ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১০% বেশি শিশু পেয়েছে হামের টিকা


লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১০% বেশি শিশু পেয়েছে হামের টিকা

চলমান হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৭২০ জন শিশু টিকা গ্রহণ করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষের দিকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে সরকার দ্রুততার সঙ্গে ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। দ্বিতীয় দফায় ১২ এপ্রিল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি সিটি কর্পোরেশনে (ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ) এবং তৃতীয় দফায় ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়, যা এখনও চলমান রয়েছে। দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত থাকায় আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে হাম প্রতিরোধে সরকার আবারও নতুন করে ব্যাপকভাবে টিকা ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্রথমে এই কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলস্বরূপ শিশুদের টিকা গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১০৯ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন: কর্ণফুলী ওপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু, তিন জেলার মানুষের স্বস্তি মিলবে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া। কিন্তু ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৭২০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে হাম-রুবেলার টিকার সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বরিশাল বিভাগে ১১ লাখ ১০ হাজার ৬৯৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৮ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৯ লাখ ১৯ হাজার ৯১৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৬ লাখ ৯৫ হাজার ৭৭৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৯১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ২২ লাখ ১৩ হাজার ১৯৭ জন, রংপুর বিভাগে ২০ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮৮ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৫ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে ৪৪ হাজার ১১৯ জন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৮৭০ জন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ৪৮ হাজার ৬৪৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৪ লাখ ১৮ হাজার ৯৭২ জন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে ২ লাখ ৬ হাজার ৯২৭ জন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে ৮৩ হাজার ৬৯৭ জন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনে ৯৬ হাজার ৭৯২ জন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে ৬২ হাজার ৩০৫ জন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে ৬৩ হাজার ৫৯ জন, রংপুর সিটি কর্পোরেশনে ৮২ হাজার ২৫৩ জন এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৭২ হাজার ৩৪৯ জন শিশু হাম-রুবেলার টিকা গ্রহণ করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, "শিশুদের টিকা দেওয়া একটি চলমান পক্রিয়া। তবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে ব্যাপকভাবে শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, এটা সরকারের বাড়তি তৎপরতা।"

আরও পড়ুন: গোলাম মোস্তফা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সূচনা

তিনি আরও বলেন, "এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য, যাতে কোনো শিশু টিকা গ্রহণ থেকে বাদ না পড়ে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসাবঞ্চিত জগদল ইউনিয়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম দিরাই ও শাল্লা প্রতিনিধি

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১১ এম


চিকিৎসাবঞ্চিত জগদল ইউনিয়ন

দিরাই উপজেলার ৭নং জগদল ইউনিয়নে ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর প্রধান কারণ—হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ডাক্তার নেই।
বর্ষা মৌসুমে জগদল ইউনিয়ন থেকে দিরাই উপজেলা সদরে যাতায়াত অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। বিশেষ করে চেপ্টিয়ার হাওরসহ দুর্গম এলাকার মানুষ অসুস্থ হলে দ্রুত উপজেলা সদরে পৌঁছানো অনেক সময় সম্ভব হয় না।
তাই জগদল ২০ শয্যা হাসপাতালে দ্রুত প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক পুলকের শেষ চিরকুট: শেষ আস্থার নাম এস এম জাকির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


সাংবাদিক পুলকের শেষ চিরকুট: শেষ আস্থার নাম এস এম জাকির

মৃত্যুর আগে রেখে যাওয়া চিরকুটে সহকর্মীর প্রতি আস্থা; সাংবাদিক নেতৃত্বের মানবিকতা নিয়ে সামনে এলো কঠিন প্রশ্ন

বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনে নেতৃত্ব, সহকর্মীদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে সাংবাদিক পুলক দার মৃত্যুর আগে রেখে যাওয়া একটি চিরকুট। মৃত্যুর আগে তাঁর রেখে যাওয়া কথাগুলো শুধু একটি ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতি নয়, বরং সহকর্মীর প্রতি আস্থা ও দায়িত্ববোধের বিষয়টিও সামনে এনেছে।

জানা গেছে, পুলক দা মৃত্যুর আগে পাঁচটি চিরকুট রেখে যান। সেগুলো পুলিশের জব্দ তালিকায় রয়েছে বলে জানা যায়। এর মধ্যে একটি চিরকুট বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেনকে উদ্দেশ্য করে লেখা।

চিরকুটে পুলক দা জাকির হোসেনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তাঁর মৃত্যুর পর মরদেহ যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় এবং পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর রাখার জন্য জাকির হোসেনের প্রতি অনুরোধ জানান।

এই একটি চিরকুটই এখন সামনে আনছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—একজন সাংবাদিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে কাকে নিজের আস্থার জায়গা হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন?

বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনে এস এম জাকির হোসেনকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা মত, আলোচনা ও সমালোচনা রয়েছে। তাঁর নেতৃত্ব ও পেশাগত ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। আবার সহকর্মীদের একটি অংশ তাঁর পাশে থাকার কথাও বলে থাকেন। মতপার্থক্য ও সমালোচনা থাকতেই পারে; কিন্তু পুলকের শেষ চিরকুট সেই বিতর্কের বাইরে একটি ব্যক্তিগত ও মানবিক বাস্তবতা সামনে এনেছে।

কারণ, বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনে বহু পরিচিত, প্রতিষ্ঠিত ও প্রভাবশালী সহকর্মী থাকা সত্ত্বেও পুলক দা তাঁর পরিবারের বিষয়ে শেষ অনুরোধটি করেছেন এস এম জাকির হোসেনকে উদ্দেশ্য করে।

এখানেই সামনে আসে নেতৃত্বের প্রকৃত অর্থ নিয়ে প্রশ্ন।

নেতৃত্ব কি শুধুই একটি পদ?
নাকি একজন সহকর্মীর দুঃসময়ে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সক্ষমতাই নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় পরিচয়?

সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যেখানে পেশাগত ঝুঁকি, চাপ, মামলা-মোকদ্দমা, আর্থিক সংকট কিংবা ব্যক্তিগত প্রতিকূলতা অনেক সময় সহকর্মীদের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি করে। সেই সময়ে পাশে দাঁড়ানোর মতো একজন মানুষ থাকা একজন সাংবাদিকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেউ সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্বে থাকতে পারেন, কেউ নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করতে পারেন, আবার কেউ নিজেকে সহকর্মীবান্ধব হিসেবেও তুলে ধরতে পারেন। কিন্তু বাস্তব পরীক্ষা আসে তখনই, যখন কোনো সহকর্মী বিপদে পড়েন।

তখন প্রশ্ন থাকে—কে পাশে দাঁড়ান? কে কথা শোনেন? কে প্রয়োজনের সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন? আর কে একজন অসহায় সহকর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব নেন?

পুলকের শেষ চিরকুট সেই প্রশ্নগুলোই যেন আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

তবে তাঁর মৃত্যুর ঘটনাকে কোনোভাবেই মহিমান্বিত বা আত্মহননকে সমর্থন করার উপাদান হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং এই মর্মান্তিক ঘটনা থেকে সাংবাদিক সমাজসহ পুরো সমাজের জন্য যে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

একজন সহকর্মী যেন সংকটের মুহূর্তে নিজেকে একা মনে না করেন—সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার জায়গাটি আরও শক্তিশালী হোক—এটাই হওয়া উচিত প্রত্যাশা।

পুলক দার শেষ চিরকুটে এস এম জাকির হোসেনের প্রতি যে ব্যক্তিগত আস্থার প্রকাশ ঘটেছে, তা বরিশালের সাংবাদিক সমাজে নেতৃত্ব ও মানবিকতার সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে ভাবনার অবকাশ তৈরি করেছে।

সমালোচনা থাকুক, মতপার্থক্য থাকুক, নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক থাকুক—কিন্তু একজন সহকর্মী বিপদে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর জায়গায় যেন কোনো সংকীর্ণতা না থাকে।

কারণ নেতৃত্বের আসল পরিচয় পদ-পদবিতে নয়; একজন সহকর্মীর দুঃসময়ে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই নেতৃত্বের প্রকৃত পরীক্ষা।

পুলক দার শেষ চিরকুট হয়তো তাঁর ব্যক্তিগত শেষ ইচ্ছার কথা জানিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি সাংবাদিক সমাজের সামনে একটি কঠিন আত্মজিজ্ঞাসাও রেখে গেছে—

আমরা কি এমন একটি সাংবাদিক সমাজ গড়ে তুলতে পেরেছি, যেখানে বিপন্ন একজন সাংবাদিক শেষ মুহূর্তেও কোনো সহকর্মীকে নিজের আস্থার জায়গা হিসেবে ভাবতে পারেন?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাল্লায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান: ৫ লিটার মদ ও বিপুল পরিমাণ ওয়াশ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


শাল্লায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান: ৫ লিটার মদ ও বিপুল পরিমাণ ওয়াশ জব্দ

সুনামগঞ্জের শাল্লায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫ লিটার চোলাইমদ ও চোলাইমদ তৈরির ৬০০ লিটার উপকরণ (ওয়াশ) উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় জিয়াউর রহমান (৪৪) নামে এক ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নারকিলা গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিভাগীয় সহকারী উপ-পরিদর্শক মনিতা সিনহার নেতৃত্বে একটি রেইডিং টিম সরকারি গাড়ি ও ভাড়াকৃত নৌকাযোগে নারকিলা গ্রামে অভিযান চালায়। সেখানে জিয়াউর রহমানের বসতঘরের সামনে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব পাশের একটি কক্ষের মেঝে থেকে একটি প্লাস্টিকের বোতলে রাখা ৫ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বসতঘরসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের আঙিনা থেকে তিনটি প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা চোলাইমদ তৈরির উপকরণ ওয়াশ উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি ড্রামে ২০০ লিটার করে মোট ৬০০ লিটার ওয়াশ ছিল।

অভিযানে উদ্ধার করা আলামতের আনুমানিক মূল্য ৫ হাজার টাকা বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত চোলাইমদ ও ওয়াশ থেকে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে সিলগালা করা হয়েছে। পচনশীল, দুর্গন্ধযুক্ত ও বহনের অনুপযোগী হওয়ায় অবশিষ্ট ওয়াশের একটি অংশ ঘটনাস্থলেই সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিনষ্ট করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জের উপ-পরিদর্শক মো. আতাউর রহমান সঙ্গীব বাদী হয়ে শাল্লা থানায় জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ২৪(ক) ও ৩৭ ধারায় মামলা দায়েরের আবেদন করেন।

শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযানে উদ্ধার করা আলামত ও রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য সংরক্ষিত নমুনা বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জের বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডার্বি দেখতে এসে ম্যানইউ মালিকের বিরুদ্ধে সমর্থকদের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২২ এম


ডার্বি দেখতে এসে ম্যানইউ মালিকের বিরুদ্ধে সমর্থকদের বিক্ষোভ

ম্যানচেস্টার ডার্বির প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। তবে, ম্যাচ শুরুর পূর্বে টিকিট সংক্রান্ত ‘বিতর্কিত’ তদন্তের ফলস্বরূপ ৬৮৫টি সিজন টিকিট বাতিলের ঘটনায় ক্ষুব্ধ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সমর্থকরা ওল্ড ট্রাফোর্ডের বাইরে ক্লাবের মালিকানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।

ডার্বির আগে, ওল্ড ট্রাফোর্ডের কাছে বিশপস ব্লেইজ পাবের সামনে সমর্থকরা গ্লেজার পরিবার ও স্যার জিম র‍্যাটক্লিফের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে জড়ো হন।

টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে দীর্ঘ তদন্তের পর ইউনাইটেড সম্প্রতি ৬৮৫ জন সমর্থকের সিজন টিকিট বাতিলের ঘোষণা দেয়। তবে, তদন্তের পদ্ধতি নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

এছাড়া, আরও ৪৬৪ জনকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা অথবা কম শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ক্লাব মোট ১ হাজার ৬১৭টি অ্যাকাউন্টকে আরও তদন্ত এবং ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিহ্নিত করেছে।

ইউনাইটেড টিকিট বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, ‘আর্থিক লাভের জন্য টিকিট ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য অপব্যবহার’ যেখানে পাওয়া গেছে, সেখানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

এতে ‘সংগঠিত টিকিট নেটওয়ার্ক পরিচালনা’ অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে শত শত অ্যাকাউন্ট থেকে টিকিট নিয়ন্ত্রণ, বিক্রি ও বিতরণ করা হতো।

ক্লাবের ব্যাখ্যার পরও সমর্থকদের ক্ষোভ কমেনি। মূলত তদন্তের পদ্ধতি নিয়েই তাদের আপত্তি। অনেক সমর্থক মনে করেন, তাদের অন্যায্যভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই ক্ষোভই এবার ডার্বির আগে রাস্তায় প্রতিবাদের রূপ নিয়েছে।

গ্লেজার পরিবার ২০০৫ সালে ক্লাবের মালিকানা নেওয়ার পর থেকেই ইউনাইটেড সমর্থকদের প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তবে, এবার প্রকাশ্যে র‍্যাটক্লিফ ও নতুন আইএনইওএস মালিকানাও সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। ক্লাবের মালিকানার বিরুদ্ধে এতটা প্রকাশ্য প্রতিবাদে র‍্যাটক্লিফকে লক্ষ্য করা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

শুধু বিশপস ব্লেইজের সামনেই নয়, স্ট্রেটফোর্ড এন্ডেও প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিয়েছে আরেক সমর্থকগোষ্ঠী দ্য রেড আর্মি। ম্যাচ শুরুর আগে তারা নিয়মিত পতাকা প্রদর্শন না করে সেখানে একটি ব্যানার টাঙানোর ঘোষণা দিয়েছে। ব্যানারে লেখা থাকবে, ‘আপনারা আমাদের সঙ্গে যে আচরণ করেন, তা লজ্জাজনক।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%