মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৬ এম
দেশের বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৭২৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর ফলে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। আজকের দিনে সেই সমন্বিত দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম হ্রাস পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ফলে গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে গহনার নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে।
এর আগে গত শনিবার (২৯ আগস্ট) বাজুস সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভরিতে ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষ নানা কারণে দোকানপাট ও মার্কেটে চলে যায়। কিন্তু যদি তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে দেখা যায় যে সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে সব চেষ্টা বিফলে যাবে।
এজন্য মঙ্গলবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা জেনে নেওয়া যাক।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বসুন্ধরা সিটি, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমণ্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমণ্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, অর্কিড প্লাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় র্যাপার বাদশাহ এবং পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি তাদের দাম্পত্য জীবনের সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছেন।
বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে একটি যৌথ বিবৃতিতে তারা এই সিদ্ধান্ত জানান। এর ফলে গত এক মাস ধরে চলতে থাকা তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন জল্পনার অবসান ঘটলো।
বাদশাহ ও ইশা মার্চ মাসে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পর দুজনেই নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একই ধরনের বিবৃতি প্রকাশ করেন।
বাদশাহ তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, "আমি ও ইশা পারস্পরিক সিদ্ধান্তে আলাদা হওয়ার এবং নিজেদের পৃথক পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে সবাইকে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান দেখানোর অনুরোধ করছি।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের সম্পর্ক নিয়ে আর কোনো ধরনের জল্পনা বা অনুমান না করার জন্য আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি।"
জুলাই মাস থেকেই বাদশাহ এবং ইশার সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। ওই মাসে ইশা বাদশাহর সঙ্গে একাধিক ছবি ও ভিডিও নিয়ে একটি মন্টাজ প্রকাশ করেছিলেন।
পোস্টটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, "প্রতিটি ঝড়ই একটি শিক্ষা। প্রতিটি প্রার্থনাই একটি আশা।" এসময় তিনি ভাঙা হৃদয় ও প্রার্থনার ইমোজি ব্যবহার করেন। এরপর থেকেই অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী ধারণা করতে শুরু করেন, তাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি ইশার মা পুনম রিখি ‘কর্মফল’ বা ‘কর্মা’ নিয়ে একাধিক পোস্ট করেন। সেগুলোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা সৃষ্টি করে।
এর আগে জুন মাসে ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ পর্বে বাদশাহর সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন ইশা রিখি।
এদিকে বিচ্ছেদের ঘোষণা এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন গুঞ্জন চলছিল—ইশা রিখি সালমান খানের উপস্থাপনায় আসন্ন ‘বিগ বস ২০’-এর প্রতিযোগীদের একজন হতে পারেন।
বাদশাহ এর আগে জেসমিন মাসিহকে বিয়ে করেছিলেন। ২০২০ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। সাবেক এই দম্পতির একটি মেয়ে রয়েছে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের ময়মনসিংহ রোডে রাজিব পরিবহণের একটি বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার লাহেরী কান্দা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন জামালপুর সদর উপজেলার বাইটকামারী এলাকার মৃত ইউনুস আলীর পুত্র জালাল উদ্দিন (৬০), তুলসীপুর এলাকার মৃত আতাহার আলীর পুত্র মকবুল হোসেন (৬৫), জামালপুর শহরের বজ্রাপুর এলাকার বাসচালকের সহকারী রুবেল মিয়া (৪৩) এবং বাইটকামারী এলাকার সাদ্দাম হোসেন (৩০)। আহত চারজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, রাজিব পরিবহণের বাসের বেপরোয়া গতির কারণে এই এলাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর থেকেই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন, যাতে করে দায়ীদের শাস্তির দাবি জানানো যায়। সড়ক অবরোধের ফলে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে এবং যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর পৌর শহর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া রাজিব পরিবহণের একটি বাস রাত ৮টার দিকে লাহাড়িকান্দা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে বাসটি ধাক্কা দেয়। এরপর চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়কের ওপর উলটে গিয়ে অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এই ঘটনায় অটোরিকশার দুজন এবং বাসের দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হন আরও চারজন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বাসের নিচ থেকে চারজনের লাশ উদ্ধার করেন। পরে লাশগুলো জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়কের ওপর উলটে থাকায় জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। রাত ১০টার দিকে সড়ক থেকে বাসটি সরানোর পর আবারও যান চলাচল শুরু হয়।
জামালপুর সদর থানার ওসি নাজমুস সাকিব জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের লাশ উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
থার্মাল ড্রোনের সাহায্যে টানেলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অংশে অনুসন্ধান পরিচালনা করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
নেপালের বন্যাকবলিত একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে উদ্ধার কার্যক্রম চালানো সত্ত্বেও কোনো শ্রমিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। রসুয়া জেলার ১১১ মেগাওয়াট ক্ষমতার রাসুওয়াগাধি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে অন্তত ৯৩ জন শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত তাদের সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি
এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোতে কোশি নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে শ্রমিকেরা টানেলের শেষ প্রান্তে আটকা পড়ে থাকতে পারেন—এমন আশঙ্কা থেকেই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। এই অভিযানে নেপালি সেনাবাহিনী, প্রকৌশলী এবং ড্রোন বিশেষজ্ঞদের একটি দল অংশগ্রহণ করে।
উদ্ধারকারীরা টানেলের একেবারে শেষ প্রান্তে পৌঁছাতে সক্ষম হন। এরপর থার্মাল ড্রোন ব্যবহার করে টানেলের ভেতরের বিভিন্ন অংশে অনুসন্ধান চালানো হয়। যেসব স্থানে সরাসরি প্রবেশ করা ঝুঁকিপূর্ণ বা কঠিন ছিল, সেখানেও ড্রোনের মাধ্যমে অনুসন্ধান করা হয়। কিন্তু সেখানে কোনো শ্রমিকের উপস্থিতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) নেপালের প্রধানমন্ত্রীর অফিস জানায়, সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত উদ্ধারকারী দলটি রাসুওয়াগাধি প্রকল্পের টানেলে তল্লাশি শেষ করে ফিরে এসেছে। ড্রোনের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার পর যে টানেলে কেউ নেই, সেই তথ্য পাওয়ার পর উদ্ধারকারীরা রসুয়া জেলার ধুনচেতে ফিরে যান।
এদিকে, নেপালের ভয়াবহ বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে শত শত শ্রমিক আটকা পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেক স্থানে নিখোঁজ ব্যক্তিরা টানেলে আটকা পড়েছেন, নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন, অথবা বন্যার পানিতে ভেসে গেছেন—এ বিষয়ে উদ্ধারকারীরা নিশ্চিত হতে পারছেন না।
গত বুধবার (২৬ আগস্ট) থেকে শুরু হওয়া ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ জন।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৯৩৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
এখন পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে ২৭৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। এর মধ্যে আপার ত্রিশূলী-১ প্রকল্প থেকে ২৫৪ জন এবং লাংটাং খোলা প্রকল্প এলাকা থেকে আরও ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন, নেপাল (আইপিপিএএন) জানায়, রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার ১১টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত ৮৯৭ জনের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ