১১:৫৫ এম
পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি জয়ী হয়েছে। উল্লেখ্য, রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দিয়েছিলেন বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া রাজনীতিক হুমায়ুন কবীর।
গতকাল শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উঠে এসেছে।
নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসি রানি রথ নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬৭৪ ভোট।
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ
হাসি রানি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রয়াত সহযোগী চন্দ্রনাথ রথের মা। গত ৬ মে চন্দ্রনাথকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।
নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই আসন থেকেই জয়ী হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেন। ভবানীপুর আসনটি সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দখলে ছিল।
অন্যদিকে, রেজিনগর আসনে বিজেপির প্রার্থী শঙ্করভ সরকার ৭৫ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য যে, রেজিনগরে ৭০ শতাংশ ভোটার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।
ফলাফল প্রকাশের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, ‘বিজেপি প্রার্থী হাসি রানি রথ নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হয়েছেন এবং আমার রেকর্ড জয়ের ব্যবধানও অতিক্রম করেছেন। নন্দীগ্রামের সংখ্যালঘুরা আমাদের সমর্থন জানিয়েছেন এবং আমাদের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার অনুরোধ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।’
আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?
তিনি আরও বলেন, ‘রেজিনগরেও আমাদের প্রার্থী জয়ী হচ্ছেন এবং সেখানে আমরা যে ভোট পেয়েছি, তার সিংহভাগই এসেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছ থেকে। আমি রেজিনগরের জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।’
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে এবং বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবারের মতো সরকার গঠনের কয়েক মাস পরেই বিজেপি আবার সাফল্য পেল। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস এবং ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়ের ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস এবারের উপনির্বাচনে পৃথকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। তাই নির্বাচনে কোন দল কেমন ফলাফল করে, তা নিয়ে মানুষের আগ্রহ ছিল।
নন্দীগ্রামে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে শেষ মুহূর্তে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। পরে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল।
অন্যদিকে বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে আলোচনায় থাকা রাজনীতিক হুমায়ুন কবীর আসন ছেড়ে দেওয়ায় রেজিনগরে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গোলাম নবী আজাদ আম জনতা উন্নয়ন পার্টির পক্ষে লড়ে ৫৪ হাজার ৯৮ ভোট পান। বিপরীতে বিজেপির শঙ্করভ সরকার পান ১ লাখ ২৯ হাজার ৯১৪ ভোট।
আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন