ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন মন্ত্রী সংযোজন নিয়ে যা বললেন আব্দুল মঈন খান


নতুন মন্ত্রী সংযোজন নিয়ে যা বললেন আব্দুল মঈন খান

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, 'বাংলাদেশের ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের ভোটে দেশের হাল ধরেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারের পর বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেওয়া এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।'

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।

মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্য যুক্ত করার বিষয়ে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, 'কথাটি বলতে চাচ্ছি, সেটি হচ্ছে, বাংলাদেশের ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই দেশের হাল ধরেছেন। তিনি হাল ধরেছেন জনগণের পথে, বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের ভোটে। দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারের পরে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং বাংলাদেশ人民的 অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।'

আরও পড়ুন: ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

তিনি আরো বলেন, 'তারই ধারাবাহিকতায় আপনারা যে প্রশ্নটি করেছেন, তিনি যে মন্ত্রিসভা ছয় মাস আগে গঠন করেছিলেন, এটি সারা বিশ্বের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তারই ফলশ্রুতিতে আজকে তিনি মন্ত্রিসভায় সংযোজন করেছেন। বাংলাদেশের যে সমস্যাগুলো, যে বিষয়গুলো সম্পর্কে তিনি নিজে সম্পূর্ণভাবে ওয়াকিবহাল রয়েছেন, সেই সমস্যাগুলো দূর করে বাংলাদেশকে একটি গতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।'

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, 'আরেকটি ক্রান্তিকালে, যখন এই country's সমগ্র মানুষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়েছিল, যখন এ দেশে উপযুক্ত সময় উপনীত হয়েছিল, যখন এ দেশের একটি রাজনৈতিক দল, যারা নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে দাবি করে, তারা যখন তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছিল—সেই সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।'

নতুন প্রজন্মের কাছে এসব ইতিহাস তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, 'এই ইতিহাসগুলো আজকে বলতে হয় নতুন প্রজন্মের জন্য। কেননা আজকে আমরা দেখেছি, বারবার বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যে পরিক্রমা, সেটা ব্যাহত হয়েছে এবং বারবার বিএনপি সেটাকে নতুন করে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা নিয়েছে, এ দেশকে গণতন্ত্রের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য।'

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, 'এ প্রসঙ্গে আমি আরেকটি কথা না বললে আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ থাকবে না। আপনাদের মনে আছে, আশির দশকে, ১৯৮১ সালের পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পর যখন সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তখন বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে একজন আপসহীন নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। পরে ১৯৯১ সালে এসে জনগণের ভোটে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।'

আরও পড়ুন: পদত্যাগের নির্দেশের খবর গুজব, দাবি ইশরাক হোসেনের

তিনি বলেন, 'আমি যে কথা বলেছি, সেই ধারাবাহিকতায় আজকে আমরা ২০২৬ সালে এসে আবার নতুন করে জনগণের ভোটে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই দেশকে নতুন করে গড়ে তুলবো।'

এ সময় তার সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এবং দুই নতুন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন (ধর্ম মন্ত্রণালয়) উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরুর মাংসের দাম কমাতে ট্রাম্পের বড় সিদ্ধান্ত, আসছে ৩ লাখ টন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


গরুর মাংসের দাম কমাতে ট্রাম্পের বড় সিদ্ধান্ত, আসছে ৩ লাখ টন

যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের দাম কমাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সর্বোচ্চ ৩ লাখ মেট্রিক টন আমদানির অনুমতি দিয়েছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে গরুর মাংস। ট্রাম্প জানিয়েছেন, কর্মজীবী মার্কিন পরিবারগুলোর জন্য গরুর মাংসের দাম কমানোর পাশাপাশি দেশীয় খামারিদের গরুর পাল পুনর্গঠনের সময় দেওয়াই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) দেওয়া ঘোষণায়, ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী ৯০ দিনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ আমদানি করা গরুর মাংস অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।

ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, আমদানিকারকরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, এসব গরুর মাংস বর্তমান বাজারদরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ কম দামে বিক্রি করা হবে। ফলে সাধারণ ভোক্তারা এক্ষেত্রে তুলনামূলক কম দামে গরুর মাংস কিনতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের দাম বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দেশটিতে গবাদিপশুর সংখ্যা কমে যাওয়াকেও দেখা হচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের জুলাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, গরুর মাংস উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত গাভীর সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৮৫ লাখে নেমে এসেছে। এক বছর আগের তুলনায় এই সংখ্যা ১ শতাংশ কম।

একই সময়ে, ২০২৬ সালে বাছুর উৎপাদনের পূর্বাভাসও ২ শতাংশ কমেছে। কানসাস সিটি ফেডারেল রিজার্ভের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণের আলোচনায় বলা হয়েছে, ভোক্তাদের চাহিদা বেশি থাকলেও দেশীয় সরবরাহ সীমিত হওয়ায় গরুর মাংসের দাম বেড়েছে। উৎপাদন খরচ ও বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে অনেক খামারি দ্রুত গরুর পাল বাড়াতে আগ্রহী হচ্ছেন না।

যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের কিমার দাম ইতোমধ্যে রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কিমা করা গরুর মাংসের গড় দাম প্রতি পাউন্ডে ৬ দশমিক ৬৯ ডলারে পৌঁছায়।

সরবরাহ বাড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন এর আগেও উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আর্জেন্টিনা থেকে বছরে অতিরিক্ত ৮০ হাজার মেট্রিক টন চর্বি কম থাকা গরুর মাংসের অংশ শুল্কমুক্তভাবে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।

এছাড়াও, গবাদিপশুর জন্য ক্ষতিকর এক ধরনের পরজীবী পোকা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় প্রায় এক বছর মেক্সিকো থেকে গরু আমদানিতে বিধিনিষেধ ছিল। সম্প্রতি সেই আমদানি আবার চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান ট্রাম্প প্রশাসন।

এখন এই নতুন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে গরুর মাংসের সরবরাহ বাড়িয়ে দাম কমানোর চেষ্টা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। একই সঙ্গে, দীর্ঘমেয়াদে দেশটির নিজস্ব গরুর পাল পুনর্গঠনের সুযোগ করে দেওয়াও এর অন্যতম লক্ষ্য।

ট্রাম্প বলেছেন, দেশীয় খামারিদের সহায়তা ও গরুর পাল পুনর্গঠনের পাশাপাশি সাময়িক এই আমদানি মার্কিন পরিবারগুলোর জন্য বাড়তি গরুর মাংসের সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে স্কেল নিয়ে অপেক্ষার অবসান, সেপ্টেম্বরে আসছে গেজেট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


পে স্কেল নিয়ে অপেক্ষার অবসান, সেপ্টেম্বরে আসছে গেজেট

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করা নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ হতে পারে, এমন তথ্য জানা গেছে। এর আগে জুলাইয়ে গেজেট প্রকাশের বিষয়টি আলোচনায় ছিল, তবে তা শেষ পর্যন্ত হয়নি।

এ পরিস্থিতিতে সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হলে নতুন পে স্কেল প্রত্যাশী কর্মীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এখন আর বড় ধরনের অনিশ্চয়তা নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা এ বিষয়ে জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্যেই কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের প্রস্তুতির কাজও জোরদার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধার সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলো এখনো নিষ্পত্তি হয়নি, সেগুলোর দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। এসব জটিলতার সমাধান শেষে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

অর্থ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানাচ্ছে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর পে স্কেলের প্রস্তাব আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গেজেট প্রকাশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এর আগে গেজেট প্রকাশের আলোচনা আগস্টের মধ্যে হওয়া উচিৎ ছিল, কিন্তু বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধার সমন্বয়, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলো এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে পর্যালোচনার কারণে সময়সূচিতে পরিবর্তন এসেছে। এখন অবশিষ্ট বিষয়গুলো দ্রুত চূড়ান্ত করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির কাজ শেষ হলে বিষয়টি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের মধ্যেই কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার সিদ্ধান্তে কাজ করছে। তবে গেজেট প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখনও পুরনো বেতন কাঠামোর অধীনে বেতন পাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, গেজেট প্রকাশের পর ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরে বকেয়া বেতন-ভাতা সমন্বয়ের সুযোগ থাকার আশা রয়েছে। তবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে সংশোধিত মূল বেতন কার্যকর হতে পারে। এরপর সফলভাবে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বাস্তবায়নে প্রয়াস চালানো হবে।

সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বিভিন্ন গ্রেডে ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশের বেশি বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। তবে বাস্তবায়নের আগে কিছু ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধির হার পুনর্বিবেচনা করার সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি।

প্রচারিত খসড়া প্রস্তাবের অনুযায়ী, গ্রেড-১ এর মূল বেতন ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। গ্রেড-২ এ ১ লাখ ২ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, গ্রেড-৩ এ ১ লাখ ১৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং গ্রেড-৪ এ ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেতন কাঠামোর প্রস্তাব রয়েছে।

গ্রেড-৫ এ ৮৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা, গ্রেড-৬ এ ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং গ্রেড-৭ এ ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

গ্রেড-৮ এর জন্য প্রস্তাবিত বেতন ৪৭ হাজার ২০০ থেকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৭০০ টাকা। গ্রেড-৯ এ ৩৯ হাজার ১০০ থেকে ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রেড-১০ এ ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকার মধ্যে বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

মধ্যম ও নিম্ন গ্রেডের জন্যও বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। গ্রেড-১১ এ ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা, গ্রেড-১২ এ ২৪ হাজার থেকে ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা এবং গ্রেড-১৩ এ ২৪ হাজার থেকে ৫৮ হাজার পর্যন্ত বেতনের কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া গ্রেড-১৪ এ ২৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা, গ্রেড-১৫ এ ২২ হাজার ৮০০ থেকে ৫৫ হাজার ২০০ টাকা এবং গ্রেড-১৬ এ ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

গ্রেড-১৭ এ ২১ হাজার ৪০০ থেকে ৫১ হাজার ৯০০ টাকা, গ্রেড-১৮ এ ২১ হাজার থেকে ৫০ হাজার ৯০০ টাকা, গ্রেড-১৯ এ ২০ হাজার ৫০০ থেকে ৪৯ হাজার ৬০০ টাকা এবং গ্রেড-২০ এ ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে বেতন কাঠামোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত সচিব কমিটির আরো দুই থেকে তিনটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এসব বৈঠকে সুপারিশগুলো যাচাই-বাছাই করে সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে। তারপরেই মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া গেলে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

এর আগে গত ১৫ জুলাই, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে সচিবালয়ে পর্যালোচনা কমিটির ষষ্ঠ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ, অষ্টম পে স্কেলের সীমাবদ্ধতা এবং নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়।

সব মিলিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য সামনে রেখে কার্যক্রম এগোলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে পর্যালোচনা, মন্ত্রিসভার অনুমোদন ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্ধের মধ্যেও যে কৌশলে অটুট ছিল ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


দ্ধের মধ্যেও যে কৌশলে অটুট ছিল ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার

যুদ্ধের কারণে যে কৌশলে ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়নি তা স্পষ্ট। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যে যুদ্ধ শুরু হয়, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামনে একবারও থমকে যায়নি ইরান। বিশ্লেষণে দেখা যায়, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ বৃদ্ধি করেছে দেশটি।

একই সঙ্গে শত্রুর আকস্মিক হামলা প্রতিরোধের জন্য এসব বিষয়ে সর্বোচ্চ সামরিক গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক জানান, দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করার পাশাপাশি আগের বছরগুলোতে গড়ে তোলা কৌশলগত মজুতের সহায়তায় অস্ত্র উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে।

তালাই-নিকের কথায়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত এক বছরে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের বার্ষিক উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের কয়েকটি প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনায় সীমিত হামলা হলেও উৎপাদনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

এছাড়া তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিরক্ষা উৎপাদন শুধু অব্যাহতই নেই, বরং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কৌশলগত এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক সরঞ্জামের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি বেড়ে গেছে।

সামরিক তথ্য ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত গোপনীয়তা রক্ষা করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দুর্বলতা এড়াতে এবং শত্রুর আকস্মিক হামলার সুযোগ বন্ধ করতে সামরিক গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই গত দুই বছর ধরে ইরান কোনো সামরিক প্রদর্শনী আয়োজন করেনি।

এছাড়াও, নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উন্মোচনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে দেশটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুরে যুবকদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও সনদপত্র বিতরণ বিজিবি’র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


দিনাজপুরে যুবকদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও সনদপত্র বিতরণ বিজিবি’র

দিনাজপুর সীমান্ত এলাকার তরুণ ও যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিজিবি’র উদ্যোগে বিরল উপজেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্সে একটি ৪ সপ্তাহব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

ঐ প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে সনদ পত্র বিতরণ করা হয়, যা আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুর বিরল উপজেলার মডেল মসজিদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন-৪২ বিজিবি আয়োজিত অনুষ্ঠানে সীমান্ত এলাকার বেকার তরুণ ও যুবকদের ৪ সপ্তাহব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী যুবকদের হাতে সনদ পত্র ও কিছু উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণটি ২৭ জুলাই থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত হয়, যাতে সীমান্তবর্তী এলাকার ২০ জন বেকার যুবক অংশগ্রহণ করেন। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। এ সমাপনী অনুষ্ঠানে যুব সমাজকে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ গ্রহণের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দিনাজপুর বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকার যুবকদের দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আশা করেন, অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তারা কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের আহ্বান জানান, যেন তারা অর্জিত দক্ষতা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে নিজেদের এবং দেশের আথ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখেন।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নূর-ই-আলম সিদ্দিকী বলেন, এই প্রশিক্ষণ যুবকদের আত্মবিশ্বাস এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের আশ্বস্ত করেন যে, তাঁরা অর্জিত জ্ঞান যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের দক্ষ মানব সম্পদ হিসাবে গড়ে তুলেন এবং দেশের উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিতে অবদান রাখেন।

এছাড়াও প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন ৪২ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান, বিজিবি সেক্টরের অতিরিক্ত পরিচালক মেজর তানিম হাসান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন, বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম এবং বিজিবি’র কর্মকর্তাবৃন্দ, বিরল থানার ওসি পরিদর্শক মো. এমদাদ হোসেন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বিজিবি জানায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার যুব সমাজকে দক্ষ ও কর্মমুখী করে গড়ে তুলতে ভবিষ্যতেও এই ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%