মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:২৯ এম
অ্যানফিল্ডে রোববার (১১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির ৩-০ গোলের জয় সত্ত্বেও মাঠের বাইরের উত্তেজনা ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। পুলিশ বিভিন্ন ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতারের সময় আহত হয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা।
লিভারপুলের সমর্থকেরা সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ম্যাচ চলাকালীন, ক্লাবটির সমর্থকেরা সিটির ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে দুয়ো দেন। তারা সিটিকে নিচের বিভাগে নামিয়ে দেয়ার দাবিও তোলেন।
এদিকে, ম্যাচের প্রেক্ষাপটে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে আঘাত করার সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়। লিভারপুলের ইতিহাসের ট্র্যাজেডি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের কারণে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া, মদ্যপ অবস্থায় উচ্ছৃঙ্খল আচরণ ও অন্যকে আঘাত করার ঘটনায় একজন, মারামারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দু'জন এবং মাঠে বস্তু নিক্ষেপের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
অ্যানফিল্ড রোডে একজনকে গ্রেফতারের সময় মুখে আঘাত পান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে বাড়িতে তার বাকি চিকিৎসা হওয়ার কথা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে। তবে, আগামী বছর প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে, ২০২৭ সালে দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও বেড়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত আইএমএফ-এর অক্টোবর ২০২৬-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে এসব পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে।
‘রেজিলিয়েন্স আন্ডার স্ট্রেইন, আর্জেন্ট চয়েসেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইএমএফ জানায়, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হবে। ২০২৭ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে। অন্যদিকে, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়াতে পারে এবং ২০২৭ সালে তা কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল। ২০২৬ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে। তবে ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়ানোর আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে গড় মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছিল। ২০২৬ সালে তা কমে ৮ দশমিক ৭ শতাংশে নামতে পারে। তবে ২০২৭ সালে মূল্যস্ফীতি আবারও বেড়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির একটি গলফ মাঠে শত শত গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় দেশটির বিচার বিভাগের আইনজীবীদের তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন এক ফেডারেল বিচারক। বিচারক আনা রেয়েস মন্তব্য করেছেন, আদালতকে সময়মতো না জানিয়ে গাছ কাটার কাজ শুরু করায় সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রায় চার ঘণ্টার ভার্চ্যুয়াল শুনানিতে বিচারক জানতে চান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংস্কার পরিকল্পনার আওতায় ইস্ট পোটোম্যাক গলফ লিংকস মাঠে কেন এত গাছ কাটা হলো এবং আদালতকে আগে থেকে যথাযথভাবে জানানো হয়নি কেন।
শুনানিতে ন্যাশনাল মল অ্যান্ড মেমোরিয়াল পার্কসের তত্ত্বাবধায়ক কেভিন গ্রিসকে শপথ নিয়ে জবানবন্দি দিতে নির্দেশ দেন বিচারক। পাশাপাশি ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের পরিচালনা বিভাগের উপপরিচালক ফ্রাঙ্ক ল্যান্ডসকেও শুনানিতে হাজির হয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হয়।
বিচার বিভাগের আইনজীবী মারিসা পিরোপাতোকে উদ্দেশ্য করে বিচারক রেয়েস বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তার কাছে অন্য কোনো ব্যাখ্যা নেই। তার ধারণা, শত শত গাছ কাটার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যই সরকার মামলাকারী ও আদালতকে দেরিতে জানিয়েছে।
শুনানির শুরুতেই বিচারক বলেন, তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং সরকারের এ আচরণে মোটেও সন্তুষ্ট নন। আদালত ও মামলাকারীদের গাছ কাটার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানানোর ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের আইনজীবীরা সবচেয়ে খারাপ কাজ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পরিস্থিতি বিবেচনায় ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসকে আরও গাছ কাটা থেকে বিরত রাখার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ২টা পর্যন্ত বাড়িয়েছেন বিচারক। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও এ সময়ের মধ্যে কোনো গাছ কাটা যাবে না। পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের পাশাপাশি গলফ মাঠে ভবিষ্যতে কোনো কাজ শুরু করার অন্তত তিন দিন আগে আদালতকে জানানোর নির্দেশ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে বিচারক বারবার বিচার বিভাগের আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, ইস্ট পোটোম্যাক গলফ মাঠে কোনো নির্মাণকাজ বা এ ধরনের কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা থাকলে আদালতকে আগেই জানাতে হবে। এতে আদালত বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারবে।
কিন্তু শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টার ঠিক আগে আদালতে জমা দেওয়া এক নথিতে সরকার জানায়, শনিবার (১০ অক্টোবর) থেকে গলফ মাঠে গাছ সরানোর কাজ শুরু হবে। এটিকে গাছ ব্যবস্থাপনা ও ঐতিহাসিক ভূদৃশ্য পুনরুদ্ধার প্রকল্পের অংশ বলে উল্লেখ করা হয়।
কেভিন গ্রিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে ১৬৯টি এবং পরে আরও ৯০টি গাছ কাটার পরিকল্পনা ছিল। পুরো প্রকল্পে আনুমানিক ৫২৯টি গাছ কাটা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছিল।
তবে রোববার (১১ অক্টোবর) ইস্ট পোটোম্যাক গলফ মাঠ সংস্কারের বিরুদ্ধে মামলা করা ডিসি প্রিজারভেশন লিগের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, শনিবারই (১০ অক্টোবর) ৫২৯টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। তাদের দাবি, কাটা গাছের মধ্যে সুস্থ ও পরিণত ওক এবং ম্যাপল গাছও ছিল।
গাছ কাটার কাজ প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত এগোচ্ছে বলে বিচার বিভাগের আইনজীবীরা সংরক্ষণবাদী সংগঠনটিকে জানিয়েছিলেন। এরপরই সংগঠনটি আরও গাছ কাটা বন্ধে জরুরি নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আরও শত শত গাছ কাটার কথা ছিল। তবে রোববার (১১ অক্টোবর) বৃষ্টির কারণে সেই কাজ ব্যাহত হয়।
বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আরও প্রায় ৯৯টি গাছ কাটার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। গ্রিস আদালতকে জানান, ইতিমধ্যে কাটা ৪৩০টি গাছকে বিপজ্জনক বা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।
শুনানিতে বিচারক রেয়েস জানতে চান, গাছ কাটার পরিকল্পনার কথা মারিসা পিরোপাতো কখন জেনেছিলেন এবং কেন শুক্রবারের (৯ অক্টোবর) আগে আদালত ও মামলাকারীদের জানানো হয়নি। তিনি বলেন, কোনো বিষয়ে অজ্ঞ থাকার অজুহাত এখানে গ্রহণযোগ্য নয়।
সরকারের প্রতি গভীর হতাশা প্রকাশ করে বিচারক বলেন, সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন মার্কিন নাগরিকদের তিনি বারবার আশ্বস্ত করেছেন যে সরকারের ওপর তার আস্থা রয়েছে। কিন্তু শনিবার (১০ অক্টোবর) কেন গাছ কাটার কাজ চালানো হলো, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
সপ্তাহান্তে গাছ কাটার চূড়ান্ত অনুমতি কে দিয়েছিলেন, সে বিষয়েও গ্রিস ও ল্যান্ডসকে প্রশ্ন করেন বিচারক। এ বিষয়ে জানতে স্বরাষ্ট্র বিভাগের উপপ্রধান কর্মী গ্রেগরি উইশারকে শুনানিতে আনার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান পিরোপাতো।
গ্রিস বলেন, তিনি ৫ অক্টোবর গাছ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের প্রধানের কাছে জমা দিয়েছিলেন এবং পরদিন সেটির অনুমোদন পান। তবে তিনি ও ল্যান্ডস দুজনই জানান, শনিবারই (১০ অক্টোবর) গাছ কাটার কোনো জরুরি প্রয়োজন ছিল না।
গ্রিসের দাবি, গাছ কাটার পরিকল্পনাটি ২০১৯ সালের একটি ঐতিহাসিক ভূদৃশ্যবিষয়ক প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুসারে তৈরি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে গলফ মাঠের পুরোনো নকশা ও ঐতিহাসিক উদ্ভিদবিন্যাস ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছিল।
গলফ মাঠের স্থপতি ওয়াল্টার জে ট্রাভিসের নকশায় তৈরি ইস্ট পোটোম্যাক ১৯২০-এর দশকে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। গ্রিসের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের গলফ মাঠে সাধারণত গাছ কম থাকে এবং নিচু উদ্ভিদ বেশি থাকে। কিন্তু শত বছরের বেশি সময়ে মাঠটিতে নানা ধরনের গাছ লাগানো হয়েছে, ফলে মূল নকশার সঙ্গে সামঞ্জস্য নষ্ট হয়েছে।
গ্রিস আরও জানান, গত আগস্টে ‘ফ্রিডম ২৫০ গ্রাঁ প্রি’ আয়োজন শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মী ও অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হওয়ায় গাছ কাটার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদেরও এ কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছিল।
তবে ডিসি প্রিজারভেশন লিগের আইনজীবীরা সরকারের এই যুক্তির বিরোধিতা করেছেন। তাদের দাবি, গলফ মাঠ সংস্কারে ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ব্যাপকভাবে গাছ কাটতে হবে। তাই পুরোনো প্রতিবেদন অনুসরণের কথা বলে গাছ কাটার কাজকে আলাদা ছোট প্রকল্প হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
মামলাকারীদের অভিযোগ, এভাবে কাজ করায় জাতীয় পরিবেশ নীতি আইনের শর্ত এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। ওই আইনে সরকারি সংস্থাগুলোকে কোনো প্রস্তাবিত প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করতে হয়।
সংগঠনটির আইনজীবীরা আদালতে বলেছেন, এটি সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণের কাজ নয়। তাদের দাবি, ইস্ট পোটোম্যাক পার্কের ১৩০ বছরের ইতিহাসে এক দিনে পাঁচ শতাধিক গাছ কাটার ঘটনা নজিরবিহীন। আবহাওয়া অনুকূলে এলে আরও শত শত গাছ কাটার পরিকল্পনাও রয়েছে।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত ও চীনের সীমান্ত সংঘাতের প্রেক্ষাপটে নির্মিত সালমান খানের নতুন সিনেমা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ছবিটির প্রথম নাম ছিল ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’, যা পরে পরিবর্তন করে ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’ রাখা হয়েছে। নাম পরিবর্তনের পাশাপাশি সিনেমার কাহিনি ও দৃশ্যের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার ভিত্তিতে সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। ওই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা প্রাণ হারান। ছবিতে চীনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তুলে ধরা হবে, এমন আলোচনা ছিল আগে। তবে সিনেমার নাম পরিবর্তনের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী দাবি করেছেন, সিনেমা থেকে চীনের সমালোচনা রয়েছে এমন কিছু দৃশ্য বাদ দিতে হয়েছে। তাঁর মতে, ভারত-চীন সম্পর্কের অবনতি রোধের জন্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া ছবির কিছু অংশ নতুন করে ধারণ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে ধ্রুব রাঠীর এসব বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
বিশিষ্ট সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পেয়েছে। সংশোধিত সংস্করণে দুই দেশের সম্পর্ক তুলনামূলক ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিচালক অপূর্ব লাখিয়ার এই সিনেমায় সালমান খানের পাশাপাশি যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সেনাদের আত্মত্যাগ ও মানবিকতার দিকটিও গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর ছবিটি মুক্তি পেতে পারে বলে আলোচনা চলছে। তবে চীনের আপত্তির কারণে সিনেমায় পরিবর্তন আনা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর এখনো মেলেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দক্ষিণ অঞ্চলের কর্ণফুলী উপজেলা থেকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া অংশের অধিকাংশ স্থান বর্তমানে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, সরু রাস্তা এবং অতিরিক্ত যানবাহন চলাচলের কারণে মহাসড়কে প্রতিদিন অসংখ্য ছোট-বড় দুর্ঘটনায় যাত্রী ও পথচারীরা প্রাণ হারাচ্ছেন। মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধের জন্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ চার-ছয় লেনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের বাড়ি ফিরতে স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার ২১ ফুটের মহাসড়ককে ৩৪ ফুট প্রশস্ত করার কাজ শুরু করেছে। ফলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এর ফলে মহাসড়ক যাতায়াতে যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরছে।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ তিনটি প্যাকেজে শুরু হয়েছে। প্রথম প্যাকেজে সাতকানিয়া রাস্তার মাথা থেকে লোহাগাড়ার রাজঘাটা ব্রিজ পর্যন্ত ৮ দশমিক ২ কিলোমিটার কাজ এমএএইচ কনস্ট্রাকশন করছে, যার ব্যয় প্রায় ৩৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। দ্বিতীয় প্যাকেজে রাজঘাটা ব্রিজ থেকে চুনতি গ্রিন ভিউ নার্সারি পর্যন্ত ৭ দশমিক ২ কিলোমিটার কাজ এমএ ইঞ্জিনিয়ারিং করছে, যার ব্যয় প্রায় ৩৪ কোটি টাকা। তৃতীয় প্যাকেজে গ্রিন ভিউ নার্সারি থেকে জাঙ্গালিয়া পর্যন্ত ৬ দশমিক ৪ কিলোমিটার কাজ এমএএইচ কনস্ট্রাকশন করছে, যার ব্যয় প্রায় ৩৭ কোটি টাকা। এছাড়া, মহাসড়কের সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনায় মৃত্যুপুরী নামে পরিচিত জাঙ্গালিয়া এলাকায় প্রায় ৯০০ মিটারজুড়ে চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ বর্তমানে ৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। রাস্তার গুণগতমান সঠিকভাবে বজায় রাখার জন্য নিয়মিত ল্যাব টেস্ট করা হয়। ল্যাব টেস্টের ফলাফল সঠিক হলে কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করে বিল অনুমোদন করা হয়। তিনি আরও বলেন, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের পরেও অনেক সময় ত্রুটিপূর্ণ কাজ হয়, কারণ মহাসড়কে যারা কাজ করছেন তারা মানুষ। সচেতন মহলের দাবি, মহাসড়ক উন্নয়নের কাজ সম্পন্ন হলে দূরপাল্লার গাড়িসহ সব ধরনের যানবাহনের দুর্ঘটনার হার কমে আসবে। মহাসড়কটি চার-ছয় লেনে উন্নীত হলে পর্যটননগরী কক্সবাজার ভ্রমণে পর্যটকদের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ