মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৫ পি.এম
হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, শিশুর হেফাজত বা জিম্মা সংক্রান্ত পারিবারিক আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে যদি আপিলের স্পষ্ট সুযোগ থাকে, তাহলে হাইকোর্টে সরাসরি হেবিয়াস করপাস রিট আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। এক গর্ভধারিণী মায়ের দায়ের করা হেবিয়াস করপাস রিটের রুল খারিজ করে বিচারকদ্বয় এই সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই এই রায় দেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ২১ পৃষ্ঠার রায়ের মূল অনুলিপি প্রকাশ করা হয়। বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক বিচারপতি কাজী জিনাত হক রায়ের মূল অংশটি লেখেন।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মানজুর-আল-মতিন ও আইনজীবী প্রিন্স আল মাসুদ। বিবাদী পক্ষে (বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বৈত নাগরিক দম্পতি) ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফৌজিয়া করিম ফিরোজ ও আইনজীবী কাজী মারুফুল আলম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. গোলাম রহমান ও নূর মোহাম্মদ আজমী। ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. লুৎফর রহমান।
মামলার পটভূমি
প্রকাশিত রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, সাভারের হেমায়েতপুরের এক পোশাক কারখানার শ্রমিক মো. জসিম উদ্দিন ও রোজিনা আক্তার দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান (বাসমিন আবরাব) ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই সাভারের একটি হাসপাতালে জন্ম নেয়। পরে শারীরিক জটিলতার কারণে শিশুটিকে মহাখালীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রিটকারীর দাবি, সে সময় দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সহিংসতা ও কারফ্যু পরিস্থিতির কারণে অর্থ জোগাড় এবং নিরাপত্তার স্বার্থে তারা সাময়িকভাবে হাসপাতাল ত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরে হাসপাতালের বকেয়া বিলের জন্য ৮-৯ লাখ টাকা দাবি করা হলে তারা গ্রামে গিয়ে ভিটেমাটি বিক্রির চেষ্টা করেন।
পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তেজগাঁও থানায় একটি জিডি করে ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর শিশুটিকে আজিমপুর ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করে। সেখান থেকে একতরফা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক দ্বৈত নাগরিক (বাংলাদেশি-যুক্তরাজ্য) পরিবার ঢাকার পারিবারিক আদালত থেকে শিশুটির অভিভাবকত্ব ও জিম্মা লাভ করে। সন্তানকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পরে শিশুটির মা রোজিনা আক্তার হাইকোর্টে হেবিয়াস করপাস রিট দায়ের করেন।
অন্যদিকে বিবাদী পক্ষ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, পিতা-মাতা শিশুটিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ফেলে রেখে গিয়ে আর যোগাযোগ করেননি, যা সন্তানকে ‘পরিত্যাগ’ করার শামিল। তাই বাধ্য হয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় শিশুটিকে উদ্ধার ও পরবর্তীতে আদালতের ডিক্রির মাধ্যমে দত্তক/জিম্মা প্রদান করা হয়।
হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত ও পর্যবেক্ষণ
রিট আবেদন ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে হাইকোর্ট তাঁর পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, পিতা-মাতা সন্তানকে স্বেচ্ছায় ‘পরিত্যাগ’ করেছিলেন নাকি রাজনৈতিক সংঘাত ও আর্থিক অনটনের কারণে সাময়িকভাবে স্থান ত্যাগ করেছিলেন-এটি একটি জটিল ও বিতর্কিত বিষয়। রিট এখতিয়ারের সংক্ষিপ্ত শুনানিতে এ ধরনের বিতর্কিত বিষয়ের সত্যতা নিরূপণ সম্ভব নয়।
হাইকোর্ট আরও পর্যবেক্ষণ দেন, পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ২৩ ধারা অনুযায়ী পারিবারিক আদালতের যেকোনো ডিক্রি বা নির্দেশের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে আপিলের স্পষ্ট বিধান রয়েছে। যেখানে বিশেষায়িত আইন ও আপিল ফোরাম বিদ্যমান, সেখানে সরাসরি হাইকোর্টে রিট এখতিয়ার প্রয়োগ করা অনুচিত।
এই আইনি পর্যালোচনার ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগ রিট আবেদনের ওপর জারি করা রুল খারিজ করে রায় দেন এবং পূর্বের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ বাতিল করেন। তবে রায়ে স্পষ্ট করা হয় যে, গর্ভধারিণী মা তার সন্তানের জিম্মা ও অভিভাবকত্ব পাওয়ার জন্য আইনসম্মত বিচারিক ফোরামে আইনগত প্রতিকার চাইতে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ছাত্ররা মাঠে নামলেই গুলি করে মেরে ফেলা হবে’ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনের জন্য ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন মো. হান্নান মিয়া নামের একজন জুলাইযোদ্ধা।
গতকাল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বে গঠিত দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। বিচারিক প্যানেলের অপর সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
সাক্ষ্যগ্রহণের সময় মামলার দুই আসামি, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে আন্দোলনরত নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার, উসকানি প্রদান এবং কারফিউ জারির মাধ্যমে বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ২৩ জনকে হত্যা ও বহু মানুষকে আহত করার জন্য।
ট্রাইব্যুনালে প্রদত্ত সাক্ষ্যের বিবরণে ৪০ বছর বয়সী সাক্ষী হান্নান মিয়া, যিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক, তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত গেজেটে ‘খ’ শ্রেণির তালিকাভুক্ত জুলাইযোদ্ধা। জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও রক্তপাত দেখে তিনি আন্দোলনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। ১৮ ও ১৯ জুলাই মেরুল বাড্ডা ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্বিচার গুলির মুখোমুখি হন তিনি।
সাক্ষী জানান, ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় গণভবনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ১৪ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠকের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কারফিউ জারি এবং মাঠে নামলেই গুলির নির্দেশ দেন। রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলাম তখন উপস্থিত থেকে এই সিদ্ধান্তের পূর্ণ সমর্থন জানান।
তিনি আরও জানান, ৫ আগস্ট লংমার্চ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গেলে রামপুরা সেতুর দিক থেকে চালানো গুলিতে তাঁর পায়ে গুলি লাগে এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মারধরে তাঁর মাথা ফেটে কাঁধের হাড় ভেঙে যায়। সাক্ষ্যপ্রদানে তিনি শেখ হাসিনা, কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননসহ গণহত্যার নির্দেশদাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মঈনুল করিম ও মামুনুর রশিদসহ অন্যান্য আইনজীবীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে চলন্ত ট্রেন থেকে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে দুজনকে রাজশাহী রেলস্টেশন এলাকা থেকে এবং অপরজনকে ঈশ্বরদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান জানান, কিছুদিন ধরে রাবি রেলস্টেশনে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উদ্বিগ্ন। রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অনুসন্ধানের জন্য আমরা বারবার যোগাযোগ করেছি। অবশেষে আজ দুজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে, এবং পরে ঈশ্বরদী থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। ফলে মোট তিনজনকে আটক করা হয়েছে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী দ্বারা।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের রিমান্ডে নিয়ে ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখবে বলে রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে চলন্ত ট্রেন থেকে ইট-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন এবং স্টেশনের আশপাশের দোকানেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যাংককের একটি সড়কে বন্যার পানির উপরে জেট স্কি চালানোর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার পর পুলিশ দুই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
ভিডিওতে একটি যুবককে জেট স্কি চালাতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলটি ব্যাংককের বাং কাপি এলাকার নিউ ফেচাবুরি রোড, একামাই নুয়া মোড়ের নিকটবর্তী। সেখানে তখন রাস্তায় পানি জমে ছিল।
সমালোচনা শুরু হওয়ার পর মাক্কাসান থানার পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তারা ওই এলাকার এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেন। এর ফলে, জেট স্কি চালক ও ভিডিও ধারণকারী দুই যুবককে শনাক্ত করতে সক্ষম হন।
তাদের নাম ‘সোর্ন’ এবং ‘প্রাও’ বলে জানা গেছে। সোর্নের বয়স ২৮ বছর।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উভয়েই স্বীকার করেছেন যে ভিডিওতে তারা উপস্থিত ছিলেন। ভিডিওটি তৈরির কাজও তাদেরই। তবে তারা দাবি করেছেন, তারা বিষয়টি বুঝে করেননি। শহরে তখন ব্যাপক বন্যা চলছিল এবং তাদের উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে কিছুটা হাসানো।
সোর্ন আরও জানান, তিনি বিদেশে পড়াশোনা করেছেন। তাই থাই সংস্কৃতির সঙ্গে তার পরিচয় নেই।
পুলিশ সোর্নের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। অভিযোগ হলো, তিনি এমন আচরণ করেছেন যা অন্যদের জন্য বিব্রতকর বা বিরক্তিকর হয়েছে। এছাড়া, ট্রাফিক প্রধানের অনুমতি ছাড়া যান চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। প্রাওকে সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তারা মামলাটি এগিয়ে নেবে এবং আজই এটি আদালতে পাঠানো হবে। জেট স্কিটি জব্দ করার জন্যও পুলিশ আদালতের কাছে আবেদন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত অভিনয়ের পর এবার ওয়েব ফিল্মে অভিষেক হতে চলেছে অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের। এই ওয়েব ফিল্মের নাম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’, যেখানে তিনি প্রথমবারের মতো চিত্রনায়ক আরিফিন শুভর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন জাহিদ প্রীতম এবং এটি চরকি প্রযোজিত ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে নির্মিত হয়েছে।
গত জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরিফিন শুভর সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করে কেয়া পায়েল ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ শিরোনামটি উল্লেখ করেছিলেন। সেই পোস্টের কারণে অনেকেই মনে করেছিলেন, তারা সম্ভবত বাস্তব জীবনে বিয়ে করেছেন। তবে পরে জানা যায়, এটি ছিল তাদের নতুন ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার একটি অংশ।
ওয়েব ফিল্মটিতে কেয়া পায়েল অভিনয় করেছেন আনামিকা চরিত্রে। এই চরিত্রটি শহুরে উচ্চবিত্ত পরিবারের এক তরুণীকে কেন্দ্র করে, যার জীবনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, তারকাখ্যাতির প্রতি আকর্ষণ এবং ভার্চুয়াল জগতের প্রভাব রয়েছে। পায়েলের মতে, এই কাজটি তাকে নিয়মিত নাটকের চরিত্রের বাইরে দর্শকদের ভিন্ন একটি রূপ দেখানোর সুযোগ দিয়েছে।
প্রথম ওয়েব ফিল্মে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে কেয়া পায়েল উচ্ছ্বসিত। তিনি জানিয়েছেন, ছবিটির পুরো দলের সঙ্গে কাজ করে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছেন। বিশেষ করে সহশিল্পী আরিফিন শুভর পেশাদারিত্ব ও সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন। শুরুতে শুভর দীর্ঘ অভিনয় অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছুটা চিন্তিত থাকলেও শুটিংয়ের সময় সেই চাপ তিনি অনুভব করেননি বলে জানিয়েছেন পায়েল।
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন জাহিদ প্রীতম। চরকি ও ছবিয়ালের যৌথ প্রযোজনার এই ছবিটি আগামী ৮ অক্টোবর দর্শকদের জন্য মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। কেয়া পায়েলের প্রত্যাশা, দর্শক এবার তাকে একেবারেই ভিন্নভাবে দেখতে পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ