শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২০ এম
বঙ্গোপসাগরের মৌসুমি বায়ু ও লঘুচাপের প্রভাবে আজ সারা দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে হবে।
ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর সংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপের কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে হবে। পাশাপাশি, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে, যতক্ষণ না পরবর্তী নির্দেশনা আসে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৫ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় আজ দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় আজ দুপুর পর্যন্ত আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। সকাল ৭টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে জানানো হয়, এই অঞ্চলে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ সকাল ৬টার ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় ৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৪৪ মিনিটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কালের গহ্বরে সময় হারিয়ে যায়। এই সময়ের মধ্যে ঘটে চলে বিভিন্ন ঘটনা। ইতিহাস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চিন্তা, চেতনা ও প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে। ইতিহাস আমাদের নতুন নতুন দিগন্তের দিকে নির্দেশ করে। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন অনেক জ্ঞানী-গুণী। বিশ্বজুড়ে ঘটেছে গুরুত্বপূর্ণ অনেক ঘটনা, তবে সব ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থান পায় না।
আজ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার। ইতিহাসের এই দিনে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। একনজরে আজকের দিনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো-
ঘটনাবলি
১৩০৪ সালে তৃতীয় উইলিয়াম হল্যান্ডের আর্ল হিসেবে মনোনীত হন।
১৮৫৩ সালে প্রথম বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ চালু হয়।
১৮৭৫ সালে সংবাদপত্রে প্রথম কার্টুন স্ট্রিপ প্রকাশিত হয়।
১৮৯৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে প্রথম বিশ্ব মহা ধর্ম সম্মেলনে ভারতবর্ষের প্রতিনিধি হিসেবে স্বামী বিবেকানন্দ তার ঐতিহাসিক বক্তৃতাটি প্রদান করেন।
১৮৯৫ সালে বার্মিংহাম থেকে এফএ কাপ চুরি হয়ে যায়।
১৯০৯ সালে ম্যাক্স উলফ হ্যালির ধূমকেতু নতুন করে আবিষ্কার করেন।
১৯২৬ সালে কলকাতায় নাখোদা মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
১৯৪৮ সালে ভারত সরকার নিজামের হায়দারাবাদ রাজ্যের দখল নেয়।
১৯৭০ সালে আন্তর্জাতিক ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৩ সালে চিলির নির্বাচিত সরকারের প্রধান ও প্রগতিশীল দেশনায়ক সালভেদর আলেন্দেকে হত্যা করে প্রতিবিপ্লবীরা ক্ষমতা দখল করে।
২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দুটি এবং পেন্টাগনে একটি উগ্রবাদী সালাফিবাদ জঙ্গি সংগঠন - আল কায়েদা সন্ত্রাসী বিমান হামলা চালায়, যার ফলে ৩০০০ এর অধিক ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটে। এছাড়া আরেকটি বিমান ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৯৩ পেন্সিল্ভেনিয়ায় ভূপাতিত হয়।
২০০৭ সালে প্রথম টুয়েন্টি ২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হয়।
২০১৫ সালে মক্কা ক্রেন দুর্ঘটনায় নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত একটি ভ্রাম্যমাণ ক্রেন ভেঙে পড়ে, যার ফলে ১০৭ জন মারা যান এবং ২৩৮ জন আহত হন।
জন্ম
১৮৪৯ সালে উইলিয়াম কুপার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৬২ সালে ও হেনরি, প্রখ্যাত মার্কিন ছোটো গল্পকার জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৭ সালে জেমস জিন্স, ৩/৩৩ প্রখ্যাত ইংরেজ প্রাবন্ধিক ও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি লেখক জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮৫ সালে ডেভিড হারবার্ট লরেন্স, ইংরেজ সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৯৫ সালে বিনোবা ভাবে, ভারতে অহিংসা ও মানবাধিকারের প্রবক্তা ও সমর্থক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯০৭ সালে সুফি মোতাহার হোসেন, বাংলাদেশি কবি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯০৮ সালে বিনয় বসু, ব্রিটিশ বিরোধী বাঙালি বিপ্লবী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯১১ সালে লালা অমরনাথ, ভারতীয় ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২৪ সালে তাপস সেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি আলোকসম্পাত শিল্পী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫০ সালে শাহাবুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৩ সালে শহীদুল জহির, বাংলাদেশি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৯ সালে কনক চাঁপা, বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭০ সালে কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য, ভারতীয় বাঙালি লোকসংগীত শিল্পী ও লোকসংগীত গবেষক জন্মগ্রহণ করেন।
মৃত্যু
১৮২৩ সালে ডেভিড রিকার্ডো, অর্থনীতিবিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৮ সালে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান মুসলিম নেতা জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৮ সালে রবার্ট সার্ভিস, বিখ্যাত কানাডীয় কবি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭১ সালে নিকিতা ক্রুশ্চেভ, সোভিয়েত রাষ্ট্রনায়ক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৭ সালে মহাদেবী বর্মা, প্রখ্যাত হিন্দি ভাষার কবি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৭ সালে মণিকুন্তলা সেন, প্রগতিবাদী রাজনৈতিক নেত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনই কেনাকাটা করতে আমরা কোথাও না কোথাও গিয়ে থাকি। অনেক ভোগান্তির পর যদি কোথাও গিয়ে দেখেন, সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ, তখন কাজ তো হলোই না বরং সময়ও নষ্ট হয়। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নিন শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট, দোকান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ।
বন্ধ থাকা মার্কেটসমূহ
শুক্রবার পুরান ঢাকা ও সংলগ্ন এলাকার বেশ কিছু প্রধান মার্কেট বন্ধ থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার, চক বাজার, বাবু বাজার, নয়া বাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাঁটরা ও বড় কাঁটারা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট এবং সান্দ্রা সুপার মার্কেট।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
ব্যবসায়িক সুবিধার জন্য পুরো এলাকা জুড়ে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার তালিকায় রয়েছে- বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল এলাকা, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা এলাকা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঁনখারপুল এবং গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ।
বন্ধ থাকবে যেসব দর্শনীয় স্থান
সামরিক জাদুঘর (বিজয় সরণি): বিজয় সরণিতে অবস্থিত সামরিক জাদুঘর প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতি ও শুক্রবার বন্ধ থাকে। সপ্তাহের অন্যান্য দিন এটি সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে।
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর (আগারগাঁও): আগারগাঁওয়ে অবস্থিত এই জাদুঘরটিও বৃহস্পতি ও শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বন্ধ রাখা হয়। তবে শনিবার থেকে বুধবার প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এটি পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমে গেছে। সবচেয়ে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। নতুন দাম সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমানোর পেছনে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা করা হয়েছিল। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণের গহনা বিক্রি হয়।
বাজুস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন এ বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে বলেও জানিয়েছে বাজুস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের (বা অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের) দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে উঠে যায়। গত মে মাসের পর এই প্রথম ব্রেন্টের দাম ১০৮ ডলারে পৌঁছাল। ইরান যুদ্ধের কারণে তেল সরবরাহে সংকট আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, এমন আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ই তেলের দাম বেড়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে লড়াই তীব্র হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরের ওপর হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথিরা সৌদি আরবে হামলা চালিয়েছে এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
বিশ্ববাজারে তেলের প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একপর্যায়ে ৭ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে পৌঁছেছে। পরে কিছুটা কমে দিনশেষে ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে স্থির হয়। দিনের হিসাবে ব্রেন্টের দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ১৯ মের পর এটিই ব্রেন্টের সর্বোচ্চ দাম। একই সঙ্গে ছয় সপ্তাহের মধ্যে এক দিনে ব্রেন্টের সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধিও এটি।
যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দামও একপর্যায়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলারে পৌঁছায়। মে মাসের পর এই প্রথম মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম ১০৩ ডলারে উঠল। পরে কিছুটা কমে দিনশেষে ১০২ দশমিক ৪৮ ডলারে স্থির হয়। দিনের হিসাবে দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ। গত ১৯ মের পর এটিই মার্কিন অপরিশোধিত তেলের সর্বোচ্চ সমাপনী দাম। একই সঙ্গে দুই মাসের মধ্যে এক দিনে এটির সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধিও এটি।
আবারও সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেল পরিবহণ নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণী সংস্থা ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের ডেপুটি চিফ ইমার্জিং মার্কেটস ইকোনমিস্ট জেসন টুভে এক নোটে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালিতে এবং হুথিদের সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করছে যে, ইরান ও তার মিত্ররা যুদ্ধে আবারও উদ্যোগ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে।’
টুভে বলেন, ‘এতে উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল উৎপাদন পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া পিছিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে আগামী কয়েক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।’
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জি জানিয়েছে, আগামী বছরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে তারা আর আশা করছে না। প্রতিষ্ঠানটি এখন আর ধরে নিচ্ছে না যে যুদ্ধের একটি নিশ্চিত সমাপ্তি হবে কিংবা ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ হরমুজ প্রণালিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
এসঅ্যান্ডপি এখন ধারণা করছে, আগামী বছরজুড়েও তেলের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে এবং ব্যারেলপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে।
এর বিপরীতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার রাতে দ্রুত সস্তা জ্বালানির পরিস্থিতি ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘৩ নভেম্বরের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের পরপরই দাম ব্যাপকভাবে কমে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে।’
এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জির ক্রুড অয়েল গবেষণার বৈশ্বিক প্রধান জিম বার্কহার্ড বলেন, বাজার ‘শান্ত অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে না।’
বার্কহার্ড ওই প্রতিবেদনে বলেন, ‘অমীমাংসিত সংঘাত এবং সমুদ্রপথে অব্যাহত ঝুঁকি যে নতুন স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে, বাজার এখন তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ