সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৭ পি.এম
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাত বছরের বিরতির পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘জাপান উৎসব’।
গত শুক্রবার, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায়, বাংলাদেশে অবস্থিত জাপান দূতাবাস শিল্পকলা একাডেমিতে ‘জাপান উৎসব ২০২৬’-এর আয়োজন করে। এ তথ্যটি আজ একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে জাপান দূতাবাসের পক্ষ থেকে।
এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য জাপানের পরিবেশন শিল্পকলা, মার্শাল আর্ট, রন্ধনশৈলী ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির একটি বর্ণিল প্রদর্শনী উপস্থাপন করা হয়।
উৎসবটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দর্শকরা জাপানি সাংস্কৃতিক পরিবেশনার বিভিন্ন দিক উপভোগ করেন। এর মধ্যে ঐতিহ্যবাহী মার্শাল আর্ট ‘কারাতে’ ও ‘কেন্ডো’-র প্রদর্শনী অন্তর্ভুক্ত ছিল।
জাপানি সঙ্গীতশিল্পী জুটি ‘বাজনা বিট’ বাংলাদেশী শিল্পীদের সাথে যৌথভাবে সঙ্গীত পরিবেশন করেন, যা দুই দেশের সঙ্গীত ঐতিহ্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধন সৃষ্টি করে।
ঐতিহ্যবাহী জাপানি নৃত্যশিল্পী সেনজু এইনোজোর পরিবেশনার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
মঞ্চের পরিবেশনার পাশাপাশি দর্শকরা জাপানি ঐতিহ্যের বিভিন্ন বিষয়, যেমন— জাপানি চা-পান অনুষ্ঠান ‘সাদো’ ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সরাসরি উপভোগ ও চর্চা করার সুযোগ পান।
উৎসব প্রাঙ্গণে বনসাই ও ইকেবানা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় এবং অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা জাপান দূতাবাসের শেফের তৈরি জাপানি খাবারের স্বাদ গ্রহণের সুযোগও পান।
এছাড়া, জাপানে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরা সেখানে পড়াশোনার সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে পরামর্শকদের সাথে কথা বলার সুযোগ পান।
এই উৎসব বাংলাদেশের দর্শনার্থীদের জন্য জাপানি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও সমৃদ্ধি সরাসরি উপভোগ করার সুযোগ করে দেয়, পাশাপাশি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাগোয়া (জাপান), ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : চীনের ১৩ বছর বয়সী সাঁতারু ইউ জিদি এশিয়ান গেমসে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন এবং গেমস রেকর্ডও গড়েছেন।
এই স্কুলছাত্রী আগামী মাসে ১৪ বছরে পা দিতে যাচ্ছেন এবং তিনি নারীদের ২০০ মিটার বাটারফ্লাইয়ে ২ মিনিট ৫.০৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে গেমস রেকর্ড স্থাপন করেছেন।
ইউ জিদির ক্যারিয়ারের এটি প্রথম বড় শিরোপা। চীন আগামী দুই বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে তার ওপর আরও বড় স্বপ্ন দেখছে।
পদক পাওয়ার পর ইউ হাসিমুখে বলেন, “এটা মোটামুটি হয়েছে।”
গত বছর, মাত্র ১২ বছর বয়সে, ইউ রিলে ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পদক জিতে বিশ্ব সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী পদকজয়ী হিসেবে পরিচিত হন।
এবারের এশিয়ান গেমসে তিনটি খেলা টোকিওতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার মধ্যে সাঁতার অন্যতম। গেমসের অন্যান্য প্রতিযোগিতাগুলো নাগোয়া ও আইচি প্রিফেকচারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
পুলে চীনকে সবচেয়ে শক্তিশালী দল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রথম দিনে সাতটি সোনার মধ্যে ছয়টি পদক চীন জিতে নিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি নিয়ে সচিবালয়ের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এই ঘটনা ঘটে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্মারকলিপি দিতে সচিবালয়ের দিকে যাত্রা শুরু করেন। যখন মিছিলটি সচিবালয় মোড়ের নিকট পৌঁছায়, তখন পুলিশ তাদের বাধা প্রদান করে।
আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পুলিশ মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) শাহবাগ থানার ওসি মনিরুজ্জামান মন্তব্য করেন, "পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। তাদের উগ্র লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হলে পুলিশ বলপ্রয়োগ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটগুলোর (ওবিইউ) কার্যক্রমে নতুন সুযোগ প্রদান করেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে। এখন থেকে ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) তাদের নিজস্ব দেশীয় ব্যাংকিং ইউনিট (ডিবিইউ), অন্যান্য অনুমোদিত ডিলার (এডি), অন্যান্য ওবিইউ এবং বৈধ স্থানীয় পক্ষের সঙ্গে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় এবং ক্রস-কারেন্সি সোয়াপ লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে বৈধ গ্রাহক লেনদেন, বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থায়নের প্রয়োজন, দায় পরিশোধ, তারল্য ব্যবস্থাপনা, সম্পদ-দায় ব্যবস্থাপনা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ওবিইউগুলো আরও নমনীয়ভাবে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা করতে সক্ষম হবে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি জারি করা অফশোর ব্যাংকিং কার্যক্রমের নির্দেশিকার এফ (১) অনুচ্ছেদে ওবিইউগুলোর কার্যক্রমের ওপর কিছু সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বৈধ গ্রাহক লেনদেন সহজ করা, বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, সম্পদ ও দায় ব্যবস্থাপনার চর্চা উন্নত করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ট্রেজারি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে দেশের অফশোর ব্যাংকিং কার্যক্রমকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে ওই বিধানের কিছুটা শিথিলতা আনা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ওবিইউগুলো এখন তাদের সংশ্লিষ্ট ডিবিইউ, অন্যান্য এডি, অন্যান্য ওবিইউ এবং বৈধ স্থানীয় পক্ষের সঙ্গে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচা করতে পারবে। পাশাপাশি তারা ক্রস-কারেন্সি সোয়াপ লেনদেনও করতে পারবে।
কিন্তু এসব লেনদেনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত আরোপ করেছে। লেনদেনগুলো অবশ্যই অনুমোদিত গ্রাহক লেনদেন, অর্থায়নের প্রয়োজন, নিষ্পত্তির দায়, তারল্য ব্যবস্থাপনা, সম্পদ-দায় ব্যবস্থাপনা অথবা বৈদেশিক মুদ্রা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হতে হবে।
অর্থাৎ, শুধুমাত্র বৈদেশিক মুদ্রার দামের ওঠানামা থেকে মুনাফা করার উদ্দেশ্যে এসব লেনদেন করা যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, অনুমাননির্ভর বা জল্পনামূলক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের উদ্দেশ্যে ওবিইউগুলো এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
সার্কুলারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, লেনদেন পরিচালনার সময় ওবিইউগুলোকে প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত বিধিবিধান, প্রুডেনশিয়াল বা সতর্কতামূলক নির্দেশনা, অনুমোদিত অভ্যন্তরীণ নীতিমালা, ডিলিং ও কাউন্টারপার্টি সীমা এবং যথাযথ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণ করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ওবিইউগুলোকে বৈদেশিক মুদ্রায় বিচক্ষণ অর্থায়ন কৌশল গ্রহণে উৎসাহিত করেছে। প্রয়োজন ও সম্ভাবনা থাকলে তুলনামূলক কম ব্যয়ের মুদ্রায় অর্থায়নের সুযোগ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক লেনদেনের নিষ্পত্তি ব্যয়-সাশ্রয়ী করা, বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজন অনুযায়ী সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় অথবা ক্রস-কারেন্সি সোয়াপের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, নতুন সুবিধাগুলোর মূল লক্ষ্য হলো অনুমোদিত বাণিজ্য ও অর্থায়ন কার্যক্রমে ওবিইউগুলোর সেবা আরও দক্ষ করা। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থায়নের ব্যবস্থা করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বাজারচর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন মুদ্রায় ব্যাংকগুলোর ঝুঁকির পরিমাণ ব্যবস্থাপনা করা।
অফশোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সাধারণত দেশের সঙ্গে বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থায়ন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য, অর্থায়নের ব্যয় এবং মুদ্রার বিনিময় হারের ঝুঁকি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে একটি ওবিইউ তার প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য ইউনিট বা ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ কিংবা প্রয়োজন না থাকলে তা বিক্রি করার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে এক মুদ্রায় অর্থায়ন গ্রহণ করে অন্য মুদ্রায় দায় বা লেনদেন ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হলে ক্রস-কারেন্সি সোয়াপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি হবে।
বিশেষ করে বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মুদ্রায় অর্থ পরিশোধ ও গ্রহণের সময় যে মুদ্রা-ঝুঁকি তৈরি হয়, তা ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের লেনদেন কার্যকর হতে পারে। পাশাপাশি ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল ব্যবস্থাপনায়ও নমনীয়তা বাড়বে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এ সুবিধার মাধ্যমে ওবিইউগুলো তাদের বৈদেশিক মুদ্রার অর্থায়ন কাঠামো আরও কার্যকরভাবে সাজাতে পারবে। ফলে অনুমোদিত বাণিজ্য ও অর্থায়ন কার্যক্রমে গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার সেবা দেওয়ার সক্ষমতা বাড়তে পারে।
জল্পনামূলক লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে নতুন সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্কতা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, অনুমোদিত উদ্দেশ্য ছাড়া এসব লেনদেন করা যাবে না এবং বিশেষ করে জল্পনামূলক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবসার জন্য এ সুবিধা ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
এ ছাড়া প্রতিটি ওবিইউকে নিজস্ব অভ্যন্তরীণ নীতিমালা, ডিলিং সীমা ও কাউন্টারপার্টি সীমা অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ নতুন সুবিধা চালুর পরও ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো কার্যকর রাখতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে প্রুডেনশিয়াল নির্দেশনা ও প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা আইন-বিধি যথাযথভাবে অনুসরণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আগের সব নির্দেশনা বহাল রেখে নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি জারি করা অফশোর ব্যাংকিং কার্যক্রমের নির্দেশিকার সব বিধান বাতিল বা পরিবর্তন করা হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন সার্কুলারে যেসব বিষয়ে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো ছাড়া নির্দেশিকার অন্যান্য সব বিধান অপরিবর্তিত থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, অফশোর ব্যাংকিং কার্যক্রমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা চর্চা প্রতিষ্ঠা এবং বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করার উদ্দেশ্যেই নতুন এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
সার্কুলারটি জারি করা হয়েছে অফশোর ব্যাংকিং আইন, ২০২৪-এর ১১(৭) ও ২৫(২) ধারা এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট, ১৯৪৭-এর ২০(৩) ধারায় বাংলাদেশ ব্যাংককে দেওয়া ক্ষমতাবলে।
নতুন নির্দেশনার বিষয়বস্তু সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে অবহিত করার জন্য দেশের সব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট এবং তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদক প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা সাহসিকতা, বীরত্ব, সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে প্রদান করা হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের জন্য চারটি ক্যাটাগরিতে এই পদকগুলো প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো—বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা, রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা।
এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন, সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং অন্যান্য উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদকগুলো প্রদান করা হচ্ছে।
মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে চারটি ক্যাটাগরিতে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেখুন এখানে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ