই-রিকশা অন্য জোনে যেতে না পারে।’

কোন ই-রিকশা কোন রুটে চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি ই-রিকশায় জিও-ফেন্সিং ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানান তিনি।

রাজধানীর প্রধান সড়কে ই-রিকশা চলাচলের সুযোগ থাকবে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তবে অভ্যন্তরীণ সড়কে জোনভিত্তিক এসব যান চলাচল করতে পারবে।

প্রধান সড়কে ই-রিকশা চলাচলের সুযোগ থাকবে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মেইন রোডে আমরা ই-রিকশা চলতে দেব না। আমরা আটটি জোন করে সেগুলোকে অভ্যন্তরীণ রোডগুলোতে চলাচলের ব্যবস্থা করে দেব।’ প্রধান সড়কে আলাদা রিকশা লেন করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকায় নিবন্ধনের জন্য ই-রিকশার যাত্রী ধারণক্ষমতা দুই ও চারজন নির্ধারণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ছয়জনের কোনো ই-রিকশাকে আমরা ঢাকা সিটি করপোরেশনের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনব না। ওটা আমরা নীতিমালাতে বলছি।’ তবে গ্রামীণ এলাকা ও জেলা শহরের গ্রামীণ সড়কে দুই, চার ও ছয় যাত্রী বহনকারী ই-রিকশা নিবন্ধন পাবে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

ঢাকায় নিবন্ধনের শর্ত হিসেবে তিনি আরও বলেন, ই-রিকশাগুলো অবশ্যই বুয়েট বা ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়িত নকশা অনুযায়ী তৈরি হতে হবে। যারা এই শর্ত মানবে, তারাই কেবল নিবন্ধনের আওতায় আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাহিদা অনুযায়ী সারের কোনো ঘাটতি নেই: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


চাহিদা অনুযায়ী সারের কোনো ঘাটতি নেই: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, "চাহিদা অনুযায়ী সারের কোনো ঘাটতি নেই।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, কৃষকদের সঠিকভাবে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য নীতিমালা অনুযায়ী সার সরবরাহ-ব্যবস্থা পরিচালনা করা হচ্ছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে চুয়াডাঙ্গা-২ সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রশ্নটি টেবিলে উত্থাপিত হয়। চুয়াডাঙ্গা-২ সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন জানতে চান, বর্তমানে দেশে সারের চাহিদার পরিমাণ কত এবং চাহিদা অনুযায়ী কোনো ঘাটতি আছে কি না। তিনি আরও প্রশ্ন করেন, যদি ঘাটতি থাকে, তবে তা কী এবং কৃষকদের সঠিকভাবে সার সরবরাহ করার জন্য কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জবাবে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, "চাহিদা অনুযায়ী সারের কোনো ঘাটতি নেই।" তিনি আরও জানান, কৃষকদের কাছে সঠিক সময়ে, সঠিক পরিমাণে এবং নির্ধারিত মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সার বিতরণ কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে নিবিড় মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অঞ্চল, জেলা ও গুদামভিত্তিক চাহিদা, বরাদ্দ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়। যদি কোনো এলাকায় চাহিদার তুলনায় মজুত কম দেখা যায়, তবে প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য গুদাম বা অঞ্চলে থেকে সার সরবরাহের মাধ্যমে ঘাটতি সমন্বয় করা হয়।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%