ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘টম ক্রুজ ইদানীং আমার উপর ক্রাশ খাচ্ছেন’, দাবি মল্লিকা শেরাওয়াতের


‘টম ক্রুজ ইদানীং আমার উপর ক্রাশ খাচ্ছেন’, দাবি মল্লিকা শেরাওয়াতের

বলিউড অভিনেত্রী মল্লিকা শেরাওয়াতের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের মধ্যে বরাবরই কৌতূহল বিরাজ করছিল। এবার এই কৌতূহল আরও বেড়ে গেল তাঁর একটি মন্তব্যের মাধ্যমে।

‘দ্য ট্রেইটর্স ২’-এর সাম্প্রতিক একটি ক্লিপে মল্লিকাকে দাবী করতে শোনা গেছে যে হলিউডের তারকা টম ক্রুজ নাকি তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আছেন। অভিনেত্রীর এমন বক্তব্যে অনুষ্ঠানের অন্য প্রতিযোগীরাও বেশ অবাক হয়ে যান।

ভিডিওতে দেখা যায়, কমেডিয়ান কুল্লু মল্লিকাকে প্রশ্ন করেন, ‘মল্লিকা জি, আপনার কি কেউ সম্পর্কে ক্রাশ হয়েছে?’ উত্তরে অভিনেত্রী সোজাসাপটা বলেন, ‘না।’ এরপর কুল্লু মজা করে জানতে চান, ‘নাকি সবসময় অন্যরাই আপনার উপর ক্রাশ খায়?’

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে সাড়ে ৭৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা

মল্লিকাও আত্মবিশ্বাসীভাবে জবাব দেন, ‘সবাই আমার উপর ক্রাশ খায়।’ তারপরই আসে আরও চমকপ্রদ একটি দাবী।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিনেত্রী জানান, ‘ইদানীং টম ক্রুজ আমার উপর ক্রাশ খাচ্ছেন। আমি মিথ্যে বলছি না। আমার ফোনটা কাছে থাকলে তোমাদের ভিডিও দেখাতে পারতাম।’

মল্লিকার এই মন্তব্যের পর অনুষ্ঠানটিতে সঙ্গত কারণে কৌতূহল সৃষ্টি হয়। অন্যরা জানতে চান, টম ক্রুজ তাঁকে কী ধরনের ভিডিও পাঠান। কেউ কেউ অনুমান করেন, হয়তো স্ন্যাপ পাঠান। তবে মল্লিকা তা নাকচ করে দিয়ে বলেন, ‘না, স্ন্যাপ নয়। আমরা একসাথে পার্টি করছি, এমন ভিডিও দেখাতে পারতাম।’

তবে টম ক্রুজের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে মল্লিকার এই দাবি মূলত অনুষ্ঠানের মজার কথোপকথনের অংশ হিসেবে এসেছে। তাঁর বক্তব্যের সত্যতা সম্পর্কে এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: রিয়াদ বিমানবন্দরে লাগেজ হারানো যাত্রীদের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি বার্তা

এদিকে, ‘দ্য ট্রেইটর্স ২’-এ মল্লিকার উপস্থিতি নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। শোটির ট্রেলারে তাঁকে বলতে শোনা গেছে, ‘এই খেলায় সত্যি কথা বলতে হয় না, শুধু এমনভাবে বলতে হয় যাতে অন্যরা বিশ্বাস করতে পারে।’ এর ফলে তিনি আকস্মিকভাবে ‘ট্রেইটর’ এর মানে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে এসব আলোচনার মধ্যেও মল্লিকার প্রতিক্রিয়া বেশ চটপটে। তিনি বলেন, ‘আমাকে ট্রেইটর বলা এখন ফ্যাশন হয়ে গেছে।’

শুধু শোতে অংশগ্রহণই নয়, পারিশ্রমিক নিয়েও আলোচনা হচ্ছে মল্লিকার। তাঁকে ‘দ্য ট্রেইটর্স ২’-এর সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত প্রতিযোগী বলা হচ্ছে। এক সাক্ষাৎকারে সেই দাবী তিনি কার্যত স্বীকার করে বলেন, ‘টাকা উপার্জন করার জন্য কেন ক্ষমা চাইব? যারা বলে টাকা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তারা মিথ্যে বলছে। স্বাধীনভাবে বাঁচতে গেলে নারী বা পুরুষ, টাকার প্রয়োজন থাকবেই।’

এর আগে ‘বিগ বস’ ও ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি’-তে অংশগ্রহণের প্রস্তাব মল্লিকা একাধিকবার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ‘দ্য ট্রেইটর্স’-এর ফরম্যাট তাঁকে প্রথম সত্যিকারভাবে আকৃষ্ট করেছে।

আরও পড়ুন: সরাইল থানায় গিয়ে ওসির ওপর চটলেন এমপি রুমিন ফারহানা

আগামী ১৩ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে শোটির দ্বিতীয় সিজন। রিয়া চক্রৃত্বি, মুনাওয়ার ফারুকি, শ্বেতা ত্রিপাঠী ও দলীপ তাহিলের মতো তারকাদের পাশাপাশি প্রতিযোগীদের তালিকায় রয়েছেন মল্লিকাও। বড়পর্দায় তাঁকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ভিকি বিদ্যা কা ওহ ওয়ালা ভিডিও’ সিনেমায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়ার ঘটনার একটি অংশে জিল্লার হোসেন (৫০) নামের এক কৃষক মারা গেছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) ভোরের দিকে উপজেলার বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চরপাঙ্গাসী গ্রামে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

নিহত কৃষক ওই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ওমর আলীর পুত্র হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার সময়ে জিল্লার হোসেন ধানের ক্ষেতে পাশে পোনা মাছ ধরার জন্য গিয়েছিলেন। সেই সময় বৃষ্টি শুরু হওয়ার সাথে বজ্রপাতও হতে থাকে। বজ্রপাতের ফলে জিল্লার হোসেন ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরণ করেন।

এই ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত থানায় খবর দেওয়া শুরু করে।

উল্লাপাড়া থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের চালু হচ্ছে সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


ফের চালু হচ্ছে সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল

বারবার চালু এবং বন্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে থমকে গেছে সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জাতীয় জুট মিলস। ১৯৬০ সালে গড়ে ওঠা এই পাটকলটি একসময় প্রায় ৫ হাজার মানুষের জীবিকার ভরসা হলেও, দুর্নীতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং লোকসানের চাপে বহুবার বন্ধ হয়ে গেছে এর কার্যক্রম। তবে সরকার আবার এটি বেসরকারি খাতে চালুর উদ্যোগ নেয়ায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও বেকার হয়ে পড়া শ্রমিকরা।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের রায়পুরে ১৯৬০ সালে ৭৫ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় নর্দান পিপলস জুট মিল। স্বাধীনতার পর, প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করে নামকরণ করা হয় কওমি জুট মিল। সে সময় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাসে ৫০ থেকে ৬০ টন পাট সংগ্রহ করে উৎপাদিত হতো হরেক রকমের পাটজাত পণ্য, যা দেশের চাহিদা পূরণ করতো এবং বিশ্বের বাজারেও রফতানি হতো।

একসময় এই মিলকে কেন্দ্র করে কর্মসংস্থান হয়েছিলো প্রায় ৫ হাজার মানুষের, যা পুরো এলাকার আর্থসামাজিক চিত্র বদলে দিয়েছিল। কিন্তু দুর্নীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় লোকসানের মুখে পড়ে ২০০৭ সালে বন্ধ হয়ে যায় এর উৎপাদন। ২০১১ সালে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে নাম পরিবর্তন করে জাতীয় জুট মিল নাম রেখে আবারও চালু করা হয়, তবে ঋণ এবং পাট সংকটসহ নানা জটিলতার কারণে ২০১৯ সালে এটি আবারও বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ২০ বছরের জন্য ভাড়া দিলে স্বল্প পরিসরে উৎপাদন শুরু হলেও বছর না ঘুরতেই আবারও স্থায়ী নীরবতা নেমে আসে। তবে বর্তমান সরকার বন্ধ এই জুট মিলটি চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা স্থানীয় এলাকাবাসী অসাধারণ শ্রমিকদের জন্য আশার আলো হিসাবে দেখা হচ্ছে।

সম্প্রতি সরকারের দুই মন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এই মিলটি পরিদর্শন করেছেন। এ সময় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম জানান, বন্ধ পাটকলগুলোর আবারও বেসরকারি খাতে চালুর অংশ হিসেবে এই মিলটি ৩০ বছরের জন্য ইজারায় ইতিমধ্যেই বহুজাতিক একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। দ্রুত এটি চালু করা হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানী এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সিরাজগঞ্জ দুই আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, 'সরকারের প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেশের সব বন্ধ মিল কারখানা চালু করা হবে। তারই অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল একটি বেসরকারি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি চালু হলে এই এলাকার বহু মানুষের কর্মসংস্থা এবং পুরো এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটবে।'

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ঐতিহ্যবাহী জাতীয় জুট মিলটি পুনরায় চালু হলে কেবল সিরাজগঞ্জের কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানই ফেরত আসবে না, বরং এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে, এভাবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৭ শিক্ষক, তবুও পাসের মুখ দেখেনি কেউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১২ পি.এম


১৮ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৭ শিক্ষক, তবুও পাসের মুখ দেখেনি কেউ

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষায় নড়াইল সদরের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। সদর উপজেলার পেড়লি দাখিল মাদ্রাসা ও আফরা দাখিল মাদ্রাসা থেকে আসা সকল পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার কারণে শতভাগ ফেলের তালিকায় যুক্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন।

জানতে পারা গেছে, ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত পেড়লি দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবার ১৮ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ১২ জন নিয়মিত এবং ৬ জন অনিয়মিত রয়েছে। কিন্তু ১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, এই ১৮ জন শিক্ষার্থীর সবাই ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে এবং কয়েকজন অন্য বিষয়েও ফেল করেছে। অথচ বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে কর্মরত আছেন ১৭ জন শিক্ষক।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা এই ফলাফলে চরম বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত এক পরীক্ষার্থী আক্ষেপ করে বলেছেন, 'আমি এর আগে বৃত্তি পেয়েছি, টেস্ট পরীক্ষাতেও ফলাফল ভালো ছিল। দাখিলে ইংরেজি পরীক্ষাও ভালো হয়েছিল। অথচ শুধু আমি নই, সবাই ইংরেজিতে ফেল করেছে। বিষয়টির সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার।'

ব্যর্থতার দায় কিছুটা স্বীকার করে পেড়লি দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, 'শিক্ষার্থীদের একটি অংশ নিয়মিত ক্লাসে আসতে পারছে না। করোনার সময় পড়ালেখা বন্ধ থাকার পর শিক্ষার্থীদের হাতে মোবাইল তুলে দেওয়া হয়েছিল, যার নেতিবাচক প্রভাব ফলাফলে পড়েছে। পাশাপাশি আমাদের তত্ত্বাবধানেও নিঃসন্দেহে ঘাটতি ছিল। আমরা আরও তৎপর হলে এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারব।'

অন্যদিকে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের তালিকা অনুযায়ী, সদরের আফরা দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর সাতজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে όλοι অকৃতকার্য হয়েছে।

সরেজমিনে আফরা দাখিল মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা গেছে জরাজীর্ণ অবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নিয়মিত পাঠদান বন্ধ রয়েছে এবং স্থাপনা নষ্ট হচ্ছে। মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় বর্তমানে সুপারিন্টেন্ডেন্ট আতিকুর রহমান ছাড়া সেখানে আর কোনো শিক্ষক নেই।

আতিকুর রহমান বলেন, '২০০১ সাল থেকে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী এবং ২০০৮ সালে দাখিল পাঠদানের অনুমতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে আসছি। ২০১০ সাল থেকে এখান থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে এবং অন্যান্য বছর পাসও করেছিল। তবে এ বছরের ফলাফল খুবই খারাপ। এখন আর একা প্রতিষ্ঠানটি চালানো সম্ভব নয়।'

দুটি মাদ্রাসার শতভাগ ফেলের ঘটনাকে দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে নড়াইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন বলেন, 'আমরা শিগগিরই এ দুটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করব। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে আগামী বছর যাতে ভালো ফলাফল করা যায়, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেনি ৩ শিক্ষার্থীকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেনি ৩ শিক্ষার্থীকে

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ১১ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী থাকার পরও এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা ৩ জন শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানটিতে পাসের হার শূন্য শতাংশ রেকর্ড হয়েছে। অথচ প্রধান শিক্ষকসহ ওই বিদ্যালয়ের ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়মিত সরকারি নিয়মে বেতন-ভাতা ভোগ করছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে যে, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ২০০৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়েছিল। এরপর ২০২৫ সালে এটি নিম্ন মাধ্যমিক থেকে মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নীত হওয়ার অনুমতি পায়। ঐ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬ জন শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছিল। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩ জন শিক্ষার্থী ছিলেন মানবিক বিভাগের।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় যে, উক্ত ৩ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি।

ফলাফলের এই চরম বিপর্যয় নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাদাত হোসেন মুঠোফোনে বলেন, 'এর আগে আমাদের বিদ্যালয়ের ফলাফল কখনো এতটা খারাপ হয়নি। এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তিন শিক্ষার্থীই গণিতের বিষয়ে ফেল করেছে। এর অন্যতম কারণ হলো, আমাদের গণিত শিক্ষক ফারুক খালেক দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন এবং বর্তমানে একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন।'

এদিকে একই জেলায় সাদুল্যাপুর উপজেলার 'উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়' থেকেও এ বছর ৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তবে তাদের মধ্য থেকেও কেউ পাস করতে পারেনি।

সংকটজনক এই ফলাফলের বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান জানান, 'কেন এমন শতভাগ ফেলের ঘটনা ঘটল, সে ব্যাপারে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে বিদ্যালয় দুটির প্রধান শিক্ষককে জানানো হয়েছে। এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনোভাবেই এমন হতাশাজনক ফলাফল আশা করা যায় না।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%