সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩৭ পি.এম
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু)’র কার্যক্রমের তদন্তের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন ৩টি পৃথক কমিটি গঠন করেছে।
আজ সোমবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডাকসু’র ‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ নামে ওয়েবসাইট চালু, ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে কলাভবন সংলগ্ন ডাকসু ভবনের পশ্চিম পাশে ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন এবং ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের আলোচিত ছবি টানানোর ঘটনা তদন্তের জন্য এই ৩টি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া, বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩- এর ১২ (৩) ধারা অনুযায়ী এসব কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটিগুলোর প্রতিবেদন আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে।
‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ নামে ডাকসুর ওয়েবসাইট চালুর বিষয়টি তদন্তের জন্য ঢাবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী-কে আহ্বায়ক করে ৬ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির সদস্যরা হলেন- প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) ড. আব্দুস সালাম, আইন অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক আল আমিন এবং আইকিউএসি এর পরিচালক ড. এস এম হাফিজুর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এই কমিটিতে সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনির্দিষ্ট আইন থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ডাকসুর ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে কলাভবন সংলগ্ন ডাকসু ভবনের পশ্চিম পাশে ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের বিষয়টি তদন্তের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)-কে আহবায়ক করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটির সদস্যরা হলেন- বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন, আইন অনুষদের ডিন এবং প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং। বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজার ফাতেমা বিনতে মুস্তাফা কমিটিতে সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের আলোচিত ছবি টানানোর ঘটনা তদন্তের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)-কে আহবায়ক করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির সদস্যরা হলেন- আইন অনুষদের ডিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন এবং প্রক্টর। বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজার কমিটিতে সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ভিসিকে অবরুদ্ধ করে আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছেন শিক্ষক সংকট নিরসনের জন্য।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এই বিভাগের জন্য ১৬ জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে রয়েছেন মাত্র ৩ জন শিক্ষক। এর ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ভিসিকে তার অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে আন্দোলন করেন। পরে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান পার্টটাইম শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিলে ৬ ঘণ্টা পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, শিক্ষকের অভাবে ক্লাস কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থায় চলার কারণে কর্তৃপক্ষকে বারবার শিক্ষার্থীরা অবহিত করলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। শিক্ষক স্বল্পতার কারণে শিক্ষার্থীরা ৩/৪ বছরের সেশনজটে পড়েছেন, যার ফলে তাদের চাকরির বয়সও হারাতে হচ্ছে।
শিক্ষার্থী রমিক্স বাড়ৈ রুদ্র (২০২০-২০২১ সেশন) বলেন, "আমাদের ডিপার্টমেন্টে মাত্র তিনজন শিক্ষক আছেন। যেখানে থাকার ১৬ জন। এই তিন শিক্ষক দিয়ে তো আর একটি ডিপার্টমেন্ট চলতে পারে না। এতে আমাদের নিয়মিত ক্লাস হয় না, আমরা কিছু শিখতেও পারছি না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বারবার শিক্ষকের কথা বলেছি, তারা শুধু আশ্বাস দেন।"
শিক্ষার্থী শোয়েবুল আলম (২০২০-২০২১ সেশন) বলেন, "শিক্ষক সংকটের কারণে আমাদের সেশনজট বাড়ছে। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা ৩/৪ বছরের সেশনজটে পড়েছে। আর এভাবে চলতে থাকলে আমাদের চাকরির বয়স শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু পড়া শেষ হবে না। আমাদের সেমিস্টারের মেয়াদ ৬ মাস, কিন্তু এক একটি সেমিস্টার শেষ হতে এক দেড় বছর সময় লাগছে।"
শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমান ভিসি অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান পূর্বে এখানে প্রো-ভিসির দায়িত্ব পালন করেছেন। গত এক বছর ধরে তারা শিক্ষক সংকটের সমাধানের জন্য তার সঙ্গে আলোচনা, মিটিং এবং স্মারকলিপি প্রদান করেছেন, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
ভিসি অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, "ইউজিসিতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পত্র দেওয়া হয়েছে। এখনো ইউজিসি থেকে অনুমতি পাওয়া যায়নি। অনুমতি পেলে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।"
শিক্ষার্থীদের সমস্যার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, "২০১৮ সালে যারা এই ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছেন, তারা এখনো পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি। শিক্ষকের সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। তাই যতদিন পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া না যাবে, ততদিন পাঁচজন পার্টটাইম শিক্ষক দিয়ে ক্লাস চালিয়ে নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) ভোলার ইলিশা থেকে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর পর্যন্ত সরাসরি ফেরি সার্ভিস চালু করেছে। নতুন এই নৌপথে এক ট্রিপে সময় লাগছে প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা। এর ফলে রাজধানীতে পণ্য পরিবহনের সময় ও খরচ কমবে এবং ব্যবসায়ীদের ভোগান্তিও কমার আশা করা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত পণ্যবাহী যানবাহনগুলো ভোলা–লক্ষ্মীপুর নৌপথ ব্যবহার করে ঢাকায় পৌঁছাতে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা সময় লাগত। নাব্যতা সংকট এবং সড়কে যানজটের কারণে কখনো কখনো এই সময় দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত বেড়ে যেত। নতুন সরাসরি ফেরি সার্ভিস চালুর ফলে পরিবহন সময় প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ইলিশা–কাঁচপুর রুটে ‘বেগম সুফিয়া কামাল’ ও ‘বেগম রোকেয়া’ নামে দুটি ফেরি চলাচল করছে। প্রতিদিন উভয় প্রান্ত থেকে একটি করে ফেরি ছাড়ে। ইলিশা থেকে কাঁচপুরের উদ্দেশে ফেরি দুপুর ১টার মধ্যে ছাড়ে এবং কাঁচপুর থেকে ভোলার উদ্দেশে ফেরি ভোর ৩টায় ছাড়ে।
বর্তমানে ২৩ টনের নিচের ট্রাকের ভাড়া ১১ হাজার এবং এর বেশি ওজনের ট্রাকের ভাড়া ১২ হাজার টাকা। প্রতিটি ফেরিতে ৭ থেকে ৮টি ছোট গাড়ি এবং ১২ থেকে ১৪টি ট্রাক পরিবহন করা সম্ভব।
পরিবহনশ্রমিকরা বলছেন, সরাসরি ফেরি চালু হওয়ায় পণ্য দ্রুত রাজধানীতে পৌঁছানো যাবে। এতে কাঁচামাল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমবে এবং পরিবহন ব্যয়ও কমবে। কাঁচপুরে ফেরিঘাট হওয়ায় ঢাকার যানজট এড়িয়ে সিলেট, ময়মনসিংহ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্য নেওয়াও সহজ হবে।
বিআইডব্লিউটিসির ভোলা ইলিশা ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. কাওছার আহাম্মেদ খান জানান, নতুন এই সার্ভিসের মাধ্যমে ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের পণ্য ও যাত্রী পরিবহন সহজ হবে। বিশেষ করে তরমুজ ও ধানের মৌসুমে পরিবহন জট কমবে।
গত ২৭ আগস্ট পরীক্ষামূলকভাবে এ রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়। পরে গত মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সার্ভিসটির উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, বিচ্ছিন্ন জেলা ভোলার যোগাযোগব্যবস্থার ঘাটতি পূরণে এই ফেরি সার্ভিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এর আগে ২০২৩ সালে বেসরকারিভাবে ভোলা–ঢাকা রুটে ফেরি সার্ভিস চালু হলেও সীমিতসংখ্যক যানবাহন পরিবহনের কারণে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হতো। ২০০৮ সালে ভোলা–লক্ষ্মীপুর নৌপথে প্রথম ফেরি সার্ভিস চালু হয়। বর্তমানে ভোলা থেকে লক্ষ্মীপুর ও ঢাকা রুটে প্রতিদিন দুই শতাধিক পরিবহন চলাচল করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ(ডিএমপি) কর্তৃক ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
আজ সোমবার, ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত আগস্ট-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুরস্কার তুলে দেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
এ বিষয়ে ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আগস্ট-২০২৬ মাসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিভাগ হিসেবে মিরপুর বিভাগকে চিহ্নিত করা হয়েছে। মূল্যায়নে শ্রেষ্ঠ থানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে মিরপুর মডেল থানা। উত্তরা-পশ্চিম থানা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে শাহজাহানপুর থানা।
অন্যদিকে, সহকারী পুলিশ কমিশনারদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল বাসার মোল্যা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।
শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে প্রথম স্থান দখল করেছেন মিরপুর থানার এসআই মো. দেলোয়ার হোসেন। দ্বিতীয় স্থানে আছেন যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মহিবুল্লাহ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছেন বনানী থানার এসআই জুম্মান খান। এএসআইদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মোহাম্মদপুর থানার এএসআই মো. কামাল উদ্দিন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার এএসআই মো. আখতারুজ্জামান মণ্ডল পলাশ এবং তৃতীয় স্থানে আছেন পল্টন থানার এএসআই মো. নাজিম উদ্দিন।
গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিভাগ হিসেবে গোয়েন্দা-লালবাগ চিহ্নিত হয়েছে। শ্রেষ্ঠ টিম লিডার নির্বাচিত হয়েছেন গোয়েন্দা-লালবাগ বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ী চুরি প্রতিরোধ টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এনায়েত কবীর সোয়েব।
এছাড়া, ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিভাগ হিসেবে ট্রাফিক-মিরপুর নির্বাচিত হয়েছে। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক সার্জেন্টদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মিরপুর-ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট মো. সামসুদ্দীন সরকার এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন যাত্রাবাড়ী-ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট টুটুল মালো।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ডিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং সব থানার অফিসার ইনচার্জগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের পরমাণু বিভাগের প্রধান মোহাম্মাদ ইসলামিকে ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বার্ষিক সাধারণ সম্মেলনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তির কারণে তাকে অস্ট্রিয়ায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমটি জানায়, মোহাম্মাদ ইসলামি ও তার প্রতিনিধি দল শনিবার একটি নিয়মিত ফ্লাইটে ভিয়েনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তির কারণে তাদের যাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়। পরে মোহাম্মাদ ইসলামি তেহরানে ফিরে আসেন।
বর্তমানে অস্ট্রিয়ায় আইএইএর বার্ষিক সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতিসংঘের পরমাণুবিষয়ক এই সংস্থার সম্মেলন শুক্রবার পর্যন্ত চলবে। সেখানে মোহাম্মাদ ইসলামি ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। গত বছরও তিনি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে ইরানের পক্ষে বক্তব্য রেখেছিলেন। ইরান আইএইএর সদস্যরাষ্ট্র। মোহাম্মাদ ইসলামিকে সম্মেলনে যোগ দিতে না দেওয়ার প্রতিবাদে ইরান অস্ট্রিয়ার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করেছে।
তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মন্তব্য করেন, ইরানের প্রতিনিধিদলকে ভিসা দিতে অস্ট্রিয়া সরকারের অস্বীকৃতি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
বাঘাই আরও বলেন, "আমাদের কাছে এটি স্পষ্ট যে, ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ঘটেছে।" তবে এ ঘটনায় অস্ট্রিয়া সরকারও দায় এড়াতে পারে না। ভিয়েনার এক কূটনৈতিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণেই মোহাম্মাদ ইসলামিকে অস্ট্রিয়ায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। তাদের দাবি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে। পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘকাল ধরে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছে। তাদের অভিযোগ, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। তবে ইরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ