ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাণীনগরে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৮ জন গ্রেপ্তার


রাণীনগরে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৮ জন গ্রেপ্তার

 

নওগাঁর রাণীনগর থানার পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ মোট ৮জনকে গ্রেফতার করেছে। রোববার রাতের বিভিন্ন সময়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের সোমবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল জানিয়েছেন, রোববার রাতভর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের ফলস্বরূপ জায়গাজমি সংক্রান্ত মামলায় করজগ্রামের সায়েদ আলীর ছেলে আব্দুস সাত্তার, একই গ্রামের মফিজ উদ্দীনের ছেলে বুলু প্রামানিক, ময়েজ উদ্দীনের ছেলে জহুরুল ইসলাম এবং আব্দুল জব্বারের ছেলে সবুজ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারে পাচারকালে ৪৯২ বস্তা ইউরিয়া ও ৮ পাচারকারী আটক

এছাড়া, একই রাতে ভান্ডার গ্রামের সেকেন্দারের ছেলে মামুনুর রশিদকেও আটক করা হয়েছে। মামুনুর রশিদ ছিল ৩বছর এবং ১বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী। ওই রাতেই মধুপুর গ্রামের মোজাহারের ছেলে জালাল উদ্দীন এবং নিচতালিমপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সোহেল রানাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এই দুইজনের বিরুদ্ধে আদালতের পরোয়ানা ছিল।

অতিরিক্তভাবে, একচি চুরি মামলায় উপজেলার দুধকন্ডি গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সুমন সরদারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার মতে, গ্রেফতারকৃতদের সোমবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঘায় মহিলা আ.লীগ নেত্রী লতার চেক জালিয়াতি মামলায় ৬ মাসের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


বাঘায় মহিলা আ.লীগ নেত্রী লতার চেক জালিয়াতি মামলায় ৬ মাসের কারাদণ্ড

 

রাজশাহীর বাঘায় মহিলা আ.লীগের সভানেত্রী ফাতেমা খাতুন লতাকে চেক জালিয়াতির অভিযোগে ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজশাহীর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ এই রায় ঘোষণা করেন।

ফাতেমা খাতুন লতা উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান এবং বাঘা পৌরসভার নারায়নপুর গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি ফাতেমা খাতুন লতা তাঁর নিকটতম আত্মীয় নুরুজ্জামানের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা ধার নেন। এর জন্য তিনি একটি চেক প্রদান করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চেকের টাকা পরিশোধ না হওয়ায় নুরুজ্জামান আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটির নম্বর ২১৩০/২০২৪।

প্রায় আড়াই বছরের বিচারিক প্রক্রিয়ার পর সোমবার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। আদালত ২৫ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মমিনুল ইসলাম জানান, মামলার বিচার চলাকালীন ফাতেমা খাতুন লতা নিয়মিত আদালতে হাজির হননি। তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া ওয়ারেন্ট থাকা সত্ত্বেও তিনি আদালতে উপস্থিত হননি। পরপর ছয়টি ধার্য তারিখে তিনি আদালতে হাজির না হয়ে আদালত তাকে ৬ মাসের কারাদন্ড দেন।

ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে আরো দুটি চেক প্রতারণা মামলা রয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ মার্চ নিলুফা ইয়াসমিনের দায়ের করা মামলায় রাজশাহী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ফাতেমা খাতুন লতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তিনি ১০ দিন হাজতবাস শেষে আপিলের মাধ্যমে জামিনে মুক্ত হন।

নিলুফা ইয়াসমিনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাম্মি হোসেন জানান, ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়া ও চেক সংক্রান্ত একটি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় ২০ লাখ টাকা পাওনার দাবি করা হয়েছে। একই ঘটনায় নিম্ন আদালতে ১৫ লাখ টাকার আরও একটি মামলা রয়েছে বলে মামলার বাদী মামুন হোসেন জানান।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মিস অরিন এবং বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মমিনুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সরকারকে ব্যর্থ করতে তারা মরিয়া, আমাদের জন্য ঘোর অন্ধকার অপেক্ষা করছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


‘সরকারকে ব্যর্থ করতে তারা মরিয়া, আমাদের জন্য ঘোর অন্ধকার অপেক্ষা করছে’

প্রশাসনের একটি প্রভাবশালী অংশ এই সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন। সম্প্রতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের কারণে মানুষের ভোগান্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, আমার স্পষ্ট মনে হচ্ছে, প্রশাসনের একটি প্রভাবশালী অংশ এই সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। এখনই যদি এই দায়িত্বজ্ঞানহীন চক্রটিকে চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তবে সামনে আমাদের জন্য ঘোর অন্ধকার অপেক্ষা করছে। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি ও চরম দায়িত্বহীনতার অপরাধে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কালবিলম্ব না করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

গত শুক্রবার রাত থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর পর্যন্ত টানা ৩২ ঘণ্টা তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। দীর্ঘ যানজটে অ্যাম্বুলেন্স আটকে এক রোগীর মৃত্যু এবং সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছাতে না পেরে কয়েকজন প্রবাসীর নির্ধারিত ফ্লাইট মিস করার ঘটনাও ঘটে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন শাহাদাত হোসেন সেলিম।

দুর্ভোগের কারণ অনুসন্ধানে জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীদের নিয়ে জুমে এ বৈঠক হয়।

শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, তিনি হুইপের পাশে বসে পুরো বৈঠকটি পর্যবেক্ষণ করেছেন। এত বড় জনদুর্ভোগের পরও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুশোচনা বা দায়বদ্ধতা দেখতে পাননি বলে দাবি করেন তিনি।

তার ভাষ্য, সেতু সংস্কারকাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার কিংবা কুমিল্লার জেলা প্রশাসকের কাছে আগাম কোনো তথ্য ছিল না। কর্মকর্তাদের মধ্যে এমন সমন্বয়হীনতা ও জবাবদিহিতার অভাব উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শাহাদাত হোসেন সেলিমের দাবি, পরিস্থিতি দেখে হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান ক্ষোভ ও বিরক্তি প্রকাশ করেন। সেতু সংস্কারের আগে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাধারণ মানুষকে অবহিত করা প্রয়োজন ছিল। সংবাদপত্র, টেলিভিশনের স্ক্রল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগাম প্রচার চালানো হলে যাত্রীরা বিকল্প পথ ব্যবহার করতে পারতেন এবং এমন দুর্ভোগ এড়ানো সম্ভব হতো বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পরে হুইপ সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেন। সেখানেও দায়িত্বশীলতার ইতিবাচক মনোভাব দেখা যায়নি বলে পোস্টে দাবি করেন শাহাদাত হোসেন সেলিম।

শেষে তিনি বলেন, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি ও চরম দায়িত্বহীনতার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

পরে সাংবাদিকদের কাছে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন শাহাদাত হোসেন সেলিম। তিনি বলেন, জনগণের দুর্ভোগ দেখে তিনি মর্মাহত। সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল না পাওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই পোস্ট দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘জনগণের দুর্ভোগ দেখে আমি কষ্ট পাচ্ছি। কাজটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বলেছি। কিন্তু কোনো কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত মনের কষ্ট থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই স্ট্যাটাস দিয়েছি।’

শাহাদাত হোসেন সেলিম বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। 

Posted by Facebook on Date:

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্ককে ঠেকাতে গ্রিসের সঙ্গে ইসরায়েলের বড় সামরিক চুক্তি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


তুরস্ককে ঠেকাতে গ্রিসের সঙ্গে ইসরায়েলের বড় সামরিক চুক্তি!

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্ক ও ইসরায়েলের সম্পর্কে চরম অবনতি ঘটেছে। দুই দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক তিক্ততা কেবল কথার যুদ্ধেই সীমাবদ্ধ নেই; সামরিকভাবে কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতাও সমানতালে চলছে। সিরিয়া, গাজা, হর্ন অব আফ্রিকা এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে দুই দেশের কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। 

চলতি মাসের শুরুতে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে মিলে ঐতিহাসিক এক সামরিক জোট গঠন করেছে তুরস্ক। ‘মক্কা প্যাক্ট’ নামে গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এ চুক্তির মাধ্যমে একজোট হয়েছে শক্তিশালী এই তিন মুসলিম দেশ। অন্য মুসলিম দেশগুলোর জন্যও জায়গা উন্মুক্ত রাখা হয়েছে এই জোটে। ন্যাটো জোটের যৌথ প্রতিরক্ষার নীতির আদলে তৈরি এই চুক্তির মূল শর্ত হলো— স্বাক্ষরকারী যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা তিন দেশের ওপরই আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। 

বলাই বাহুল্য, নতুন এই চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে কৌশলগতভাবে বড় ব্যবধানে এগিয়ে গেছে তুরস্ক। এই পরিপ্রেক্ষিতে এবার নতুন এক পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েলও। 

ঐতিহাসিকভাবে তুরস্কের অন্যতম বড় শত্রু গ্রিসের সঙ্গে সোমবার (৩১ আগস্ট) সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের এক বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দেশটি। এই চুক্তির আওতায় ইসরায়েল গ্রিসের জন্য একটি বহুস্তরীয় সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। খবর রয়টার্সের

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘অ্যাকিলিস শিল্ড’ নামের এই প্রকল্পে রাফায়েলের তৈরি ডেভিডস স্লিং ও স্পাইডার এবং ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের বারাক এমএক্সসহ কয়েকটি আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করা হবে। তেল আবিবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আমির বারাম এবং গ্রিসের পক্ষ থেকে ইওনিস বুরাস চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি ইসরায়েল-গ্রিস সম্পর্কের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা রপ্তানি চুক্তি। একইসঙ্গে ইসরায়েলের ইতিহাসেও এটি অন্যতম বৃহৎ চুক্তি। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনসহ বিভিন্ন হুমকির বিরুদ্ধে কোনো দেশকে পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের ঘটনা এটিই প্রথম।

ইসরায়েল জানিয়েছে, এই ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ইসরায়েলি প্রযুক্তি এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধে অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তৈরি করা হবে। পাশাপাশি রাফায়েলের ড্রোন ডোম ব্যবস্থা বিক্রির জন্য ২৬ মিলিয়ন ইউরোর আরেকটি সম্পূরক চুক্তিও হয়েছে। এ ছাড়া প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে গ্রিসের স্থানীয় শিল্পের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বাড়ানো হবে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, পূর্ব ভূমধ্যসাগরের গুরুত্বপূর্ণ দুই অংশীদার দেশের মধ্যে এটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আরেকটি বড় পদক্ষেপ। গত এক দশকে গ্রিসের সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী আকাশ প্রতিরক্ষা কর্মসূচিতে ইসরায়েলি প্রযুক্তিকে বেছে নেওয়া দুই দেশের পারস্পরিক বিশ্বাসেরই প্রতিফলন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়নপুর ম্যাক্স ভিআইপি হাসপাতালের শোকজের জবাব সন্তোষ জনক নয় -.ডাঃ গোলাম রায়হান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সমির ভট্রাচার্য্য

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


নারায়নপুর ম্যাক্স ভিআইপি হাসপাতালের শোকজের জবাব সন্তোষ জনক নয় -.ডাঃ গোলাম রায়হান

মতলব দক্ষিনের আলোচিত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান নারায়নপুর ম্যাক্স ভিআইপি (প্রাঃ) লিঃ হাসপাতালের ম্যানেজার আসলাম মিয়াজী, যিনি ভূয়া ডাক্তার হিসেবে পরিচিত, এবং ওই প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) পাঠানোর পর, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শোকজের জবাব প্রদান করা হয়েছে। শোকজের জবাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম রায়হান।

ইয়াসিন (১০) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ভাঙা হাতের চিকিৎসার জন্য ম্যাক্স ভিআইপি হাসপাতালে গেলে, হাসপাতালের ম্যানেজার আসলাম মিয়াজী চিকিৎসক সেজে তার চিকিৎসা করেন। হাসপাতালে নিয়ে আসার পর, আসলাম মিয়াজী নিজেই চিকিৎসক হিসেবে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় ওই শিক্ষার্থীর ভাঙা হাতের চিকিৎসা করেন। দুই দিন দই-বার হাতের ব্যান্ডেজ করানোর পর, প্রায় ১ মাসেও শিক্ষার্থীর হাতের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় রোগীর স্বজন আবুল কালাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম ইসমাম ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম রায়হান এর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

ডাঃ গোলাম রায়হান জানান, ম্যাক্স ভিআইপি হাসপাতালের ম্যানেজার আসলাম মিয়াজী এবং প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করার পর, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জবাব দিয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম রায়হান বলেন, "তাদের শোকজের জবাবে আমি সন্তুষ্ট নই। ম্যানেজার ডাক্তার না হওয়ায় আমি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছিনা।" তবে তিনি জানান, তিনি জেলা সিভিল সার্জেন, উপজেলা প্রশাসন ও মতলব দক্ষিন থানায় লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন। মতলব দক্ষিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়ার পর, পরবর্তীতে বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%