ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহারে আইইডিসিআর উদাহরণ হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী


সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহারে আইইডিসিআর উদাহরণ হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত মন্তব্য করেছেন যে, রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণ গবেষণা ইনস্টিটিউট, (আইইডিসিআর) দেশের সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।

তিনি রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে আইইডিসিআর অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

‘মাঠপর্যায়ের রোগতত্ত্ব চর্চা জোরদারকরণ’ শীর্ষক সম্মেলনটি আয়োজন করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ (এফইটিপি-বি)। সম্মেলনে সেফটিনেট, এমফনেট, ইউনিসেফ ও ইউএস সিডিসি সহযোগিতা করছে।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সমাজের কার্যকর ভূমিকা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আইইডিসিআর একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে দেশের এপিডেমিওলজিক্যাল জনবলের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বিশেষ করে ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম (এফইটিপি) একটি অত্যন্ত সফল উদ্যোগ। এই কর্মসূচির স্নাতকরা দেশের পাশাপাশি বিদেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

ড. এম এ মুহিত তরুণ গবেষক, শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। যদিও অনেক ভালো প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তবে সমন্বয়ের অভাবে সীমিত সম্পদের পূর্ণ সদ্‌ব্যবহার হচ্ছে না। এই ক্ষেত্রে আইইডিসিআর একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।

সম্মেলনে প্রদর্শিত বৈজ্ঞানিক পোস্টার ও গবেষণাপত্রের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এগুলো আন্তর্জাতিক মানের। বাংলাদেশের বাস্তব সমস্যা ও বিপুল জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকির কেন্দ্রবিন্দুতে এসব গবেষণা পরিচালিত হয়েছে, যা সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। সম্মেলনে আইইডিসিআরের পরিচালক ড. কাজী আহমেদ জাকির সভাপতিত্ব করেন এবং সায়েন্টিফিক কমিটির চেয়ারম্যান ড. এস এম বাকী বিল্লাহসহ বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন: ঢাকা-সৌদি রুটে ১২৬ ফ্লাইট বাতিল, ১৯৩৭৭ যাত্রী ভোগান্তিতে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের মুম্বাইয়ে সেতু থেকে নিচে পড়ল বিএমডব্লিউ, নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


ভারতের মুম্বাইয়ে সেতু থেকে নিচে পড়ল বিএমডব্লিউ, নিহত ৩

ভারতের মুম্বাইয়ে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি দ্রুতগতিতে চলার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু থেকে নিচে পড়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে শহরের কোস্টাল রোডে।

গাড়িটি মেরিন ড্রাইভ থেকে হাজি আলীর দিকে যাচ্ছিল। লালা কলেজ ও লোটাস জেটির কাছে পৌঁছানোর পর চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারান। এরপর গাড়িটি সড়কের সীমানাপ্রাচীরে ধাক্কা দিয়ে সেতুর নিচে নির্মাণকাজ চলমান একটি এলাকায় পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত চার আরোহীকে উদ্ধার করে নায়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ২৩ বছর বয়সী আদিত্য কালপেশ্বর ওসওয়ালকে হাসপাতালে আঘাতজনিত চিকিৎসা বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে ২১ বছর বয়সী শানায় গাজ্জাল, ১৭ বছর বয়সী ধৈর্য দর্শন শেঠ এবং ১৯ বছর বয়সী আদিত্য জাকাসনিয়া রয়েছেন।

মুম্বাই কোস্টাল রোডের নিয়ন্ত্রণকক্ষে দুর্ঘটনার খবর পৌঁছায় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে। দুর্ঘটনার পর গাড়িটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর ছাদ ভেতরের দিকে ঢুকে গেছে, সামনের কাচ সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে এবং সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। গাড়িটি সেতুর সঙ্গে থাকা একটি সাইনবোর্ডকেও আঘাত করেছে।

পুলিশ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে যে গাড়িটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল কি না এবং ঠিক কীভাবে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, চলতি মাসের শুরুতে মুম্বাইয়ের কোস্টাল রোডের টানেলে কয়েকটি বিলাসবহুল গাড়ির বিরুদ্ধে বেপরোয়া গতিতে চলাচল ও প্রতিযোগিতা করার অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল। এই ঘটনায় ল্যাম্বরগিনি ও দুটি বিএমডব্লিউসহ ছয় থেকে সাতটি গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিকিট ছাড়া ট্রেনে যাত্রা, টিটিইকে ফাঁসাতে তরুণীর নাটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৮ পি.এম


টিকিট ছাড়া ট্রেনে যাত্রা, টিটিইকে ফাঁসাতে তরুণীর নাটক

টিকিট না কেটে ট্রেনে উঠে পড়েছিলেন তরুণী। রুটিন চেকিংয়ের সময় ধরা পড়ার পর টিকিট পরীক্ষকের (টিটিই) সঙ্গে তিনি তুমুল তর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু এই ঘটনার এখানেই শেষ হয়নি। রেলকর্মীদের বিপদে ফেলতে এবং সাজা খাওয়াতে তিনি একটি নাটক সাজান—হঠাৎ নিজের জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলেন এবং চিৎকার শুরু করেন। তার ধারণা ছিল, নারী নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ টিটিইর ঘাড়ে চাপিয়ে তিনি পার পেয়ে যাবেন।

কিন্তু চতুর এই তরুণী বুঝতে পারেননি যে, পাশে বসে থাকা এক সহযাত্রী তার সাজানো নাটকের পুরো চিত্রনাট্য মোবাইলে ধারণ করে রেখেছেন।

সম্প্রতি ভারতের দানাপুর-সিকান্দরাবাদ এক্সপ্রেসে ঘটে যাওয়া এই চাঞ্চল্যকর ও নাটকীয় ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

রেল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর দানাপুর থেকে প্রয়াগরাজগামী ওই ট্রেনের ‘সেকেন্ড এসি’ কামরায় টিকিট পরীক্ষা করছিলেন টিটিইদের একটি দল। সেখানে রাধিকা তিওয়ারি নামের ওই তরুণী এক শিশুকে সঙ্গে নিয়ে বসেছিলেন। টিটিই তার কাছে টিকিট দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। টিকিট না থাকায় তাকে ট্রেন থেকে নেমে যেতে বলা হয়। তবে তিনি তা না শুনে সুযোগ বুঝে সরাসরি ‘থার্ড এসি’ কামরায় গিয়ে গা-ঢাকা দেন।

এসময় মুখোমুখি আসনে বসা এক যাত্রী বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে গোপনে নিজের মোবাইলে পুরো ঘটনাটি ধারণ করতে শুরু করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, তরুণী দাবি করছিলেন যে, তিনি জরিমানা বা টাকা দিতে রাজি আছেন। তবে টিটিই স্পষ্ট জানিয়ে দেন, উপযুক্ত টিকিট ছাড়া এভাবে ট্রেনে যাওয়া সম্ভব নয়। তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে তরুণী জানান, তার ভাই নাকি নিজেও একজন টিটিই! হেল্পলাইন নম্বর খোঁজার ছলে পাশের যাত্রীদের শোনান, ওই টিটিই-কে তিনি আজ মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে ছাড়বেন।

হুমকি দেওয়ার পর মুহূর্তেই ঘটে সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। কথা বলতে বলতে আচমকা নিজের পোশাক নিজে ছিঁড়ে ফেলে উচ্চশব্দে গালিগালাজ ও চিৎকার করতে থাকেন তিনি—যাতে সবাই মনে করেন টিটিইরা তার ওপর চড়াও হয়েছেন।

ঠিক তখনই টিটিইদের রক্ষাকর্তা হয়ে এগিয়ে আসেন সেই ভিডিও ধারণকারী সহযাত্রী। পুলিশ ও রেল কর্মকর্তাদের সামনে তিনি নিজের মোবাইলের ভিডিওটি দেখান। ভিডিওটি দেখার পর কর্মকর্তাদের চোখ কপালে ওঠে! সেখানে স্পষ্ট দেখা যায়, কীভাবে টিকিট না থাকার অপরাধ ঢাকতে নিজের পোশাক নিজেই ছিঁড়ে ফাঁদ পেতেছিলেন ওই তরুণী।

রেল কর্মকর্তা এসকে ভার্মা জানান, এই সহযাত্রীর ধারণ করা ভিডিওটি না থাকলে নির্দোষ টিটিইদের হয়তো চরম হেনস্তা ও মিথ্যা আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হতো।

ঘটনাস্থলেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায়, রেলের নিয়মানুযায়ী উপযুক্ত জরিমানা আদায় ও নতুন টিকিট ইস্যু করার পরই রাধিকা তিওয়ারি নামের ওই তরুণীকে মুক্ত দেয় আরপিএফ কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার দফা দাবি জানিয়ে দুই ঘণ্টা পর মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


চার দফা দাবি জানিয়ে দুই ঘণ্টা পর মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচার ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের দুই ঘণ্টা পর তাঁরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এই অবরোধের ফলে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে অপ্রতিম হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করে ৬০ দিনের মধ্যে বিচার কার্যক্রম নিষ্পত্তি এবং ফাঁসির রায় কার্যকর করা। এছাড়া, পুলিশের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে কুমিল্লার পুলিশ সুপার, আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করার দাবি জানানো হয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এবং প্রয়োজনে কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থানান্তর করার কথাও বলা হয়েছে।

চতুর্থ দাবিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া, কুবি এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত ও উদ্ধারে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ ইউনিট গঠনের দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিলে "উই ওয়ান্ট জাস্টিস, অপ্রতিম হত্যার প্রশাসন জবাব দে", "আমার মা কাঁদে কেন, প্রশাসন জবাব দে" এবং "কুমিল্লায় মানুষ মরে, পুলিশ গিয়ে মেডেল ধরে" সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। শিক্ষার্থীরা জানান, অপ্রতিম হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর ও ২৪ ঘন্টায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আল্টিমেটাম দিয়েছেন তাঁরা।

দুপুর ১টার দিকে চার দফা দাবি জানিয়ে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোবাইল ছিনতাইয়ের পরিকল্পনায় নির্জন পাহাড়ে অপ্রতিমকে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


মোবাইল ছিনতাইয়ের পরিকল্পনায় নির্জন পাহাড়ে অপ্রতিমকে হত্যা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম এবং ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র স্কুল পড়ুয়া ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাকে লালমাই পাহাড়ের নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আরও একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

রোববার দুপুর আড়াইটায় কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত শুক্রবার বিকেল ৩টা ১২ মিনিটের দিকে অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে সাইফুল ইসলাম তুহিন লালমাই পাহাড়ের ‘সানন্দা’ এলাকার পাহাড়ঘেরা একটি নির্জন জঙ্গলে যায়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তুহিনকে শনাক্ত করা হয় এবং তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতিমকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে পরিকল্পিতভাবে ওই নির্জন স্থানে নেওয়া হয়েছিল। তুহিন জানায়, এ পরিকল্পনায় ফাহাদ ও কামরুল নামে আরও দুই যুবক জড়িত ছিল। এরপর পুলিশ ফাহাদ ও কামরুলকেও হেফাজতে নেয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অপ্রতিমের কাছ থেকে মোবাইল ফোনটি নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে সে বাধা দিলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে তুহিন এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

পরে অপ্রতিমের মোবাইল ফোনটি নিয়ে তুহিনসহ অন্যরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরদিন শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকা থেকে অপ্রতিমের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সিয়াম নামে আরও এক তরুণকে আটক করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল কি না, সে বিষয়ে পুলিশ তথ্য-প্রমাণ যাচাই করছে।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম তুহিনের বয়স ১৯ বছর। তার বাবার নাম নূর আলম। নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সানন্দা এলাকায় তাদের বাড়ি। তুহিন কুমিল্লা সিটি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে পড়লেও পরবর্তীতে পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ে। গ্রেপ্তার মোফাজ্জেল হোসেন ফাহাদের বয়স ১৫ বছর। সে একই ওয়ার্ডের সালমানপুর এলাকার মেম্বার বাড়ির বাসিন্দা এবং ময়নামতি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপর গ্রেপ্তার মো. কামরুল হাসানের বয়স ১৮ বছর। তার বাড়ি দক্ষিণ উপজেলার হাতিগাড়া গ্রামে। আর আটক সিয়াম (১৯) একই উপজেলার এলাহীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ সুপার জানান, গ্রেপ্তার হওয়া কারও বিরুদ্ধে আগে কোনো পিসিআর বা পূর্ব অপরাধের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুলকে অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পুলিশ সুপার বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে সিয়ামের সম্পৃক্ততা যাচাইয়ের পাশাপাশি মামলার অন্যান্য বিষয়েও তদন্ত চলছে। তদন্ত দ্রুত শেষ করে আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%