প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুদ্ধের কারণে যে কৌশলে ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়নি তা স্পষ্ট। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যে যুদ্ধ শুরু হয়, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামনে একবারও থমকে যায়নি ইরান। বিশ্লেষণে দেখা যায়, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ বৃদ্ধি করেছে দেশটি।
একই সঙ্গে শত্রুর আকস্মিক হামলা প্রতিরোধের জন্য এসব বিষয়ে সর্বোচ্চ সামরিক গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক জানান, দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করার পাশাপাশি আগের বছরগুলোতে গড়ে তোলা কৌশলগত মজুতের সহায়তায় অস্ত্র উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে।
তালাই-নিকের কথায়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত এক বছরে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের বার্ষিক উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের কয়েকটি প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনায় সীমিত হামলা হলেও উৎপাদনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।
এছাড়া তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিরক্ষা উৎপাদন শুধু অব্যাহতই নেই, বরং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কৌশলগত এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক সরঞ্জামের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি বেড়ে গেছে।
সামরিক তথ্য ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত গোপনীয়তা রক্ষা করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দুর্বলতা এড়াতে এবং শত্রুর আকস্মিক হামলার সুযোগ বন্ধ করতে সামরিক গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই গত দুই বছর ধরে ইরান কোনো সামরিক প্রদর্শনী আয়োজন করেনি।
এছাড়াও, নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উন্মোচনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে দেশটি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন