শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৫ পি.এম
দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী শ্রীলীলার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে, পাশাপাশি অভিনয়ে তার অবস্থানও দৃঢ় হচ্ছে। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে তার একটি পোস্ট নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওটি এখন পর্যন্ত ১ কোটি ১১ লাখ লাইক পেয়েছে এবং এটি দেখা হয়েছে ২৫ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি বার।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, শ্রীলীলার ওই ভিডিওতে প্রায় ৩৬ হাজারেরও বেশি মন্তব্য এসেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পরিসংখ্যান পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট রিল্যাক্সের তথ্য অনুযায়ী, ভিডিওটির প্রতি বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে।
শ্রীলীলা নিয়মিত ইনস্টাগ্রামে নিজের বিভিন্ন মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। কখনো তিনি ফ্যাশন ও ঐতিহ্যবাহী সাজে, কখনো ব্যক্তিজীবনের বিশেষ মুহূর্তে, আবার কখনো নতুন কাজের খবর নিয়ে হাজির হন। তবে আলোচিত এই ভিডিওতে দর্শক-অনুরাগীদের প্রতিক্রিয়া অন্যান্য পোস্টগুলোর তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে দেখা গেছে।
অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় পরিচিতি পাওয়ার পর, শ্রীলীলার বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে। অনুরাগ বসুর পরিচালনায় কার্তিক আরিয়ানের বিপরীতে তাকে দেখা যাবে।
এছাড়া, ধানুশের সঙ্গে ‘ওম : চ্যাপটার ওয়ান’ সিনেমাতেও অভিনয় করছেন শ্রীলীলা। তার হাতে রয়েছে আরো বেশ কয়েকটি সিনেমার কাজ। সব মিলিয়ে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনপ্রিয়তা এবং নতুন সিনেমায় যুক্ত হওয়া, দুই দিক থেকেই আলোচনায় রয়েছেন এই অভিনেত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের অনুমোদন করা ৮০ কোটি ডলারের অধিক সরকারি অর্থ ছাড় না দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই অর্থ অভিবাসন, জাতিগত সংখ্যালঘুদের সহায়তা এবং শিক্ষা খাতের বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল।
শুক্রবার এই পদক্ষেপটি ট্রাম্প প্রশাসন এবং কংগ্রেসের মধ্যে চলমান বিরোধকে আরও তীব্র করেছে। প্রেসিডেন্ট কি একতরফাভাবে কংগ্রেসের অনুমোদিত অর্থ আটকে রাখতে পারেন, এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে আইনি ও সাংবিধানিক বিতর্ক চলছে। হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, "আমেরিকার নাগরিকদের কোনো উপকার করে না—এমন অপচয় ও ক্ষতিকর সরকারি ব্যয় কমাতে ট্রাম্প প্রশাসন সম্ভাব্য সব উপায় ব্যবহার করবে।"
হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির কথা। এর মধ্যে রয়েছে শরণার্থীদের সহায়তা, জাতিগত সংখ্যালঘুদের ব্যবসা উন্নয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে পরিবেশ সংরক্ষণে কাজ করা কিছু প্রকল্প। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এসব কর্মসূচি কিছু অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করে, জাতিগত উত্তেজনা বাড়ায় এবং পরিবেশ নিয়ে অতিরিক্ত আতঙ্ক তৈরির মতো নীতিকে সমর্থন করে। তবে কংগ্রেসের অনুমোদিত অর্থ ব্যয়ের সাংবিধানিক ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে এই ক্ষমতাকে কংগ্রেসের ‘পাওয়ার অব দ্য পার্স’ বলা হয়।
কংগ্রেসের অনুমোদিত অর্থ আটকে রাখতে হোয়াইট হাউস একটি তুলনামূলকভাবে কম ব্যবহৃত পদ্ধতি গ্রহণ করছে। এই পদ্ধতির নাম ‘পকেট রিসিশন’। এই পদ্ধতিতে প্রশাসন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই পূর্বে বরাদ্দ করা অর্থ বাতিল বা আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। সিনেটের অর্থ বরাদ্দ কমিটির চেয়ারম্যান সিনেটর সুসান কলিন্স এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ বলে মন্তব্য করেছেন।
কলিন্স, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির সদস্য, বলেছেন, কংগ্রেসের সাংবিধানিক অর্থ ব্যয়ের ক্ষমতাকে দুর্বল করার জন্য এটি ব্যবস্থাপনা ও বাজেট দপ্তরের সর্বশেষ চেষ্টা। তিনি আরও জানান, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া বরাদ্দ করা অর্থ বাতিল বা আটকে দেওয়ার যেকোনো চেষ্টা আইন লঙ্ঘন। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কংগ্রেস ও আদালতের বিরোধ এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে নতুন নয়। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনকে একই পদ্ধতি ব্যবহার করে কংগ্রেসের অনুমোদিত ৪৯০ কোটি ডলারের বিদেশি সহায়তা আটকে দেওয়া থেকে বিরত রাখতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তবে ওই অর্থ নিয়ে আইনি লড়াই এখনও চলমান।
সর্বশেষ সিদ্ধান্তের ফলে কংগ্রেসের অনুমোদিত অর্থ ব্যয়ের ক্ষমতা এবং প্রেসিডেন্টের সেই অর্থ আটকে রাখার ক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক আবারও উন্মোচিত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, তারা অপচয় ও ক্ষতিকর সরকারি ব্যয় কমানোর জন্য এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের কিছু সদস্যের মতে, কংগ্রেসের অনুমোদিত অর্থ আটকে দেওয়ার মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সাংবিধানিক সীমার বাইরে চলে যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার মার্কিন দূতাবাস সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে ভবিষ্যতে দেশটিতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিসাসংক্রান্ত এক বার্তায় দূতাবাস এ সতর্কতা প্রকাশ করে।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, একটি মার্কিন ভিসা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের নিশ্চয়তা প্রদান করে না। দেশটিতে প্রবেশের সময় কত দিন অবস্থান করা যাবে এবং কী কী শর্ত প্রযোজ্য হবে, তা নির্ধারণ করেন প্রবেশস্থলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা।
দূতাবাস আরও জানায়, যদি কেউ অনুমোদিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন অথবা ভিসার ধরন অনুযায়ী অনুমোদিত নয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হন, তবে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে তার ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে।
এ কারণে ভিসার শর্ত ও অনুমোদিত সময়সীমা যথাযথভাবে মেনে চলার দায়িত্ব ভিসাধারীর নিজের—বার্তায় এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি উল্লেখ করেছেন, মানুষের অস্তিত্ব, প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রাণিবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের গুরুত্ব অপরিসীম।
তিনি বলেন, খাদ্য, পরিবেশ এবং মানুষের জীবনধারণের সঙ্গে জীববিজ্ঞানের নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। তাই জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নে এই বিষয়ে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
আজ শনিবার ঢাকার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে জ্যুলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ আয়োজিত সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
চিফ হুইপ বলেন, মানুষের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য একটি মৌলিক শর্ত। খাদ্যসংস্থান সরাসরি উদ্ভিদ ও বিভিন্ন প্রাণীর ওপর নির্ভরশীল। মাছ, মাংস এবং উদ্ভিদজাত খাদ্য মানুষের পুষ্টি ও জীবনধারণের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তাই প্রাণী ও উদ্ভিদকূলের সুরক্ষা নিশ্চিত করা মানেই মানুষের খাদ্য ও জীবনব্যবস্থার সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতি বা তাত্ত্বিক আলোচনার বাইরে সাধারণ মানুষের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা এবং সন্তানদের সুশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাও মানুষের জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রের বাস্তব সুফল মানুষের কাছে পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
দেশের জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, নদী, হাওড়, বন, পাহাড়, জলাভূমি এবং সুন্দরবনসহ বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় বাস্তুতন্ত্র অসংখ্য প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতির আবাসস্থল। এই সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে প্রাণী ও উদ্ভিদকূলের সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিপুল সম্ভাবনা বিদ্যমান। নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও টেকসই গবেষণার মাধ্যমে তরুণরা দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে দেশের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং টেকসই পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা মতবিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ, মো. আমির হোসাইন চৌধুরী, ড. মো. খালেদ কানাক এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে গবেষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ