মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:২৪ পি.এম
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের তেব্রাউ এলাকায় অবস্থিত একটি অটোমোটিভ ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ৪৯২ জন অবৈধ বিদেশি শ্রমিককে আটক করেছে স্থানীয় অভিবাসন বিভাগ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ‘মালয়েশিয়া বর্ডার কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রোটেকশন এজেন্সি’ (একেপিএস)-এর সহযোগিতায় এ যৌথ অভিযানটি সম্পন্ন হয়। অভিযানের সময় বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক পালানোর চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হন।
জোহর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক মোহামাদ রুসদি মোহামাদ দারুস মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, নিয়োগকর্তারা অতিরিক্ত খরচ বাঁচানোর উদ্দেশ্যে দীর্ঘ সময় ধরে অবৈধভাবে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ করে আসছিলেন। কয়েক সপ্তাহের টানা গোয়েন্দা নজরদারি ও স্থানীয় জনগণের গোপন অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় কিছু শ্রমিক স্থান ত্যাগ করে লুকিয়ে পড়ার চেষ্টা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় তারা ধরা পড়েন। একইসাথে, কারখানার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একজন মালয়েশীয়কেও আটক করা হয়েছে।
আটকদের বয়স ১৯ থেকে ৪৬ বছরের মধ্যে, যার মধ্যে ২৪৭ জন পুরুষ এবং ২৪৫ জন নারী রয়েছেন। আটক পুরুষদের মধ্যে ১৭০ জন বাংলাদেশি, ৭৭ জন মিয়ানমার, ৪৮ জন নেপাল, ৩৮ জন ইন্দোনেশিয়া, ২৮ জন ভারত এবং ৩ জন পাকিস্তানের নাগরিক। অপরদিকে, আটক নারীদের মধ্যে ৬৬ জন মিয়ানমারের, ৪৯ জন ইন্দোনেশিয়ার, ৭ জন নেপালের, ৩ জন ভারতের, ২ জন বাংলাদেশের এবং ১ জন কম্বোডিয়ার নাগরিক রয়েছেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, তারা বৈধ কাগজপত্র এবং কাজের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) না থাকা সত্ত্বেও কাজ করে আসছিলেন।
গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইন ও ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে পরবর্তী তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বৈধ নথি ও পারমিট ছাড়া অবৈধ শ্রমিক নিয়োগকারী মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার পর একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হওয়ার ফলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে যাত্রীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সাধারণত যাত্রী ও তাদের স্বজনদের ভিড়ে মুখর থাকা টার্মিনালে মঙ্গলবার ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। যাত্রীদের আনাগোনা কম থাকায় বিমানবন্দরের বহির্গমন এলাকা অনেকটা ফাঁকা পড়ে ছিল।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সরেজমিনে বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে এমন চিত্র দেখা যায়।
শ্রীলংকাগামী পর্যটক হাবিবুর রহমান জানান, তিনি এর আগে ভারত, মালয়েশিয়া ও নেপাল ভ্রমণ করেছেন। কিন্তু বিমানবন্দরের এমন দৃশ্য তিনি কখনো দেখেননি। তিনি বলেন, ‘আগে যাত্রী ও তাদের স্বজনদের ভিড় ঠেলে লাইনে দাঁড়াতে হতো। কিন্তু আজ বিমানবন্দর প্রায় ফাঁকা। সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের উপস্থিতি কমে গেছে।’
হাবিবুর রহমানের সঙ্গে থাকা নাসির বলেন, তারা একসঙ্গে অনেক দেশে ভ্রমণ করেছেন। তবে বিমানবন্দরের এমন চিত্র আগে দেখেননি। তার ভাষ্য, সৌদি আরবে বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ বসবাস করেন। ফ্লাইট বাতিলের কারণে বিমানবন্দরে যাত্রীদের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় সৌদিগামী যাত্রীর সংখ্যার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
কাতারগামী যাত্রী সোহেল মাহমুদ জানান, বিমানবন্দরে চিরচেনা দৃশ্য নেই। সাধারণত পুরো টার্মিনাল যাত্রীদের ভিড়ে পরিপূর্ণ থাকে। কিন্তু মঙ্গলবার সেই চিত্র দেখা যায়নি। যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে পারছেন না, বিষয়টি খারাপ লাগছে।
বিমানবন্দরসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতিতে ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এতে বাংলাদেশিসহ হতাহতের ঘটনা ঘটে। হামলার পর বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হলে ঢাকা থেকে রিয়াদগামী ফ্লাইট চলাচলেও প্রভাব পড়ে।
মঙ্গলবার পর্যন্ত সরাসরি ও ট্রানজিট রুট মিলিয়ে ৬১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ১০ হাজারের বেশি যাত্রী আটকা পড়েছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসও আগামী ১৭ ও ২১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে।
ফ্লাইট বাতিলের কারণে যাত্রীদের বিমানবন্দরে এসে ফিরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। গত রোববার ও সোমবার অনেক যাত্রী বিমানবন্দরে এলেও ফ্লাইট বাতিলের খবর পেয়ে ফিরে যান। এরপর থেকে অনেক যাত্রী বিমানবন্দরে আসার আগে এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্রদলের নেতা নাফিউল ইসলাম জীবন, যিনি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার একটি আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন, তিনি নিজে ক্লাশ নেন না। পরিবর্তে, তার মামা আসমত আলী ক্লাশ পরিচালনা করেন। জীবন নিজেই এই বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে তিনি নিয়মিত বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন।
নাফিউল ইসলাম জীবন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আরবি বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এছাড়া, ২০২৫ সালের রাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, নাফিউল ইসলাম ২০২৫ সালে বাঘা উপজেলার পারসওতা হযরত শাহ সুফি বাঘু দেওয়ান (রহ.) আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। অভিযোগ রয়েছে যে, যোগদানের পর থেকেই তিনি মামা আসমত আলীকে দিয়ে ক্লাশ করিয়ে আসছেন।
মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বজলুল করীম বলেন, নাফিউলের পরিবর্তে অন্য একজন ‘প্রক্সি’ হিসেবে ক্লাশ পরিচালনা করেন। জীবন জানিয়েছেন, তার স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) সম্পন্ন হয়নি, তাই তিনি আপাতত অন্য একজনকে দিয়ে ক্লাশ করানোর ব্যবস্থা করেছেন।
অধ্যক্ষের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিটির কেউ এতে বাধা দেন না। আমাদের পক্ষ থেকেও কেউ বাধা দিচ্ছেন না। এলাকার লোকজনও কিছু বলেন না। শুরু থেকেই প্রক্সি ক্লাশ নেওয়া হচ্ছে। মাস্টার্স শেষ করলেই হয়তো সে নিয়মিত ক্লাশ নেবে।
নাফিউলের পরিবর্তে ক্লাশ নেন এমন ব্যক্তির নাম জানতে চাইলে অধ্যক্ষ জানান, ওই ব্যক্তি আসমত আলী।
ছাত্রদল নেতা নাফিউল অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, অনার্স শেষ করার পর ২০২৩-২৪ সালের দিকে নিবন্ধন আসে। তখন তিনি মনে করেন, এত ত্যাগ ও জুলুম-নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরও বসে থাকা উচিত নয়। তিনি জানান, ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর নিবন্ধন পরীক্ষা হয় এবং তিনি উত্তীর্ণ হন। পরে পরিবার থেকে চাকরিতে যোগ দিতে বলা হয়।
তিনি আরও বলেন, রাকসু নির্বাচনের পর তিনি চাকরিতে যোগ দেন, তখনও তার মাস্টার্স শেষ হয়নি। তিনি মাদ্রাসার প্রিন্সিপালকে জানিয়ে অনুরোধ করেন, যেন তাকে মাস্টার্স শেষ করার সুযোগ দেওয়া হয়। তার মামা, যিনি কামিল পাস করেছেন, তাকে বলেন, "আপনি আমার পরিবর্তে ক্লাশগুলো নেন।" এভাবেই চলতে থাকে। তিনি জানান, বেতন যা পান, তার অর্ধেক মামাকে দিতে হয়, আর অর্ধেক তিনি নেন।
বিষয়টি গোপন করার বিষয়ে জানতে চাইলে জীবন বলেন, তিনি বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করেছেন, কারণ এটি তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার সঙ্গে জড়িত। তিনি বলেন, "এটাকে পুরোপুরি বৈধ বলা যায় না, কারণ আমার চাকরিটি অন্য একজন চালিয়ে যাচ্ছেন।"
বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তকী ফয়সাল তালুকদার বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। প্রক্সি শিক্ষক দিয়ে ক্লাশ করানোর কোনো নিয়ম নেই। তিনি জানান, তারা এ বিষয়ে খোঁজখবর নেবেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ফ্লাইদুবাইয়ের আরও দুই পাইলটকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যারা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার সন্দেহে আটক হন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের দুজনই অতীতে ইসরাইল সফর করেছেন। উড়োজাহাজটির ককপিটে হামলার অভিযোগের তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মালদ্বীপের সংবাদমাধ্যম আধাদু জানায়, শনিবার ওই দুই পাইলটকে পুলিশ আটক করে। তারা দুজনই ফ্লাইদুবাইয়ের কর্মী। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মালদ্বীপের দূতাবাস তাদের পরিবারের সদস্যদের জানায় যে, পাইলটদের আটক রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ে কর্মরত মালদ্বীপের ছয় পাইলটের মধ্যে সর্বশেষ নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে এই দুজন অন্তর্ভুক্ত। গত ৩০ সেপ্টেম্বর উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত করার চেষ্টার অভিযোগ ওঠা ওমানের সহকারী পাইলট হামাম আল-হাম্মামির সঙ্গে তারা কাজ করেছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এ দুই পাইলটকে গ্রেফতারের বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের দপ্তরের মুখপাত্র মোহাম্মদ হুসাইন শরিফ কিংবা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা দেননি। এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো অভিযোগও আনা হয়নি।
ককপিটে হামলার অভিযোগ
আল-হাম্মামির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি দুবাই থেকে ইসরাইলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটে উড়োজাহাজের ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে কুঠার দিয়ে আক্রমণ করেন এবং উড়োজাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। ফ্লাইদুবাই ঘটনাটিকে ককপিটে ‘বাগ্বিতণ্ডা’ বা সংঘর্ষ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ভারতীয় নাগরিক ক্যাপ্টেন মাচ্ছার হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম হন এবং ককপিটের দরজা খুলে দেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পরে ইসরাইলি এক যাত্রী ককপিটে প্রবেশ করে উড়োজাহাজটির নিয়ন্ত্রণ সুরক্ষিত করতে সহায়তা করেন বলে দাবি করা হয়েছে। ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, পরে উড়োজাহাজটির গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করানো হয়।
ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ চালানোর ১৩ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ২০২২ সাল থেকে ফ্লাইদুবাইয়ে কর্মরত। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে ‘বীর’ হিসেবে অভিহিত করেন। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও তাকে ‘প্রকৃত বীর’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, তিনি ১৭৪ জনের জীবন রক্ষা করেছেন।
পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত ভারতের দূতাবাস জানায়, মাচ্ছার সেখানকার একটি হাসপাতালে সুস্থ হয়ে উঠছেন। ভারতীয় রাষ্ট্রদূত তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।
যাত্রীদের সাক্ষ্যে নতুন দাবি
আসাফ নামের এক যাত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, উড়োজাহাজের কর্মীরা অভিযুক্ত পাইলটের বাঁধন কিছুটা শিথিল করার চেষ্টা করেছিলেন এবং যাত্রীদের ভিডিও ধারণ করতে বাধা দিয়েছিলেন। আহত ভারতীয় ক্যাপ্টেনের মুখে রহস্যজনক একটি বড়ি দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
ওই যাত্রীর আরও দাবি, ফ্লাইটটিতে শুধু পুরুষ কেবিন ক্রু রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এ তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত পাইলটকে সহায়তা করার জন্য ক্রুদের মধ্যে কেউ কেউ আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তবে এসব দাবি একজন যাত্রীর বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।
প্রতিবেদনগুলোতে আরও দাবি করা হয়েছে, উড়োজাহাজটি ইসরাইলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত করাই ছিল কথিত পরিকল্পনার লক্ষ্য। তবে এ অভিযোগ এবং নতুন করে আটক দুই পাইলটের সঙ্গে ঘটনার সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক ভাবে জানা যায় চোর সন্দেহে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তবে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিহতের নাম ঠিকানা জানাতে পারেনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার নিয়াজপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের দেবীপুর গ্রামের বেলালের দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যুবক নিহতের হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নজরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমি এখন কোন কথা বলতে পারবনা।
বিস্তারিত আসছে..........................
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ