ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধ্যপ্রাচ্যে বাইরের হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান শি চিনপিংয়ের


মধ্যপ্রাচ্যে বাইরের হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান শি চিনপিংয়ের

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং দেশের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে অঞ্চলটির নিরাপত্তাব্যবস্থা নতুনভাবে সাজানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেছেন।

 

বুধবার মিসর সফরের সময় শি চিনপিং এসব মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মাঝে চীন যখন এ অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে, তখন তার এই বক্তব্য প্রকাশিত হলো। এটি শি চিনপিংয়ের চার বছরের মধ্যে প্রথম মধ্যপ্রাচ্য সফর। চলমান সংঘাতের কারণে এ অঞ্চলের বাণিজ্য ও অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন: আঘাত হানল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, বাতাসের গতি পৌঁছাল ১৫০ কিলোমিটারে

 

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোও নিজেদের কৌশলগত সম্পর্ক ও পররাষ্ট্রনীতি পুনঃমূল্যায়ন করছে।

মিসর যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে একটি। প্রতিবছর দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রায় ১৩০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা পেয়ে থাকে।

 

আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিসর চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি চীনের সঙ্গেও সম্পর্ককে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে মিসর। বুধবার কায়রোতে সামরিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শি চিনপিংকে স্বাগত জানান মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। এরপর শি চিনপিং মন্তব্য করেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিজেদের ভবিষ্যৎ ও ভাগ্যের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখা উচিত। তিনি অঞ্চলটির জন্য নতুন একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তাকাঠামো তৈরির বিষয়টি বিবেচনা করার ওপর গুরুত্ব দেন।

 

চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া তার বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে। শি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চীন প্রস্তুত। হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেব দিয়ে জাহাজ চলাচল সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে এসব গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিরাপত্তা এখন আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সিনহুয়া জানায়, শি চিনপিং ও আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির বৈঠকে নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

দুই দেশের নেতারা সন্ত্রাসবাদ দমনে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছেন। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তথ্যকেন্দ্র, ছোট বৈদ্যুতিক চিপ এবং গুরুত্বপূর্ণ ধাতুর সরবরাহব্যবস্থায় দুই দেশ সহযোগিতা বাড়াবে। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একে অপরের মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়েও দুই দেশ সম্মত হয়েছে। চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি মিসরের আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বে বৈচিত্র্য আনার একটি বড় পরিকল্পনার অংশ। সফরের আগে প্রকাশিত এক নিবন্ধে প্রেসিডেন্ট সিসি বলেন, বিশ্বজুড়ে বড় শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মিসর ‘কৌশলগত ভারসাম্য’ বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করছে।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে, লিকুদ পার্টি এগিয়ে

সাবেক মিসরীয় কূটনীতিক আইমান জেইনেলদিন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, চীনসহ বিশ্বের বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও বাড়াতে চায় মিসর। দুই দেশের স্বার্থ ও দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে মিল থাকার কারণে সম্পর্ক জোরদার হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের অর্থনৈতিক ভূমিকা আরও বাড়াতে চায় বেইজিং। একই সঙ্গে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমানোর লক্ষ্যও রয়েছে চীনের। রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের গবেষক এইচ এ হেলিয়ার বলেন, চীনের কাছে মিসর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশটির বড় অভ্যন্তরীণ বাজার রয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে মিসরের উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক প্রভাব রয়েছে। ফিলিস্তিন ইস্যুতেও মিসরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পাশাপাশি আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে মিসরের অবস্থান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

চীন ও মিসরের সম্পর্ক শুধুমাত্র অর্থনীতি ও কূটনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত মাসে মিসর ও চীন যৌথভাবে ‘সভ্যতার ঈগল’ নামে একটি সামরিক মহড়া পরিচালনা করে। এতে দুই দেশের বাড়তে থাকা সামরিক সম্পর্কের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মহড়ায় বিরল একটি বিমানযুদ্ধের অনুশীলনও করা হয়। এতে চীনের তৈরি জে-১৬ যুদ্ধবিমান এবং ফ্রান্সের তৈরি রাফাল যুদ্ধবিমান অংশ নেয়।

শি চিনপিংয়ের সফরকে কেন্দ্র করে কায়রোতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। কয়েক দিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে চীনের পতাকা টানানো হয়। দুই দেশের সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে মিসরের স্ফিংক্স ও চীনের মহাপ্রাচীরসহ দুই দেশের বিখ্যাত স্থাপনাগুলোর ছবি দিয়েও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা সাজানো হয়। মিসরের জন্য চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে অর্থনীতি। দেশটিতে ১১ কোটির বেশি মানুষ বসবাস করে। একই সঙ্গে সুয়েজ খাল থাকায় বৈশ্বিক বাণিজ্যেও মিসরের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে। চীনের জন্যও মিসর একটি বড় বাজার। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে মিসর প্রায় ১০০ কোটি ডলারের চীনা পণ্য আমদানি করেছে। ২০১৪ সালে প্রেসিডেন্ট সিসির চীন সফরের সময় দুই দেশ কৌশলগত অংশীদারির চুক্তি স্বাক্ষর করে। এরপর থেকে মিসরে চীনের বিনিয়োগ দ্রুত বেড়েছে।

চীনের বিভিন্ন কোম্পানি মিসরে কনটেইনার বন্দর, সবুজ হাইড্রোজেন প্রকল্প এবং লোহার পাইপ, গাড়ির টায়ার ও কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরির কারখানায় কয়েক শ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। মিসরের মন্ত্রিসভা জানিয়েছে, সুয়েজ খাল অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীন প্রায় ৪০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। বুধবার মিসর সরকার ওই অঞ্চলে চীনের তৈরি শিল্প এলাকা আরো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া চীনের জেডসি রাবার গ্রুপ ৫০ কোটি ডলার ব্যয়ে মিসরে একটি টায়ার কারখানা স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রাথমিক একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চীনের প্রেসিডেন্টের এই সফর এবং নতুন বিনিয়োগ পরিকল্পনা থেকে মিসরের সঙ্গে বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ স্থলভাগে প্রবেশ, উপকূলে তাণ্ডবের আশঙ্কা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাটাররা খারাপ করায় পাকিস্তানের বোলিং কোচ ছাঁটাই, খেপেছেন সাবেক কিংবদন্তিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


ব্যাটাররা খারাপ করায় পাকিস্তানের বোলিং কোচ ছাঁটাই, খেপেছেন সাবেক কিংবদন্তিরা

বোলাররা নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিচ্ছেন, কিন্তু এর ফল ভোগ করতে হচ্ছে তাদের কোচকে! যেসব ক্রিকেটাররা খেলার সুযোগই পাননি, তাদেরকেও মাঝ সফর থেকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজে হারের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এই অদ্ভুত সিদ্ধান্তে দেশটির ক্রিকেট এখন অস্থির অবস্থায় রয়েছে।

 

প্রশ্ন উঠছে—বোর্ড ঠিক কোন যুক্তিতে দল পরিচালনা ও দল নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে? একযোগে প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং বোলিং কোচ উমর গুলকে ছাঁটাই করার পাশাপাশি স্কোয়াডের সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানোর ঘটনায় পাকিস্তানের সাবেক কিংবদন্তিরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

চলমান তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেই ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছে পাকিস্তান। তবে দলের ব্যাটাররা একের পর এক ব্যর্থতার পরিচয় দিলেও বল হাতে পেসাররা আলো ছড়িয়েছেন। লর্ডসে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ টেস্টে স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসে ২৯০ রানে অলআউট করতে তিন পেসারই ৮টি উইকেট নেন।

 

দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২০৮ রানে গুটিয়ে দিতে তারা ৯ উইকেট শিকার করেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে বোলারদের এমন অসাধারণ পারফরম্যান্স সত্ত্বেও ম্যাচ শেষে পিসিবি উমর গুলের পাশাপাশি প্রধান কোচ সরফরাজকে বরখাস্ত করে।

পিসিবির এই অদ্ভুত সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক প্রধান কোচ মুদাসসের নজর। তিনি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যদি বোলাররা তাদের কাজটি ঠিকঠাক করে থাকে, তাহলে উমর গুলকে বলির পাঁঠা বানানো হলো কেন? পাকিস্তান ম্যাচ হারলে মানুষ এতদিন হাসাহাসি করত, কিন্তু এখনকার পরিস্থিতি তো সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে।

 

ইংল্যান্ডের এই দলে বোথাম, ট্রুম্যান বা অ্যান্ডারসনের মতো কোনো বোলার নেই। মাঝারি মানের এক দলের বিপক্ষে আমাদের ব্যাটাররা দিশেহারা। দীর্ঘদিনের এই মিডল অর্ডার ব্যর্থতার সমাধান না করে পিসিবি কোন পথে হাঁটছে, তা বুঝে ওঠা দায়।’

একইভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কিংবদন্তি ব্যাটার মোহাম্মদ ইউসুফও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) তিনি লেখেন, ‘সফরের মাঝপথে হঠাৎ কোচ এবং খেলোয়াড়দের ফেরত পাঠানোর পেছনে শুধুমাত্র পারফরম্যান্স দায়ী—এটি বিশ্বাস করা কঠিন।

 

আমরা তো আর জাভেদ মিঁয়াদাদ, ইনজামাম বা সাঈদ আনোয়ারদের মতো বদলি তারকাদের সেখানে পাঠাচ্ছি না! এই সিদ্ধান্তগুলো আসলে সেই পুরনো কোন্দল এবং চরম অস্থিরতারই প্রতিফলন, যা বহু বছর ধরে আমাদের ক্রিকেটকে ধ্বংস করছে।

১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকেই পাকিস্তান ক্রিকেটে এই বিশৃঙ্খলা বারবার ফিরে এসেছে। মাঠের বাইরের ঝগড়া-বিবাদ বাদ দিয়ে বোর্ডের নজর এখন পারফরম্যান্সে দেওয়া উচিত। ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে হলে বোর্ডরুমের রাজনীতি বন্ধ করে খেলোয়াড়দের মাঠে মনোযোগী হতে হবে বলে মনে করেন ইউসুফ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমিরাত প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমিরাত প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।

বার্তায়, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে, তাঁর সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়েছে। এছাড়াও, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য শুভ কামনা করা হয়েছে।

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম, পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, উপপ্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্সিয়াল কোর্টের চেয়ারম্যান শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ানও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে তার শপথ গ্রহণ উপলক্ষে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে যে, তারা দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড কার্যকরী ভূমিকা রাখছে : শামা ওবায়েদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড কার্যকরী ভূমিকা রাখছে : শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড একটি কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটলেও সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি পায়নি।

 

নতুন নারী নেতৃত্বও নিজেদের অধিকার নিয়ে এখনো তেমন সক্রিয় নয়।’ আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিডও দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী নারীর অবদান বাংলাদেশের অস্তিত্বের সঙ্গে অপরিসীম বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, সামাজিকভাবে নারীর অবস্থান কখনোই কাঙ্ক্ষিতভাবে উন্নত হয়নি। বর্তমান সরকার নারীর সমঅধিকার, ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আরো আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান। তারা নারীর সমঅধিকারকে সুযোগ বা অনুদান হিসেবে নয়, বরং মৌলিক অধিকার হিসেবে দেখার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদ অধিবেশনে অংশ নেবেন মির্জা আব্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০২ পি.এম


সংসদ অধিবেশনে অংশ নেবেন মির্জা আব্বাস

মির্জা আব্বাস সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন।

 

জাতীয় সংসদে প্রথমবারের মতো দাফতরিক কাজ শুরু করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিএনপির মিডিয়া সেলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

 

বিএনপি মিডিয়া সেলের সূত্র অনুযায়ী, আজ সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন মির্জা আব্বাস।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, গতকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১০টায় সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে চিকিৎসা শেষে প্রায় সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরে এসেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%