রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৮ পি.এম
চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই রাফিনিয়া অসাধারণ ফর্মে রয়েছেন। তিনি গোলের পর গোল করে চলেছেন। তার এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বার্সেলোনা জয়লাভ করতে সক্ষম হয়েছে।
তবে, এই ফর্মের পরেও ব্রাজিলের সমর্থকদের সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে। কারণ, বার্সেলোনা এবং ব্রাজিল জাতীয় দলে রাফিনিয়ার পারফরম্যান্সে পার্থক্য রয়েছে। এর পেছনে অন্তত তিনটি কারণ রয়েছে।
বার্সেলোনায় কেন উজ্জ্বল রাফিনিয়া
রাফিনিয়ার ব্রাজিলের ম্লান পারফরম্যান্সের কারণ বোঝার জন্য প্রথমে তার বার্সেলোনার ভূমিকাটি বুঝতে হবে। কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে, তিনি অনেকটা স্বাধীন ভূমিকায় খেলেন। প্রায়ই তাকে মাঝমাঠের কাছাকাছি বা অপ্রচলিত স্ট্রাইকার হিসেবে দেখা যায়। এই ভূমিকায় তিনি নিচে নেমে বল বিতরণে সহায়তা করেন এবং বক্সের ভেতরেও ঢুকে পড়েন সুযোগ তৈরির জন্য।
ডান প্রান্তে লামিনে ইয়ামালের দাপটের কারণে রাফিনিয়া প্রায়ই ভেতরের দিকে বা বাম-মধ্যমাঠে সরে আসেন। সেখান থেকেই তিনি দলের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় খেলছেন। ২০২৬-২৭ মৌসুমের শুরুতে একাধিক হ্যাটট্রিকসহ বিশাল সংখ্যক গোল করেছেন তিনি।
বার্সেলোনার আক্রমণাত্মক প্রেসিং এবং দ্রুতগতির খেলার ধরন তার খেলার ধরনের সঙ্গে দারুণভাবে মানানসই। বল ছাড়া দৌড়ের সময় বোঝাপড়া, উচ্চ কর্মক্ষমতা এবং নিখুঁত ফিনিশিং তাকে আলাদা করে তোলে।
দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে রাফিনিয়ার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে। তিনি এখন দলের আক্রমণভাগের পুরো পরিকল্পনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকায় রয়েছেন।
ব্রাজিলের জার্সিতে কেন রাফিনিয়া ভিন্নভাবে খেলেন, তা বোঝা প্রয়োজন। ব্রাজিল তার অসামান্য পজিশনিংয়ের ক্ষমতাকে কমই কাজে লাগায়। জাতীয় দলে তাকে বেশিরভাগ সময় প্রথাগত ডান প্রান্তের উইঙ্গার হিসেবে খেলানো হয়। বার্সেলোনায় যেমন মাঝমাঠের কাছাকাছি খেলার স্বাধীনতা পান, ব্রাজিলে তেমনটি পান না।
এদিকে, ব্রাজিলের খেলার ধরন এবং গতি বার্সেলোনার মতো নয়। ইয়ামাল বা পেদ্রির মতো সতীর্থদের সঙ্গে যে স্বয়ংক্রিয় বোঝাপড়া তার ক্লাবে রয়েছে, জাতীয় দলে তেমনটি নেই। ফলে রক্ষণাত্মক বা শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাকে প্রায়ই একা লড়তে হয়।
এছাড়া, ব্রাজিলের বাড়তি চাপও রয়েছে। রেকর্ড ৫ বারের বিশ্বকাপজয়ীদের হয়ে খেলার সময় তার ওপর বাড়তি চাপ থাকে। সরাসরি সুযোগ তৈরি এবং তারকাসুলভ পারফরম্যান্সের জন্য গণমাধ্যম ও সমর্থকদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। ক্লাবের স্বস্তিদায়ক পরিবেশের তুলনায় এই মানসিক চাপ তার জন্য ইতিহাসগতভাবে বেশি ভারী হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সন্ধ্যা, কচা ও কালীগঙ্গা নদীতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত রুপালি ইলিশ। এতে বাজারে ইলিশের সরবরাহ তীব্র আকার ধারণ করেছে, আর যোগান কম থাকায় হু-হু করে বাড়ছে দাম। আকাশছোঁয়া দামের কারণে জাতীয় এই মাছটি এখন সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে এক কেজি ওজনের প্রতিটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৭০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। আর ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম হাঁকা হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত।
স্থানীয়দের মতে, সাধারণত আষাঢ় থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত ইলিশের আসল ভরা মৌসুম। এ সময় নদীগুলোতে মাছের প্রাচুর্য থাকার কথা থাকলেও এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় একদিকে জেলেরা হতাশ, অন্যদিকে বাজার দরে দিশেহারা ক্রেতারা।
বাজারে মাছ কিনতে আসা রিকশাচালক লিটন হোসেন তাঁর আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ইলিশ মাছ এখন শুধু ধনী আর বিত্তবানদের খাবার হয়ে গেছে। আমাদের মতো নিম্নআয়ের মানুষের পক্ষে এত টাকা দিয়ে ইলিশ কিনে খাওয়া স্বপ্ন। আগে মাঝে মধ্যে কিনতে পারলেও এখন বাজারে এসে শুধু তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর উপায় থাকে না।
আরেক ক্রেতা মোস্তফা আলম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাছের যে অবস্থা, আমাদের সন্তানরা হয়তো ভবিষ্যতে বাজারে ইলিশ দেখবে না, শুধু বইয়ের পাতায় পড়বে। এখন থেকেই জাটকা ধরা সম্পূর্ণ বন্ধ এবং ইলিশ সংরক্ষণে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তা না হলে এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।
দক্ষিণ বাজারের মাছ ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলী জানান, নদীর খরা মাছের বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেন, জেলেরা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে দাদন নিয়ে নদীতে নামেন। আশা ছিল ভরা মৌসুমে ভালো ইলিশ পেলে আগের দেনা-পাওনা শোধ করা যাবে। কিন্তু মাছ না পাওয়ায় ব্যবসাও মন্দা, আর জেলেরা এখন ঋণের বোঝার নিচে পিষ্ট হচ্ছেন।
জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিন-রাত নদীতে জাল ফেলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না। উল্টো নৌকা চালানো, জ্বালানি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ উঠাতেই তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে ইলিশের পেছনে শ্রম ও পুঁজি ঢেলে লোকসানের পাল্লাই ভারী হচ্ছে তাদের।
এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, ইলিশের উৎপাদন ও বিচরণ মূলত নদীর পানির প্রবাহ, পরিবেশগত পরিবর্তন, খাদ্যের প্রাচুর্যসহ নানা প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। এসব কারণে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে বা নির্দিষ্ট স্থানে মাছের বিচরণ কমবেশি হতে পারে।
সরকার নির্ধারিত সময়ে জাটকা ধরা বন্ধ রাখা গেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। মৎস্য বিভাগ জেলেদের সচেতন করার পাশাপাশি সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে মাঠে তৎপর রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩, ৮ রবিউস সানি ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ প্রকাশিত হয়েছে—
জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিটে।
আসরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ১৫ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ৬টা ০০ মিনিটে।
এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ১৪ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ৩৫ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৫টা ৫৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৫টা ৪৬ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) মন্তব্য করেছেন যে, পবিত্র মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তার প্রতি যদি কোনো হুমকি আসে অথবা সেখানে হামলার চেষ্টা হয়, তাহলে বিশ্বের মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
তিনি উল্লেখ করেন, পবিত্র মক্কা আল-মুকাররমা ও মদিনা আল-মুনাওয়ারা হলো বিশ্ব মুসলিমের জন্য সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত ও পবিত্রতার স্থান।
এই দুই নগরী সমগ্র মুসলিম উম্মাহর আবেগ, বিশ্বাস ও ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে কোনো ধরনের হামলা, আগ্রাসন বা নিরাপত্তার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আহমেদের পাঠানো এক বিবৃতিতে ধর্মমন্ত্রী বলেন, "প্রয়োজন হলে লাখ লাখ মুসলিম জীবন উৎসর্গ করে পবিত্র ভূমির মর্যাদা রক্ষা করবে।"
পবিত্র আল-হারামাইনের দুই ইমামের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মক্কা ও মদিনার পবিত্রতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর সম্মিলিত দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, "পবিত্র ভূমির বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসন বা ষড়যন্ত্র বিশ্বের মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।"
ধর্মমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণ পবিত্র দুই নগরীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও পবিত্রতা রক্ষায় আপসহীন। তিনি বিশ্বের সব মুসলিম রাষ্ট্র ও মুসলিম উম্মাহকে বিভেদ ভুলে ইসলামের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতে মক্কা আল-মুকাররমা ও মদিনা আল-মুনাওয়ারার বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি বা হামলার অপচেষ্টা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করার লক্ষ্যে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য প্রয়োজন।
বিবৃতির শেষে ধর্মমন্ত্রী পবিত্র মক্কা ও মদিনার সার্বিক নিরাপত্তা এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সংহতি ও কল্যাণের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর লং মার্চকে দেশের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত করেছেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। তিনি মন্তব্য করেন, ‘রাস্তায় নামে, লং মার্চ করে তেল-গ্যাস দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে। সংসদে আবার বলে যে এই তেল-গ্যাস সৃষ্ট সমস্যা বর্তমান সরকারের আমলে হয়নি—এটা আগের সরকারের জন্য হয়েছে।'
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি যোগ করেন, ‘রাস্তায় নেমে মানুষকে ধোঁকা দিয়ে এত লাখ লাখ টাকার তেল-গ্যাস পুড়ে আমাদের বাংলাদেশকে তো ক্ষতিই করলেন।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আপনি রাস্তায় নেমে বক্তব্য দিলেন এক ধরনের, সংসদে আরেক ধরনের—এটা দ্বিমুখী আচরণ। বাংলাদেশের মানুষ আর আপনাদের কখনোই বাংলাদেশের পরিচালক হিসেবে দেখতে চায় না।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ