ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যশোর সীমান্তে ৩ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ


যশোর সীমান্তে ৩ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

যশোর সীমান্তে অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৩৫টি শাড়ি, থ্রি-পিস, কম্বল, ফুচকা, জিরা, কিসমিস, চকলেট ও কসমেটিকসসহ প্রায় ৩ লাখ ৮১ হাজার ৩০০ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক করেছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) অধীনে বেনাপোল আইসিপির টহলদল সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে এসব পণ্য আটক করে।

বিজিবি জানায়, অভিযানের সময় ৩৫টি শাড়ি, দুটি থ্রি-পিস, দুটি কম্বল, ৯ প্যাকেট ফুচকা, ৫০০ গ্রাম জিরা, ১ দশমিক ৫ কেজি কিসমিস, ২৪০টি চকলেট ও ৭০টি কসমেটিকস সামগ্রী আটক করা হয়েছে। আটককৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৮১ হাজার ৩০০ টাকা।

আরও পড়ুন: পোরশায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি

যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি জানান, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি পণ্যসহ পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মাদক ও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হচ্ছে। সীমান্তে বিজিবির এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোরে যুবলীগ ও আ.লীগের তিন নেতা আটক, আদালতে সোপর্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


যশোরে যুবলীগ ও আ.লীগের তিন নেতা আটক, আদালতে সোপর্দ

যশোরে পৃথক অভিযানে পুলিশ যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে আটক করেছে। মঙ্গলবার রাত এবং বুধবার দুপুরে জেলার বিভিন্ন স্থানে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করার পর বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন যশোর সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুজ্জামান, শহরের ষষ্ঠীতলা এলাকার আশিকুজ্জামান এবং চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলী ইউনিয়নের গরীবপুর গ্রামের আব্দুস সামাদ বিশ্বাস (৬০)।

কোতোয়ালি থানার এসআই জিএম ইমরান হোসাইন রাজু জানিয়েছেন, শহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে যুবলীগের বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। গত ২৮ আগস্ট সন্ধ্যায় শহরের কাঠালতলা এলাকায় যুবলীগের নেতাকর্মীদের মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শহিদুজ্জামান বালিয়া-ভেকুটিয়া গ্রামের মৃত শাহাদত হোসেনের ছেলে এবং তার বিরুদ্ধে আগে আরও চারটি মামলা রয়েছে।

অন্যদিকে, কোতোয়ালি থানার এসআই রেজাউল করিম জানিয়েছেন, ষষ্ঠীতলা এলাকার নুরুজ্জামানের ছেলে আশিকুজ্জামান নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, বুধবার দুপুরে চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলী ইউনিয়নের গরীবপুর এলাকা থেকে আব্দুস সামাদ বিশ্বাসকে আটক করে পুলিশ। তিনি গরীবপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হালিম বিশ্বাসের ছেলে এবং সিংহঝুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

পুলিশ জানায়, আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে চৌগাছা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর দায়ের করা ওই মামলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ (সংশোধনী-২০১৩)-এর বিভিন্ন ধারায় তাকে আসামি করা হয়েছে। আটকের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা

মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি, জ্বালানি অবকাঠামো, টেলিযোগাযোগ, সেমিকন্ডাক্টর, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন এবং হালাল শিল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য দ্রুত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ক্ল্যাং চাইনিজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেসিসিআই) কর্তৃক আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বিজনেস ফোরাম: ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ বিষয়গুলো আলোচিত হয়।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) মালয়েশিয়া সফরকারী বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সৌজন্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসএমই করপোরেশন মালয়েশিয়ার চেয়ারম্যান ট্যাং চ্যাং খিম উপস্থিত ছিলেন।

ক্ল্যাং চাইনিজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জেফরি তান স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ক্ল্যাংয়ে মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সমুদ্রবন্দর রয়েছে এবং উন্নত লজিস্টিক সুবিধা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা মালয়েশিয়া, বিশেষ করে ক্ল্যাংয়ে বিনিয়োগের সুযোগ বিবেচনা করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়া বর্তমানে শ্রমঘন শিল্প থেকে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা সেখানে বিনিয়োগে আগ্রহী হতে পারেন।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তবে, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে দুদেশের বেসরকারি খাতকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ। এছাড়াও, সেবা ও উৎপাদনমুখী অন্যান্য খাতও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাবনাময়।

তাসকীন আহমেদ মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের জ্বালানি অবকাঠামো, ডিজিটাল অর্থনৈতিক সেবা, টেলিযোগাযোগ, সেমিকন্ডাক্টর, হালাল খাদ্যপণ্য, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আশিয়ান অঞ্চলের অন্যান্য দেশে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়াতেও মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রতিবছর বাংলাদেশিরা চিকিৎসাসেবা নিতে বিদেশে প্রায় ৪ থেকে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেন। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে, মালয়েশিয়ার চিকিৎসা খাতের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিশ্বমানের হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেন।

ডিসিসিআই সভাপতি বাংলাদেশে বিশ্বমানের পর্যটন ও হালাল শিল্পের উন্নয়নে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চান।

বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মানজুরুল করিম খান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ শুধুমাত্র জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রেই নয়, বিনিয়োগের জন্যও সম্ভাবনাময় গন্তব্য।

তিনি উল্লেখ করেন, দুদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে একটি প্রধান প্রতিবন্ধকতা হলো কোনো বাণিজ্য চুক্তি না থাকা। এ বিষয়ে দুদেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন যে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, এ চুক্তি হলে দুদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশের এভিয়েশন, মেডিকেল, তথ্যপ্রযুক্তি ও অ্যাগ্রো-প্রসেসিংসহ বিভিন্ন খাতে মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি, বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার হালাল পণ্যের বড় বাজার রয়েছে উল্লেখ করে, দেশটির দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে কার্যকর হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সহযোগিতা চান।

হাইকমিশনার সেমিকন্ডাক্টর খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ার জন্যও মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি এসএমই করপোরেশন মালয়েশিয়ার চেয়ারম্যান ট্যাং চ্যাং খিম বলেন, বর্তমানে মালয়েশিয়ায় প্রায় ১৩ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার এসএমই উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো, ব্যবসায়িক সহযোগিতা জোরদার এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে ঢাকা চেম্বার ও ক্ল্যাং চেম্বারকে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তারা বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে দক্ষতার সঙ্গে অংশ নিচ্ছেন এবং দেশটির অর্থনীতিতে, বিশেষ করে অবকাঠামো খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী। তিনি দ্রুত এফটিএ স্বাক্ষর, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার মধ্যে হালাল অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়ানো এবং বাংলাদেশের এসএমই উদ্যোক্তাদের রপ্তানি সম্প্রসারণে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও বৈশ্বিক উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা চেম্বার ও ক্ল্যাং চেম্বারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এতে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ ও ক্ল্যাং চেম্বারের সভাপতি জেফরি তান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। এছাড়াও, দুই চেম্বারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৪০টি বিজনেস-টু-বিজনেস (বিটুবি) ম্যাচমেকিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

পরে, ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ মালয়েশিয়ার পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতিমন্ত্রী টিয়োং কিং সিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে টিয়োং কিং সিং বলেন, বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় ভ্রমণকারী পর্যটকের সংখ্যা প্রতিবছর বাড়ছে। মুসলিম পর্যটন শিল্পের প্রসারে মালয়েশিয়া গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ থেকে ভবিষ্যতে আরও বেশি পর্যটক মালয়েশিয়ায় যাবেন। একই সঙ্গে, বাংলাদেশে মুসলিম পর্যটন ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে দক্ষ জনবল তৈরি ও ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময়, বাংলাদেশে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উন্নত হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকার বিবেচনা করছে বলেও জানান টিয়োং কিং সিং। তিনি দুদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টার (আইটিসি) মালয়েশিয়া এবং ঢাকা চেম্বারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রস্তাবও দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে অ-বৈ-ধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


আমতলীতে অ-বৈ-ধ স্থাপনা উচ্ছেদ
 
আমতলীতে বুধবার সকালে জেলা পরিষদের ডাক বাংলো সীমানার মধ্যে থাকা ৬টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।বরগুনা জেলা পরিষদের  উচ্চমান সহকারী  এনামুল হক জানান,আমতলী পুরাতন বাজার ডাক বাংলো সিমানার মধ্যে থাকা ৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বুধবার উচ্ছেদ করা হয়েছে। 
উল্লেখিত ব্যবসায়ীরা ডাক বাংলোর সীমানার মধ্যে  অবৈধ ভাবে বছরের পর বছর ব্যবসা করে আসছেন।যার কারনে ডাক বাংলোর সীমানা প্রাচীর নির্মান করা সম্ভব হয়নি। ডাক বাংলো ছিল নিরাপত্তাহীন। এ বিষয়  ব্যবসায়ীদের একাধিকবার  তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে  কিন্তু তারা আমলে নেননি। সর্বশেষ তাদের  অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার নোটিশ দেয়া হয়েছে।  নোটিশ দেয়ার পর ও তারা  ব্যবসায়ীক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। 
বুধবার সকালে  বরগুনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপ-সচিব)অরবিন্দু বিশ^াস,আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান হাফিজুর রহমান, আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি রনজিৎ চন্দ্র দাসসহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাসহ  বরগুনা জেলা পরিষদের কর্মকর্তা কর্মচারীরা  উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজী সব্যসাচী নজরুল আবৃত্তিকে আধুনিক শিল্পের মর্যাদা দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


কাজী সব্যসাচী নজরুল আবৃত্তিকে আধুনিক শিল্পের মর্যাদা দিলেন

ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কাজী সব্যসাচী তার স্বল্পায়ু জীবনে আবৃত্তি ও উচ্চারণ শিল্পকে আধুনিক ও নান্দনিক শিল্পকলার মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। বিশেষ করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে তিনি বাংলা আবৃত্তিশিল্পে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। কবিতাকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে আবৃত্তিকে প্রতিষ্ঠিত করতেও তাঁর অবদান ছিল অনন্য।

আজ বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার হলে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘কাজী সব্যসাচী : আধুনিক নজরুল আবৃত্তির প্রাণপুরুষ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আবৃত্তিশিল্পী ও আইনজীবী নাসিম আহমেদ। আলোচনায় অংশ নেন সংগীতশিল্পী, সংগঠক ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্য খিলখিল কাজী এবং আবৃত্তি গবেষক ও বাচিকশিল্পী নিমাই মণ্ডল।

বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।

প্রবন্ধে নাসিম আহমেদ উল্লেখ করেন, কাজী সব্যসাচী তার স্বল্পায়ু জীবনে আবৃত্তি ও উচ্চারণ শিল্পকে আধুনিক ও নান্দনিক শিল্পকলার মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল ভরাট, পৌরুষদীপ্ত, মেঘগম্ভীর ও মধুময়। আধুনিক আবৃত্তিশিল্পের অনুসরণযোগ্য প্রধান পুরুষ হিসেবে তিনি দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র নজরুলের কবিতা নয়, অন্যান্য কবির কবিতাও সব্যসাচী অসাধারণ দক্ষতার সঙ্গে আবৃত্তি করেছেন। নজরুলের কবিতার আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও অন্যান্য কবির কবিতা আবৃত্তিতেও তাঁর দক্ষতা ছিল ঈর্ষণীয়। আবৃত্তিশিল্পকে তিনি মধ্যবিত্তের ঘর থেকে মাঠে-ময়দানে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

নাসিম আহমেদ বলেন, নজরুল-আবৃত্তির প্রাণপুরুষ কাজী সব্যসাচী উচ্চারণ, আবৃত্তি ও ধ্বনিশিল্পের জগতে আধুনিক আবৃত্তিশিল্পের উদ্গাতা হিসেবে বহুদিন দীপ্যমান থাকবেন। একই সঙ্গে নজরুল-সাহিত্যের নান্দনিক ধ্বনিমাধুর্যের প্রচারক হিসেবেও তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

খিলখিল কাজী জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি তাঁর বাবা কাজী সব্যসাচীর কবিতা আবৃত্তি শুনে বড় হয়েছেন। তাঁর দাদা কাজী নজরুল ইসলামের সামনে সব্যসাচী কবিতা আবৃত্তি করতেন এবং নজরুল নীরবে তা শুনতেন। বাংলাদেশে আসার পর নজরুল একটি সুন্দর বাড়িতে থাকতেন, যেখানে বড় একটি বাগান ছিল। ফুল খুব ভালোবাসতেন নজরুল।

মাঝেমধ্যে তাঁর মা তাঁকে নিয়ে সেই বাগানে যেতেন। কখনো নজরুলও একা বাগানে গিয়ে ফুলগাছের পাশে বসে বিড়বিড় করে কী যেন বলতেন।

তিনি বলেন, আবৃত্তিকে ভালোবেসে একজন মানুষ কতটা জনপ্রিয় হতে পারেন, কাজী সব্যসাচী তার উদাহরণ। আবৃত্তির মাধ্যমে তিনি মানুষের মন জয় করেছেন এবং এই শিল্পকে মানুষের হৃদয়ের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। আবৃত্তিকে পেশা হিসেবে নেওয়া যায় তিনি তা দেখিয়ে গেছেন।

খিলখিল কাজী উল্লেখ করেন, তাঁর বাবা খুব ভালো আবৃত্তি করতেন। কলকাতায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই তাঁর দাদা কাজী নজরুল ইসলামের লেখা ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তি করার জন্য সব্যসাচীকে অনুরোধ করেছিলেন। এ ধরনের অনেক স্মৃতি রয়েছে।

ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা, প্রেম, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষার শক্তিশালী প্রকাশ। তার কবিতার ভাষা যেমন তেজোদ্দীপ্ত, তেমনি এর ছন্দ, ধ্বনি ও শব্দবিন্যাস আবৃত্তির জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে নজরুলের কবিতার বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে কাজী সব্যসাচী আবৃত্তিকে উপস্থাপন করেছেন। শৈশব থেকেই তিনি নজরুলের কবিতাকে আত্মস্থ করেছিলেন। নজরুলের কবিতার বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সব্যসাচীর আবৃত্তির একটি সৃজনশীল সংযোগ তৈরি হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%