বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১২ পি.এম
চাঁদপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালিত অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জেলার ওয়ারলেস বাজার ও ছায়াবানী মোড় এলাকায় এই অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অভিযানের সময় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী, ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স ছাড়া দাহ্য পদার্থ ব্যবহার ও সংরক্ষণ এবং অগ্নিনির্বাপক স্প্রে না রাখার কারণে এস এস বাজারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখবিহীন পণ্য সংরক্ষণ ও বিক্রি এবং মূল্যতালিকা না থাকার কারণে ব্রাদার্স কর্পোরেশনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চাঁদপুরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান অভিযানে জরিমানার আদেশ দেন। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠান দুটি তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার অঙ্গীকার করে। এছাড়া, নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। অভিযানে চাঁদপুর জেলা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা সহযোগিতা প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে দীর্ঘদিনের বসতভিটা ও ক্রয়কৃত জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হয়রানি, ভয়ভীতি, প্রাণনাশের হুমকি ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. আহাম্মদ শরীফ।
কুচনীপাড়া বাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে আহাম্মদ শরীফ দাবি করেন, তার পরিবার প্রায় ৭০ থেকে ৮০ বছর ধরে ওই জমিতে বসবাস করে আসছে। বিরোধীয় সম্পত্তির একটি অংশ আইনানুগভাবে ক্রয় করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত দলিল, নামজারি ও খাজনা পরিশোধের কাগজপত্র রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি জানান, এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে বিরোধীয় ৫৭ শতাংশ জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নোটিশও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এরপরও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানি, হুমকি ও জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ করেন আহাম্মদ শরীফ।
তিনি বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির দাবি জানান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত লিয়াকত আলী, সাদিকুর রহমান ও শাহজালালের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
****বদলগাছীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রত্যক্ষদর্শী পিতা-পুত্রকে কুপিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের কান্দা মধ্যপাড়া গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বাকবিতণ্ডা ও হামলার শিকার হন প্রত্যক্ষদর্শী বকুল হোসেন (৫০) ও তার ১১ বছরের ছেলে মেশকাত গুরুতর আহত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেল ৫টার দিকে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে দুইপক্ষের ঝগড়া বিবাদ হয়। প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ বকুল হোসেন ও তার ছেলে মেশকাত উভয় পক্ষকে ঝগড়া-বিবাদ না করার জন্য বাধা দায়। এর একপর্যায়ে একই গ্রামের আজিজারের ছেলে বাবুল হোসেন ও সুজাউল হোসেন, বাবুলের স্ত্রী খালেদা, সুজাউলের স্ত্রী নিলু এবং বাবুলের ছেলে ওমর আলী উত্তেজিত হয়ে।প্রত্যক্ষদর্শীকে সংঘবদ্ধ হয়ে হাসুয়া, লাঠিসোটাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের এলোপাতাড়ি কোপ ও লাঠির আঘাতে বকুল ও তার শিশুপুত্র মেশকাত মারাত্মকভাবে জখম হলে
স্থানীয় লোকজন তাদেরকে রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত বদলগাছী ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আজকের হামলার ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
বুলবুল আহম্মেদ বুলু
নওগাঁ প্রতিনিধি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টঙ্গীর তুরাগ নদে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ২৩ ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১টা ও বিকেল ৫টায় টঙ্গীর তুরাগ নদ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শিশুদের মধ্যে একজন হলো মো. আবু ইউনুস (৯)। তিনি টঙ্গীর জামাই বাজার এলাকার আলী কমিশনারের বাড়ির ভাড়াটিয়া ফারকের মিয়ার ছেলে। অপর শিশুর নাম নীরব (১০)। নীরবও একই এলাকার শাহ আলমের ছেলে।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সূত্র থেকে জানা যায়, বুধবার বিকেল ৫টার দিকে টঙ্গীর তুরাগ নদের জামাই বাজার রেলওয়ে ব্রিজের নিচে ৪-৫ জন শিশু মাছ ধরতে যায়। তাদের মধ্যে ইউনুস ও নীরব মাছ ধরার সময় নদের তীব্র স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। ঘটনাটি জানার পর স্থানীয়রা টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পাওয়ার পর ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে আলোর অভাব ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে প্রথম দিনের উদ্ধার কাজ স্থগিত করা হয়। পরবর্তী দিন বৃহস্পতিবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পুনরায় উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। ডুবুরিদের টানা প্রচেষ্টার পর দুপুর ১টার দিকে নিখোঁজ আবু ইউনুসের মরদেহ এবং বিকেল ৪টার দিকে নীরবের মরদেহ উদ্ধার হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহিন আলম বলেন, "বুধবার বিকেলে শিশুদের নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর থেকেই আমাদের টিম উদ্ধার কাজ শুরু করে। গত রাতে অন্ধকারের কারণে স্থগিত থাকলেও আজ সকাল থেকে ডুবুরি দল পুরোদমে কাজ শুরু করে বেলা ১টার দিকে শিশু আবু ইউনুসের মরদেহ ও বিকেল ৫টার দিকে নীরবের মরদেহ উদ্ধার করে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পর্তুগালের ফুটবলে পুরোনো অধ্যায়ের পর্দা নামার ইঙ্গিত প্রকাশিত হয়েছে।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে প্রায় দুই দশক ধরে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত থাকা সেই বিখ্যাত ৭ নম্বর জার্সি এবার রাফায়েল লিয়াওয়ের গায়ে উঠতে যাচ্ছে। রোনালদো জাতীয় দলের ক্যাম্প ত্যাগ করার পর আজ রাতে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ম্যাচে লিয়াও এই জার্সি পরিধান করবেন।
পর্তুগালের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিপি জানাচ্ছে, উয়েফার ম্যাচসংক্রান্ত তালিকায় লিয়াওকে ৭ নম্বর জার্সিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর আগে, জাতীয় দলে ১৭ নম্বর জার্সি পরিধান করতেন এই ফরোয়ার্ড। এখন তার পুরোনো ১৭ নম্বরটি ফাবিও সিলভাকে দেওয়া হয়েছে।
২০০৭ সালে লুইস ফিগো অবসর নেওয়ার পর পর্তুগালের ৭ নম্বর জার্সি গ্রহণ করেন রোনালদো। এরপর থেকে প্রায় দুই দশক ধরে এই জার্সিটি তার পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিআর৭ এখন একটি ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। তাই, লিয়াওয়ের গায়ে এই জার্সির ওঠা পর্তুগাল ফুটবলে একটি প্রতীকী পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে।
তবে, বিষয়টি এখনই স্থায়ীভাবে লিয়াওয়ের ৭ নম্বর হয়ে যাচ্ছে—এমনটি বলা সম্ভব নয়। পর্তুগালের ফুটবলের সংবাদমাধ্যম রেনাসেনসার তথ্য অনুযায়ী, উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচের ২৩ জনের তালিকায় ১ থেকে ২৩ পর্যন্ত নম্বর বরাদ্দ করতে হয়। রোনালদো স্কোয়াডে না থাকায় তার ৭ নম্বরটি লিয়াও পেয়েছেন।
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিলেও রোনালদো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেননি। তাই, পর্তুগালের ফুটবলে রোনালদো অধ্যায় শেষ—এমনটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তবে, পর্তুগালের ৭ জার্সিতে নতুন এক অধ্যায়ের দৃশ্যপট তৈরি হওয়া রোনালদোর বিদায়কে আরো স্পষ্ট করে তুলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ