মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৬ পি.এম
‘ছাত্ররা মাঠে নামলেই গুলি করে মেরে ফেলা হবে’ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনের জন্য ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন মো. হান্নান মিয়া নামের একজন জুলাইযোদ্ধা।
গতকাল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বে গঠিত দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। বিচারিক প্যানেলের অপর সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
সাক্ষ্যগ্রহণের সময় মামলার দুই আসামি, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে আন্দোলনরত নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার, উসকানি প্রদান এবং কারফিউ জারির মাধ্যমে বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ২৩ জনকে হত্যা ও বহু মানুষকে আহত করার জন্য।
ট্রাইব্যুনালে প্রদত্ত সাক্ষ্যের বিবরণে ৪০ বছর বয়সী সাক্ষী হান্নান মিয়া, যিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক, তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত গেজেটে ‘খ’ শ্রেণির তালিকাভুক্ত জুলাইযোদ্ধা। জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও রক্তপাত দেখে তিনি আন্দোলনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। ১৮ ও ১৯ জুলাই মেরুল বাড্ডা ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্বিচার গুলির মুখোমুখি হন তিনি।
সাক্ষী জানান, ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় গণভবনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ১৪ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠকের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কারফিউ জারি এবং মাঠে নামলেই গুলির নির্দেশ দেন। রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলাম তখন উপস্থিত থেকে এই সিদ্ধান্তের পূর্ণ সমর্থন জানান।
তিনি আরও জানান, ৫ আগস্ট লংমার্চ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গেলে রামপুরা সেতুর দিক থেকে চালানো গুলিতে তাঁর পায়ে গুলি লাগে এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মারধরে তাঁর মাথা ফেটে কাঁধের হাড় ভেঙে যায়। সাক্ষ্যপ্রদানে তিনি শেখ হাসিনা, কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননসহ গণহত্যার নির্দেশদাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মঈনুল করিম ও মামুনুর রশিদসহ অন্যান্য আইনজীবীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে চলন্ত ট্রেন থেকে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে দুজনকে রাজশাহী রেলস্টেশন এলাকা থেকে এবং অপরজনকে ঈশ্বরদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান জানান, কিছুদিন ধরে রাবি রেলস্টেশনে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উদ্বিগ্ন। রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অনুসন্ধানের জন্য আমরা বারবার যোগাযোগ করেছি। অবশেষে আজ দুজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে, এবং পরে ঈশ্বরদী থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। ফলে মোট তিনজনকে আটক করা হয়েছে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী দ্বারা।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের রিমান্ডে নিয়ে ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখবে বলে রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে চলন্ত ট্রেন থেকে ইট-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন এবং স্টেশনের আশপাশের দোকানেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যাংককের একটি সড়কে বন্যার পানির উপরে জেট স্কি চালানোর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার পর পুলিশ দুই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
ভিডিওতে একটি যুবককে জেট স্কি চালাতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলটি ব্যাংককের বাং কাপি এলাকার নিউ ফেচাবুরি রোড, একামাই নুয়া মোড়ের নিকটবর্তী। সেখানে তখন রাস্তায় পানি জমে ছিল।
সমালোচনা শুরু হওয়ার পর মাক্কাসান থানার পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তারা ওই এলাকার এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেন। এর ফলে, জেট স্কি চালক ও ভিডিও ধারণকারী দুই যুবককে শনাক্ত করতে সক্ষম হন।
তাদের নাম ‘সোর্ন’ এবং ‘প্রাও’ বলে জানা গেছে। সোর্নের বয়স ২৮ বছর।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উভয়েই স্বীকার করেছেন যে ভিডিওতে তারা উপস্থিত ছিলেন। ভিডিওটি তৈরির কাজও তাদেরই। তবে তারা দাবি করেছেন, তারা বিষয়টি বুঝে করেননি। শহরে তখন ব্যাপক বন্যা চলছিল এবং তাদের উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে কিছুটা হাসানো।
সোর্ন আরও জানান, তিনি বিদেশে পড়াশোনা করেছেন। তাই থাই সংস্কৃতির সঙ্গে তার পরিচয় নেই।
পুলিশ সোর্নের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। অভিযোগ হলো, তিনি এমন আচরণ করেছেন যা অন্যদের জন্য বিব্রতকর বা বিরক্তিকর হয়েছে। এছাড়া, ট্রাফিক প্রধানের অনুমতি ছাড়া যান চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। প্রাওকে সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তারা মামলাটি এগিয়ে নেবে এবং আজই এটি আদালতে পাঠানো হবে। জেট স্কিটি জব্দ করার জন্যও পুলিশ আদালতের কাছে আবেদন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত অভিনয়ের পর এবার ওয়েব ফিল্মে অভিষেক হতে চলেছে অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের। এই ওয়েব ফিল্মের নাম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’, যেখানে তিনি প্রথমবারের মতো চিত্রনায়ক আরিফিন শুভর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন জাহিদ প্রীতম এবং এটি চরকি প্রযোজিত ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে নির্মিত হয়েছে।
গত জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরিফিন শুভর সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করে কেয়া পায়েল ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ শিরোনামটি উল্লেখ করেছিলেন। সেই পোস্টের কারণে অনেকেই মনে করেছিলেন, তারা সম্ভবত বাস্তব জীবনে বিয়ে করেছেন। তবে পরে জানা যায়, এটি ছিল তাদের নতুন ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার একটি অংশ।
ওয়েব ফিল্মটিতে কেয়া পায়েল অভিনয় করেছেন আনামিকা চরিত্রে। এই চরিত্রটি শহুরে উচ্চবিত্ত পরিবারের এক তরুণীকে কেন্দ্র করে, যার জীবনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, তারকাখ্যাতির প্রতি আকর্ষণ এবং ভার্চুয়াল জগতের প্রভাব রয়েছে। পায়েলের মতে, এই কাজটি তাকে নিয়মিত নাটকের চরিত্রের বাইরে দর্শকদের ভিন্ন একটি রূপ দেখানোর সুযোগ দিয়েছে।
প্রথম ওয়েব ফিল্মে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে কেয়া পায়েল উচ্ছ্বসিত। তিনি জানিয়েছেন, ছবিটির পুরো দলের সঙ্গে কাজ করে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছেন। বিশেষ করে সহশিল্পী আরিফিন শুভর পেশাদারিত্ব ও সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন। শুরুতে শুভর দীর্ঘ অভিনয় অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছুটা চিন্তিত থাকলেও শুটিংয়ের সময় সেই চাপ তিনি অনুভব করেননি বলে জানিয়েছেন পায়েল।
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন জাহিদ প্রীতম। চরকি ও ছবিয়ালের যৌথ প্রযোজনার এই ছবিটি আগামী ৮ অক্টোবর দর্শকদের জন্য মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। কেয়া পায়েলের প্রত্যাশা, দর্শক এবার তাকে একেবারেই ভিন্নভাবে দেখতে পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় নিযুক্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী মন্তব্য করেছেন যে, পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমগুলো পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ঘটনাবলিকে অন্যায় ও পক্ষপাতদুষ্টভাবে উপস্থাপন করছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিত ও বাস্তুচ্যুত মানুষকে সন্ত্রাসী হিসেবে এবং ইসরায়েলিদের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব গণমাধ্যম: নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে পশ্চিমারা বা যুক্তরাষ্ট্র যখন আক্রমণ চালায়, তখন তাদের যুদ্ধের বিভিন্ন দিক থাকে এবং তার মধ্যে অন্যতম প্রধান দিক হলো ‘মিডিয়া যুদ্ধ’ বা গণমাধ্যম যুদ্ধ।”
তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমগুলোতে দৃশ্যপট এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিত ও বাস্তুচ্যুত মানুষগুলো সন্ত্রাসী, আর যেসব ইসরায়েলি হাজার হাজার মানুষ হত্যা করছে, তারা নাকি ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক!”
জাহানাবাদী উল্লেখ করেন, “পশ্চিমাদের এই যুদ্ধের বয়ান বা ন্যারেটিভ সম্পূর্ণ অন্যায় ও পক্ষপাতদুষ্ট।”
স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতিতে একটি স্বাধীন গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব হলো বিশ্বমঞ্চে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ন্যায়বিচারের ঘটনাগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরা।”
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে স্বাধীন গণমাধ্যমকে কোনো পক্ষের হয়ে কাজ না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই তারা সত্য, ন্যায়বিচার এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির পক্ষে থাকুক।”
যুদ্ধের সময় বেসামরিক স্থাপনা ও মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন বা যুদ্ধ আইনের অধীনে হাসপাতাল, শিশু, বিদ্যালয়, নারী কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনায় আক্রমণ বৈধ কি না, তা গণমাধ্যমের সামনে প্রশ্ন হিসেবে আসা উচিত।
তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যুদ্ধক্ষেত্রে যে কর্মকাণ্ড করছে, পশ্চিমা গণমাধ্যমের একটি অংশ সেগুলো আড়াল করার এবং যৌক্তিকতা দেখানোর চেষ্টা করছে।
বিশ্বের স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জাহানাবাদী বলেন, “আপনারা ইরানে আসুন এবং স্বচক্ষে দেখুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সেখানে মানবতাবিরোধী কী পরিমাণ যুদ্ধাপরাধ ঘটিয়েছে।”
এর আগে বক্তব্যের শুরুতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ ইরানিদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন এবং দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সম্পর্ক অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশা করেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে. সিমনস। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দীন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।
এ ছাড়া আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক এবং আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আহমদ ইহসানুল কবীর ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ