ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাবি শিক্ষার্থীদের চিকিৎসায় ঢামেক পরিচালকের সঙ্গে উপাচার্যের আলোচনা


ঢাবি শিক্ষার্থীদের চিকিৎসায় ঢামেক পরিচালকের সঙ্গে উপাচার্যের আলোচনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বিশেষ চিকিৎসাসেবা চালু করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা করেছেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) উপাচার্যের কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টার এবং ঢামেক হাসপাতালের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা আরও উন্নত ও সম্প্রসারণের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসাসেবার মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ঢামেক হাসপাতালের চিকিৎসকদের সহায়তা নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে।

আরও পড়ুন: মেট্রোরেলে বাবা বসতে চেয়েও জায়গা পাননি, দাঁড়ানো থেকে পড়ে মারা গেলেন: নাকিবুর রহমান

সাক্ষাৎকালে ঢামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলম, সহকারী পরিচালক ডা. শায়লা ফেরদৌস আহসান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. এনামুল হক সজীব উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, রাষ্ট্রপতির সম্মতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ পি.এম


ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, রাষ্ট্রপতির সম্মতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তন ২০২৭ সালের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই অনুষ্ঠানে আসার জন্য সম্মতি জানিয়েছেন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে সমাবর্তনে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, উপাচার্য ২০২৭ সালের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রপতি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য সম্মতি জানিয়েছেন। আশা করা হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে আগুনে পুড়ে তরুণ দেলোয়ারের শরীর অঙ্গার, হত্যার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ পি.এম


গাজীপুরে আগুনে পুড়ে তরুণ দেলোয়ারের শরীর অঙ্গার, হত্যার অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি বিরোধপূর্ণ জমিতে এক তরুণকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৪ অক্টোবর) সকালে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

নিহত মো. দেলোয়ার হোসেন (১৮) জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার কামালপুর গ্রামের মো. বুধু মিয়ার ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের সাঁটিয়া বাড়ি গ্রামের খাসপাড়া এলাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন।

জমির মালিক হুরমত আলী শেখ জানিয়েছেন, জমি নিয়ে কয়েক বছর ধরে চাচাতো ভাই ফাইজুদ্দিনদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। ওই জমিতে একটি টিনশেডের ঘর নির্মাণ করে পাহারা দেওয়া হয়। ঘরটি দিনের বেলা তালাবদ্ধ থাকে। রাত ১০টার দিকে তিনি এসে ওই ঘরে ঘুমাতে যান। গত শনিবার রাতে রাজেন্দ্রপুর বাজারে দুধ বিক্রি করছিলেন তিনি। হঠাৎ এক প্রতিবেশী ফোন করে জানায় ঘরে আগুন লেগেছে। দৌড়ে গিয়ে দেখেন ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। ঘরের ভেতর একজনের ডাকচিৎকার শুনে শত শত লোক জড়ো হয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, ওই দিনও ঘরটি তালাবদ্ধ ছিল। নিহত দেলোয়ারকে তিনি চেনেন না। কিভাবে এবং কেন ঘরে ঢুকল, তা জানেন না। আগুন কিভাবে লেগেছে তাও বলতে পারছেন না। ঘরে পেট্রল ও কেরোসিনের গন্ধ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, পেট্রল ছিটিয়ে ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। আর ওই আগুনে দগ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

নিহতের বাবা বুধু মিয়া বলেন, তিনি যেখানে বাস করেন, সেখান থেকে আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘরটি বেশ দূরে। তার ছেলে ওই ঘরে কিভাবে গেল, তা জানেন না। আগুনে পুড়ে ছেলের শরীর অঙ্গার হয়ে গেছে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পেট্রল দিয়ে না অন্য উপায়ে আগুন দেওয়া হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আহমদ রফিক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের আইকন হতে পারেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


আহমদ রফিক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের আইকন হতে পারেন

ভাষাসংগ্রামী ও রবীন্দ্রগবেষক আহমদ রফিক সব সময় নিজেকে অতিক্রম করে গেছেন। বাঙালির চিরায়ত অসাম্প্রদায়িকতার রূপ তাঁর মধ্যে মূর্ত হয়েছিল। লেখক ও গবেষক এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক মন্তব্য করেছেন যে, তিনি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের আইকন হতে পারেন।

আহমদ রফিকের প্রথম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণাঞ্জলি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ‘মহিমা তব উদ্ভাসিত’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে খামখেয়ালি সভা।

অনুষ্ঠানে আহমদ রফিকের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী, আহমদ রফিক ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ড. ইসমাইল সাদী এবং খামখেয়ালি সভা ট্রাস্টের সভাপতি মাহমুদ হাশিম।

আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় আহমদ রফিকের ‘মাকে আমি কোনদিন’ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষ চিঠি’র অংশবিশেষ আবৃত্তি করেন। শিল্পী মঞ্জুয়ারা রশিদ রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খামখেয়ালি সভা ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য ও চিত্রশিল্পী আবদুল মান্নান।

অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী বলেন, আহমদ রফিক ব্যক্তিগত সম্পদে আস্থা রাখতেন না। তিনি সম্পত্তির ব্যক্তিগত মালিকানায় বিশ্বাসও করতেন না। তাঁর স্মৃতিকে ধারণ করে এখন আহমদ রফিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মৃত্যুর কয়েক বছর আগে তিনি এ উদ্যোগকে স্বীকৃতিও দিয়েছিলেন।

ভীষ্মদেব চৌধুরী আরও বলেন, আহমদ রফিকের শেষ ইচ্ছাগুলোর একটি ছিল ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁর স্মরণে তরুণদের উদ্যোগে একটি ফাউন্ডেশন বা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা এবং তাঁর সাধনার চর্চা চালিয়ে যাওয়া। এসব থেকেই আহমদ রফিকের স্বার্থহীন মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়।

ইসমাইল সাদী বলেন, আহমদ রফিক কখনো নিজের কাজ বা অবদানের প্রচার করেননি। এ কারণে তাঁর জীবনের অনেক ঘটনা আড়ালে থেকে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, আহমদ রফিকের কর্মময় জীবনের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনী গ্রন্থ প্রকাশের প্রয়োজন রয়েছে।

আহমদ রফিকের প্রথম প্রয়াণবার্ষিকীর স্মরণাঞ্জলি অনুষ্ঠানে তাঁর স্মৃতি ও কর্মকে সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য চারটি কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে খামখেয়ালী সভার রবীন্দ্র গ্রন্থাগারে ‘আহমদ রফিক সংগ্রহ’ প্রতিষ্ঠা করে তাঁর রচনা ও স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ, ‘আহমদ রফিক স্মারক বক্তৃতা’ আয়োজন, ছয় মাস মেয়াদি ‘ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক অধ্যয়নসভা’ এবং রবীন্দ্রগবেষকদের জন্য ‘আহমদ রফিক গবেষণা বৃত্তি’ চালুর উদ্যোগ।

খামখেয়ালী সভা ট্রাস্টের সভাপতি মাহমুদ হাশিম এসব কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ছয় মাস মেয়াদি অধ্যয়নসভা চলতি নভেম্বরেই শুরু হবে। এ জন্য বর্তমানে সদস্য আহ্বান করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি চিত্রশিল্পী আবদুল মান্নান বলেন, আহমদ রফিকের স্মৃতি সংরক্ষণ ও তাঁর কর্মের চর্চা এগিয়ে নিতে প্রস্তাবিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে খামখেয়ালী সভা কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে আহমদ রফিক ফাউন্ডেশনসহ লেখক, সাহিত্যিক, প্রকাশক ও তাঁর অনুরাগীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

রবীন্দ্রচর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক রবীন্দ্রচর্চায় পথিকৃৎ ভূমিকা পালন করেন আহমদ রফিক। নানা কারণে পরে কেন্দ্রটির কার্যক্রম আর চালু রাখা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তাঁর গভীর দুঃখ ছিল।

তারুণ্যনির্ভর খামখেয়ালী সভার কর্মকাণ্ডে আহমদ রফিক খুশি ছিলেন। ২০১৬ সালের ১০ ডিসেম্বর খামখেয়ালি সভা তাঁকে প্রথম ‘রবীন্দ্রগুণী’ সম্মাননা দেয়। আমৃত্যু তিনি সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।

ভাষা আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারীদের মধ্যে আহমদ রফিক ছিলেন অন্যতম। ছাত্রজীবনে চিকিৎসাশাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করলেও আমৃত্যু দেশভাগ, ভাষা আন্দোলন এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করেছেন তিনি। তিন শতাধিক গ্রন্থে দেশভাগ, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মননজগত তুলে ধরেছেন এই ভাষাসংগ্রামী ও গবেষক। আহমদ রফিক ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর মারা যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণদের জয়রথ ও রেকর্ডে পর্দা নামল ২০তম এশিয়ান গেমসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


তরুণদের জয়রথ ও রেকর্ডে পর্দা নামল ২০তম এশিয়ান গেমসের

২০তম এশিয়ান গেমসের সমাপ্তি ঘটে তরুণ অ্যাথলেটদের রেকর্ড-ভাঙা কীর্তির মাধ্যমে, নানা জটিলতা সত্ত্বেও। রবিবার (৪ অক্টোবর) জাপানের মিজুহো পার্ক অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে এক জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

গেমসের সমাপ্তি টানেন অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার (ওসিএ) সভাপতি শেখ জোয়ান বিন হামাদ আল থানি। তিনি পরবর্তী ২০৩০ সালের ২১তম আসরের আয়োজক দেশ দোহার (কাতার) কর্মকর্তাদের হাতে গেমসের মশাল তুলে দেন।

প্রায় ১৭ হাজার অ্যাথলেট ও কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এবারের আসরটি প্যারিস অলিম্পিকের চেয়েও বড় আকারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে আয়োজকদের ‘সহজ ও সুশৃঙ্খল’ পরিকল্পনার সঙ্গে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সমন্বয় না হওয়ায় মাঠের বাইরে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। অ্যাথলেটদের আবাসন সংকট, বিছানার অভাব এবং তীব্র পরিবহন বিপর্যয়ের কারণে আয়োজক কমিটিকে একাধিকবার প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রায় প্রতিটি খেলাতেই গ্যালারিগুলো ছিল শূন্য। এমনকি অ্যাথলেটিক্সের মূল ইভেন্ট কিংবা ফুটবল ফাইনাল বাদে বাকি খেলাগুলোতে নামমাত্র দর্শকের উপস্থিতি আয়োজকদের হতাশ করেছে। তবে জাপানি অলিম্পিক কমিটির সভাপতি সেইকো হাশিমোতো সব সমস্যা স্বীকার করে নিয়ে একে ‘ভবিষ্যতের বড় ইভেন্ট আয়োজনের শিক্ষা’ বলে উল্লেখ করেছেন।

যদিও আয়োজকদের সাংগঠনিক ব্যর্থতা ছিল, মাঠের লড়াইয়ে তরুণ অ্যাথলেটদের পারফরম্যান্স ছিল অতিমানবীয়।

চীনের ১৩ বছর বয়সী সাঁতারু যু জিডি পুলে ৩টি একক স্বর্ণপদক জিতে আসরের সেরা নারী ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন। ৭ স্বর্ণ জিতে ইতিহাস গড়েছেন চীনের আরেক ১৯ বছর বয়সী সাঁতারু ঝাং ঝানশু। এটি ছিল এক আসরে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণপদক জয়।

জাপানের ১৭ বছর বয়সী বিস্ময়বালক শিন ওহাশি ২০০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে বিশ্বরেকর্ড ভেঙে নতুন কীর্তি গড়েন। থাইল্যান্ডের ২০ বছর বয়সী স্প্রিন্টার পুরিপোল বুন্সন ১০০ ও ২০০ মিটার স্প্রিন্টে জোড়া স্বর্ণ জিতে ছেলেদের আসরের সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হন।

পদক তালিকার শীর্ষস্থান বরাবরের মতো নিজেদের দখলে রেখেছে পরাশক্তি চীন। বিদেশের মাটিতে নিজেদের ইতিহাসের সেরা পারফরম্যান্স দিয়ে তারা ১৬৯টি স্বর্ণসহ মোট ৩৪১টি পদক জিতেছে। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জাপান ৮৩টি স্বর্ণসহ মোট ২৬৯টি পদক নিয়ে আসর শেষ করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়া ৩০টি স্বর্ণ, ৩১টি রৌপ্য ও ৫৪টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১১৫টি পদক নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তান, যাদের সংগ্রহে রয়েছে ১৬টি স্বর্ণসহ মোট ৫৬টি পদক। ১২টি স্বর্ণসহ ইরান পঞ্চম স্থানে রয়েছে। সমানসংখ্যক ১২টি স্বর্ণ নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে থাইল্যান্ড। অন্যদিকে, ভারত এখন পর্যন্ত ১১টি স্বর্ণ, ২৪টি রৌপ্য ও ৩৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৬৮টি পদক জিতে তালিকার সপ্তম স্থানে রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশের পদকসংগ্রহ এখনো সীমিত। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত একটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে, কিন্তু কোনো স্বর্ণ বা রৌপ্য পদকের দেখা পায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%