ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাশিয়ার ২০২৭ বাজেটে সামরিক খাতে বরাদ্দ বাড়বে, শিক্ষায় কমবে


রাশিয়ার ২০২৭ বাজেটে সামরিক খাতে বরাদ্দ বাড়বে, শিক্ষায় কমবে

ঢাকা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে রাশিয়া আগামী বছরের জন্য প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের ব্যাপক বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। একইসাথে, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমানোর এবং কর বৃদ্ধি করার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। রাশিয়ার খসড়া বাজেটের নথিতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ইউক্রেন যুদ্ধ বর্তমানে পঞ্চম বছরে প্রবেশ করেছে। দুই পক্ষই দূরপাল্লার হামলা বৃদ্ধি করেছে। মস্কো প্রায় প্রতিদিন কিয়েভে বিমান হামলা চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন: শামোন্ডা নামের ভাইরাসটি কতটা ভয়ংকর?

রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে অনুমোদনের জন্য খসড়া বাজেটটি জমা দেওয়া হয়েছে। এতে যেসব পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি পাবে:

খসড়া বাজেট অনুযায়ী, ২০২৭ সালে রাশিয়া প্রতিরক্ষা খাতে রেকর্ড ১৭ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন রুবল (প্রায় ২০৪ বিলিয়ন ডলার) ব্যয় করার পরিকল্পনা করছে। গত বছর ২০২৭ সালের জন্য যে ব্যয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, তার তুলনায় এই বরাদ্দ প্রায় ২৬ শতাংশ বেশি।

নথি অনুযায়ী, মোট সরকারি ব্যয়ের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হবে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণ- এই তিন খাতের সম্মিলিত বরাদ্দের চেয়েও প্রতিরক্ষা ব্যয় বেশি হবে।

২০২৮ ও ২০২৯ সালে প্রতিরক্ষা ব্যয় কমার পূর্বাভাস দেওয়া হলেও ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়া দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা ব্যয়ের পূর্বাভাস একাধিকবার অতিক্রম করেছে।

আরও পড়ুন: টাইফুন ‘চাম্পি’র আঘাতে তাইওয়ানে নিহত ১, আহত পাঁচ শতাধিক

ইউরোপিয়ান পলিসি অ্যানালাইসিস সেন্টারের জ্যেষ্ঠ গবেষক আলেকজান্ডার কোলিয়ন্দ্র মন্তব্য করেছেন, প্রকৃত প্রতিরক্ষা ব্যয় আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, কারণ এ খাতের প্রকৃত ব্যয়ের বড় অংশ গোপন রাখা হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রকাশিত অঙ্কগুলো অর্থ মন্ত্রণালয় ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে বাজেট নিয়ে আলোচনার কেবল প্রাথমিক প্রস্তাব।

গত সপ্তাহে খসড়া বাজেট প্রকাশের সময় রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী আন্তন সিলুয়ানভ সামাজিক কল্যাণ ও প্রতিরক্ষা দুই খাতকেই ‘অগ্রাধিকার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তবে বাজেটের নথিতে সামরিক খাতের বাইরে বিভিন্ন খাতে বড় ধরনের কাটছাঁটের পরিকল্পনা দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ৫৪৬২ কোটি টাকা অনুদান দিলেন মাস্ক

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ২০২৭ সালের জন্য মূল পরিকল্পনার তুলনায় ৫ শতাংশের বেশি করে বরাদ্দ কমানো হচ্ছে। সামাজিক কর্মসূচিতে বরাদ্দ কমতে পারে ৬ শতাংশের বেশি।

পরিকল্পিত কাটছাঁটের মধ্যে রয়েছে সরকারের ক্যানসারবিরোধী কর্মসূচি। এ কর্মসূচিতে মূল বাজেটের প্রায় ৯৭ শতাংশ অর্থ কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

‘ইমপরট্যান্ট স্টোরিজ’ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক নিবন্ধে কলামিস্ট বরিস গ্রজোভস্কি বলেন, সরকার সরকারি কর্মীদের বেতন ও সংখ্যা কমানোর পাশাপাশি অবকাঠামো প্রকল্প- বিশেষ করে নির্মাণ ও সড়ক উন্নয়ন খাতে ব্যয় কমাচ্ছে।

বাজেট ঘাটতি পূরণ করতে সরকার কর বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক আমানত ও সম্পত্তি বিক্রির ওপর করের হার বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুন: ইলন মাস্ক ট্রাম্পকে জেতাতে ৫৪৬২ কোটি টাকা অনুদান দিলেন

বাড়ছে ঋণ

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়ার বাজেটে প্রতি বছরই ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।

২০২৭ সালে বাজেট ঘাটতি প্রায় ৫ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন রুবল বা ৬৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

গত বছর ২০২৭ সালের জন্য যে ৩ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন রুবল ঘাটতির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, নতুন হিসাব তার তুলনায় ৭০ শতাংশের বেশি।

আরও পড়ুন: রিয়াদে হুথিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, সৌদির তিন অঞ্চলে সতর্কতা

২০২৭ সালে সরকারি ঋণ দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২০ শতাংশের বেশি হতে পারে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এই হার তুলনামূলক কম হলেও রাশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় আগে যে মাত্রাকে ‘নিরাপদ’ বলেছিল, এটি তার চেয়ে বেশি।

এ ছাড়া ২০২৭ সালে সরকারের মোট ঋণ নেওয়ার পরিমাণ গত বছর করা প্রাথমিক পরিকল্পনার তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ বেশি হতে পারে।

গ্রোজোভস্কি ভাষায়, যথেষ্ট অর্থ নেই।

তার মতে, সরকার কার্যত সবাইকে একটি বার্তা দিচ্ছে- সরকারি বাজেট থেকে অর্থ পাওয়ার ওপর ভরসা না করাই ভালো; কারণ যাদের অর্থ দেওয়া একেবারেই জরুরি, মূলত তারাই বরাদ্দ পাবেন।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবের ৩ শহরে জরুরি সতর্কতা জারি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যাসাচুসেটসে দুই মাথাওয়ালা বিরল কচ্ছপছানা, চিকিৎসকেরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


ম্যাসাচুসেটসে দুই মাথাওয়ালা বিরল কচ্ছপছানা, চিকিৎসকেরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে একটি বিরল কচ্ছপছানার সন্ধান পাওয়া গেছে, যার দুটি মাথা রয়েছে। এই কচ্ছপটি ‘ডায়মন্ডব্যাক টেরাপিন’ প্রজাতির এবং এর জন্মগত শারীরিক অস্বাভাবিকতা বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে, কচ্ছপছানাটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন বন্য প্রাণী সেবাকেন্দ্রের কর্মীরা।

কেপ ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টার, যা ম্যাসাচুসেটসের বার্নস্টেবলে অবস্থিত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কচ্ছপটির সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বন্য প্রাণী সংরক্ষণাগার মাস অডুবন ওয়েলফ্লিট বে ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংকচুয়ারির কর্মকর্তারা কচ্ছপছানাটিকে তাদের কাছে নিয়ে আসেন। এটি ওয়েলফ্লিটের একটি সুরক্ষিত প্রজননক্ষেত্র থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বন্য প্রাণী কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের মতে, কচ্ছপটির দুটি মাথা থাকার কারণ হিসেবে ‘বাইসেফালি’ নামক বিরল জন্মগত অবস্থাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভ্রূণের বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিন্ন যমজ সম্পূর্ণভাবে আলাদা না হলে এ ধরনের শারীরিক অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে।

কচ্ছপছানাটির শারীরিক অবস্থা নির্ধারণের জন্য বিশেষজ্ঞ পশুচিকিৎসকদের একটি দল কাজ করছে। তারা রেডিওগ্রাফি ও বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে কচ্ছপটির শারীরিক গঠন, দুটি মাথার কার্যকারিতা এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন।

কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছরে তারা এ ধরনের মাত্র দুটি কচ্ছপ দেখেছেন। ফলে বিরল এই কচ্ছপছানার শারীরিক গঠন ও শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে নতুন তথ্য জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে, কচ্ছপটির খাবারের প্রতি আগ্রহ, বেড়ে ওঠা ও আচরণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুই মাথাবিশিষ্ট প্রাণীর বেঁচে থাকা ও স্বাভাবিক বিকাশ অনেকটাই নির্ভর করে তাদের অভ্যন্তরীণ শারীরিক গঠন, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা এবং দুটি মাথার সমন্বয়ের ওপর। তাই বিরল এই কচ্ছপছানার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আরও পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা পরীক্ষার প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিউস্টনে অভিভাবকত্ব হারিয়ে মেয়ে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


হিউস্টনে অভিভাবকত্ব হারিয়ে মেয়ে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত আইনি লড়াইয়ে পরাজয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর, এক নারী নিজের চার বছরের মেয়েকে গুলি করে হত্যা করেন। এরপর সিবেল সাভেলা নামের ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী আত্মহত্যা করেন।

স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টন শহরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। খবরটি নিউইয়র্ক পোস্টের মাধ্যমে জানা যায়।

এবিসি১৩-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিবেলের প্রাক্তন স্বামী অ্যারন সাভেলার কাছে মেয়েকে হস্তান্তরের কথা ছিল। কিন্তু হিউস্টনে নিজের ৮ লাখ ২৪ হাজার ডলারের বাড়িতে তিনি মেয়েকে গুলি করে হত্যা করেন। এরপর নিজেকেও গুলি করেন।

হিউস্টন পুলিশের লেফটেন্যান্ট ল্যারি ক্রাউসন জানান, ‘অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত আইনি শুনানি ওই মায়ের পক্ষে যায়নি। তাই বাড়ি ফিরে নিজের ৪ বছর বয়সী মেয়েকে গুলি করেন, এরপর নিজেকেও গুলি করেন।’

এই ঘটনার পর সিবেলকে প্রথমে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে একদিন পর তিনি মারা যান।

ব্রাজিলে জন্ম নেওয়া সাবেলা ২০২৪ সালের নভেম্বরে অ্যারনের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটান। এরপর তাদের মধ্যে মেয়ের অভিভাবকত্ব নিয়ে আইনি লড়াই শুরু হয়।

আদালতের নথিপত্রের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, এই মর্মান্তিক ঘটনার মাত্র আট ঘণ্টা আগে সিবেল আইনি লড়াইয়ে পরাজিত হন। আদালত নির্দেশ দিয়েছিল যে, পর্তুগিজ জানা তত্ত্বাবধায়কের উপস্থিতি ছাড়া সিবেল তার মেয়ের সঙ্গে মাতৃভাষা পর্তুগিজে কথা বলতে পারবেন না।

মেয়ের স্কুলের কোনো অনুষ্ঠানে সিবেলের উপস্থিতির ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে সন্তানের ভরণপোষণের জন্য প্রাক্তন স্বামীকে অর্থ প্রদান এবং চিকিৎসার যাবতীয় খরচের ৫০ শতাংশ বহনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে সিবেল কেন অভিভাবকত্ব হারিয়েছিলেন এবং মেয়ের বিষয়ে তার ওপর কেন এত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

শিশুটির স্বজনরা জানিয়েছেন, ভিভিয়ানের বয়স ছিল মাত্র ৪ বছর। তাকে সবাই ভালোবাসত। তারা বলেন, ‘আমরা কী হারিয়েছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।’

তারা আরও বলেন, ‘সন্তানকে সুরক্ষা দিতে একজন অভিভাবকের কাছে আইন যা প্রত্যাশা করে, অ্যারন তার সবটাই করেছিলেন। তিনি আদালতের ওপর আস্থা রেখেছিলেন।’

তারা বলেন, ‘অ্যারন আদালতের প্রতিটি নির্দেশ মেনে চলেছিলেন। তিনি আইনি প্রক্রিয়ার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। মঙ্গলবার একজন বিচারক ভিভিয়ানের প্রাথমিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব অ্যারনকে দিয়েছিলেন এবং সন্ধ্যায় মেয়েটির তাঁর কাছে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু সে আর ফেরেনি।’

কেএইচওইউয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যারনের প্রতিনিধিত্ব করা আইনজীবী শার্লট রেইনওয়াটার বলেন, ‘এ ঘটনায় পরিবারটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। আমি ২৮ বছর ধরে পারিবারিক আইন নিয়ে কাজ করছি এবং আগে কখনও এমন অভিজ্ঞতা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাবি ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে যুবককে পুলিশে সোপর্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


রাবি ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে যুবককে পুলিশে সোপর্দ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ছাত্রীকে মুঠোফোনের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে খন্দকার সালমান হাসান মিম নামের এক যুবককে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এ সময় তার ওপর মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা যায়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলস্টেশন এলাকায় শিক্ষার্থীরা সালমানকে আটক করেন। পরবর্তীতে শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে, প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অভিযুক্ত যুবক সালমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। অভিযোগকারী ছাত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী।

অভিযোগকারী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সালমানের সঙ্গে ওই ছাত্রীর সাবেক এক রুমমেটের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে সালমানের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিচয় হয়। দুই দিন আগে সালমান রাজশাহীতে আসেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে তিনি ওই ছাত্রীকে মুঠোফোনে কল করেন। পরিচয় জানতে চাইলে, সালমান তাকে অর্থের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী।

পরে তিনি বিষয়টি বন্ধু ও পরিচিতদের জানালে, সালমানকে ফোন করে কৌশলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসতে বলা হয়। ক্যাম্পাসে আসলে ছাত্রীর সহপাঠীরা তাকে আটক করেন। প্রায় চার ঘণ্টা পর চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে সালমানকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মুঠোফোনও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারী ছাত্রী বলেন, "আমাকে রাত সাড়ে ৪টায় কল করে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি অর্থ দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। পরে পরিচয় জানতে পারি, সালমান আমার সাবেক রুমমেটের প্রাক্তন প্রেমিক। এ ঘটনায় আমি মামলা করার আবেদন করব। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।"

তবে সালমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমি এমন কোনো প্রস্তাব দিইনি। আমার মুঠোফোন থেকে অন্য কেউ কলটি করতে পারে। তার সঙ্গে আমার পূর্বপরিচয় ছিল। সে কারণে আমি দেখা করতে চেয়েছিলাম।"

চন্দ্রিমা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযোগ দায়ের করতে ভুক্তভোগীকে প্রক্টরিয়াল বডির সহায়তায় থানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে শারীরিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য রামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৫

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৪৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এর মধ্যে একজনকে আগের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ৪৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) পেয়ার আহমেদ। এর আগে শুক্রবার জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত এ অভিযান চলছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানায় ছয়জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে আগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১২ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ছয়জন, চরজব্বর থানায় দুজন, সোনাইমুড়ী থানায় ছয়জন, চাটখিল থানায় ছয়জন এবং কবিরহাট থানায় সাতজনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সমন্বয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%