ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিতর্কিত দ্বীপের কাছে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, প্রতিবাদ জানাল জাপান


বিতর্কিত দ্বীপের কাছে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, প্রতিবাদ জানাল জাপান

ঢাকা, ২২ আগস্ট, ২০২৬ : বিতর্কিত দ্বীপগুলোর কাছে রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেÑএই ঘোষণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে জাপান। চলতি মাসের শুরুতে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ওই দ্বীপগুলো সফর করেছেন।

কুরিল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে জাপান এবং রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘকালীন বিরোধ বিদ্যমান। জাপানে এসব দ্বীপকে ‘নর্দার্ন টেরিটরিজ’ বা ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখ-’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বীপগুলো দখল করে নেয় এবং সেখানকার জাপানি জনসংখ্যাকে উচ্ছেদ করে।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে জানা গেছে, জাপান সরকারের এক মুখপাত্র এফপিকে জানিয়েছেন, ‘দ্বীপগুলোর কাছে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পরিকল্পনার বিষয়ে রাশিয়ার দেওয়া ঘোষণার প্রতিবাদ করেছি।’

আরও পড়ুন: মার্কিন নির্বাচনের পর ইরান আক্রমণের নতুন পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

তবে রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে ওই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। কিন্তু পরীক্ষাটি ঠিক কখন করা হয়েছে, তা সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য নেই।

রুশ নৌবহরের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জের উপকূলের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। আক্রান্ত লক্ষ্যবস্তুগুলো ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছিল, যেগুলোকে শত্রুপক্ষের জাহাজ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

বিবৃতিতে এছাড়া আরও বলা হয়েছে, রুশ নৌবাহিনীর ‘ভারিয়াগ’ যুদ্ধজাহাজ থেকে দুটি ‘ভুলকান’ জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন ‘ওমস্ক’ থেকে ‘গ্রানিট’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। একই সময়ে কুরিল দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত ‘বাষ্ট্ৰিয়ন’ উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ‘অনিক্স’ ক্ষেপণাস্ত্রও ছোড়া হয়েছে।

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি বৃহস্পতিবার ওমান সফরের সময় সাংবাদিকদের বলেন, ‘নর্দার্ন টেরিটরিজে রাশিয়ার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, যার মধ্যে এই ক্ষেপণাস্ত্র মহড়াও অন্তর্ভুক্ত, জাপানের অবস্থানের পরিপন্থী এবং এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

আরও পড়ুন: ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ ১৮ শতাংশ কমাতে হবে

কুরিল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে এই দীর্ঘকালীন বিরোধ চলার কারণে ১৯৪৫ সাল থেকে রাশিয়া দ্বীপগুলো নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। গত ১৩ আগস্ট, পুতিন প্রথমবারের মতো ওই দ্বীপপুঞ্জে সরকারিভাবে সফর করেন। এই সফরের প্রতিবাদে জাপান রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করে। পরে মস্কোও পাল্টা জাপানি কূটনীতিককে তলব করে।

পুতিন, কাছের রুশ দ্বীপ সাখালিন সফরের পর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে যান। সাখালিনে তখন রুশ নৌবাহিনীর সামরিক মহড়া চলছিল।

২০১০ সালে দিমিত্রি মেদভেদেভের সফরের পর পুতিনের সফর ছিল রুশ প্রেসিডেন্টের জন্য ওই দ্বীপপুঞ্জে প্রথম সফর। পুতিনের সফরের পরে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেছেন, ‘ঐতিহাসিকভাবে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ীÑদুই দিক থেকেই দ্বীপগুলো জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখ-।’

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের শুরু হওয়ার পর থেকেই জাপান এবং রাশিয়া সম্পর্কের অবনতি ঘটে। জাপান অন্যান্য জি-৭ দেশের সাথে মিলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং ইউক্রেনকে সহায়তা করে আসছে। ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্রও বিতর্কিত দ্বীপগুলোতে জাপানের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

আরও পড়ুন: এআইয়ের চোখে ধরা পড়ল ইন্টারনেটের বড় দুই নিরাপত্তা ত্রুটি

বিশ্লেষকদের মতে, কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফর ছিল জাপানকে সতর্ক করার একটি বার্তা। বিশেষ করে ইউক্রেনকে আরও শক্তিশালী সমর্থন, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি সরবরাহের সম্ভাবনা এবং ন্যাটোর সাথে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা থেকে জাপানকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে এ সফর হতে পারে।

বর্তমানে জাপান ইউক্রেনকে প্রাণঘাতী নয় এমন প্রতিরক্ষা সহায়তা প্রদান করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানির উপর কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করলেও যুদ্ধরত কোনো দেশে সরাসরি প্রাণঘাতী সামরিক সরঞ্জামের সরবরাহের উপর এখনও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলোচনা ব্যর্থ, কানাডার পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


আলোচনা ব্যর্থ, কানাডার পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্র কানাডার প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে।

এটি ওয়াশিংটন ডিসিতে টানা তিন দিন ধরে চলছিল, যেখানে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে এবং ট্রাম্প প্রশাসন এরপরই এ পদক্ষেপ নেয়।

শনিবার আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র একে অপরকে দায়ী করে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে এই খবর উঠে এসেছে।

রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনা শেষ করার জন্য ওয়াশিংটন ডিসির স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করেছিলেন। সেই সময়সীমা অতিক্রমের পর যুক্তরাষ্ট্র নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন কাঠের আইস হকি স্টিকের মতো কানাডীয় পণ্যে এসব শুল্ক আরোপ করেছে, যা খুব একটা ব্যবহৃত হয় না। ফলে এর কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার দেশটিতে বড় পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা নেই। কেননা যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার মোট রপ্তানির মধ্যে এসব পণ্যের অংশ মাত্র ৫ শতাংশের কিছু বেশি।

তবে নতুন শুল্ক আরোপের ফলে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির মধ্যে যে উত্তেজনা বেড়েছে, তা যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নবায়নের লক্ষ্যে চলমান বিশাল আলোচনা আরও কঠিন করে তুলতে পারে।

কার্নি ঘোষণা করেছেন, তিনি বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করে দিয়েছেন এবং কানাডা নতুন শুল্কের প্রতিক্রিয়ায় ‘ডলারের বদলে ডলারের’ নীতি গ্রহণ করবে।

এক বিবৃতিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আমি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কানাডার আলোচকদের অটোয়ায় ফিরে আসতে বলেছি।”

কার্নি আরও জানিয়েছেন, “আলোচকরা সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কানাডার স্বার্থ রক্ষায় কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তবে শেষ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শর্তের পরিবর্তন ছিল অন্যায্য, অবাণিজ্যিক এবং এটি যে কোনো চুক্তির নির্ভরযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।”

গত জুলাই থেকে দুই দেশের আলোচকরা নিবিড় আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন। এর আগে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ১৯ অগাস্ট নাগাদ প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার (২৮ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার) মূল্যের কানাডীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প সাময়িকভাবে ওই শুল্ক স্থগিত করেছিলেন এবং বলেছিলেন, দুই দেশ একটি বাণিজ্য চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা উভয়ের জন্য ‘খুব ভালো’ হবে।

কিন্তু চুক্তির সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগে কার্নি বলেছিলেন, “আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও তা আমাদের লক্ষ্য পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়।”

কার্নির ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে জানান, “আজ রাতে কানাডা এ সপ্তাহের শুরুতে সম্মত হওয়া শর্ত অনুযায়ী বাণিজ্য চুক্তি শেষ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমাদের বাজারে রপ্তানি করা বড় দেশগুলোর মধ্যে কানাডাকে সবচেয়ে সুবিধাজনক শুল্ক সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছিল।

“কিন্তু কানাডার নতুন কিছু দাবি এবং আগে দেওয়া কিছু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার কারণে গত কয়েক দিনে সতর্কতার সঙ্গে যে ভারসাম্য তৈরি হয়েছিল, তা ভেস্তে গেছে।”

আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় সপ্তাহের শুরুর তুলনায় দুই দেশের অবস্থানে বড় পরিবর্তন ঘটেছে। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার কর্মকর্তারা আশাবাদী ছিলেন যে, একটি লাভজনক বাণিজ্য চুক্তি হতে পারে।

খবরে বলা হয়েছিল, আলোচকরা এমন একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছিলেন যাতে কানাডার ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ এবং কানাডীয় গাড়ির ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে নেমে আসবে।

এর বিনিময়ে কার্নি কানাডার প্রদেশগুলোকে দোকানের তাকগুলোতে আবার যুক্তরাষ্ট্রের মদ রাখার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

গত বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে দুই প্রধান বাণিজ্য অংশীদারের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সময় ট্রাম্প বিশ্বব্যাপী ব্যাপক শুল্ক আরোপের কর্মসূচি শুরু করেন, যা কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কয়েক দশকের মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে দেয়।

এখন আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার কারণে ট্রাম্প ১৯৩০ সালের ট্যারিফ অ্যাক্টের আওতায় কানাডার ওপর নতুন করে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন।

ওয়াইন, দুগ্ধজাত পণ্য, সিমেন্ট, পোশাক ও হকি সরঞ্জামসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর এসব শুল্ক কার্যকর হবে। পাশাপাশি কানাডার ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম, গাড়ি ও কাঠের ওপর যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকেই যে শুল্ক আরোপ করেছে, সেগুলোও বহাল থাকবে।

গত বছর ট্রাম্পের শুল্কের পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে কানাডার বেশিরভাগ প্রদেশ যুক্তরাষ্ট্রের মদ বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।

কার্নি হলেন একমাত্র ব্যক্তি যিনি দুটি বড় অর্থনীতির দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান ছিলেন। গত বছর তিনি ট্রাম্পকে মোকাবেলা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তিনি এখনও অনেক জনপ্রিয়। কানাডার মতামত জরিপগুলোতে দেখা গেছে যে, অধিকাংশ কানাডীয় ট্রাম্পকে কোনো ছাড় দেওয়ার বিরোধী।

কানাডার প্রতিষ্ঠান অ্যাবাকাস ডেটার সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৩৬ শতাংশ কানাডীয় যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্য সমর্থন দেন। অন্যদিকে, আরও ৩০ শতাংশ চান, কার্নি সরকার আলোচনা চালিয়ে যাক।

যদি পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়, তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে উত্তেজনা আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার মন্তব্য করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘পাল্টা শুল্ক সহ্য করবে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ‘আরও কাজ বাকি’: কানাডার আলোচক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৭ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ‘আরও কাজ বাকি’: কানাডার আলোচক

ঢাকা, ২২ আগস্ট, ২০২৬: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার বাণিজ্য চুক্তি এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান দেশটির প্রধান আলোচক ডমিনিক লেব্লাঙ্ক। যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক নতুন করে আরোপ করা শুল্ক কার্যকর হওয়ার নির্ধারিত মধ্যরাতের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি এই বক্তব্য দেন।

এ সম্পর্কে সংবাদ তথ্যের জন্য প্রতিবেদকরা জানাচ্ছেন, খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

শুক্রবার দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা সম্পন্ন হওয়ার পর মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমাদের আরও কাজ বাকি আছে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা কাজ চালিয়ে যাব। আমাদের কাজ এখনও শেষ হয়নি।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক মাস ধরে চলা বাণিজ্য উত্তেজনার সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে বুধবার থেকে কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপরে নতুন করে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন।

তবে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে জানিয়ে শেষ মুহূর্তে সেই শুল্ক কার্যকরের সময় পিছিয়ে দেন ট্রাম্প।

চুক্তি চূড়ান্ত করতে চলতি সপ্তাহে কানাডার আলোচকরা ওয়াশিংটনে উপস্থিত রয়েছেন। প্রস্তাবিত চুক্তিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিরোধের সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার দুপুরবেলা লেব্লাঙ্ক তার দলের সদস্যদের নিয়ে গ্রিয়ারের কার্যালয়ে পৌঁছান এবং প্রায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সেখান থেকে বের হন। বৃহস্পতিবারও দুই কর্মকর্তা প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন।

লেব্লাঙ্কার সর্বশেষ মন্তব্যের আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘কানাডার সঙ্গে আমাদের একটি চুক্তি করতে পারা উচিত।’ এ প্রসঙ্গে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে তার ‘ভালো সম্পর্কের’ কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

কানাডা গাড়ি, ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা শুল্ক থেকে ছাড় চায়। এইসব শুল্ক কানাডার অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি করেছে, কর্মসংস্থান কমিয়েছে এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও টানাপোড়েন তৈরি করেছে।

কার্নি কানাডার বিভিন্ন প্রদেশ ও অঞ্চলগুলোর নেতাদের নিয়ে বৈঠক করার পর চলতি সপ্তাহে প্রস্তাবিত চুক্তির কিছু বিষয় প্রকাশ্যে আসে।

ধারণা করা হচ্ছে, কিছু নির্দিষ্ট খাতে যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক কমাতে পারে। তবে পুরোপুরি প্রত্যাহার নাও হতে পারে। সাসকাচোয়ানের রক্ষণশীল প্রিমিয়ার স্কট মো বলেছেন, ট্রাম্পের আগের সময়ের মতো ‘স্বাভাবিক অবস্থায়’ আর ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

বাণিজ্য আইনজীবী রায়ান মাজেরুস এএফপিকে জানান, নির্দিষ্ট খাতগুলোর ওপর আরোপিত শুল্ক ব্যাপকভাবে কমানোর বিষয়ে ওয়াশিংটনের আগ্রহ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, দুই পক্ষই এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার একটি পথ চায়।’ তবে তার মতে, শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য অটোয়া সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ রয়েছে এবং শেষে যে চুক্তিই হোক, তাতে কানাডার জনগণের কিছু অংশ অসন্তুষ্ট হতে পারে।

এদিকে কানাডার বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টিও শুক্রবার সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। দলটির নেতা পিয়েরে পোয়েলিয়েভর বলেন, ‘কানাডার শিল্পের ওপর একতরফা শুল্ক আরোপ কোনো ভালো চুক্তি হতে পারে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইটি ট্রেনিং সেন্টার হবে উদ্ভাবন, স্টার্টআপ ও কর্মসংস্থানের কেন্দ্র: আইসিটি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


আইটি ট্রেনিং সেন্টার হবে উদ্ভাবন, স্টার্টআপ ও কর্মসংস্থানের কেন্দ্র: আইসিটি মন্ত্রী

ঢাকা, ২২ আগস্ট, ২০২৬ : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোকে উদ্ভাবন, স্টার্টআপ এবং বিনিয়োগের কার্যকর কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বুদ্ধিদীপ্ত ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নিতে দক্ষ মানবসম্পদ, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরির কোনো বিকল্প নেই।

আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোকে আমরা সেই জাতীয় সক্ষমতা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

আজ শনিবার যশোরে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মন্ত্রী একথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রশিক্ষণ দেয়া নয়; প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থান, ফ্রিল্যান্সিং ও উদ্যোক্তা হওয়ার সক্ষমতাও তৈরি করা।

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ফলে প্রচলিত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার পরিবর্তে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদাভিত্তিক, দক্ষতাভিত্তিক এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একজন প্রশিক্ষণার্থী কত ঘণ্টা প্রশিক্ষণ নিলেন বা কতটি সনদ পেলেন—এটিই সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি হতে পারে না। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি চাকরি পেলেন কি না, ফ্রিল্যান্সিংয়ে যুক্ত হলেন কি না, উদ্যোক্তা হলেন কি না এবং অর্জিত দক্ষতা বাস্তবে কাজে লাগাতে পারলেন কি না—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে।

স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আইসিটি মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দিনের ডিজিটাল অর্থনীতিতে চাকরিপ্রার্থী তৈরির পাশাপাশি চাকরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে।’

মন্ত্রী জানান, আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোতে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, কারিগরি সহায়তা, ব্যবসা উন্নয়ন, বাজার সংযোগ এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ তৈরি করা হবে। একইসঙ্গে, সরকার ইনকিউবেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ধারণা যাচাই, পণ্য ও সেবা উন্নয়ন, বাজারে প্রবেশ, ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের জন্য উদ্যোক্তাদের প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গবেষণা ও উদ্ভাবন প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়ী ও শিল্প সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া-ইনোভেশন-ইনভেস্টমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা সম্ভব।

সরকারি অব্যবহৃত স্থাপনা ও অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব মন্তব্য করে তিনি বলেন, এ লক্ষ্য পূরণে আইটি সেন্টারগুলোর অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি, ইউটিলিটি, রক্ষণাবেক্ষণ ও সেবার মানকে একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থাপনা কাঠামোর আওতায় আনা হবে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নির্দেশিকাটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোর সেবার মান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। তরুণদের কর্মসংস্থান ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে, নতুন উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ সৃষ্টি হবে। প্রযুক্তি খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, উদ্ভাবন ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি বিকাশ আরও ত্বরান্বিত হবে।

উল্লেখ্য, দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্শণের লক্ষ্যে ‘আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা-২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

নির্দেশিকায় প্রশিক্ষণের বিষয়, কারিকুলাম ও দক্ষতার মান নির্ধারণে শিল্পখাতের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি সময়ের সঙ্গে প্রশিক্ষণের বিষয় নিয়মিত হালনাগাদের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়াও আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোর কার্যক্রমকে ধীরে ধীরে একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা, ইনকিউবেশন ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনা মডিউলের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থী, কোর্স, প্রশিক্ষক, উপস্থিতি, মূল্যায়ন, ফলাফল, সনদ এবং প্রশিক্ষণ-পরবর্তী ফলাফল ডিজিটালভাবে ব্যবস্থাপনার সুযোগ থাকবে।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতাধীন দেশের বিভিন্ন আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী, কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও ফলাফলভিত্তিক করার লক্ষ্যে এ নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়। এর মাধ্যমে এসব সেন্টারের জন্য একটি অভিন্ন, মানসম্মত ও প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সদস্য অনুপম বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুর রহমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেন যুদ্ধে মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা বাড়ানোর আহ্বান জার্মানির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


ইউক্রেন যুদ্ধে মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা বাড়ানোর আহ্বান জার্মানির

জার্মানি যুক্তরাষ্ট্রকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে যে, এটি ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুল বলেছেন, তিনি আশাবাদী যে ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।

শনিবার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ সফরকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওয়াডেফুল এ কথা জানান। আগামী সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেনের শান্তি প্রতিষ্ঠায় আরো কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ওয়াডেফুল জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা পালনে ইচ্ছুক থাকার ব্যাপারে তিনি আস্থা রাখছেন।

জার্মান প্রেস এজেন্সি (ডিপিএ) ওয়াডেফুলের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইউরোপীয় দেশগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ ইউক্রেন ইস্যুতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের প্রথমার্ধে ই৩ কাঠামোর আওতায় ইউরোপীয় দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।

ই৩ বলতে জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগকে বোঝানো হয়। তিনি জানান, ইউক্রেন ইস্যুতে এই তিন দেশ কাজ করে যাবে।

ওয়াডেফুল বলেন, আমাদের প্রচলিত ধারার বাইরের পন্থা অবলম্বন করতে হবে। আলোচনা শুরু করার জন্য সম্ভাব্য সব পথ চেষ্টা করার প্রয়োজন। তবে, এই মুহূর্তে মস্কো তাতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও আসন্ন শীত মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য শনিবার কিয়েভে পৌঁছান ওয়াডেফুল। তার এই সফর আসে ইউক্রেনের স্বাধীনতার ৩৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে। আগামী ২৪ আগস্ট ইউক্রেন স্বাধীনতা দিবস পালন করবে।

জার্মানির ফেডারেল ফরেন অফিস জানিয়েছে, সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ইউক্রেনকে আসন্ন শীত মোকাবিলায় সহায়তা করা। এই সহায়তার অংশ হিসেবে জেনারেটর ও অন্যান্য জ্বালানি সরঞ্জাম সরবরাহ, দেশটির জ্বালানি খাতে সহায়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সুরক্ষায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হতে চলেছে।

জার্মানি ইউক্রেনকে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা অংশীদার’ হিসেবে মনে করে এবং বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে যে, হাইব্রিড হুমকি, আধুনিক যুদ্ধ এবং রাষ্ট্র ও সামাজিক কাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা মোকাবিলায় ইউক্রেনের অভিজ্ঞতা থেকে জার্মানি শিক্ষা নিতে পারে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%