শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগব্যবস্থা স্টারলিংকের সেবা আবার চালু হয়েছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক ইউক্রেনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংকের সংযোগ ফিরিয়ে দিয়েছেন। তবে, সংযোগটি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর একটি প্রতিবেদন নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, ট্রাম্প মাস্ককে ফোন করে ইউক্রেনের স্টারলিংক ব্যবহারে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে বলেছিলেন। ফোনালাপের পর স্টারলিংকের সেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে বলেও সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ফোন করেছিলাম কি না, কিংবা অন্য কেউ ফোন করেছিল কি না, তা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমার মনে হয়, তাতে কিছু যায়-আসে না। মূল কথা হলো, তিনি (মাস্ক) সংযোগ ফিরিয়ে দিয়েছেন।’
গত ১৩ অক্টোবর ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানান, স্টারলিংক সেবায় আকস্মিক বিধিনিষেধের কারণে দেশটির সামরিক বাহিনীকে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়েছে। সংযোগ আবার চালু হলেও বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সেবা এখনো অনিয়মিত বলে খবর পাওয়া গেছে।
ইউক্রেনে স্টারলিংকের সংযোগ সীমিত করার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছিল, সে বিষয়ে বিতর্ক চলছে। মাস্ক ও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা একে অপরের দিকে দায় ঠেলে দিয়েছেন। ট্রাম্প স্টারলিংকের সংযোগ সীমিত করার নির্দেশ দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। শুক্রবার তিনি বলেন, ‘এ সিদ্ধান্ত কেউ নিয়েছিল কি না, তা আমি জানি না। তবে আমি নিইনি। আমার মনে হয় না, ইলনও নিয়েছে। আমি যতটুকু বুঝেছি, সেবাটি আগের মতোই রয়েছে।’
স্টারলিংকের গতি ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত মাস্কের ওপর নির্ভর করে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বুধবার তিনি বলেন, ‘মূল বিষয় হলো, এটি একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক চুক্তির আওতায় পরিচালিত হয়। তাদের প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহার করা যাবে এবং কী গতিতে ব্যবহার করা যাবে, তা ওই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।’
তবে স্টারলিংক ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের দায় অস্বীকার করেছেন মাস্ক। ১৪ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, স্টারলিংকের সামরিক সংস্করণ স্টারশিল্ডের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হাতে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বোঝাতে ‘পটাস’ সংক্ষিপ্ত শব্দ ব্যবহার করে মাস্ক লেখেন, ‘গতি বা ব্যবহারের ওপর যেকোনো বিধিনিষেধ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এবং শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্টই নির্ধারণ করেন।’
স্টারলিংকের গতি কমানো ও ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ট্রাম্প বা তার ডানপন্থি মিত্ররা এই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিতে ইউক্রেনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন।
জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের টানাপোড়েন
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েনের। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তুলনা করে ট্রাম্প একাধিকবার জেলেনস্কিকে ‘কঠিন’ ব্যক্তি বলে মন্তব্য করেছেন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুতিন ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। যুদ্ধটি দীর্ঘ সময় ধরে চললেও এর অবসান হয়নি। ইউরোপের দেশগুলো রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থন দিয়ে আসছে। তবে ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধের জন্য ইউক্রেনকেও দায়ী করেছেন।
২০২৫ সালে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষাই যুদ্ধ শুরুর কারণ বলে তিনি মনে করেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটাই যুদ্ধ শুরুর কারণ ছিল।’
সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে যুদ্ধ শেষ না হওয়ার জন্য জেলেনস্কিকে দায়ী করেন ট্রাম্প। তিনি লেখেন, ‘সে এই যুদ্ধ শেষ করতে চায় না, সম্ভবত কখনোই চায়নি।’
রাশিয়ার ওপর চাপ কমানো নিয়ে সমালোচনা
যুদ্ধ চলার মধ্যে রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কমানোর অভিযোগে ট্রাম্প সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তাঁর সমালোচকদের মধ্যে রয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্যরা এবং ট্রাম্পের নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির কয়েকজন নেতাও।
সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল কেনা এবং দেশটির জ্বালানি খাতের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করার বিষয়ে একাধিক ঘোষণা দিয়েছে।
এমন সময়ে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, যখন ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সঙ্গে মিলে যুদ্ধে জড়ানোর কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়েছে। এর রাজনৈতিক প্রভাব সামলাতে হচ্ছে ট্রাম্পকে।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসার আগ্রহও জানিয়েছেন ট্রাম্প। এমন বৈঠক হলে তিন নেতার মধ্যে এটিই হবে প্রথম ত্রিপক্ষীয় বৈঠক।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেস এবার কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২৬ অক্টোবর (সোমবার) রাত ৮টা থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনটির চলাচল শুরু হবে।
এদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে মহানগর এক্সপ্রেসের কক্সবাজারগামী প্রথম যাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
আজ বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সউদি আরবে হুথিদের হামলার ফলে বিমান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় মক্কা ও মদিনায় আটকা পড়েছেন কয়েক হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী। তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। গত এক সপ্তাহে প্রায় ৩ হাজার যাত্রী দেশে ফিরে গেছেন। তবে আরও প্রায় ৪ হাজার ভারতীয় আটকা রয়েছেন, এমন তথ্য জানিয়েছেন দেশটির এক সংসদ সদস্য।
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সউদির দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন বৃহস্পতিবার সউদি কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলায় একজন ভারতীয় ও একজন সউদি নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আটজন, যাঁদের মধ্যে দুইজন ভারতীয় ও দুইজন বাংলাদেশি রয়েছেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) জানান, রিয়াদে ভারতীয় দূতাবাস এবং জেদ্দায় কনস্যুলেট বিমান সংস্থা ও ভ্রমণ পরিচালনাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে কয়েকটি ভারতীয় বিমান সংস্থা সউদিগামী এবং সউদি থেকে ছেড়ে আসা ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ও ইন্ডিগোর ফ্লাইট ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত এবং আকাসা এয়ারের ফ্লাইট ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করতে বলা হয়েছে।
আটকে পড়া যাত্রীদের সহায়তায় ভারতীয় দূতাবাস ও কনস্যুলেটে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি যাত্রীদের দেশে ফেরাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করছে ভারত সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙ্গামাটি, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ‘প্রবারণা পূর্ণিমা’ উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুরু হয়েছে বর্ণিল আনন্দে।
‘প্রবারণা পূর্ণিমা’র মূল অনুষ্ঠান আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে, তবে আজ শুক্রবার থেকে জেলার বিভিন্ন বিহারে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের নানা ধর্মীয় আয়োজন শুরু হয়েছে।
আজ সকালে রাঙ্গামাটি সদরের বালুখালি এলাকার ‘তপোবন অরণ্য কুটিরে’ হাজারো বৌদ্ধ নর-নারীর ঢল নামে। সাদা পোশাকে সমবেত পুণ্যার্থীদের প্রার্থনা আর ‘সাধু সাধু’ ধ্বনিতে পুরো কুটির প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। এ সময় সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান ও বুদ্ধপ্রতিবিম্ব দানসহ নানা পুণ্যকর্ম সম্পাদন করা হয়।
ধর্মীয় এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান।
সংঘপ্রধান হিসেবে উপস্থিত থেকে পুণ্যার্থীদের পঞ্চশীল প্রদান করেন এবং ধর্মদেশনা দেন বনভান্তের শিষ্যসংঘের প্রধান ও রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান ভদন্ত প্রজ্ঞালংকার মহাথের।
এ সময় অন্যান্য বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
পাহাড়ের দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজারো পুণ্যার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান শুরুর দিকে দেশের মানুষের মঙ্গল কামনায় সমবেত ভাবনা ও প্রার্থনা করা হয়।
দীর্ঘ তিন মাসের প্রথাগত ‘বর্ষাবাস’ (উপাসনা ও ধ্যান) যাপন শেষে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা এখন মানবকল্যাণে ধর্ম প্রচারে বেরিয়ে পড়বেন। ২৫ অক্টোবর উদযাপিত হবে মূল প্রবারণা পূর্ণিমা। আর এ শুভ তিথির পরদিনই শুরু হবে বৌদ্ধদের পরম পবিত্র ও কাঙ্ক্ষিত মাসব্যাপী ‘কঠিন চীবর দান’ উৎসবের।
পাপমোচন, মৈত্রীভাব এবং জগতের সকল প্রাণির সুখ-শান্তি কামনায় পাহাড়ে এখন ছড়িয়ে পড়েছে অপরূপ ধর্মীয় ও উৎসবের আবহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ ‘সাদাপাথর’ পর্যটন কেন্দ্রে বর্তমানে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা স্বচ্ছ পানির ধারা এবং ধবধবে সাদা পাথরের মিতালি দেখতে দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটক এখানে ভিড় জমিয়েছে। শারদীয় দুর্গাপূজার দীর্ঘ ছুটিকে কেন্দ্র করে সীমান্তঘেরা এই দৃষ্টিনন্দন এলাকা এখন মুখরিত হয়ে উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঈদ, পূজা কিংবা যেকোনো লম্বা ছুটিতে সাদাপাথরে পর্যটকদের আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এবারের পরিস্থিতিও তার ব্যতিক্রম নয়। গত মঙ্গলবার থেকে সরকারি ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকেই এখানে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। সাধারণ সময়ে যেখানে দৈনিক গড়ে পাঁচ হাজার পর্যটক আসতেন, সেখানে পূজার ছুটিতে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজারে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সব বয়সের মানুষ সাদাপাথরের হিমশীতল পানিতে গা ভিজিয়ে ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করছেন। কেউ কেউ ধলাই নদীর তীরে বিছানো চেয়ারে বসে ভারতীয় পাহাড়ের মেঘ-রোদ্দুরের খেলা উপভোগ করছেন। আবার অনেকেই এই চমৎকার মুহূর্তগুলোকে ক্যামেরাবন্দি করে স্মৃতির অ্যালবামে সংরক্ষণ করছেন। পর্যটকদের এই বিপুল সমাগম স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তুলেছে। সাদাপাথর এলাকার খাবারের হোটেল, প্রসাধনসামগ্রীর দোকান, কাপড় রাখার লকার ও বসার চেয়ারের ব্যবসা থেকে শুরু করে ঝালমুড়ি-ফুচকা বিক্রেতা—সবাই এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেনাবেচা ভালো হওয়ায় বিক্রেতাদের মুখে হাসি ফুটেছে এবং পর্যটকরাও তাদের প্রয়োজনীয় সেবা ও পণ্য পেয়ে আনন্দিত।
ঢাকা থেকে সপরিবারে আসা পর্যটক সুমাইয়া আরেফিন তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘পরিবারের ছয় সদস্য মিলে সাদাপাথরে ঘুরতে এসেছি। এখানকার রূপ আমাদের মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে পাহাড়ের কোলঘেঁষা কাচের মতো স্বচ্ছ পানিতে পাথরের ওপর বসে সময় কাটানো জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। পানিতে নামতেই ভ্রমণের সব ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়ে গেছে।’ সাদাপাথর ট্যুরিস্ট পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আব্দুল কাইয়ুম গাজী জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সহায়তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছে। সাদাপাথর নৌকা ঘাটের বুথ থেকে পর্যটকদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া পূজার ছুটি উপলক্ষে পুরো পর্যটন এলাকায় নিরাপত্তা টহল জোরদার করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ