রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৪ পি.এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কেএম ফিরোজ শাহরিয়ার দম্পতির একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম চিরনিদ্রায় শায়িত হলো।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কোটবাড়ি গন্ধমতির বাসার পাশে অবস্থিত কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে, সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং বেলা ১১টায় গন্ধমতিতে দ্বিতীয় জানাজার পর তার দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে অপ্রতিম তার মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় কুমিল্লার কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার নিজ বাসা থেকে। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে, ওই দিনই তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজ হওয়ার পর, পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অপ্রতিমের সন্ধানে খোঁজ চালায়। প্রায় ২১ ঘণ্টা পর, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে, লাশ কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
শনিবার রাতে ময়নাতদন্ত শেষে অপ্রতিমের লাশ কোটবাড়ী গন্ধমতির নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে ভিড় করেন স্বজন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা। পুরো এলাকায় শোকের আবহ নেমে আসে।
এদিকে, অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কিছু ক্লু পাওয়া গেছে এবং তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
অপ্রতিমের মৃত্যুতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ মা ড. নাহিদা বেগম। যে সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আশায় শনিবারও আকুতি জানিয়েছিলেন, সেই সন্তানই আজ ফিরছে নিথর দেহ হয়ে। আর কয়েক ঘণ্টা পর, প্রিয় ক্যাম্পাস ও গন্ধমতির মাটিতে শেষবারের মতো বিদায় জানানো হয় অপ্রতিমকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কোটবাড়ি এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা অবিলম্বে সকল হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।
শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যও উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সরিয়ে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।
এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং বেলা ১১টায় গন্ধমতিতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার দাফন কাজ সম্পন্ন হয়।
অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার নিজ বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অপ্রতিমের সন্ধানে খোঁজ চালায়। প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে লাশ কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
শনিবার রাতে ময়নাতদন্ত শেষে অপ্রতিমের লাশ কোটবাড়ী গন্ধমতির নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে ভিড় করেন স্বজন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা। পুরো এলাকায় শোকের আবহ নেমে আসে।
এদিকে অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কিছু ক্লু পাওয়া গেছে এবং তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
অপ্রতিমের মৃত্যুতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ মা ড. নাহিদা বেগম। যে সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আশায় শনিবারও আকুতি জানিয়েছিলেন, সেই সন্তানই আজ ফিরছে নিথর দেহ হয়ে। আর কয়েক ঘণ্টা পর প্রিয় ক্যাম্পাস ও গন্ধমতির মাটিতে শেষবারের মতো বিদায় জানানো হয় অপ্রতিমকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই রাফিনিয়া অসাধারণ ফর্মে রয়েছেন। তিনি গোলের পর গোল করে চলেছেন। তার এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বার্সেলোনা জয়লাভ করতে সক্ষম হয়েছে।
তবে, এই ফর্মের পরেও ব্রাজিলের সমর্থকদের সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে। কারণ, বার্সেলোনা এবং ব্রাজিল জাতীয় দলে রাফিনিয়ার পারফরম্যান্সে পার্থক্য রয়েছে। এর পেছনে অন্তত তিনটি কারণ রয়েছে।
বার্সেলোনায় কেন উজ্জ্বল রাফিনিয়া
রাফিনিয়ার ব্রাজিলের ম্লান পারফরম্যান্সের কারণ বোঝার জন্য প্রথমে তার বার্সেলোনার ভূমিকাটি বুঝতে হবে। কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে, তিনি অনেকটা স্বাধীন ভূমিকায় খেলেন। প্রায়ই তাকে মাঝমাঠের কাছাকাছি বা অপ্রচলিত স্ট্রাইকার হিসেবে দেখা যায়। এই ভূমিকায় তিনি নিচে নেমে বল বিতরণে সহায়তা করেন এবং বক্সের ভেতরেও ঢুকে পড়েন সুযোগ তৈরির জন্য।
ডান প্রান্তে লামিনে ইয়ামালের দাপটের কারণে রাফিনিয়া প্রায়ই ভেতরের দিকে বা বাম-মধ্যমাঠে সরে আসেন। সেখান থেকেই তিনি দলের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় খেলছেন। ২০২৬-২৭ মৌসুমের শুরুতে একাধিক হ্যাটট্রিকসহ বিশাল সংখ্যক গোল করেছেন তিনি।
বার্সেলোনার আক্রমণাত্মক প্রেসিং এবং দ্রুতগতির খেলার ধরন তার খেলার ধরনের সঙ্গে দারুণভাবে মানানসই। বল ছাড়া দৌড়ের সময় বোঝাপড়া, উচ্চ কর্মক্ষমতা এবং নিখুঁত ফিনিশিং তাকে আলাদা করে তোলে।
দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে রাফিনিয়ার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে। তিনি এখন দলের আক্রমণভাগের পুরো পরিকল্পনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকায় রয়েছেন।
ব্রাজিলের জার্সিতে কেন রাফিনিয়া ভিন্নভাবে খেলেন, তা বোঝা প্রয়োজন। ব্রাজিল তার অসামান্য পজিশনিংয়ের ক্ষমতাকে কমই কাজে লাগায়। জাতীয় দলে তাকে বেশিরভাগ সময় প্রথাগত ডান প্রান্তের উইঙ্গার হিসেবে খেলানো হয়। বার্সেলোনায় যেমন মাঝমাঠের কাছাকাছি খেলার স্বাধীনতা পান, ব্রাজিলে তেমনটি পান না।
এদিকে, ব্রাজিলের খেলার ধরন এবং গতি বার্সেলোনার মতো নয়। ইয়ামাল বা পেদ্রির মতো সতীর্থদের সঙ্গে যে স্বয়ংক্রিয় বোঝাপড়া তার ক্লাবে রয়েছে, জাতীয় দলে তেমনটি নেই। ফলে রক্ষণাত্মক বা শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাকে প্রায়ই একা লড়তে হয়।
এছাড়া, ব্রাজিলের বাড়তি চাপও রয়েছে। রেকর্ড ৫ বারের বিশ্বকাপজয়ীদের হয়ে খেলার সময় তার ওপর বাড়তি চাপ থাকে। সরাসরি সুযোগ তৈরি এবং তারকাসুলভ পারফরম্যান্সের জন্য গণমাধ্যম ও সমর্থকদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। ক্লাবের স্বস্তিদায়ক পরিবেশের তুলনায় এই মানসিক চাপ তার জন্য ইতিহাসগতভাবে বেশি ভারী হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সন্ধ্যা, কচা ও কালীগঙ্গা নদীতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত রুপালি ইলিশ। এতে বাজারে ইলিশের সরবরাহ তীব্র আকার ধারণ করেছে, আর যোগান কম থাকায় হু-হু করে বাড়ছে দাম। আকাশছোঁয়া দামের কারণে জাতীয় এই মাছটি এখন সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে এক কেজি ওজনের প্রতিটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৭০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। আর ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম হাঁকা হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত।
স্থানীয়দের মতে, সাধারণত আষাঢ় থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত ইলিশের আসল ভরা মৌসুম। এ সময় নদীগুলোতে মাছের প্রাচুর্য থাকার কথা থাকলেও এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় একদিকে জেলেরা হতাশ, অন্যদিকে বাজার দরে দিশেহারা ক্রেতারা।
বাজারে মাছ কিনতে আসা রিকশাচালক লিটন হোসেন তাঁর আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ইলিশ মাছ এখন শুধু ধনী আর বিত্তবানদের খাবার হয়ে গেছে। আমাদের মতো নিম্নআয়ের মানুষের পক্ষে এত টাকা দিয়ে ইলিশ কিনে খাওয়া স্বপ্ন। আগে মাঝে মধ্যে কিনতে পারলেও এখন বাজারে এসে শুধু তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর উপায় থাকে না।
আরেক ক্রেতা মোস্তফা আলম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাছের যে অবস্থা, আমাদের সন্তানরা হয়তো ভবিষ্যতে বাজারে ইলিশ দেখবে না, শুধু বইয়ের পাতায় পড়বে। এখন থেকেই জাটকা ধরা সম্পূর্ণ বন্ধ এবং ইলিশ সংরক্ষণে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তা না হলে এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।
দক্ষিণ বাজারের মাছ ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলী জানান, নদীর খরা মাছের বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেন, জেলেরা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে দাদন নিয়ে নদীতে নামেন। আশা ছিল ভরা মৌসুমে ভালো ইলিশ পেলে আগের দেনা-পাওনা শোধ করা যাবে। কিন্তু মাছ না পাওয়ায় ব্যবসাও মন্দা, আর জেলেরা এখন ঋণের বোঝার নিচে পিষ্ট হচ্ছেন।
জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিন-রাত নদীতে জাল ফেলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না। উল্টো নৌকা চালানো, জ্বালানি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ উঠাতেই তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে ইলিশের পেছনে শ্রম ও পুঁজি ঢেলে লোকসানের পাল্লাই ভারী হচ্ছে তাদের।
এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, ইলিশের উৎপাদন ও বিচরণ মূলত নদীর পানির প্রবাহ, পরিবেশগত পরিবর্তন, খাদ্যের প্রাচুর্যসহ নানা প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। এসব কারণে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে বা নির্দিষ্ট স্থানে মাছের বিচরণ কমবেশি হতে পারে।
সরকার নির্ধারিত সময়ে জাটকা ধরা বন্ধ রাখা গেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। মৎস্য বিভাগ জেলেদের সচেতন করার পাশাপাশি সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে মাঠে তৎপর রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩, ৮ রবিউস সানি ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ প্রকাশিত হয়েছে—
জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিটে।
আসরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ১৫ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ৬টা ০০ মিনিটে।
এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ১৪ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ৩৫ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৫টা ৫৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৫টা ৪৬ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ