প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের তেব্রাউ এলাকায় অবস্থিত একটি অটোমোটিভ ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ৪৯২ জন অবৈধ বিদেশি শ্রমিককে আটক করেছে স্থানীয় অভিবাসন বিভাগ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ‘মালয়েশিয়া বর্ডার কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রোটেকশন এজেন্সি’ (একেপিএস)-এর সহযোগিতায় এ যৌথ অভিযানটি সম্পন্ন হয়। অভিযানের সময় বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক পালানোর চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হন।
জোহর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক মোহামাদ রুসদি মোহামাদ দারুস মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, নিয়োগকর্তারা অতিরিক্ত খরচ বাঁচানোর উদ্দেশ্যে দীর্ঘ সময় ধরে অবৈধভাবে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ করে আসছিলেন। কয়েক সপ্তাহের টানা গোয়েন্দা নজরদারি ও স্থানীয় জনগণের গোপন অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় কিছু শ্রমিক স্থান ত্যাগ করে লুকিয়ে পড়ার চেষ্টা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় তারা ধরা পড়েন। একইসাথে, কারখানার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একজন মালয়েশীয়কেও আটক করা হয়েছে।
আটকদের বয়স ১৯ থেকে ৪৬ বছরের মধ্যে, যার মধ্যে ২৪৭ জন পুরুষ এবং ২৪৫ জন নারী রয়েছেন। আটক পুরুষদের মধ্যে ১৭০ জন বাংলাদেশি, ৭৭ জন মিয়ানমার, ৪৮ জন নেপাল, ৩৮ জন ইন্দোনেশিয়া, ২৮ জন ভারত এবং ৩ জন পাকিস্তানের নাগরিক। অপরদিকে, আটক নারীদের মধ্যে ৬৬ জন মিয়ানমারের, ৪৯ জন ইন্দোনেশিয়ার, ৭ জন নেপালের, ৩ জন ভারতের, ২ জন বাংলাদেশের এবং ১ জন কম্বোডিয়ার নাগরিক রয়েছেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, তারা বৈধ কাগজপত্র এবং কাজের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) না থাকা সত্ত্বেও কাজ করে আসছিলেন।
গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইন ও ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে পরবর্তী তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বৈধ নথি ও পারমিট ছাড়া অবৈধ শ্রমিক নিয়োগকারী মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন