০৪:১৮ পি.এম
নেপাল এবং তিব্বতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পরবর্তীতে নতুনভাবে সৃষ্ট ঝুঁকিগুলো এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন একজন বন্যা বিশেষজ্ঞ। রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্যা
বিষয়ক গবেষক জেফ দা কস্তা জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: জামায়াতের দাবি, আইজিপির বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী
এ কারণে দ্বিতীয়বারের বন্যা, যদিও প্রথমবারের মতো বড় নয়, কিন্তু গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে।
দা কস্তার মতে, এই দুর্যোগের ফলে ধ্বংসাবশেষ নদীর গতিপথ আটকে দিয়ে নতুন নতুন হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে। এসব হ্রদ এবং নদীর প্রবাহ আটকে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং সেগুলো কোথায় ভেঙে পড়তে পারে, তা এখন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, চীন এবং নেপালের মধ্যে এসব পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করাও অত্যন্ত জরুরি।
আরও পড়ুন: ক্রসফায়ারের চিন্তা পুলিশের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রকাশ: আমীনের উদ্বেগ
কারণ উজানে যা ঘটে, তা খুব দ্রুত সীমান্তের ওপারে থাকা মানুষের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
এই দুর্যোগের প্রেক্ষাপট হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক উষ্ণতা হিমালয়জুড়ে হিমবাহ, পারমাফ্রস্ট (স্থায়ীভাবে জমে থাকা মাটি) এবং পাহাড়ের ঢালের স্থিতিশীলতায় পরিবর্তন আনছে বলেও তিনি জানান। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, আরও বিশ্লেষণ ছাড়া এবারের দুর্যোগকে সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের ফল হিসেবে দায়ী করা যায় না।
আরও পড়ুন: ‘জয় বাংলা’ স্লোগান গ্রহণ করে রাজ্যকে বৃহত্তর বাংলাদেশে পরিণত করতে চেয়েছিল তৃণমূল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন