০২:২২ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য বিদ্যমান নিবন্ধিত জেলেদের তালিকা পুনর্নির্ধারণ, বাছাই ও হালনাগাদের লক্ষ্যে ব্যাপক যাচাই-বাছাই কার্যক্রম দুই দিনব্যাপী সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে ২০ জুলাই ও ২১ জুলাই তারিখে উপজেলা এলাকার পাঁচটি ইউনিয়নে মোট ২ হাজার ৬৮ জন নিবন্ধিত জেলের তথ্যকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়েছে।
সয়না রঘুনাথপুর, আমরাজুরী, কাউখালী সদর, চিরাপাড়া-পারসাতুরিয়া ও শিয়ালকাঠী ইউনিয়নে পৃথকভাবে এই উপলক্ষে উন্মুক্ত যাচাই-বাছাই ও তথ্য হালনাগাদ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভাগুলোতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্যজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।
উন্মুক্ত যাচাই-বাছাই সভায় উপস্থিত একাধিক স্থানীয় মৎস্যজীবী জানান যে, প্রকৃত জেলেরা যেন সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন এবং ভুয়া কোনো ব্যক্তি যেন তালিকায় ঠাঁই না পায়। এ জন্য একযোগে যাচাই-বাছাই করা একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এতে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার সুরক্ষিত হবে। তালিকায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন,
আরও পড়ুন: সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর বেড়িবাঁধ ধসে মানুষের চরম দুর্ভোগ
"প্রকৃত মৎস্যজীবীদের তালিকাভুক্ত করতেই এই উদ্যোগ। অনেক সময় দেখা যায় অপেশাদার লোক তালিকায় যুক্ত হয়ে যান, আবার কিছু প্রকৃত জেলে বাদ পড়েন। আমরা প্রতিটি ইউনিয়নে সরাসরি জেলেদের মুখোমুখি হয়ে এবং ট্যাগ অফিসারদের উপস্থিতিতে তালিকা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মেলাচ্ছি। লক্ষ্য একটাই—কোনো অ-জেলে যেন সরকারি সুবিধা না পায় এবং প্রকৃত একজন জেলে যেন বাদ না পড়ে।"
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন,
"জেলেদের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও ভিজিএফ চাল সুষ্ঠুভাবে বন্টন করতে সঠিক ডাটাবেজের বিকল্প নেই। নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় আমরা এই যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করছি। কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা অনিয়মের সুযোগ রাখা হয়নি। প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার নিশ্চিতে উপজেলা প্রশাসন সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।"
আরও পড়ুন: ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানাল ৫০০ জনের মানববন্ধন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন