প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত মন্তব্য করেছেন যে, রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণ গবেষণা ইনস্টিটিউট, (আইইডিসিআর) দেশের সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।
তিনি রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে আইইডিসিআর অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
‘মাঠপর্যায়ের রোগতত্ত্ব চর্চা জোরদারকরণ’ শীর্ষক সম্মেলনটি আয়োজন করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ (এফইটিপি-বি)। সম্মেলনে সেফটিনেট, এমফনেট, ইউনিসেফ ও ইউএস সিডিসি সহযোগিতা করছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আইইডিসিআর একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে দেশের এপিডেমিওলজিক্যাল জনবলের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বিশেষ করে ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম (এফইটিপি) একটি অত্যন্ত সফল উদ্যোগ। এই কর্মসূচির স্নাতকরা দেশের পাশাপাশি বিদেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
ড. এম এ মুহিত তরুণ গবেষক, শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। যদিও অনেক ভালো প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তবে সমন্বয়ের অভাবে সীমিত সম্পদের পূর্ণ সদ্ব্যবহার হচ্ছে না। এই ক্ষেত্রে আইইডিসিআর একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।
সম্মেলনে প্রদর্শিত বৈজ্ঞানিক পোস্টার ও গবেষণাপত্রের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এগুলো আন্তর্জাতিক মানের। বাংলাদেশের বাস্তব সমস্যা ও বিপুল জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকির কেন্দ্রবিন্দুতে এসব গবেষণা পরিচালিত হয়েছে, যা সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। সম্মেলনে আইইডিসিআরের পরিচালক ড. কাজী আহমেদ জাকির সভাপতিত্ব করেন এবং সায়েন্টিফিক কমিটির চেয়ারম্যান ড. এস এম বাকী বিল্লাহসহ বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন