বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১০ এম
নেতাকর্মীদের নেতৃত্বের বিকাশ, রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা জোরদার এবং মাদক ও র্যাগিংমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তোলার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রশাসনিক ভবনে শাখা ছাত্রদলের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নম্বর কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সিন্ডিকেট সভায় ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত ১০০তম (জরুরি) সিন্ডিকেট সভায়ও এ সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনো রাজনৈতিক দলের অঙ্গ, সহযোগী বা ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
এ ছাড়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ৪৩(ঘ) ধারায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘন করলে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
কর্মশালায় শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব আবুল বাশারের সঞ্চালনায় এবং আহ্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান শুভর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শক দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. জুলহাস উদ্দীন। এ সময় লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও কুবির ইউট্যাবের সাধারণ সম্পাদক মাহিন উদ্দিন, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রভোস্ট মো. হারুনসহ শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নেতৃত্বের গুণাবলি, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ও র্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় বলে জানা যায়।
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন,হ্যাঁ, প্রসাশনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছিলাম। আমার মৌখিক ভাবে সবার থেকে অনুমতি নিয়েছিলাম। আর আমরা প্রোগ্রাম করবো সেটা তো সবাই জানে।
মাদক ও র্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পস গড়ার লক্ষে আমাদের এই প্রোগ্রাম ছিল। ক্যাম্পাসে রাজনীতি আইনে কি আছে না নাই, ঐটা আমরা লক্ষ্য করি না। আমাদের কথা হচ্ছে সচেতন শিক্ষার্থী যারা তারা সবাই রাজনীতি করতে পারবে। আমরা কাউকে জোড় করে রাজনীতি করাতে চাই না।
ইন্টেরিমের আমলে রাজনীতি নিষিদ্ধ যে হয়েছিল যেটা প্রত্যাহারের দাবি আমরা তখন জানিয়েছিলাম। আমরা একটা সচেতনতা মূলক কর্মশালা করেছি, এটা আমরা না শুধু সকলের করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, অনুমতির বিষয়ে ক্লিয়ার ম্যাসেজ, আমরা ইন্টেরিমের আমলে যে প্রশাসনেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছি, ঐ প্রশাসনের একটা নিয়ম তো আমরা মানবো না। বর্তমান ভিসি স্যারের সাথেও মৌখিক ভাবে কথা বলেছি এবং আমরা দ্রুত স্মারক লিপি দেবো যাতে সকলের জন্য রাজনীতি উন্মুক্ত করে দেন। সকলের জন্য একটি সহবস্থানের ক্যাম্পাস উপহার দিতে পারেন তিনি।
রাজনীতি নিষিদ্ধ ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক দলের প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ইউট্যাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিন উদ্দিন বলেন, এটা একটি একাডেমিক প্রোগ্রাম ছিলো। মাদক ও র্যাগিং বিরোধী আলোচনা হয়েছে। তাই সেখানে গিয়েছি। আমি সেখানে কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম দেখিনি।
রাজনীতি নিষিদ্ধ ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক দলের প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, আমারা দেখেছি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম চলতেছে। এগুলো খাতা-কলমে নিষিদ্ধ, প্র্যাক্টিক্যালি চলতেছে। আগে ছাত্রলীগ করতো এখন ছাত্রদল-শিবির করে। আর এই প্রোগ্রামে মাদক ও র্যাগিং বিরোধী আলোচনা হয়েছে। তাই আমরাও বলেছি কোনো সংগঠন এমন উদ্যোগ নিলে আমরা তাদের পাশে থাকবো।
এবিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, আমি এই প্রোগ্রাম বিষয়ে কিছু জানিনা। তবে শুনেছি এডমিন বিল্ডিংয়ে কোনো ভাইয়ের নামে স্লোগান দিচ্ছে। এডমিন বিল্ডিংয়ের রুম বরাদ্দের জন্য অনুমতি দিতে পারেন রেজিস্ট্রার। উনি এবিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।
এ বিষয়ে কথা বলতে চাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বিষয়টি এড়িয়ে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেকারত্ব দূরীকরণ ও শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী জব ফেয়ারে তাৎক্ষণিকভাবে ৪৪৬ জনের চাকরি হয়েছে। পাশাপাশি বাছাই করা আরও ১ হাজার ৫৮১ জনের চাকরি আগামী এক মাসের মধ্যে নিশ্চিত করা হবে। ফলে মেলার মাধ্যমে মোট ২ হাজার ২৭ জন চাকরিপ্রার্থীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জনসেবা চত্বরে দিনব্যাপী ‘জব ফেয়ার-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এসময় জব ফেয়ারে চাকরি পাওয়া কয়েকজন তরুণ-তরুণীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এ জব ফেয়ারে জেলার শীর্ষস্থানীয় এনজিও, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ৫১টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইন ও অফলাইনে সিভি সংগ্রহের পাশাপাশি মেলায় সরাসরি সাক্ষাৎকার নিয়ে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জব ফেয়ারে অনলাইন ও অফলাইনে সর্বমোট ১১ হাজার ৪২৭ জন চাকরিপ্রার্থী নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে ৪৪৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাছাই করা আরও ১ হাজার ৫৮১ জনের নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামী এক মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। সব মিলিয়ে এ জব ফেয়ারের মাধ্যমে ২ হাজার ২৭ জনের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘এটা প্রাথমিকভাবে আয়োজন করা হয়েছিল। বেশ সাড়া ফেলেছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এটি আরও বড় পরিসরে কীভাবে করা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচনের আগেও বলেছি, টাঙ্গাইলের একজন শিক্ষিত যুবকও যাতে বেকার না থাকে, আমি সেই অনুযায়ী কাজ করব।’
জব ফেয়ারের উদ্যোগকে প্রশংসনীয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেও মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। একজন শিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ যাতে বেকার না থাকে এবং শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করার পর প্রত্যেকে যাতে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার সুযোগ পায়, সে পরিবেশ ও ক্ষেত্র তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য।
চাকরি না পাওয়া প্রার্থীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘আজকে যাদের চাকরি হলো না, তাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তাদের সিভি জমা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবাইকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের জব ফেয়ার সারাদেশে আয়োজন করা হলে চাকরিপ্রার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন জায়গায় ছুটতে হবে না। একই জায়গায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে। এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ায় জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, চাকরি করতে আগ্রহী অনেক শিক্ষিত মানুষ বিভিন্ন সময়ে তার কাছে কর্মসংস্থানের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি জব ফেয়ার আয়োজনের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখান। পরবর্তীতে তার পরামর্শ ও সহযোগিতায় এ জব ফেয়ারের আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, জব ফেয়ারের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের চাহিদা অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থী বাছাই করতে পেরেছে। এতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কর্মসংস্থান নিয়ে নতুন উৎসাহ সৃষ্টি হবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জব ফেয়ার আয়োজন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে ধনবাড়ী উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা, কেক কাটার অনুষ্ঠান, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ এম আজিজুর রহমান।
এতে উপস্থিত ছিলেন ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জনাব এনামুল হক ভিপি, ধনবাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতি এস এম এ ছোবহান, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাফেজ খাইরুল ইসলাম মুন্সি, ধোপাখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল হোসেন তালুকদার মিন্টু, ধনবাড়ী পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি মো. কছর আলীসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস এবং দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন। তারা দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়। অনুষ্ঠানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে বিএনপির প্রয়াত নেতাকর্মীদের রুহের মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত নেতাকর্মীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিত্যাগ করে উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতিতে মনোনিবেশ করা আবশ্যক। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা জরুরি।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যেই আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি শুরু হয়েছে। মুকসুদপুরের প্রতিটি ঘরে ঘরে ধানের শীষের জয়জয়কার, বিএনপির জয়জয়কার, তারেক রহমানের জয়জয়কার।’
আলোচনাসভায় মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান সভাপতিত্ব করেন। এ সময় গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনাসভার পূর্বে কমলাপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ের সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গাজীপুরে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে গাজীপুর মহানগর বিএনপি।
মঙ্গলবার এসব কর্মসূচিতে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মো. শওকত হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনি এবং বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বিকালে কালীগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম ফজলুল হক মিলন।
অন্যদিকে, সকালে গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর এলাকায় র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় অনুষ্ঠিত আরেকটি র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ