০২:২৩ পি.এম
ফরিদপুরে ঘটে যাওয়া একটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আহত হয়েছে তার আরও দুই সহপাঠী।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলের সময়, সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের আখ সেন্টারের সামনে এই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে।
নিহত সোয়াদ মোল্লা (১৬) সদর উপজেলার হাটগোবিন্দপুর গ্রামের মিজানুর রহমান মোল্লার সন্তান এবং কানাইপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
আরও পড়ুন: হেলমেট পরে এসে চায়ের দোকানে বসা বৃদ্ধকে গুলি
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দুপুর দেড়টার দিকে স্কুলটি ছুটি হয়ে যায়। এরপর তিন বন্ধু একটি মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হন। মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিল তামিম।
বিকেলের দিকে ফরিদপুর শহর থেকে ফেরার সময়, কানাইপুরের একটি ফিলিং স্টেশন থেকে মোটরসাইকেলে তেল নেওয়ার পরে তারা কানাইপুর বাজারের দিকে মহাসড়কে উঠছিল। এ সময় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায় এবং ব্যাটারিচালিত একটি ইজিবাইকের পেছনে ধাক্কা দেয়।
এই দুর্ঘটনায় তারা একত্রে ছিটকে পড়ে মহাসড়কের ওপর এবং ঘটনা স্থলেই সোয়াদের মৃত্যু ঘটে। পরে স্থানীয়রা আহত দুজনসহ তিনজনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
এই খবরের প্রেক্ষিতে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ছুটে যান সোয়াদের বাবা, মা এবং স্বজনরা। এই সময় তার নিথর দেহ দেখে আহাজারিতে ভেঙে পড়েন তারা। তাদের গগনবিদারী চিৎকারে খুব ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার পরিবেশ।
আরও পড়ুন: নেত্রকোনায় নিজ হাতে ড্রেন পরিষ্কার করলেন জেলা প্রশাসক
সোয়াদের মা শোকে বার বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন এবং মাঝে মাঝে বিলাপ করে বলছিলেন, ‘আমার একটাই ছেলে, আর কোনো ছেলে নাই; কি হয়ে গেল।’
এ বিষয়ে করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, একটি ইজিবাইকের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। নিহত সোয়াদের আহত দুই সহপাঠী তামিম ও শাওনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তারা আশঙ্কামুক্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন