১০:০৮ এম
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডের চারপাশে আবারও চীনা সামরিক বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (৮ জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় তাইওয়ানের আকাশসীমা ও জলসীমায় চীনের ২টি যুদ্ধবিমান, ৬টি নৌযান ও ৭টি সরকারি জাহাজ শনাক্ত করা হয়েছে।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে জানায়, শনাক্ত হওয়া ২টি চীনা যুদ্ধবিমানই তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলীয় বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ অঞ্চলে প্রবেশ করেছিল। চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) এই উস্কানিমূলক তৎপরতার পর তাইওয়ানের সশস্ত্র বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এর আগে মে মাসে এক আলাপচারিতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘তাইওয়ান সমস্যা’ নিয়ে কাজ করবে। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে একটি চমৎকার ও অসাধারণ বৈঠক হয়েছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছিলেন, তাইওয়ানের বিষয়ে আমি সবার সাথে কথা বলব।
আরও পড়ুন: এনআইডি সংশোধন জালিয়াতি রোধে নতুন পদক্ষেপ ইসির
পরিস্থিতি এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তাইওয়ানের ওপর চীনের মালিকানার দাবিটি দীর্ঘদিনের একটি জটিল রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিষয়। বেইজিং মনে করে তাইওয়ান চীনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৬৮৩ সালে চিং রাজবংশ কর্তৃক এই দ্বীপটি দখলের ইতিহাস টেনে চীন আন্তর্জাতিকভাবে এই দাবি করে চলেছে।
অন্যদিকে, তাইওয়ান সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজস্ব সরকার, সামরিক বাহিনী ও অর্থনীতি পরিচালনা করে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রেখেছে। আন্তর্জাতিক আইনে তাইওয়ানের এই সার্বভৌমত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক বিতর্ক চলছে।
সূত্র : এএনআই
আরও পড়ুন: সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, স্মরণে নানা আয়োজন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন