বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:৪৯ পি.এম
একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে ওঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমি এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যা হবে সুখী, সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণমুখী।
তিনি আরও বলেন, যেখানে প্রান্তিক ও শ্রমজীবী মানুষ নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারবে, তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র নির্মাণ করা সম্ভব হবে।
দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের অধিকার আদায়ের দীর্ঘ সংগ্রামে পাশে থাকার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত অর্থবহ। একই সাথে তিনি দলের নেতৃত্ব, গণমাধ্যমকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ও তার কাছ থেকে পাওয়া দিকনির্দেশনার কথা আবেগভরে স্মরণ করেন। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতি এবং দীর্ঘ পথচলায় বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও তার বক্তব্যে উঠে আসে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানের আলীকদমে মিয়ানমার সীমান্তের মাধ্যমে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৪ নাগরিককে আটক করেছে।
বিজিবি বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে আটককৃত ব্যক্তিদের আলীকদম থানায় হস্তান্তরের কাজটি সম্পন্ন করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আলীকদম ৫৭-বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে।
বিজিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার মিয়ানমার থেকে ১৪ নাগরিক স্বেচ্ছায় আলীকদম ৫৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন ক্রিলাইপাড়া চেকপোস্টে এসে আত্মসমর্পণ করেছেন। বিজিবি তাদের নিজ হেফাজতে নিয়ে ক্রিলাইপাড়া চেকপোস্ট থেকে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে নিয়ে যায়।
আলীকদম ৫৭-বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা নিজেদের মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছেন। তবে তাদের কাছ থেকে কোনো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়নি। তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলেন বেসামরিক পোশাকে।
বিজিবি জানাচ্ছে, অবৈধ অনুপ্রবেশ আইন, ফরেনার্স অ্যাক্ট, সরকারি নির্দেশনা এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিধিবিধান অনুযায়ী ওই ১৪ নাগরিকের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবা নিয়ে সরকার দয়া বা চ্যারিটি হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করতে উদ্যোগী। সকল সাধারণ নাগরিকের মতো প্রতিটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষাবিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটি’র সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত একথা বলেন। সভায় আরও বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় দেশের ২২টি জেলার ২২টি উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের সার্বিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়াও ঢাকার কড়াইল বস্তিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শনাক্তকরণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ইতিমধ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে ইতিমধ্যে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের যেকোনো শ্রেণিতে এবং মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় নিশ্চিত করা হয়েছে।
নতুন নির্মিতব্য সব স্টেশনে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাতায়াতের র্যাম্প ছাড়াও টিকিট কাটা, যানবাহনে ওঠা ও টয়লেট ব্যবহারসহ ভ্রমণের পুরো প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্ন ও এক্সেসিবল করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থায় প্রতিবন্ধী শিশুদের অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে ড. মুহিত বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিশেষায়িত স্কুলগুলোকে আরও সুসংগঠিত করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সাধারণ স্কুলগুলোকেও প্রতিবন্ধীবান্ধব করে তোলা হচ্ছে, যাতে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী কোন শিশু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়। পাঠ্যক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কার, ব্রেইল পদ্ধতি এবং সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যবহার নিশ্চিতকরণের জন্যও কাজ চলছে।
সভায় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল বলেন, ভৌত কাঠামোর পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতেও প্রতিবন্ধীদের প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি প্রতিবন্ধী মানুষের ভেতরের বিশেষ মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, সব জায়গার মতো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী বাছাই করে দিচ্ছেন।
তিনি বলেছেন, আমরা দ্রুততম সময়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করি। সরকার সনদ বাস্তবায়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, কিন্তু মুখে সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও স্বৈরতান্ত্রিক প্রথাই চলমান।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণের পূর্বে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠকে নাহিদ ইসলাম এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোট থেকে প্রার্থী দিয়েছি যেন সরকারি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া জয়ী হতে না পারে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেয়ার মাধ্যমে রাজনৈতিক অবস্থান এবং জনগণের কাছে বার্তা পাঠানোর উদ্দেশ্য রয়েছে। আজ সবাই স্বাধীনভাবে ভোট দেবেন, এটাই আমার আশা।
নাহিদ ইসলাম জানিয়ে দিয়েছেন, আমরা প্রতিযোগিতামূলক গণতন্ত্র চাই। যদি বিএনপি জুলাই সনদ কার্যকর করতো, তাহলে গোপন ব্যালটে ভোট হওয়ার সুযোগ থাকতো। কিন্তু সেটি এখন হচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখা সম্ভব হলে দেশের খেলাধুলায় গুণগত পরিবর্তন আনার সুযোগ তৈরি হবে, এমনটাই মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ইসরাফিল খসরু।
এটি বুধবার রাতে টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্টস এসোসিয়েশন (টিসিজেএ) চট্টগ্রাম আয়োজিত বার্ষিক ইনডোর ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের মাধ্যমে বলেছেন তিনি।
টিসিজেএ সভাপতি এনামুল হক এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম চৌধুরী এর সঞ্চালনায়, চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো. সালাহউদ্দিন, দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার ক্রীড়া সাংবাদিক সাইফুল্লাহ চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। এ উপলক্ষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজক কমিটির সভাপতি সনজীব দে বাবু, সাবেক সভাপতি সফিক আহমেদ সাজিব এবং টিসিজেএ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, আলী আকবর, সুমন গোস্বামী।
ইসরাফিল খসরু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রীড়াঙ্গনে গুণগত পরিবর্তন চান। এজন্য প্রকৃত ক্রীড়া সংগঠক ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সামনের সারিতে নিয়ে আসা অপরিহার্য। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের সাথে জড়িত থাকা প্রয়োজন। ক্রীড়া সংস্কৃতি মানুষের মধ্যে শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্প্রীতি তৈরি করে। তাই সকলের উচিৎ খেলাধুলার পরিবেশকে আরও সুন্দর ও উৎসবমুখর করার জন্য একসঙ্গে কাজ করা।
টিসিজেএ’র এই আয়োজনের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ক্রীড়ার এই ধরনের আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার আহবানও উত্থাপন করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে টিসিজেএ যুগ্ম সম্পাদক বাসু দেব, অর্থ সম্পাদক মোঃ পারভেজুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক সাইমুন আল মুরাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ নাজিম উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য রবিউল ইসলাম টিপু, জহিরুল ইসলাম, মোঃ নাজিম উদ্দিনসহ অন্যান্য টিসিজেএ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতায় টিসিজেএ’র সদস্যদের অংশগ্রহণের জন্য বিভিন্ন ইনডোর খেলাধুলার আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজনকে ঘিরে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। খেলাধুলার পাশাপাশি সহকর্মীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যাশাও জানিয়েছেন আয়োজকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ