ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৬:৪৬ পি.এম
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের নামে নকল ‘ফুল এস্কেল’ ডিটারজেন্ট পাউডার বিক্রির দায়ে নাসির উদ্দিন (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ছোট পিকআপ জব্দ করা হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে ভাণ্ডারিয়া বন্দরের জেলা পরিষদ মার্কেটের সামনে থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুল হাসান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ অর্থদণ্ড দেন।
অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মৃত ইউনুস বিশ্বাসের ছেলে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, বাজারে প্রায় ৩২০ টাকা মূল্যের ডিটারজেন্ট পাউডার মাত্র ১০০ টাকায় দুই কেজি হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছিল। প্যাকেটগুলোতে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যথাযথভাবে উল্লেখ ছিল না। বরং এসব তারিখ ইচ্ছামতো নির্ধারণ করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া প্যাকেটের উপাদানের সঙ্গে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) লাইসেন্স ও অনুমোদিত নমুনার মিল পাওয়া যায়নি।
এসব অনিয়মের কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অভিযুক্তকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ছোট পিকআপ জব্দ করা হয়। অভিযানকালে পুলিশ ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুল হাসান বলেন, প্যাকেটজাত ডিটারজেন্ট পাউডার অত্যন্ত নিম্নমানের। এ ধরনের পণ্য বিক্রির মাধ্যমে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় নকল ও নিম্নমানের পণ্য বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মোঃ তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরা সদর উপজেলার শ্যামল কুমার বিশ্বাস (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ী ইজিবাইকের চাপায় মারা গেছেন। এই ঘটনায় ইজিবাইক চালকও গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে মাগুরা-নড়াইল আঞ্চলিক সড়কের শত্রুজিৎপুর বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শ্যামল কুমার বিশ্বাস ওই এলাকার একজন বাসিন্দা ছিলেন। তিনি শত্রুজিৎপুর বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামল কুমার বিশ্বাস বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এ সময় শত্রুজিৎপুর বাজার এলাকায় একটি দ্রুতগামী ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা বাইসাইকেল আরোহীকে চাপা দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক প্রিয়ব্রত বিশ্বাস তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, শত্রুজিৎপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের অস্থায়ী মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত একটি বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণের সময় বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে আটক করেছে মুম্বাই পুলিশ। নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতিবিরোধী এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেন।
প্রতিবাদে অংশ নিতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হন তিনি। সাম্প্রতিক বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষাপটে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।
গত শুক্রবার মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্থানে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থী এবং জনতা অংশগ্রহণ করে। বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেওয়ার পর কিছুক্ষণ পরেই পুলিশি পদক্ষেপের মাধ্যমে তাকে আটক করা হয়।
বলিউড তারকার এই আকস্মিক উপস্থিতি এবং আটকের ঘটনায় ভারতের রাজনৈতিক ও বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। আটকের পর তাকে কোথায় রাখা হয়েছে এবং পরবর্তীতে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বিবরণ প্রকাশ করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পীরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের কালসার ডাড়া বাজারে নকল সার, কীটনাশক ও গরুর ভুসি তৈরির অভিযোগে মেসার্স মোখলেছুর ট্রেডার্সের প্রোপাইটার মাইদুল ইসলাম বাবুর গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করেছে পীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন।
অভিযানের সময় বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ, নকল সাদৃশ্য সার, নকল বালাই ছত্রাক নাশক, রং ক্যামিক্যাল, ইটের রাবিশ, কাঠের গুড়া, খালি প্যাকেট, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ জব্দ করা হয়েছে। গোডাউনটিতে বিভিন্ন কোম্পানির অসংখ্য প্যাকেটের পাশাপাশি সার ও ভুসি তৈরির ১ হাজার ১১২৬ বস্তার বেশি উপকরণ পাওয়া গেছে।
এছাড়া, নকল একারখানার হোতা মাইদুল ইসলাম বাবু কালসারডারা সংলগ্ন এলাকায় একটি চাতালে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গো-খাদ্যে গমের ভুসির সঙ্গে ধানের ও কাঠের গুঁড়া মিশিয়ে ‘বসুন্ধরা’ ও ‘মণ্ডল’সহ নামিদামি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বিক্রি করে আসছিলেন। স্থানীয়রা জানান, এসব পণ্য নিরাপদে রাখতে তিনি পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজার সংলগ্ন জায়গায় গোডাউন ভাড়া নিয়েছেন।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে আব্দুল্লাহ্পুর বাজার সংলগ্ন সাদুল্লাপুর সীমানার আলী নগর বাদুরপুরে মাইদুল ইসলাম বাবুর নকল সার তৈরির কারখানায় সাদুল্লাপুর উপজেলা প্রশাসন যৌথ অভিযান পরিচালনা করে নকল সারসহ সার তৈরির সরঞ্জামাদি উদ্ধার করে সিলগালা করে। পরে রোববার (১০ অক্টোবর) পীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন মাইদুল ইসলাম বাবুর দোকান সংলগ্ন কারখানায় অভিযান চালায়।
তবে অভিযানের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে অভিযুক্ত মাইদুল ইসলাম বাবু ও আলহাজ্ব মোখলেছুর রহমান কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
এ নিয়ে স্থানীয়দের অনেকের ধারণা ছিল যে, সেখানে কেঁচো-জৈব সার তৈরির কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে। এ কারণে কারখানাটির কার্যক্রম নিয়ে তাদের তেমন সন্দেহ হয়নি। তবে প্রশাসনের অভিযানের সময় বিভিন্ন ধরনের নকল সাদৃশ্য সার, বালাইনাশক কীটনাশক, ছত্রাকনাশক ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ তৈরির সরঞ্জাম দেখতে পেয়ে তারা হতবিহ্বল হয়ে পড়েন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ জানান, আমরা যে উপকরণগুলো পেয়েছি, সেগুলো পরীক্ষার জন্য রংপুরে পাঠানো হবে। পরীক্ষার ফল পাওয়ার পর বোঝা যাবে, সেগুলো আসল না নকল। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, সেখানে নকল পণ্য তৈরি করা হচ্ছিল। কারখানাটির কোনো বৈধ অনুমোদন নেই। এজন্য তদন্ত সাপেক্ষে জব্দ করা পণ্যাদির পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবশ্যই মামলা করা হবে।
পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ, নকল সাদৃশ্য সার, নকল বালাই-ছত্রাকনাশক, রং ক্যামিক্যাল, ইটের রাবিশ, কাঠের গুড়া, খালি প্যাকেট, নামিদামি ব্র্যান্ডের খালি প্যাকেটসহ নানা উপকরণ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো দিয়ে সার, কীটনাশক ও ভুসি তৈরি করা হতো। প্রাথমিকভাবে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে। গোডাউনটি তালাবদ্ধ রাখার জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যমান এ পরিস্থিতিতে নকল সার কারবারিদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ওই অঞ্চলের ভুক্তভোগী কৃষকরা। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অভিযানে সহকারী পুলিশ সুপার রাসেল রানা, পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) তাজুল ইসলাম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিরুদ্ধে ২৫০ রান তাড়া করে সহজ জয় লাভ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বড় স্কোর করার পরও এমন হারের জন্য রাচির পিচকে দুষলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তিনি উল্লেখ করেছেন, সাদা বলের ক্রিকেটে ব্যাট ও বলের মধ্যে আরও ভারসাম্যপূর্ণ প্রতিযোগিতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।
ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে গম্ভীর বলেন, ‘বোলারদের জন্য কোনো সাহায্য না থাকা এমন পিচগুলোতে তাদের ক্রিকেট ক্যারিয়ার ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।’ গত দুই সপ্তাহের মধ্যে এটি ভারতীয় দলের প্রধান কোচের দ্বিতীয়বারের মত করা মন্তব্য।
রাঁচির ছোট মাঠ, ফ্ল্যাট উইকেট এবং শিশিরের কারণে বোলাররা চরম অসহায়ত্বের শিকার হন, যার ফলে পুরো ম্যাচে মোট ৫০১ রান এবং ৩৮.৩ ওভারে ৩৩টি ছক্কা হয়। এর কিছুদিন আগে গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ভারতের ৪০৬ রান তাড়া করে সহজেই জয়লাভের পরও গম্ভীর একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
বোলারদের অস্তিত্ব রক্ষায় ক্রিকেট পিচগুলোতে ব্যাটারদের পাশাপাশি বোলারদের জন্যও সমান সুযোগ রাখার দাবি জানান তিনি।
গম্ভীর প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনারা কি একটা ভালো ব্যাট-বলের লড়াই চান না? আপনারা যা দেখতে চান, আমরাও তাই দেখতে চাই। আমরাও একটা সমানে সমানে লড়াই দেখতে চাই।’
বোলারদের ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে, এই ড্রেসিংরুমে বসার জন্য তারা কঠোর পরিশ্রম করেছে। ভারতীয় কোচ যোগ করেন, প্রতিযোগিতাটা যদি সমানে সমানে হয়, তবে আমরা আরো ভালো ক্রিকেট খেলা দেখতে পাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ