বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২২ পি.এম
উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন হওয়ায় বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের সঙ্গে জোটের প্রস্তাবের বিষয়ে এখনও স্পষ্ট সাড়া না মেলায়, অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন (এআইএমআইএম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি এখন বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী মায়াবতীর সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন।
তবে, মায়াবতী এবং ওয়েইসির মধ্যে জোট চূড়ান্ত হয়েছে এমন কোনো ঘোষণা এখনও আসেনি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মায়াবতী জানিয়ে ছিলেন যে, ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিএসপি একাই লড়বে।
অন্যদিকে, ওয়েইসি গত কয়েক মাস ধরে বিজেপিকে ঠেকাতে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে জোটের আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন। ওয়েইসির বক্তব্যে অখিলেশের সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে সমঝোতার আগ্রহ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি তিনি বলেছেন, তার দল উত্তরপ্রদেশে আবার বিজেপি সরকার দেখতে চায় না। তিনি জোট নিয়ে আলোচনা করতে এখনই উদ্যোগী হওয়ার কথা বলেছেন, কারণ নির্বাচন শেষ হওয়ার পরে আলোচনা করার কোনো অর্থ নেই। একই সঙ্গে, তিনি সমাজবাদী পার্টির উদ্দেশে বলেছেন, যদি এআইএমআইএম ভোটে লড়লে তাদের ক্ষতি হয় বলে মনে করা হয়, তাহলে সেই ক্ষতি এড়াতে একসঙ্গে লড়াই করা উচিত।
কিন্তু সমাজবাদী পার্টির পক্ষ থেকে এখনও সেই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া মেলেনি বলে খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যেই বিএসপির দিকে ওয়েইসির নজর নতুন রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত জুলাই মাসেও ওয়েইসি অখিলেশ যাদব এবং মায়াবতী উভয়ের কাছেই জোটের প্রস্তাব রেখেছিলেন।
উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে দলিত ও মুসলিম ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে, বিএসপি এবং এআইএমআইএম যদি কোনোভাবে সমঝোতায় পৌঁছায়, তাহলে নির্বাচনি ক্ষেত্রে তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়া স্বাভাবিক।
এআইএমআইএম ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশে সাংগঠনিক প্রস্তুতি বাড়িয়েছে। জুনে দলটি প্রায় দুইশ আসনে লড়াইয়ের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল এবং একই সঙ্গে জোটের দরজাও খোলা রাখার কথা জানিয়েছিল।
অন্যদিকে, বিএসপি এখন কঠিন রাজনৈতিক পুনর্গঠনের পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি মায়াবতী তার ভাইয়ের ছেলে আকাশ আনন্দকে দলের সব দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। উত্তরপ্রদেশে ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্ত বিএসপির সাংগঠনিক কৌশল নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে, ওয়েইসি যদি মায়াবতীর সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করেন, তাহলে উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেসের সমীকরণের বাইরে আরেকটি রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি হতে পারে।
তবে, সেই সমীকরণ বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে আসন সমঝোতা, ভোটের স্থানান্তর এবং স্থানীয় সংগঠনের শক্তির ওপর।
এদিকে, বিরোধী ভোটের বিভাজন নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করে আসছে। আবার বিজেপির নেতারাও ওয়েইসির সম্ভাব্য জোটকে রাজনৈতিক আক্রমণের বিষয় হিসেবে তুলে ধরছেন।
ফলে, ওয়েইসি এবং মায়াবতীর সম্ভাব্য সমঝোতা শুধুমাত্র দুই দলের ভবিষ্যৎ নিয়েই নয়, বরং উত্তরপ্রদেশের সামগ্রিক নির্বাচনি সমীকরণ নিয়েও নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন শাখার ডিসি আখতার হোসেন বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাকিবুল ইসলামকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
আখতার হোসেন যুগান্তরকে বলেন, "প্রশাসনিক কারণে রাকিবুল ইসলামকে ডিএমপি হেডকোয়ার্টারের সিআরও শাখায় সংযুক্ত করা হয়েছে।"
সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া অডিও রেকর্ডে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে ওসি রাকিবুল ইসলামের কথোপকথন শোনা যায়। অডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনার পর ডিএমপি ওসি রাকিবুল ইসলামকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানায়। তবে ভাইরাল অডিওটির বিষয়ে এখনও ওসি রাকিবুলের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অডিও রেকর্ডটিতে বর্তমান সরকার ও পুলিশ বাহিনী সম্পর্কে নানা নেতিবাচক মন্তব্য শোনা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় প্রধান শিক্ষিকা রনজিনা পারভীন রুলির (৫৫) মৃত্যু হয়েছে। ছিনতাইকারীর ব্যাগ ধরে হেঁচকা টান দেওয়ার ফলে তিনি রিকশা থেকে পড়ে যান। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত খোকন ও রাজিব আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
আসামি খোকন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে এবং রাজিব ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তাদের জবানবন্দি শেষে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
আজ শেরেবাংলা নগর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার পুলিশ তাদেরকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। এরপর তারা স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন, যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রেকর্ড করা হয়।
গত ২৯ আগস্ট রাতে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রনজিনা পারভীন তার স্বামী আব্দুল মতিনের সঙ্গে ঢাকায় আসেন। এদিন ভোরে গাবতলী বাস টার্মিনালে নেমে রিকশায় করে স্বামীর সঙ্গে রনজিনা ফার্মগেটের ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চোখের চিকিৎসার জন্য যাচ্ছিলেন।
পথিমধ্যে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে আসতেই একটি মোটরসাইকেলে এসে রিকশার পেছন থেকে রনজিনার ব্যাগ ধরে হেঁচকা টান দেয় ছিনতাইকারীরা। এই ঘটনায় তিনি রিকশা থেকে পড়ে যান এবং তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে রনজিনাকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহত শিক্ষিকার স্বামী বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৪/৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক পিএলসি.-এর ৩৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরী।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, যিনি ব্যাংকের শতভাগ শেয়ারহোল্ডার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি, সভায় উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু মো. মোফাজ্জেল সভায় উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানান এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন। সভায় ব্যাংকের ২০২৫ সালের আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা, যাদের মধ্যে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মুন্সি আব্দুল আহাদ, যুগ্ম সচিব শেখ ফরিদ, মো. মতিউর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল, অভিজ্ঞ ব্যাংকার এস.এম. ইকবাল হোছাইন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক রুপ রতন পাইন, মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানি সচিব মো. হাসান ইমাম, এবং ব্যাংকের অডিট ফার্ম কাজী জহির খান এন্ড কোং-এর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক সভায় বলেন, "বেসিক ব্যাংক এখন ক্রমশ ভালো করছে। লোকসান কমে আসার ধারায় রয়েছে। অব্যাহত প্রচেষ্টার মাধ্যমে লোকসানের পরিমান আরো কমিয়ে আনতে হবে। আমানতও বাড়ছে, তার মানে ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "সরকারি ব্যাংক সরকার দায়িত্ব নিবে আমানতের এটা বলার কারণে অনেক কনফিডেন্স ফিরে এসেছে। এর ফলে ঋণ-আমানত অনুপাত কমে এসেছে। এখন ঋণ দেয়ারও সক্ষমতা বেড়েছে। সতর্কতার সাথে এখন নতুন ঋণ বিতরণ করতে হবে। বেসিক ব্যাংক নিয়ে আমরা পুরোপুরি আশাবাদী, ব্যাংকটি ভালো হবে।"
তিনি বলেন, "আমি বেসিক ব্যাংকের বোর্ড মেম্বারদের যতদূর জানি অনেক দক্ষ। বেসিক ব্যাংকের মানবসম্পদের মানও ভালো। আমি যখন বিভিন্ন সময় জিএম এবং ডিএমডি’দের পদোন্নতির ভাইভা বোর্ডে থাকি তখন আমরা বুঝতে পারি। আমাদের বিশ্বাস এখানে যারা কাজ করে তারা ব্যাংকটাকে টেনে তুলতে পারবে।" তিনি ব্যাংকটির অবস্থার উন্নতি সাধনে পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনার যৌথ প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। এছাড়া নন-ইন্টারেস্ট ইনকাম বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, "খেলাপি ঋণ আদায় আমাদের মূল ফোকাস।" তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারের আলোকে খেলাপি ঋণ আদায় প্রক্রিয়া জোরদার করা এবং আইনি প্রক্রিয়া গতিশীল করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে তিনি নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অন্যান্য সকল নির্দেশনা যথাযথ পরিপালন ও কর্মক্ষেত্রে সুশাসন বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফরিদ ব্যাংকের নন-ইন্টারেস্ট ইনকাম বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক রুপ রতন পাইন বলেন, "বেসিক ব্যাংকের সুনাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি ঘুরে দাড়াবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) মো. মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুটি মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে। এক মামলায় শুধুমাত্র মজিবুর রহমানকে আসামি করা হবে, অন্য মামলায় তার স্ত্রী তাসরীন মুজিবকেও আসামি করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদক জানায়, অনুসন্ধানের ফলে মজিবুর রহমানের নামে ২ কোটি ৭১ লাখ ৬ হাজার ২৫২ টাকার মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ এবং তার স্ত্রীর নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৯ হাজার ১৯৩ টাকার মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, মজিবুর রহমান সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অনুসন্ধানের ফলে এসব তথ্য প্রকাশ পায়।
দুদক আরও জানায়, এসব সম্পত্তির মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জন করে তিনি তা দখলে রেখেছেন। এ কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অন্য মামলায় মজিবুর রহমানের স্ত্রী তাসরীন মুজিবকেও আসামি করা হবে। অনুসন্ধানে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৯ হাজার ১৯৩ টাকার মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যা তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে জানিয়েছে দুদক।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বামীর সহায়তায় অসাধু উপায়ে এসব সম্পদের মালিকানা অর্জন করে তাসরীন মুজিব তা ভোগদখলে রেখেছেন।
এই ঘটনায় মজিবুর রহমান ও তাসরীন মুজিবের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ