মাইদুল ইসলাম মামুন নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
০৯:১০ এম
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ডায়নারপাড় এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুলাল মিয়ার বাড়িতে যাতায়াতের প্রধান রাস্তা টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নূরনবী মিয়ার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ওই টিনের বেড়ায় বিদ্যুতের সংযোগ জড়িয়ে রাখার অভিযোগও উঠেছে। এতে ছোট শিশু, বৃদ্ধসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুলাল মিয়ার বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই বেড়ার সঙ্গে বিদ্যুতের তারও জড়িয়ে রাখা হয়েছে। ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী দুলাল মিয়া বলেন, “সম্পত্তি নিয়ে আমাদের মধ্যে বিরোধ থাকতেই পারে। তাই বলে পূর্বপুরুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেবে? আমি এখন নিজের বাড়িতেই যেতে পারছি না। আমাদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলাও করা হয়েছে। দেশে কি আইন নেই, বিচার নেই? বিদ্যুতের সংযোগ থাকায় এলাকাবাসীও রাস্তা খুলে দেওয়ার বিষয়ে সাহস পাচ্ছেন না। আমি নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
অভিযোগের বিষয়ে নূরনবী মিয়া বলেন, “দুলাল মিয়া এতদিন যে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতেন, সেটি আমার নিজস্ব জমি। তাঁর সঙ্গে আমার জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। তাই আমার জায়গা আমি বন্ধ করেছি। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাস্তা খুলব না। আমি এর শেষ দেখতে চাই।” তিনি আরও দাবি করেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় আদালতে পাঁচটি মামলা চলমান রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা মামলা থাকতেই পারে। কিন্তু এভাবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে টিনের বেড়ায় বিদ্যুতের সংযোগ রাখা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে পথচারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়টি তদন্ত, চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের নিষ্পত্তি এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ইরি শহরে বন্দুকধারীর গুলিতে শিশুসহ অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে একটি বাড়ির বাইরে গুলি চালানোর পর হামলাকারী ভেতরে প্রবেশ করেন।
পুলিশ পরে ঘটনাস্থল থেকে সন্দেহভাজন হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার করে। তদন্তকারীদের ধারণা, হামলাকারী নিজের ছোড়া গুলিতেই মারা গেছেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ঘটনায় জনসাধারণের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি নেই। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে গুলির শব্দ শুনে পুলিশকে একটি বাড়িতে ডাকা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে বন্দুকধারীকে বাড়ির বাইরে দেখা যায়।
পরে তিনি বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাড়ির বাইরের রাস্তায় দুই নারীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। গুলিতে তাঁদের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর পুলিশ ও বিশেষায়িত বাহিনীর সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে ফেলেন। এ সময় বাড়ির ভেতর থেকে আরও গুলির শব্দ শোনা যায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর পুলিশ বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে আরও সাতজনের মরদেহ পাওয়া যায়, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর মরদেহও উদ্ধার করা হয়।
ইরি শহরের পুলিশপ্রধান রিক লোরাহ এ হত্যাকাণ্ডকে তার দেখা সবচেয়ে মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনাগুলোর একটি বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, "প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং পরিস্থিতি গভীরভাবে উদ্বেগজনক।" পুলিশপ্রধান নিশ্চিত করেছেন যে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি মারা গেছেন। তিনি আরও বলেন, "তাদের হাতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, জনসাধারণের জন্য আর কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি নেই।"
নিহত ব্যক্তিদের পরিবার ও ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি সমবেদনা জানিয়ে রিক লোরাহ বলেন, "এই ঘটনায় যে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে, তা প্রকাশ করার মতো কোনো শব্দ নেই।"
শনিবারেও হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছিল। তবে হামলার কারণ বা হামলার আগে বাড়িটিতে কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
ইরি শহর কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর শোক ও বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে বলেও জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক সহিংসতা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা গান ভায়োলেন্স আর্কাইভের তথ্য অনুযায়ী, ইরির এ হত্যাকাণ্ড চলতি বছরে দেশটিতে অন্তত ১৯তম গণহত্যার ঘটনা। সংস্থাটির সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো ঘটনায় চার বা তার বেশি মানুষ নিহত হলে সেটিকে গণহত্যা হিসেবে গণ্য করা হয়।
এ ধরনের অনেক ঘটনায় হামলাকারী নিজের পরিবারের একাধিক সদস্যকে হত্যা করেন। এসব ঘটনাকে পারিবারিক হত্যাযজ্ঞ হিসেবে অভিহিত করা হয়। গান ভায়োলেন্স আর্কাইভের হিসাবে, জানুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ৫০০টির বেশি নির্বিচার গুলির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় চার বা তার বেশি মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন—তারা মারা গেছেন কি না, তা বিবেচনায় নেওয়া হয় না।
দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক সহিংসতা বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের প্রাণঘাতী হামলার পর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর ফেডারেল আইন প্রণয়নের দাবি জোরালো হয়। তবে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিছুদিন আগে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে ক্লাবে ফিরে এসে এই আর্জেন্টাইন তারকা চমক দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলের মাধ্যমে ইন্টার মায়ামিকে একটি বড় জয় এনে দিয়েছেন।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ডি.সি. ইউনাইটেডকে ৪-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছে ইন্টার মায়ামি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন করতে থাকে ইন্টার মায়ামি। তৃতীয় মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন উরুগুয়ের ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজ। প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।
দুটি গোলেই সহায়তা করেন জার্মান বেরতেরামে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ান আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ৪৭ মিনিটে গোল করার পর ৬০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। ফলে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয় ইন্টার মায়ামির।
ম্যাচে মেসি ও সুয়ারেজ দুজনেই দুটি করে গোল করেন। অন্যদিকে, ইন্টার মায়ামির রক্ষণ সামলাতে ব্যর্থ হয়ে ডি.সি. ইউনাইটেড কোনো গোল করতে পারেনি।
এই জয়ের মাধ্যমে এমএলএসে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকার হতাশা কাটিয়ে উঠল ইন্টার মায়ামি। এর আগে দলটি পাঁচ ম্যাচে জয় পায়নি, যেখানে একটি ম্যাচে হার এবং চারটি ম্যাচে ড্র করেছিল।
মেসি ও সুয়ারেজের এই পারফরম্যান্স মৌসুমের শেষ পর্যায়ে ইন্টার মায়ামির আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপির সংসদীয় দলের সভা ডেকেছেন, যদিও সংসদের পরবর্তী অধিবেশনের তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।
বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানিয়েছেন, সভায় দলের ভেতরে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংবিধান সংশোধন এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
সাধারণত সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার দু–এক দিন আগে অথবা অধিবেশন চলাকালে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে এবার সংসদের পরবর্তী অধিবেশনের দিনক্ষণ নির্ধারণের আগে সভা ডাকা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশন শুরু হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক দুটি বন্দুক হামলায় মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে জর্জিয়ার ডগলাসে পাঁচজন এবং পেনসিলভানিয়ার এরিতে ৯ জন রয়েছে।
জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডগলাস শহরের পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের একটি বাড়িতে গুলির ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়। গুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান কর্মকর্তারা। সেখানে গুলিবিদ্ধ পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়। স্কাই নিউজের প্রতিবেদনে এ বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে।
অন্যদিকে, একই রাতের এক বন্দুক হামলায় পেনসিলভানিয়ার এরি শহরে ৯ জন প্রাণ হারায়। নিহতদের মধ্যে দুই শিশু এবং এক অন্তঃসত্ত্বা নারী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে সন্দেহভাজন হামলাকারীও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
এরি শহর কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলাকারীসহ নিহত নয়জনের মৃত্যু পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ঘটে। এরপর আর কোনো গুলির ঘটনা ঘটেনি।
কর্তৃপক্ষ জানায়, গুলির শব্দ শনাক্তকারী বিতর্কিত প্রযুক্তি ‘শটস্পটার’ ব্যবহার করে পুলিশকে সতর্ক করা হয়েছিল, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও মাইক্রোফোনের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করে।
পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় জানান, ‘আমি মেয়র ডেভলিনের সঙ্গে কথা বলেছি এবং গত রাতে এরিতে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক গুলিবর্ষণের ঘটনায় আমার প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছি।’
এরি পুলিশের প্রধান রিক লোরাহ বলেন, ‘হামলার উদ্দেশ্য এখনো জানা যায়নি। ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাণহানির ঘটনা শহরটির জন্য বড় বিপর্যয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা যে পরিস্থিতি মোকাবেলা করছি সেটি উদ্বেগজনক। বর্তমানে আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে সন্দেহভাজন ব্যক্তি মারা গেছেন। আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, সাধারণের জন্য আর কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি নেই।’
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় বহু মানুষের হতাহতের ঘটনাকে ‘ম্যাস শুটিং’ বলা হয়, তবে এর কোনো সর্বজনস্বীকৃত সংজ্ঞা নেই। সাধারণত হামলাকারীকে বাদ দিয়ে তিন বা চারজন কিংবা তার বেশি মানুষ গুলিতে নিহত হলে এমন ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ